শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ইভিএম নিয়ে সন্দেহ, সংশয় এবং সিদ্ধান্ত

রাজনীতি জীবনের সমস্ত দিক ছুঁয়ে যায় বা সব দিকে ছেয়ে আছে। এ কথা মানুন বা না মানুন— রাজনৈতিক আলোচনা এমন একটি আকর্ষণীয় বিষয় যেখানে সবাই অংশগ্রহণ করে। যারা বলতে পছন্দ করেন, আমি ভাই রাজনীতি পছন্দ করি না তারাও নিজের কথিত অপছন্দ সত্ত্বেও রাজনীতির আলোচনাতেই ঢুকে যান অবলীলায়। বিতর্ক করেন, উত্তেজিত হন এবং শেষে বলেন, এ জন্যেই কিন্তু আমি রাজনৈতিক আলোচনা করতে চাই না। তাত্ত্বিকভাবে বলা হয় রাজনীতি অর্থনীতির ঘনীভূত রুপ

বাংলাদেশে এই রাজনীতি ঘনীভূত হয় নির্বাচনে। ফলে রাজনৈতিক আলোচনা শেষ পর্যন্ত গিয়ে দাঁড়ায় নির্বাচনের আলোচনায়। চায়ের দোকানের আড্ডা থেকে সংসদীয় বিতর্ক, রাস্তার আলোচনা থেকে রাষ্ট্রপতিভবন সব জায়গায় আলোচনা গিয়ে ঠেকে নির্বাচন কেমন হয়েছে বা নির্বাচন কেমন হবে এই জায়গায়।

দ্বাদশ নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশ। নির্বাচন বাংলাদেশের জন্মের সঙ্গে যুক্ত। কারণ বাংলাদেশের সশস্ত্র স্বাধীনতা যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠেছিল ৭০ এর নির্বাচনের পর। এই নির্বাচনের বিজয় যুদ্ধের যৌক্তিকতা প্রতিষ্ঠা করেছিল। সেই অর্থে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমি রচনায় নির্বাচন, গণরায় এবং সেই অনুযায়ী দেশ পরিচালনার আকাঙ্ক্ষা ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। কিন্তু স্বাধীনতার ৫১ বছরেও আমরা একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করতে না পারা কি এতদিনের ক্ষমতাসীনদের ব্যর্থতা নয়? এগারটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্যে তুলনামূলকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বলা হয় ১৯৯১, ১৯৯৬ এর জুন, ২০০১ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনকে। এই চারটি নির্বাচনের বৈশিষ্ট্য ছিল নির্বাচনকালীন যে সরকার ছিলেন তারা নিজেরা নির্বাচনে অংশ নেননি। তারা শুধু নির্বাচন পরিচালনা করেছেন। ফলে ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন নিরপেক্ষ হয় না, গ্রহণযোগ্যতাও পায় না।

২০১৪ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনের পটভূমিতে ২০২৩ সালের নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ রকম এক পরিস্থিতিতে জুলাই মাসে ইভিএম নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময়ের উদ্যোগ নেয় ইসি। এতে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টিসহ ২৮টি দল অংশ নিয়েছিল। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি কমিশনের সঙ্গে বসে সময় নষ্ট না করার কথা বলে তাদের মতামত লিখিতভাবে পাঠিয়ে দেয়। বিএনপিসহ ১১টি দল মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেনি। জানা গেছে, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিসহ বাকি ২৮ দলের সংলাপে সব মিলিয়ে তিন শতাধিক প্রস্তাব আসে ইসির কাছে। সংলাপে অংশ নেওয়া ২৮টি দলের মধ্যে ২টি দল কোনো মতামত দেয়নি। ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাসদসহ ১২টি দল শর্ত সাপেক্ষে ইভিএম ব্যবহারের কথা বলেছে। জাতীয় পার্টিসহ ১০টি দল সরাসরি ইভিএম এর বিপক্ষে মত দিয়েছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল, বিকল্প ধারা ও তরিকত ফেডারেশন ইভিএমের পক্ষে মত দিয়েছে। সংলাপে আওয়ামী লীগ ৩০০ আসনে এবং তরিকত ফেডারেশন ১৫০ আসনে ইভিএম ব্যবহারের কথা বলেছিল। ইভিএম নিয়ে মতামতের প্রশ্নে দলের সংখ্যা বিবেচনায় ইভিএমের সমর্থনের চাইতে বিরোধিতাকারীর সংখ্যাই বেশি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘ইভিএমে যাওয়ার একটা বড় সিদ্ধান্ত আমাদের নিজেদের। ভোট হ্যান্ডল করবে রাজনৈতিক দল নয়, ভোটকে হ্যান্ডল করবে ইসি।’ এই সিদ্ধান্ত কীভাবে বা কোন বিবেচনায় নিলেন সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘যারা ভোট দিতে আসবেন, সেটা আমাদের মুখ্য বিবেচনায় এসেছে। রাজনৈতিক দলগুলো কে কী বলেছে, সেটা আমাদের মুখ্য বিবেচনায় আসেনি। কিন্তু বক্তব্যগুলো বিবেচনায় নিয়েছি। একই সঙ্গে যেসব ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগে কেন্দ্রে আসেন, তারা যেন আরও ভালোভাবে ভোট দিতে পারেন, তা বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

বিষয়টা গোলমেলে হয়ে গেল না কি? অতীতের মত আবার বিতর্কের জন্ম দিলেন ইসি। তার বক্তব্য অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত মুখ্য নয় তাহলে প্রশ্ন আসে, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করলেন কেন? বলছেন, যারা ভোট দিতে আসবেন তাদের মতটাই মুখ্য। তাহলে ১০ কোটি ৯১ লাখ ভোটারের মধ্যে কতজনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন ইসি? নির্বাচন কমিশন গঠনের পর শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, নাগরিক ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে ইসি। পত্রিকায় যতটুকু খবর এসেছে তাতে তাদের বেশিরভাগই ইভিএম নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। তাদের সংশয় দূর করার কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে?

কিন্তু রাজনৈতিক বিতর্ক বাদ দিলেও ইভিএম ব্যবহারে ইসির সক্ষমতা কত সে প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশন সচিব জানান, বর্তমানে ইসির হাতে দেড় লাখ ইভিএম রয়েছে। অশোক কুমার বলেন, ‘আমাদের কাছে যা ইভিএম রয়েছে তা দিয়ে ৭০-৮০টি আসনে নির্বাচন করা সম্ভব। বাকি আসনগুলোর জন্য নতুন করে যন্ত্র কিনতে হবে ইসিকে। প্রয়োজনে ইভিএম কেনার জন্য নতুন প্রকল্প নেওয়া হবে।’

তারমানে আবার কেনাকাটা? গতবারের কেনাকাটা নিয়ে অর্থাৎ যন্ত্রের মান ও দাম নিয়ে স্বচ্ছতার অভিযোগ ছিল। এবার কী হবে? এই আশঙ্কা থাকছে।

ইভিএম নিয়ে আলোচনা চলছে অনেকদিন ধরে। অতীতের কিছু ঘটনা নিশ্চয়ই আমাদের স্মৃতি থেকে হারিয়ে যায়নি। ইভিএম বিষয়ক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি ছিলেন প্রয়াত অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী। তিনি ইভিএমের কারিগরি ত্রুটির কথা উল্লেখ করে ইভিএম কেনায় সম্মতি দেননি। কারণ এই ইভিএমে ভোটার ভেরিফায়েড পেপার অডিট ট্রেইল নাই। ফলে একবার ফল প্রকাশ হলে তা যাচাইয়ের আর সুযোগ থাকে না। কোনো প্রার্থী যদি ফলাফল চ্যালেঞ্জ করতে চায় নির্বাচন কমিশন তাহলে নির্বাচন কীভাবে প্রমাণ করবেন যে গণনা ভুল হয়নি? কোনো উপায় নেই। অর্থাৎ ইভিএমকে বিশ্বাস করতে হবে। আর ইভিএমকে বিশ্বাস করতে হলে নির্বাচন কমিশনকে বিশ্বাস করতে হবে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের উপর আস্থার সংকট না দূর হলে ইভিএম নিয়ে সংশয় কাটবে কীভাবে?

ইভিএমে দুইটি অংশ থাকে। একটি ভোটার আইডেন্টিফিকেশন ইউনিট আর একটি ব্যালট ইউনিট। ফলে একজন ভোটার ইভিএমে আইডেন্টিফাই করার পর অন্য কেউ ব্যালট ইউনিটে চাপ দিয়ে ভোট দেওয়ার আশঙ্কা থাকে।

এইসব আশঙ্কার কথা বলেছেন নাগরিক এবং বিশেষজ্ঞদের অনেকে। রাজনৈতিক দলের কথা বিবেচনায় নিলেন না, সাংবাদিক, নাগরিক, শিক্ষাবিদদের আশঙ্কাকে আমলে নিলেন না, নিজেরা যা ভেবেছেন সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাহলে কি গ্রামীণ সেই প্রবাদটি নির্বাচন কমিশন মেনে চললেন? আমার কথা আমিই কই, তোরে শুধু জিগায়া লই। মতামতকে না হয় উপেক্ষা করলেন কিন্তু নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি এবং ইভিএম ব্যবহার করার ক্ষেত্রে বাস্তবে সক্ষমতার প্রমাণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজন কি নির্বাচন কমিশনের আছে?

লেখক: সদস্য, কেন্দ্রীয় কমিটি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)

আরএ/

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম হাসান সরকার অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট দিয়ে বিয়ের খবর জানিয়েছেন তিনি। স্ত্রীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি দিয়ে প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে ক্যাপশনে লিখেছেন— "আলহামদুলিল্লাহ কবুল। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।"

এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তোলা ছবি কাভার ফটো হিসেবে পোস্ট করেছেন এই অভিনেতা। ছবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানকেও দেখা গেছে।

 

তবে স্ত্রীর পরিচয় সম্পর্কে ফেসবুক পোস্টে কিছু উল্লেখ করেননি শামীম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো