শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫ | ১৪ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

শাবিপ্রবির ভিসি গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছেন

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন যে খুব বড় সমস্যা ছিল, এমনটা না। সেটি সমাধানের জন্য প্রশাসনের চেষ্টা করা তাদের দায়িত্বের অংশ ছিল। মেয়েদের হলে খাওয়া-দাওয়ার মান নিয়ে একটি ক্ষোভ ছিল। তারপর ইন্টারনেট কাজ করে না। এখন সবসময়ই অনলাইনে পড়াশোনা করতে হচ্ছে। এসব বিষয় নিয়ে ছাত্রীদের পক্ষ থেকে প্রভোস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করা, তাকে সমস্যাগুলো জানানো এবং সমাধানের চেষ্টা করা। তারপর যখন কোনোভাবেই সমাধান হচ্ছে না, তারা প্রভোস্টের সঙ্গে বসতে চাচ্ছে কথা বলার জন্য; কিন্তু প্রভোস্ট তাদের সেই আহবান গ্রহণ করেনি।

এমনকী তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে। যদিও দুর্ব্যবহারের অভিযোগটি বেশ পুরনো। আসলে সেখান থেকেই ক্ষোভ এবং সেখান থেকেই এ আন্দোলনের শুরু। প্রভোস্টের ব্যর্থতা বোঝা গেল, প্রভোস্ট হিসেবে যে দায়িত্ব পালন করার কথা ছিল, সেটি তিনি করেননি। প্রভোস্ট হতে গেলে তো শিক্ষার্থীদের এসব সমস্যার সমাধান করতে হবে। সেটিও যদি না পারা যায়, তাহলে বুঝতে হবে–কেন পারা যাচ্ছে না, বিশ্ববিদ্যালয়ের অক্ষমতা অথবা সীমাবদ্ধতা কী অথবা কোথায়?

শিক্ষার্থীদের বোঝাতে হবে আর সেগুলো যদি পারা না যায়, তাহলে তো তিনি প্রভোস্ট হওয়ার যোগ্য না। প্রভোস্টকে বলতে হবে সমাধানের জন্য অথবা অন্য প্রভোস্ট নিতে হবে। সেটিও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন করেনি। এর ফলে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ বাড়তে থাকে এবং আন্দোলন চলতে থাকে। সেটি সমাধান না করেই সমাবেশের উপর সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠন হামলা চালায়। তারা তো আর নিজ থেকেই হামলা করেনি। কারও প্রতিনিধি হিসেবে, কারও স্বার্থরক্ষা করতে হামলা করেছে। কারও আদেশে হামলা করেছে। সাধারণত তারা প্রশাসনের পক্ষে থাকে। সেটি আরও বোঝা যায় প্রশাসন যখন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করে। তখন ধরেই নেয়া যায় যে, প্রশাসনের ইঙ্গিত অথবা ইন্ধনেই হামলাটি হয়েছে। শান্তিপূর্ণ একটি অবস্থান কর্মসূচির উপর তারা কেন হামলা করবে? এরপরই যখন পরিস্থিতির অবনতি হয়, উপাচার্য তাদের দাবি-দাওয়ার কথা না শোনে, স্বাভাবিকভাবেই হামলার বিচার এবং অন্যান্য দাবি দাওয়াগুলি না মানার কারণে ছাত্রছাত্রীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ঘেরাও করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা এরকম আগেও করেছে আমরা জানি। সে ক্ষেত্রে প্রশাসন আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে সমস্যার সমাধান করে থাকে। এখানে খারাপ যে বিষয়টি ঘটল, পুলিশকে লেলিয়ে দেয়া হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের পেটাতে! ছাত্রছাত্রীদের ভুল থাকলে তাদের বুঝাতে পারে, তিরস্কার করতে পারে, কিন্তু গুন্ডাবাহিনী লেলিয়ে দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের উপর হামলা চালানো সেটি তো অবিশ্বাস্য ঘটনা। একটা যুদ্ধ যুদ্ধ পরিস্থিতি বানিয়ে ফেলা হলো। সমস্যার সুত্রপাতটি ছিল ডাইনিং হলকে ঘিরে সেটাকে সমাধান না করে এভাবে পরিস্থিতি নষ্ট করে ফেলা–মূলত সেখান থেকেই কিন্তু শিক্ষার্থীদের আমরণ অনশন শুরু।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সমাধানের পথ না খুঁজে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেয়া,হল বন্ধ করে দিয়ে সংকট আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীরা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তকে অগ্রাহ্য করে আমরণ অনশন শুরু করে। গত কয়েকদিনে উপাচার্য তাদের সাথে কোনো আলোচনায় অংশ নেয়নি। লিখিত আকারে একটি বক্তব্য দিতে পারতেন, সেটিও করেননি।

এরই মধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের প্রসঙ্গ তুলে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের যে বক্তব্য শাবিপ্রবির ভিসি দিয়েছেন, সেটি খুবই আপত্তিকর। মেয়েদের অবমাননা করে দেওয়া তার বক্তব্য সাংঘাতিক রকমের আপত্তিজনক। আমাদের দেশে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে স্পিকার, মন্ত্রী, সাংসদসহ সব ক্ষেত্রেই নারীরা রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। কাজেই তার এই বক্তব্য সমগ্র নারী সমাজের প্রতি অবমাননাকর। তার এহেন বক্তব্য শুধু নয়, সবকিছু মিলিয়ে তার আর কোনো গ্রহণযোগ্যতা আছে বলে মনে করি না।

সরকারও কেন এটি এতদিন ঝুলিয়ে রাখছে জানি না। এখন তো বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য সরকার থেকে নিয়োগ দিতে হয়। যেখানে একজন উপাচার্য তার কথাবার্তার ধরন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে কোনোভাবেই মিলে না। সুতরাং তাকে বদলে অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়া উচিত। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা এমন হয়েছে যে, যারা শিক্ষিত ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি মানবিক দায়িত্বশীল ইত্যাদি না দেখে দলীয় বিষয়কে প্রাধান্য দেয়া, সরকারের সাথে সবক্ষেত্রে আপস করে চলা অনুগত ব্যক্তিরা উপাচার্যের নিয়োগ পাচ্ছেন। এটি কিন্তু সমস্যার একটি বড় কারণ।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদত্যাগ করার মাধমে এই সমস্যার সমাধান হতে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে সমস্যা সমাধান করতে হলে উপাচার্য নিয়োগের প্রক্রিয়াটি পরিবর্তন হওয়া দরকার। নিজেদের দলীয় কর্মী নিয়োগ না দিয়ে উপযুক্ত ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া উচিত। দ্বিতীয়ত, সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠনের আধিপত্য বন্ধ করতে হবে এবং তৃতীয়ত বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে বিশাল বিশাল কন্সট্রাকশন প্রজেক্ট শুরু হয়েছে। এগুলোকে ঘিরেও বেশকিছু জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এগুলোরও সুষ্ঠু সমাধান হওয়া উচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে।

লেখক: অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

এসএ/

Header Ad
Header Ad

রাজনৈতিক হয়রানির শিকার ৬৬৮১ মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ

ছবি: সংগৃহীত

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক হিসেবে চিহ্নিত ৬ হাজার ৬৮১টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুলের সভাপতিত্বে গঠিত মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কমিটি এখন পর্যন্ত ৯টি সভা করেছে, যেখানে এসব মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়। এ সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা পর্যালোচনা ও প্রত্যাহারের জন্য জেলা এবং মন্ত্রণালয় পর্যায়ে দুটি পৃথক কমিটি গঠন করেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে গঠিত এই কমিটিগুলো বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়সহ বিভিন্ন সময়ে দায়ের হওয়া হয়রানিমূলক মামলাগুলো তদন্ত ও বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কমিটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। এ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, অতিরিক্ত সচিব (আইন ও শৃঙ্খলা), যুগ্মসচিব (আইন) এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব পর্যায়ের একজন প্রতিনিধি। এ কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের আইন-১ শাখার উপসচিব, সিনিয়র সহকারী সচিব বা সহকারী সচিব।

অন্যদিকে, জেলা পর্যায়ের কমিটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। এ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপার (মহানগর এলাকায় ডেপুটি কমিশনার) এবং পাবলিক প্রসিকিউটর (মহানগর মামলার ক্ষেত্রে মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর)। এ কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।

সরকারের এই উদ্যোগের মাধ্যমে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক মামলাগুলো পর্যালোচনা করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষকে আইনি হয়রানি থেকে মুক্তি দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সূত্র: বাসস।

Header Ad
Header Ad

শাকিব খানের জন্মদিনে শুভেচ্ছার বন্যা, দুই প্রাক্তনের বার্তায় উত্তাল নেটদুনিয়া

অভিনেতা শাকিব খান, অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলী। ছবি: সংগৃহীত

ঢালিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা শাকিব খান আজ ৪৬ পেরিয়ে ৪৭-এ পা রাখলেন। ১৯৭৯ সালের ২৮ মার্চ গোপালগঞ্জে জন্ম নেওয়া এই সুপারস্টার তার শৈশব কাটিয়েছেন নারায়ণগঞ্জে। ক্যারিয়ারের দুই যুগের বেশি সময় পার করেও তিনি রুপালি পর্দার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন।

শাকিব খানের জন্মদিনে তার ভক্ত-অনুরাগীরা যেমন শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, তেমনি ঢালিউড তারকারাও শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন। বিশেষ করে তার দুই প্রাক্তন স্ত্রী—অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলীর শুভেচ্ছা বার্তা ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।

গতকাল মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শাকিব খানের সঙ্গে অভিনীত একটি সিনেমার দৃশ্য শেয়ার করেন অপু বিশ্বাস। ক্যাপশনে তিনি লেখেন— “শুভ জন্মদিন জীবন্ত মেগাস্টার শাকিব খান।” পাশাপাশি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে লেখেন, “আমার শাহরুখ খান।”

অন্যদিকে, শবনম বুবলীও একই সময়ে শাকিবের একটি ছবি শেয়ার করে লেখেন— “শুভ জন্মদিন শাকিব খান। বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির মহারাজা।”

এই দুই শুভেচ্ছা বার্তা সামনে আসতেই নেটিজেনদের একাংশ নানা ধরনের মন্তব্য করতে শুরু করেন। কেউ কেউ একে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে সমালোচনা করতেও ছাড়েননি।

 

ছবি: সংগৃহীত

১৯৯৯ সালে সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘অনন্ত ভালোবাসা’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে রুপালি পর্দায় অভিষেক হয় শাকিব খানের। যদিও প্রথম চুক্তিবদ্ধ হওয়া সিনেমা ছিল আফতাব খান পরিচালিত ‘সবাই তো সুখী হতে চায়’। শুরুটা সহজ না হলেও ধীরে ধীরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন তিনি।

তার সময়ের অনেক নায়ক রুপালি পর্দা থেকে হারিয়ে গেলেও শাকিব খান এখনো ঢালিউডের সবচেয়ে বড় তারকা। ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার মাধ্যমে ২০২৩ সালে আবারও প্রমাণ করেন, তিনি ফুরিয়ে যাননি। এরপর ‘রাজকুমার’ ও ‘তুফান’ মুক্তি পেয়ে বক্স অফিসে দারুণ সাড়া ফেলে। এবারের ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তার নতুন সিনেমা ‘বরবাদ’, যেখানে দ্বিতীয়বারের মতো তার সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন ওপার বাংলার ইধিকা পাল।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে শাকিব খান উপহার দিয়েছেন একের পর এক সুপারহিট সিনেমা। তার জনপ্রিয় সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে— ‘মাই নেম ইজ সুলতান’, ‘স্বপ্নের বাসর’, ‘মুখোশধারী’, ‘আমার প্রাণের স্বামী’, ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’, ‘প্রাণের মানুষ’, ‘সাহসী মানুষ চাই’, ‘বস্তির রানী সুরিয়া’, ‘প্রিয়া আমার প্রিয়া’, ‘দুই পৃথিবী’, ‘আমার স্বপ্ন তুমি’ ইত্যাদি।

অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পেয়েছেন অসংখ্য সম্মাননা। ২০১২ সালে ‘ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না’, ২০১৪ সালে ‘খোদার পরে মা’, ২০১৬ সালে ‘আরও ভালোবাসব তোমায়’, ২০১৭ সালে ‘সত্তা’ সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

বয়সের হিসেবে ৪৭-এ পা রাখলেও শাকিব খানের জনপ্রিয়তা আজও আকাশচুম্বী। তার অভিনয়শৈলী ও ক্যারিশমা দর্শকদের মুগ্ধ করে আসছে দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে। জন্মদিনে দুই প্রাক্তনের বার্তায় আলোচনা চললেও একথা বলাই যায়— শাকিব খান ঢালিউডের একচ্ছত্র রাজা হিসেবেই রাজত্ব করে যাবেন।

Header Ad
Header Ad

যমুনা সেতু মহাসড়ক: ঈদের ছুটির দ্বিতীয় দিনে রাতে বেড়েছে যানবাহনের চাপ

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

ঈদের ছুটির দ্বিতীয় দিন আজ। পরিবার ও পরিজন নিয়ে ছুটে মানুষ। ফলে এই ঈদকে সামনে রেখে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে আরও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ বেড়েছে।

এই মহাসড়কের এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পূর্ব টোলপ্লাজা ১৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট, ভোগান্তি ও দুর্ভোগের শঙ্কা থাকলেও এখন পর্যন্ত এর কোনটাই নেই। স্বাভাবিক গতির তুলনায় কিছুটা কম গতিতে পরিবহনগুলো চলাচল করছে।

শুক্রবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত মহাসড়কের যমুনা সেতু পূর্ব গোল চত্বর ও সেতু পূর্ব ইব্রাহিমাবাদ রেল স্টেশন এলাকায় এমন চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে ঘুরে আরও দেখা যায়, সকালের তুলনায় বিকালের পর থেকে আরও অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। তারমধ্যে ব্যক্তিগত যানবাহন, প্রাইভেট ও মোটরসাইকেলের সংখ্যা বেশি চলাচল করছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ শরীফ বলেন, মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও স্বাভাবিক গতিতেই যানবাহন চলাচল করছে। তিনি আশা করছেন ঈদযাত্রা স্বস্তির হবে।

এদিকে একইচিত্র যমুনা সেতু পূর্ব-ভূঞাপুর-এলেঙ্গা ২৬ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়কটিতেও। মহাসড়কে যানজট না থাকায় বিকল্প এই সড়কটি ব্যবহার করতে হচ্ছে না উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী যানবাহনগুলোকে।

এ প্রসঙ্গে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম রেজাউল করিম বলেন, এই আঞ্চলিক মহাসড়কেও স্থানীয় যানবাহনগুলো নির্বিঘ্নে যাতায়াত করছে এবং যেকোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে পুলিশ সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষকে স্বস্তি দিতে সাড়ে ৭’শ পুলিশ মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে নিয়োজিত এবং জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য তীব্র গরমকে উপেক্ষা করতে মহাসড়কে পরিশ্রম করছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

রাজনৈতিক হয়রানির শিকার ৬৬৮১ মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ
শাকিব খানের জন্মদিনে শুভেচ্ছার বন্যা, দুই প্রাক্তনের বার্তায় উত্তাল নেটদুনিয়া
যমুনা সেতু মহাসড়ক: ঈদের ছুটির দ্বিতীয় দিনে রাতে বেড়েছে যানবাহনের চাপ
মিয়ানমারে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৪৪, আহত ৭৩২
স্বাধীনতার নেতা বঙ্গবন্ধুর কোনও ভুলত্রুটি নেই: বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী
সুন্দরবনে রেড অ্যালার্ট: ঈদের ছুটি বাতিল, শিকার ও অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি
বাংলাদেশের জন্য চীন থেকে ২.১ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ, ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি
বাংলাদেশের জন্য ৫০ বছরের পানি ব্যবস্থাপনার মাস্টারপ্ল্যান চাইলেন অধ্যাপক ইউনূস
হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় ফিরলেন তামিম ইকবাল
চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ ৩৯.৮ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড, সহজে মিলছে না বৃষ্টি
জেলা প্রশাসকদের প্রতি ১২ নির্দেশনা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
জুমার নামাজের সময় শক্তিশালী ভূমিকম্প, মিয়ানমারে মসজিদ ধসে নিহত অন্তত ২০
ঈদে রাজধানীর নিরাপত্তায় ৪২৬ জন ‘অক্সিলারি ফোর্স’ নিয়োগ
যমুনা সেতু মহাসড়কে নেই যানজট, নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরছে উত্তরের মানুষ (ভিডিও)
টাঙ্গাইলে ৪০ দিন জামাতে নামাজ আদায় করে পুরস্কৃত ২১ কিশোর-তরুণ
থাইল্যান্ডে ভূমিকম্প: মুহূর্তেই ধসে পড়ল নির্মাণাধীন বহুতল ভবন
মিয়ানমারে ভয়াবহ ভূমিকম্প, ধসে পড়ল ভবন ও সেতু
ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ৯ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
সমালোচনার মুখে প্রসিকিউটর আফরোজ পারভীন সিলভিয়ার নিয়োগ বাতিল
ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প