বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

১৯৭১

"জানিস দাদুভাই! ভিষণ গোলাগুলি হচ্ছিল তখন। গেরিলা আক্রমণে আমরা আস্তে আস্তে এগিয়ে যাচ্ছি শত্রুদের দিকে। ওরাও থেমে ছিলোনা। একেরপর এক খই ফোটার মতো গুলি করেই যাচ্ছে। এমন সময় আমাদের আবদুল ভাইয়ের বুকে গুলি লাগলো। অবস্থা বেগতিক। কমান্ডার শামসুল ভাইকে বললাম আবদুল ভাই সহ সবাইকে নিয়ে ফিরে যেতে। আমার সাথে দুটো মাইন। পাশাপাশি অস্ত্র আছে। এদিকটা আমি সামলে নিতে পারবো। যদিও মৃত্যু নিশ্চিত। পাকবাহিনী এগিয়ে আসছে আমাদের দিকে। আমরা তখন অসহায়।"

বলেই একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেললেন আহতাব রহমান। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। নিজের সাত বছর বয়সী নাতি আহনাফকে মুক্তিযু্দ্ধের সময়কার তার এক ভয়ংকর লড়াইয়ের গল্প শোনাচ্ছিলেন তিনি। সেদিন যদি সেই ছেলেটা দেবদূত হয়ে না আসতো তাহলে হয়তো আজ তিনি জীবিত থাকতে পারতেন না। কৃতজ্ঞতা স্বরূপ নাতির নামও সেই ছেলেটার নামে রেখেছেন।
"ও দাদুভাই বলোনা। পরে কি হয়েছিলো?"

নাতির দিকে তাকিয়ে আবারও অতীতে ডুব দিলেন আহতাব।

১৯৭১ সাল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ই মার্চের ভাষণে ঘোষণা দিলেন,
"রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেবো। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম জয় বাংলা।"

বাঙালির রক্ত টগবগ করছে তখন। বহু বছরের পরাধীনতার জাল ছিঁড়ে বাঙালি মুক্তি চায়। স্বাধীনতা চায়। বঙ্গবন্ধুর ডাক যেন ছিল তারই প্রতিচ্ছবি। আহতাব একজন সরকারি কর্মকর্তা। উপস্থিত হয়েছেন রেসকোর্স ময়দানে। তারও রক্ত টগবগ করছে। মনে মনে একটাই চাওয়া। স্বাধীনতা। বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় ২৫ শে মার্চের অতর্কিত হামলা। ৩০ বছরের আহতাব সদ্য বিবাহিত বউ নিয়ে ভিষণ ঝামেলায় পড়লেন। বাইরে হানাদার বাহিনীর হামলা। কি করবেন! কোথায় যাবেন! হতভম্ব হয়ে আছেন আহতাব। অতঃপর বহুকষ্টে প্রাণ বাঁচিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি পৌঁছালেন। হাতের উপর হাত দিয়ে বসে থাকতে ইচ্ছে করলোনা তার। চারিদিকে হাহাকার, বর্বর পাকিস্তানিদের নির্মম হত্যাযজ্ঞ। কয়েকজন মিলে চলে গেলেন ভারত ট্রেনিং করার জন্য। একে একে গেরিলা প্রশিক্ষণ, বন্দুক চালনা, মাইন ব্যবহারে পারদর্শী হয়ে উঠলেন সকলে। একের পর এক ধ্বংস করতে লাগলেন শত্রুদের একেকটি বাঙ্কার। এমনই একদিন। শত্রুপক্ষের সাথে তুমুল যুদ্ধ হচ্ছে। চারিদিকে খই ফোটার মতো গুলির আওয়াজ। ওরা ছয়জন এগিয়ে যাচ্ছে শত্রুদের দিকে। কিন্তু বিপত্তি ঘটলো তখনই। দুজন গুলি খেয়ে সাথে সাথে মারা গেলেন। তখনও চারজনে আক্রমণ চালাচ্ছেন। সবচেয়ে দক্ষ আবদুল রহমানের বুকে গুলি লাগতেই ঘাবড়ে গেলেন সকলে। তাছাড়া গুলিও কেবল কয়েকটা রয়েছে। এখনই ফিরে না গেলে নির্ঘাত প্রাণ যাবে। পাকবাহিনী বুঝতে পারলে মহা ঝামেলা হবে। কাউকে উপস্থিত থেকে তাদের ধোঁকার ভিতর রাখতে হবে। গুলি চালালে পাকবাহিনী দ্রুত আসবেনা এদিকটায়। আহতাব কমান্ডার শামসুলের উদ্দেশ্যে বললেন,
"ভাই, আপনি ওদের নিয়ে চলে যান। আমি এদিকটা সামলাচ্ছি। আবদুল ভাইকে নিয়ে ফিরে যান।"
"আহতাব এটা কি করে সম্ভব! তোমাকে ফেলে কি করে যাবো আমরা। তুমি দক্ষ একজন যোদ্ধা। এমনতেই আমরা দুজনকে হারিয়েছি।"

ভাঙা কন্ঠে বললেন শামসুল। পাকবাহিনী এগিয়ে আসছে। আহতাব চিৎকার করে বললো,
"ভাই, আমার চিন্তা না করে আপনারা ফিরে যান৷ আল্লাহর দোহাই।"

অবস্থা বেগতিক দেখে শামসুল বাধ্য হয়ে বাকি দুজনকে নিয়ে চলে গেলেন। যাওয়ার সময় মাটিতে পড়ে থাকা দুটো লাশের দিকে তাকিয়ে বুকটা কেঁপে উঠলো তার। চোখ ফেটে এলো জল। দ্রুত চোখ মুছে প্রস্থান করলেন তিনি। আহতাব একা একাই গুলি চালাচ্ছে। একসময় ফুরিয়ে এলো গুলি। পাকবাহিনী ধরে ফেললো আহতাবকে। স্কুল মাঠের বাঙ্কারে বেঁধে নিয়ে চললো তাকে। কর্নেল ওসমানের সামনে হাজির করা হয় আহতাবকে। কর্নেল ঘৃণার দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে রাজাকার মোল্লাকে উর্দুতে বললেন,
"ওকে বলো আস্তানার ঠিকানা বলতে। তাহলে ওকে ছেড়ে দেওয়া হবে।"

মোল্লা পান খাওয়া লাল দাঁত দিয়ে ভ্যাবলা হেসে বললেন,
"জ্বে, স্যার।"
"আহতাব মিয়া জলদি কইরা ঠিকানা কইয়া দাও স্যাররে।"

আহতাব বললেন,
"কিসের ঠিকানা?"
"তোমাগো আস্তানার।"
"মেরে ফেললেও বলবোনা।"

মোল্লা বিরক্তির সাথে তাকিয়ে আধাভাঙা উর্দুতে কর্নেল ওসমানকে বললেন,
"স্যার, আহতাব নাকি কহেগা নেহি।"

পাশে থাকা পানির গ্লাসটা আহতাবের মাথায় ছুড়ে মারলেন ওসমান। হুংকার ছাড়লেন। মাথা ফেটে রক্ত বের হচ্ছে অথচ আহতাব নির্বিকার। প্রচুর মারধর করা হলো তাকে। রাত দুইটায় নদীর পাড় নিয়ে গুলি করা হবে । বাঙ্কারের এককোনায় বেঁধে রাখা হলো তাকে। ক্লান্ত, ব্যথায় ক্লিষ্ট আহতাব নিবুনিবু চোখে নিজের মৃত্যুর অপেক্ষা করছেন। এমন সময় একটা আলো জ্বলে উঠলো চোখের সামনে। কে যেন এগিয়ে আসছে।
"এই যে। আপনি ঠিক আছেন? আপনি কি আহতাব রহমান?"
"হুম"

বলে আবার চোখ বুজলেন আহতাব। শরীরে প্রচুর ব্যথা। আস্তে আস্তে ব্যথাগুলো দূর হতে লাগলো। ক্লান্তি কেটে যাচ্ছে। শরীরে শক্তি ফিরে পাচ্ছেন আহতাব। আচমকা তিনি চোখ মেলে পাশে চিন্তিত এক যুবককে দেখতে পেলেন।
"কে? কে তুমি?"
"সেসব কথা পরে হবে আপনি আমার সাথে বাইরে চলুন।"

বলেই আহতাব সাহেবের হাতের বাঁধন খুলে দিলো ছেলেটি। আহতাব মুক্ত হলেন। আফসোস হচ্ছে মাইন দুটো নিয়ে নিয়েছে পাকবাহিনী। সাথে অস্ত্রও নেই। ফর্সা যুবকটা কাঁধের ব্যাগ হাতে নিয়ে কি যেন একটা বের করলো।

"এটা কি?"
"আপনাদের ভাষায় মাইন। তবে আরো শক্তিশালী।"

বলেই বাঙ্কারের মাটিতে পুঁতে দিলো মাইনটি। আহতাব অবাক হয়ে যুকটিকে দেখে যাচ্ছেন। এমন পোশাক পরিহিত মানুষ তিনি কখনো দেখেননি।
"আপনি এই অস্ত্রটি ধরুন।"

বন্দুকের মতো একটা অস্ত্র ছেলেটি ধরিয়ে দিলো আহতাব সাহেবের হাতে। আহতাব বিস্ময় নিয়ে বললেন,
"তুমি পাকবাহিনীর লোক?"
ছেলেটা একটু হাসলো। মাথা নেড়ে না জানালো।
"আপনি পরে আমাকে প্রশ্ন করবেন। আগে বাইরে চলুন। দশমিনিটের মাঝে মাইন ফেটে যাবে।"

বের হওয়ার কালে একজন সিপাহি দেখে ফেললো তাদের। ঘাবড়ে গেলেন আহতাব। যুবক ঘাবড়ালো না। বন্ধুক দিয়ে গুলি ছুড়লো। সোজা মাথায় লেগেছে সিপাহির। অথচ কোনো শব্দ হলোনা। সিপাহি আর্তনাদ করে পরে যেতেই দৌড়ে বাইরে বের হওয়ার কালে আবার বিপত্তি ঘটলো। আহতাবকে দেখে ফেললেন কর্নেল। হুংকার ছেড়ে দৌড়ে বের হতে নিতেই যুবক আবার গুলি করলো তাকে। আশেপাশে কোনো হানাদার নেই। তারা বেশিরভাগই অন্য বাঙ্কারে অবস্থান করছে। হাতে তখন পাঁচ মিনিট। মিনিমাম একশ মিটার দূরে না সরতে পারলে তাদের মৃত্যু নিশ্চিত। বহুকষ্টে দৌড়ে বাইরে পালাতে সফল হলো তারা। আর পিছনে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটলো। উড়ে গেলো হানাদারদের আস্তানা। আহতাব হাঁটুতে ধরে হাঁপাচ্ছিলেন। পাশের ছেলেটাকে ধন্যবাদ দিতে পাশ ফিরে দেখলেন একটা উজ্জ্বল আলোর ভিতর ছেলেটি হারিয়ে যাচ্ছে। তিনি ডাকলেন,
"এই ছেলে কে তুমি?"
"আহনাফ। আমি আহনাফ।"
বলেই ছেলেটা হারিয়ে গেলো। জ্ঞান হারালেন আহতাব।

দাদার মুখে প্রায়ই এই গল্পটা শুনতো আহনাফ। আজ সে ত্রিশ বছরের যুবক। দাদাজান বেঁচে নেই। একশত বছর জীবিত ছিলেন আহনাফের দাদাজান। আহনাফ নিজের ব্যাকপ্যাকটা রেডি করে নিলো প্রয়োজনীয় জিনিস দিয়ে। তার দীর্ঘ পাঁচ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রম সফল হয়েছে অবশেষে। টাইম ট্রাভেল আবিষ্কার করতে সে সফল। আহনাফ এখন ছুটে চলেছে ১৯৭১ সালে।




ডিএসএস/ 

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী