রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধারাবাহিক উপন্যাস, পর্ব: ১৩

অঘ্রানের অন্ধকারে

অফিসে ঢুকতেই ধাক্কা খেয়েছি । একজন ছেলে অফিস গেটের সামনে পথ আটকে দাঁড়িয়ে আছে। ছেলেটির দিকে ভালো করে তাকালাম। পরনে জিনসের প্যান্ট। গায়ে ঢোলা শার্ট। পায়ে কমলা রঙের স্নিকার। শুকনো লিকলিকে চেহারা। দুই গাল বসে গর্ত হয়ে গেছে। তাতে গালের দুপাশের হাড় খানিকটা বেখাপ্পা রকমের উঁচু দেখাচ্ছে। চোখ দুটো বড়ো বড়ো। মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি। তবে তা কয়েকদিন শেভ না করার জন্য নাকি ফ্যাশন বোঝা যাচ্ছে না। এখন তরুণরা ফ্যাশন করে মুখে খোঁচা খোঁচা দাঁড়ি রাখে। সে পরিপাটি করে চুল আঁচড়িয়েছে। ছেলেটির ভেতর অভিজাত ভাব আছে।

ছেলেটি বলল, আমি শাবিন। তুরি আমার স্ত্রী।
তাকে চিনতে পারলাম। অবাক হলাম না। সে আমার কাছে আসবে অনুমান করেছিলাম। বললাম, আমার সঙ্গে এসো।
আপনার সাথে কথা আছে।

তোমাকে আসতে বলেছি।

জানি না শাবিন আমার কাছে কেন এসেছে। সে যেকোনো অস্বত্তিকর অবস্থা তৈরি করে ফেলতে পারে। তাকে অফিসের ভেতর নিয়ে যেতে হবে। তার কথা শোনা দরকার।

শাবিনকে বিভ্রান্ত দেখোচ্ছে। সে বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে গেছে। শাবিন হয়তো ভেবেছিল আমি তাকে গুরুত্ব দেব না। কিংবা না চেনার ভান করব। অফিসের গেট থেকে বিদায় করে দেব। সেসব কিছুই করিনি। তাকে সঙ্গে যেতে বলেছি ভেতরে। শাবিন আমার সঙ্গে আমার অফিসরুমের দিকে রওনা হলো।

ঘরে ঢুকে এসি অন করলাম। এসির টেম্পারেচার দিয়েছি ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসির পাখা তিনটা চালু রেখেছি। আমি চাইছি ঘর দ্রুত হিম ঠান্ডা হয়ে যাক। হিম ঠান্ডা পরিবেশে শাবিনের সঙ্গে কথা বলব।

ইউসুফকে ডেকে বেশি চিনি আর দুধ দিয়ে শাবিনের জন্য চা দিতে বলেছি।

শাবিন বলল, বাজারে আপনার বইয়ের কাটতি ভালো। পাবলিক বেশ খায়।

গল্প-উপন্যাস কোনো খাদ্যদ্রব্য না যে সেটা খাওয়া যাবে।

মিডলক্লাস সস্তা সেন্টিমেন্ট নিয়ে গল্প লেখেন। কায়নাত খান এখন একজন জনপ্রিয় লেখক। দেশের গন্ডিতে আপনার জনপ্রিয়তার কাছাকাছি কেউ আসতে পারেনি। আপনি হয়তো হারুকি মুরাকামি কিংবা জন গ্রিসামের জনপ্রিয়তাকে ছুঁতে চাইছেন। তাদের মতো করে লেখেন। আপনি কি জানেন, জনপ্রিয়তা সস্তার খুব কাছাকাছি। আপনি সস্তা হয়ে গেছেন কায়নাত খান, সেটা বুঝতে পারেননি।
হতভম্ব হয়ে গেলাম। বুঝতে পারছি না শাবিন কী বলতে চাইছে। নিজেকে শান্ত রাখলাম। স্থির চোখে শাবিনের দিকে তাকিয়ে বললাম, তুমি কি আমার লেখা নিয়ে আলোচনা করতে এসেছ?

আপনার লেখা এক একটা বই হাজার হাজার কপি বিক্রি হয়। লক্ষ লক্ষ টাকা রয়্যালটি পান আপনি।
তো?
আমার একান্ত ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আপনারা গল্প লিখছেন। সেই গল্প বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা কামাবেন। আমাকে কিছু ভাগ দেন।
মানে?
হাতে টাকাপয়সা নেই। কিছু টাকা দেন।

তোমার জীবন নিয়ে গল্প লেখা হচ্ছে না। তুরি তার নোটবুকে নিজের কিছু কথা লিখেছে।
তুরির সঙ্গে আপনার কী সম্পর্ক? গল্পকার বানিয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে আমার বউকে নিয়ে ঢলাঢলি করছেন। ব্যাপারটা পাবলিক ভালোভাবে নেবে না, কায়নাত খান।

প্রচন্ড মেজাজ খারাপ লাগছে। থাবড়ে এই ছেলের দাঁত ফেলে দিতে ইচ্ছে হচ্ছে। ঠিক করেছি রাগব না। শাবিনকে বোঝার চেষ্টা করলাম। সে উপন্যাসের ভালো চরিত্র হতে পারে। তাকে দরকার আছে।

বললাম, তোমার বউকে নিজের কাছে রাখো। তারসঙ্গে ঘুরতে যাও। ভালোবাসা দাও।
আমাকে কিছু টাকা দেন। আমি চলে যাচ্ছি। তারসঙ্গে আপনার যা ইচ্ছে হয় করুন। কিছু বলব না।
ইউসুফ কফি নিয়ে এসেছে। সঙ্গে স্যান্ডউইচ।

কফি আর স্যান্ডউইচ রেখে ইউসুফ চলে গেল।

শাবিন আরাম করে কফি খাচ্ছে। কফি খেয়ে সে মজা পাচ্ছে। কফিতে চুমুক দিয়ে শাবিন বলল, আপনাকে কথা দিচ্ছি আমি আর কোনোদিন আসব না। তুরি ভালো মেয়ে। সে সুন্দর লেখে। লেখার হাত আমারও ছিল। কবিতা লিখতাম, গান লিখেছি, গল্প-সব। ভালো লেখা, মন্দ লেখা বুঝতে পারি। তুরি আমাকে তার লেখা পড়ে শুনিয়েছে। পুন্নির কথা শুনে রাগ করেনি। আই লাভ পুন্নি। আই লাভ তুরি। আই লাভ বোথ অব দেম।

শাবিন হাতের উলটো পিঠ দিয়ে নাকের সর্দি মুছল। তার দিকে টিস্যুবক্স এগিয়ে দিলাম। সে বক্স থেকে টিস্যু নেয়নি। আবার হাতের উলটো পিঠ দিয়ে নাকের সর্দি মুছে হাত প্যান্টে ঘষে নিয়েছে।

শাবিনের শরীর থিরথির করে কাঁপছে। কফি পুরোটুকু শেষ করতে পারেনি। তার হাতপা শক্ত হয়ে এসেছে। সে হাত মুচড়ে বলল, টাকা দেন। ধার নিচ্ছি। দিয়ে দেব।

বললাম, তোমার সিগারেট খেতে ইচ্ছে হলে বারান্দায় গিয়ে খেতে পারো।
আমার কাছে সিগারেট নেই।

বারান্দায় এসো।
শাবিন বারান্দায় এলো। তার হাতে সিগারেট দিয়ে বললাম, তুমি এখন পরপর দুটো সিগারেট খাবে।
আমার শরীর খারাপ লাগছে। সিগারেটে হবে না। পাউডারের ব্যবস্থা লাগবে। পুন্নি ব্যবস্থা করে ফেলেছে। গাজী শালা এখন বলছে বাকি দেবে না। পুন্নি তার কাছে দাঁড়িয়ে আছে। টাকা দেন। গাজী শালার পুটকির ভেতর টাকা ভরে দিয়ে পুন্নিকে ছাড়িয়ে আনি।
সিগারেট জালাও।

