শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫ | ২৮ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

‘অর্জিত জ্ঞানের সঠিক ব্যবহারই শিক্ষার সফলতা’

অর্জিত জ্ঞান, নেশা ও পেশার সমন্বিত রূপের আরেক নাম সফলতা। এ তিনের সুষ্ঠু সমন্বয় ঘটিয়েছেন টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের গোমজানি গ্রামের তরুণ কৃষিবিদ শাকিল আহমেদ। সফলতাও ধরাশায়ী হয়েছে তার কাছে।

কৃষি নিয়ে পড়ালেখা করা শাকিল বলেন, ‘অর্জিত জ্ঞানের সঠিক ব্যবহারই শিক্ষার সফলতা। দেশ ও দেশের মানুষকে বাঁচাতে হলে কৃষিকে বাঁচাতে হবে, বাঁচাতে হবে দেশের কৃষককে।’

কৃষি, কৃষক ও বাংলাদেশ- শব্দ তিনটি পরস্পরের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে পড়েছে। সেটি বোঝা অনেকের পক্ষে সম্ভব না হলেও গভীরভাবে উপলব্ধি করেছেন শাকিল আহমেদ। তাই তো প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখার পাট চুকিয়ে তনু-মন নিয়োগ করেছেন কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে।

২০২০ সালে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষি বিভাগে পড়ালেখা শেষ করেন শাকিল আহমেদ। চাকরিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শুরু থেকেই নিজেকে উজাড় করেছেন কৃষিতে। শুধু জীবিকার তাগিদ নয়, রয়েছে কৃষির উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের তাগিদও। আছে কৃষক ও কৃষি বাঁচানোর আর্তি।

শাকিল জানান, করোনাকালে শুরু করেন কৃষি জমিতে সবজি ও ফল চাষ। এক জমিতে ৮-১০ ধরনের ফসল চাষ করে কীভাবে পুরো জমি কাজে লাগানো যায়, তা বাস্তবায়ন করেন। প্রথমে স্কোয়াশ চাষ করেন। এরপর তার প্রকল্প ক্রমাগত বাড়িয়েছেন। সেই সঙ্গে বিষ প্রয়োগ ছাড়াই প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে পোকা দমন, রাসায়নিক সারের বদলে কম্পোস্ট সার ব্যবহার করেন। এ ছাড়া রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রিত খাদ্যের পরিবর্তে পোকা পালন করে মাছ ও মুরগির প্রাকৃতিক খাদ্য সরবরাহ করেন।

সেই সঙ্গে মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদে পানি ও সারের অপব্যবহার রোধ করা এবং অনলাইনে কৃষকদের ঐক্যবদ্ধ করে পরামর্শ দিয়ে আধুনিকায়নে কৃষিকাজে বিশেষ ভূমিকা রেখে অল্প দিনেই প্রশংসিত হয়েছেন এ তরুণ উদ্যোক্তা।

শাকিল একই গ্রামের মো. আব্দুল করিমের ছেলে। দেশের কৃষি ও কৃষক রক্ষায় নিজেই কৃষক হয়ে মাঠে কাজ করছেন। কৃষি ও কৃষকদের আধুনিকীরণ করতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তিনি। তাকে অনুসরণ ও তার পরামর্শ নিয়ে স্থানীয় কৃষকরা ক্রমশ আধুনিক হচ্ছেন। অধিক লাভবান হচ্ছেন কৃষি কাজে।

রাষ্ট্রের অন্তিম মুহূর্তে রাষ্ট্র বৈদেশিক খাদ্য রপ্তানি করতে ব্যর্থ হলে তখন দেশের মানুষের খাদ্যের যোগান দেবে কৃষক। সেই কৃষকদের আধুনিক করতে চাকরির পেছনে না ছুটে ছুটছেন কৃষি ও কৃষকদের পেছনে। বিসিএস করে কৃষি কর্মকর্তা হওয়ার স্বপ্ন নেই শাকিলের। স্বপ্ন কৃষকদের আধুনিক করা।

কৃষিবিদ শাকিল আহমেদ বলেন, ‘করোনাকালে যখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল, তখন পরিবার থেকে অল্প পুঁজি নিয়ে এক টুকরো জমিতে শুরু করি স্কোয়াশ চাষ। আধুনিক চাষাবাদে ফলন হয় পর্যাপ্ত। ফলে প্রথম বছরেই ৫০ হাজার টাকা লাভ হয়। ২০২১ সালের বন্যায় ডুবে যায় সবজির জমিগুলো। বসে না থেকে পুকুর কিনে মাছের ওপর বিনিয়োগ করি। ফলে অর্থ সংকটে পড়ি। এ সময় কিছু বিনিয়োগকারীর সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। কিছু বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরিচয় হয়। ওই সময় ফার্মনেট এশিয়া নামে একটি অনলাইনভিত্তিক কোম্পানি চালু করি। যার কাজ কৃষক, ভোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত রাখা। এখানেও সাড়া পাই যথেষ্ট।’

বর্তমানে ৪২ শতাংশ জমিতে স্কোয়াশ, ৪০ শতাংশে ক্যাপসিকাম, ৫০ শতাংশে শসা এবং ১২৫ শতাংশে মিশ্র ফল ও সবজির সমন্বিত চাষ করছেন শাকিল। সমন্বিত সবজি চাষে একই জমিতে রয়েছে পেঁপে, টমেটো, শসা, বেগুনি বাঁধাকপি, ব্রোকলি, রক মেলন,বাঁধাকপি, লাউ ও লাল শাক। একটি জমি পুরোপুরি ব্যবহার করতে সমন্বিত চাষ শুরু করেন। ২৫৭ শতাংশ জমিতে বিনিয়োগ করেছেন প্রায় ৬ লাখ টাকা।

এরপর ১০ লাখ টাকা বিক্রির টার্গেট নিয়ে কাজ করছেন তিনি। বর্তমানে তার উৎপাদিত সবজি ও ফল স্থানীয়দের চাহিদা মিটিয়েও রাজধানীতে যাচ্ছে। শতাধিক কৃষক শাকিলের পরামর্শ ও সহযোগিতা নিয়ে কৃষিকাজে ব্যাপক সফলতা পাচ্ছেন। স্থানীয় কৃষক বাহাদুর, সেলিম মিয়া, কালাম মিয়া ও সোহরাব মাস্টার জানিয়েছেন শাকিলের সহযোগিতার কথা।

এ বিষয়ে দেলদুয়ার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোয়েব মাহমুদ বলেন, শাকিল একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আমি শাকিলের কৃষি প্রকল্পগুলো কয়েকবার পরিদর্শন করেছি। তার এসব উদ্যোগের পাশে সবসময় কৃষি অফিস থাকবে। এরই মধ্যে নানা ধরনের পরামর্শ শাকিলকে দেওয়া হচ্ছে। তার এমন উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসনীয়।

এফএস/এসএন

Header Ad
Header Ad

আমি জানি না, ওরা কেন মাঠ থেকে অবসর নিতে চায় না : খালেদ মাহমুদ সুজন

আমি জানি না, ওরা কেন মাঠ থেকে অবসর নিতে চায় না : খালেদ মাহমুদ সুজন। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের ক্রিকেটে আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নেওয়ার সংস্কৃতি এখনো গড়ে ওঠেনি। সর্বশেষ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পর এই প্রসঙ্গ আবার আলোচনায় এসেছে।

২০০৬ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঘরের মাঠে সিরিজ খেলে ফুলের তোড়া হাতে নিয়ে হাসিমুখে বিদায় নিয়েছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজন। একইভাবে ২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বিদায় নিয়েছিলেন মোহাম্মদ রফিক। কিন্তু এরপর থেকে দুই দশকের বেশি সময়েও বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে মাঠ থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায়ের দৃশ্য দেখা যায়নি।

এ প্রসঙ্গে খালেদ মাহমুদ সুজন বলেন, “ওদের ক্যারিয়ার বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য অসাধারণ ছিল। মাঠ থেকে বিদায় নেওয়ার সুযোগ ওদের প্রাপ্য ছিল। যারা ভালোবেসেছে ও সমর্থন দিয়েছে, তারাও চাইত গ্যালারি ভরা দর্শকের হাততালির মধ্যে তারা বিদায় নিক। কিন্তু সেই সুযোগটা আর হলো না। কেন মাঠে অবসর নেয়নি, সেটা ওরাই ভালো বলতে পারবে।”

অনেকে মনে করেন, বোর্ডের পরিকল্পনার অভাবের কারণেই এমনটা ঘটছে। তবে সুজন এই দাবির সঙ্গে একমত নন। তিনি বলেন, “যখন আমি অবসর নিয়েছিলাম, আগেই জানিয়েছিলাম সেটাই আমার শেষ ম্যাচ। কিন্তু যদি কেউ না জানায়, বোর্ড বুঝবে কীভাবে? ক্রিকেটাররা আগেই বললে বোর্ডও সম্মানজনক বিদায়ের ব্যবস্থা করতে পারে।”

সম্প্রতি মুশফিকুর রহিম ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে এবং মাহমুদউল্লাহ সব ফরম্যাট থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। তাদের এমন সিদ্ধান্তকে সময়োপযোগী বলেই মনে করছেন সুজন। তার মতে, “ওরা চাইলে হয়তো আরও কিছুদিন খেলতে পারত। কিন্তু মাঠ থেকে বিদায় নিলে সেটা আরও স্মরণীয় হয়ে থাকত।”

মাঠ থেকে বিদায় নেওয়ার সংস্কৃতি গড়ে তোলা না গেলে ভবিষ্যতেও এই ধরনের পরিস্থিতি চলতেই থাকবে বলে মনে করছেন অনেকেই।

Header Ad
Header Ad

উপদেষ্টা মাহফুজ শাহরিয়ার কবিরদের ভাষাতেই কথা বলেছেন : জামায়াত

উপদেষ্টা মাহফুজ শাহরিয়ার কবিরদের ভাষাতেই কথা বলেছেন : জামায়াত। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার ১৩ মার্চ এক বিবৃতিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, মাহফুজ আলম গত ১২ মার্চ ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেছেন যে, “জামায়াত যুদ্ধাপরাধের সহযোগী ছিল।” মিয়া গোলাম পরওয়ার এ বক্তব্যকে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা আখ্যা দিয়ে বলেন, মাহফুজ আলম জামায়াত সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন তা আসলে একটি প্রতিবেশি দেশের গুপ্তচর শাহরিয়ার কবিরদের ভাষার অনুকরণ।

তিনি আরও বলেন, মাহফুজ আলমের উচিত স্মরণ রাখা যে, তিনি একটি অরাজনৈতিক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা এবং কোনো রাজনৈতিক দলকে টার্গেট করে এমন মন্তব্য করার অধিকার তার নেই। এমন মন্তব্য দিয়ে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অরাজনৈতিক চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার উল্লেখ করেন যে, শেখ মুজিবুর রহমানের সময় গঠিত তদন্ত কমিশনেও জামায়াতের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এমনকি অধ্যাপক গোলাম আযম সুপ্রিম কোর্টে নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে নাগরিকত্ব ফিরে পেয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের প্রভাবিত বিচার এবং স্কাইপ কেলেঙ্কারি, বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বক্তব্য এবং সাঈদীর মামলার সাক্ষী সুখরঞ্জন বালীর বক্তব্য এই বিচার ব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, জামায়াতে ইসলামী আহলে সুন্নত আল জামায়াতের অনুসারী এবং এর আক্বিদার বিষয়ে প্রশ্ন তোলা অযৌক্তিক। জামায়াতে ইসলামী স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন ইসলামি দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করে আসছে।

মিয়া গোলাম পরওয়ার আশা প্রকাশ করেন যে, মাহফুজ আলম তার মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করবেন এবং ভবিষ্যতে এমন বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

Header Ad
Header Ad

নওগাঁ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

শফিউল আজম টুটুলকে আহ্বায়ক ও মোস্তাফিজুর রহমান মানিককে সদস্য সচিব করে নওগাঁ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) রাতে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানি ও সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান এই কমিটি অনুমোদন দেন।

কমিটির অন্যান্য নেতারা হলেন, যুগ্ম-আহ্বায়ক দেওয়ান কামরুজ্জামান কামাল,মো. জাহাঙ্গীর আলম গুলজার, শামিম নুর আলম শিপলু,মো. মাহমুদ হাসান,গোলাম মোস্তফা তাতু,আলম তাজ তাজু,মো. মিজানুর রহমান রনি, মো. মামুনুর রশিদ,আব্দুল্লাহ আল মামুন শিমুল,হাসিবুর রহমান প্লাবন,মো. নূর নবী,মো. আব্দুল বারী তুহিন,মো. রাগিব শাহরিয়ার কৌশিক,মো. শহিদুজ্জামান সৌরভ,মো. ফারহিম ইসলাম মুন্না।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

এছাড়া সদস্যরা হলেন, আব্দুল বারী হিরা, মহসিন আলী,মুশফিকুর রহমান সুজন চৌধুরী,মেহেদী হাসান পলাশ,মো. হেলাল উদ্দিন,আরিফুল ইসলাম বাপ্পী,স্বাধীন সরদার,কে এম রাব্বি রিফাত স্বচ্ছ,মো. সুরুজ সরকার,মো. মামুনুর রশিদ বুলেট,মো. মাসুদ রানা,মো. শাহরিয়ার হক রাজু,মো. সালমান ফারসী রাজ,মো. শামীম হোসেন, মো. ইস্রাফিল আলম তিতাস,মো. রায়হানুল ইসলাম রিপন,মো.শামস বিন আইয়ুব,মো. আশাদুল ইসলাম,মো. রুহুল আমিন মল্লিক,মো. ইশতিয়াক আহমেদ মিনার,মো. এনামুল হক (দপ্তরের দায়িত্বে),মো. রাকিন হোসেন (সহ-দপ্তরের দায়িত্বে),মো. পাঠান মুরাদ,মো. আশিক আহমেদ শাওন,মো. সবুজ হোসেন,মো. ডলার,শ.ম. আলেফ হোসেন সুমন,মো. শহীদুজ্জামান মুরাদ,মো. রিপন রেজা, এ্যাড, আলতাফ হোসেন উজ্জল,সোহেলী আক্তার শুভ,সোহাগ কুমার কর্মকার,মোঃ ওমর ফারুক (ওমর),মো. স্বাধীন আহমেদ।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

 

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

আমি জানি না, ওরা কেন মাঠ থেকে অবসর নিতে চায় না : খালেদ মাহমুদ সুজন
উপদেষ্টা মাহফুজ শাহরিয়ার কবিরদের ভাষাতেই কথা বলেছেন : জামায়াত
নওগাঁ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
শিশু আছিয়ার দাফন সম্পন্ন, অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন দিলো বিক্ষুব্ধ জনতা
বেইজিংয়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ড. ইউনূস
‘২০২৬ সালেই বাংলাদেশকে এলডিসি থেকে উত্তরণ করা হবে’
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি শোভনের বাবা গ্রেপ্তার
শুক্রবার থেকে বন্ধ হচ্ছে দেশের সব পর্ন ওয়েবসাইট
ট্রাম্পের গাজা দখলের পরিকল্পনা থেকে সরে আসা নিয়ে যা বলল হামাস
গাম্বিয়ার সঙ্গে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীরতর করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
স্ত্রীসহ সাবেক বিজিবি প্রধান সাফিনুল ইসলামের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
মাগুরার শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার ৭ দিনের মধ্যে শুরু হবে: আইন উপদেষ্টা
আছিয়ার মরদেহ সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে মাগুরায় নেওয়া হবে
ঢাকায় পৌঁছেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস
সোয়া ২ কোটি শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাপসুল
ধর্ষণের হুমকি পেলেন ভাইরাল কন্যা ফারজানা সিঁথি, অতঃপর...
যমুনা সেতু মহাসড়কে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ২৫
নওগাঁ মেডিকেল কলেজ নিয়ে ষড়যন্ত্র বন্ধ ও স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের দাবি
চুয়াডাঙ্গায় ১ লাখ ৪৭ হাজার শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাপসুল
টাঙ্গাইলে ‘বঙ্গবন্ধু সেনানিবাস ও বঙ্গবন্ধু ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ’র নাম পরিবর্তন