শাবিন সিগারেট জালিয়েছে। সিগারেটে ঘনঘন দুটো টান দিয়ে বলল, শালার বাপ একটা বাইনচোত। আমার বয়স তখন আঠারো বছর। সব বুঝি। আমার বাপ সারাদিন আমার মায়ের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। মা চুপ করে থাকে। একদিন যেই কথা বলেছে অমনি ঠাস ঠাস করে তাকে চড় মারতে থাকল। আমার মনে হলো বাপকে খুন করে ফেলি। মা আমাকে কিছুই করতে দিলো না। কী হলো? মাকে দিয়ে ডিভোর্স নিল। মাকে বলল তাতে আমার ভালো হবে। আমার ভালোর জন্য বাইনচোত বাপ যা বলল মা তাই শুনল। মা আমার বাপকে ডিভোর্স দিলো।

শাবিন একটা সিগারেট থেকে আরেকটা সিগারেট জালাল। তার নাক থেকে সর্দি ঝরছে। সে স্থিরভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে পারছে না। এক হাত দিয়ে মাঝেমাঝে পেট চেপে ধরছে। তার পেট ব্যথা শুরু হয়েছে।

শাবিন বলল, প্রথম প্রথম কিছুদিন টাকা দিত। আমি গিয়ে টাকা নিয়ে আসতাম। তারপর সে তার ঠিকানা বদলে ফেলল। এখন তাকে আর কোথাও খুঁজে পাচ্ছি না। একবার তাকে খুঁজে পেলে সবার সামনে দাঁড় করিয়ে বলব, এই ইঞ্জিনিয়ার মারুফ হোসেন আমার বাবা। সে আমার মাকে মেরে তার কাছ থেকে ডিভোর্স নিয়েছে। এখন কারসঙ্গে থাকে আমরা জানি না।

শাবিনের সিগারেট শেষ হয়ে এসেছে। সে সিগারেট ফেলে দিয়ে দুহাত দিয়ে পেট চেপে ধরল। তার হেঁচকি শুরু হয়েছে। পেট চেপে ধরে হিক্কা তুলতে তুলতে শাবিন অফিস থেকে বের হয়ে গেল। আমার ধারণা শাবিন যাচ্ছে পুন্নির কাছে। পুন্নি কোনো এক মাদক বিক্রেতা গাজীর কাছে বসে আছে শাবিন আসবে বলে।

শাবিনকে মাথা থেকে সরিয়ে দিয়ে সিগারেট জালালাম। ইউসুফকে ডেকে বললাম, যে ছেলেটা আমার কাছে এসেছিল সে চলে গেছে কিনা দেখে এসো।

সিগারেট শেষ হওয়ার আগে ইউসুফ এসে জানাল শাবিন চলে গেছে। রিল্যাক্স লাগছে। চেয়ারে গিয়ে বসলাম। কম্পিউটার ওপেন করে আগামীকালের জন্য সম্পাদকীয় লিখতে শুরু করলাম। হেডিং লিখেছি, মাদক ব্যবহার কমানোই যাচ্ছে না।

তারপর লিখলাম, বাংলাদেশের অবস্থান গোল্ডেন ক্রিসেন্ট আর গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গলের মাঝামাঝি হওয়ায় বাংলাদেশ মাদকদ্রব্য চোরাচালানের ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে বেশ সুবিধাজনক। এ ছাড়া বাংলাদেশে আছে প্রচুর নদী আর খাল। এসব নদী গিয়ে পড়েছে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে। মাদক চোরাকারবারিরা সমুদ্র উপকূল আর জলপথকে তাদের পণ্য পাচারের উপযুক্ত পথ হিসেবে বিবেচনা করে।

(চলবে)

পর্ব ১২অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ১১: অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ১০: অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ৯: অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ৮ : অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ৭ : অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ৬: অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ৫: অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ৪: অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ৩: অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ২: অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ১: অঘ্রানের অন্ধকারে

 

Header Ad
Header Ad

বিয়ের গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙল বিয়ে

বিয়ের গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি। ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুরে একটি বিয়েবাড়ির গেটে বরপক্ষে প্রবেশের সময় পার্টি স্প্রে ছেটানো নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এনিয়ে কনে পক্ষের অনুরোধ সত্ত্বেও ফিরে গেছে বরপক্ষ।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরের জেলার ভাঙ্গা উপজেলার কাউলিবেড়া ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রোববার (৬ এপ্রিল) সকালে কনের বাবা সামেদ মাতুব্বর ভাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

জানা যায়, তিন মাস আগে মোবাইলে সামেদ মাতুব্বরের মেয়ে বর্ণা আক্তারের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী সদরপুর উপজেলার চরব্রহ্মনদী ভেন্নতুলী গ্রামের তৈয়ব মোল্লার ছেলে প্রবাসী নাঈম মোল্লার বিয়ে হয়। দুপক্ষ বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য দিন ধার্য করে।

মেয়ের বাড়িতে ১৩০ জন মেহমানের খাবার আয়োজন করা হয়। ছেলে পক্ষ এলে মেয়ের বাড়ির লোকেরা ছেলেকে গেটে আটকায়। সেখানে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সেটি সংঘর্ষে পরিণত হয়। এতে কনের বাবাসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। পরে নববধূকে না নিয়েই ফিরে যান জামাই।

মেয়ের বাবা সামেদ আলী মাতুব্বর বলেন, গেটে দুপক্ষের ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা স্প্রে করছিল। এর মধ্যে দুপক্ষের ছোট ছেলেমেয়েদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে বড়দের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ সময় অনুষ্ঠানের চেয়ার টেবিল ও খাবার নষ্ট করা হয়। বরপক্ষের কাছে ক্ষমা চেয়েছি কিন্তু তারা মেয়েকে না নিয়ে চলে যায়।

বর নাঈম মোল্লা বলেন, ছয় বছর প্রবাস জীবন খেটে বিয়ে করার জন্য এসেছি বাংলাদেশে। কীভাবে কী হয়ে গেল বুঝতে পারলাম না। আমার এক চাচাকে কনেপক্ষরা মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত হবে বলে আমাকে একটি ঘরের মধ্যে আটকে রাখে। পরে চেয়ারম্যানের প্রতিনিধি তাদের হেফাজতে আমাদেরকে পার করে দিয়েছে।

ভাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রজিৎ মল্লিক বলেন, মেয়ের বাবা সামেদ আলী মাতুব্বর একটি অভিযোগ করেছেন। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Header Ad
Header Ad

গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যায় ছাত্রদলের নিন্দা ও কর্মসূচি ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

গাজায় ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদে একদিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। রোববার (৬ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।

এই প্রেক্ষিতে ছাত্রদল গাজা ও রাফায় ইসরায়েলের বর্বরোচিত গণহত্যার প্রতিবাদে মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, রাকিব ও নাছির বলেন, এমন ভয়ংকর বর্বরতার নিন্দা ভাষায় প্রকাশ সম্ভব নয়। ইসরায়েলের বর্বরতা সত্ত্বেও বিশ্ববাসীর নির্লিপ্ত আচরণ ততধিক অমানবিক।

ফিলিস্তিনের গাজা ও রাফায় দখলদার গণহত্যাকারী ইসরায়েলি বাহিনীর নৃশংস হামলায় ইতোমধ্যেই হাজার হাজার নিরপরাধ মানুষ শাহাদাৎ বরণ করেছেন। শিশু, নারী ও বৃদ্ধদেরও নির্মমভাবে হত্যা করছে অবৈধ দখলদার ইসরায়েলের সেনারা। গাজা উপত্যকা আজ মৃত্যু উপত্যকা। দখলদার ইসরায়েল পৃথিবীর মানচিত্র থেকে গাজার চিহ্ন মুছে ফেলতে নারকীয় হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠেছে। পরিতাপের বিষয় এই, আন্তর্জাতিক বিশ্ব এখনো এখানে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে চলেছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল গাজা ও রাফায় ইসরায়েলের বর্বরোচিত গণহত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। একইসঙ্গে শহীদ এবং যুদ্ধাহত ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে আগামী ০৭ এপ্রিল বিশ্বব্যাপী ‘The World Stops for Gaza’ কর্মসূচির প্রতি সংহতি প্রকাশ করছে।

ছাত্রদলের কর্মসূচি:

১. মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান।

২. মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় প্রতিটি শহরের সবগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মিছিল সহকারে উপস্থিত হয়ে শহরের প্রাণকেন্দ্রে সম্মিলিত বিক্ষোভ সমাবেশ।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আজ এই কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। নেতারা ইসরায়েলের মানবতাবিরোধী আগ্রাসনের প্রতিবাদে উক্ত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করার জন্য দেশের আপামর ছাত্র-জনতাকে অনুরোধ জানিয়েছেন।

Header Ad
Header Ad

দপ্তর হারালেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব নিজাম উদ্দিন

মো. নিজাম উদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. নিজাম উদ্দিনকে সচিবের পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। রোববার (৬ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে নিজাম উদ্দিনকে সচিবের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব থাকাকালে গত ৩০ ডিসেম্বর নিজাম উদ্দিনকে পদোন্নতি দিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব নিয়োগ দেয় সরকার। বিভাগে যোগ দেয়ার পর তার বিরুদ্ধে বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে।

অন্যদিকে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামাল উদ্দিনকে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সচিব পদে বদলি করা হয়েছে।

এ ছাড়া গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব মো. হামিদুর রহমান খানকে সিনিয়র সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে আগের দফতরেই পদায়ন করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

বিয়ের গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙল বিয়ে
গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যায় ছাত্রদলের নিন্দা ও কর্মসূচি ঘোষণা
দপ্তর হারালেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব নিজাম উদ্দিন
বাংলাদেশে ব্যবসা করার অনুমোদন পেল স্টারলিংক
শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প ও মার্কিন প্রশাসনকে চিঠি দেবে বাংলাদেশ: প্রেস সচিব
দর্শনায় পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর বাস্তবায়নে এডিবির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের পরিদর্শন
ফেসবুকে নির্বাচনের কথা লিখলে সংঘবদ্ধ গালি শুরু হয়ে যাচ্ছে: ইশরাক
গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদ: ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ডাক
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের প্রভাব সামাল দেওয়া কঠিন হবে না: অর্থ উপদেষ্টা
বিদেশি শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক বুধবার
এসএসএফের সাবেক ডিজি ও তার স্ত্রীর ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
আওয়ামীপন্থি ৮৪ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ, ৯ জনের জামিন
গাজার গণহত্যার বিরুদ্ধে সোমবার দেশবাসীকে রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
ইতিহাস সৃষ্টি করে মার্চে এলো ৩২৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
দুদকের সাবেক অ্যাম্বাসেডর থেকে আসামি হতে যাচ্ছেন সাকিব!
গাজায় ইসরায়েলি মিসাইলের আঘাতে মরদেহ উড়ছে আকাশে! (ভিডিও)
মা হারালেন অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ
‘দুর্নীতির অভিযোগ উড়িয়ে দিতে পারেননি বলেই টিউলিপ পদত্যাগ করেছেন’
মানিকগঞ্জে কার্টনবন্দি নারীর মরদেহের পরিচয় পাওয়া গেছে
বিসিএসের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দাবিতে পিএসসির সামনে চাকরিপ্রার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি