রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪ | ৯ আষাঢ় ১৪৩১
Dhaka Prokash

ঈদের দিনেও যাদের ছুটি নেই

ঢাকাপ্রকাশ ফাইল ।

মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদ। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা উদযাপন করে পবিত্র ঈদ-উল ফিতর। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশেও আজ পবিত্র ঈদ-উল ফিতর পালিত হচ্ছে। এদিনে পরিবার-প্রিয়জনের সাথে ঈদ উৎসবে মেতে ওঠে অন্যান্য পেশার মানুষজন। তবে ঈদ উৎসবেও ছুটি মেলেনা চব্বিশ ঘণ্টার সংবাদ মাধ্যম, শহরের পরিচ্ছন্নতা কর্মী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস কর্মী, কারাগারে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হাসপাতাল, পরিবহন কর্মী, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মীদের।

পেশাগত দায়িত্বের কারণে তাদের থাকতে হয় তৎপর। কাছের মানুষরা যখন ঈদের আনন্দে ব্যস্ত, তখন পেশাগত দায়িত্ব নিয়ে উৎসব আনন্দের ঊর্ধ্বে কর্মস্থলে থেকে তাদের দায়িত্ব পালন করতে হয় ঈদের দিনেও।

সাধারণ মানুষের ঈদের আনন্দকে নির্বিঘ্ন করতে পুলিশ সদস্যরা রাতদিন পরিশ্রম করে দায়িত্ব পালন করেন। যারা নাড়ির টানে বাড়ি কিংবা অফিসে তালা ঝুলিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে গেছেন, তাদের সবকিছু নিরাপদে থাকার জন্য নগরজুড়ে নিরাপত্তা দিতে প্রহরায় রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

এ ছাড়াও মুমূর্ষু ও জরুরি রোগীদের সেবায় ঈদের দিনও হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন চিকিৎসক, নার্স ও আয়ারা। ঈদে হাসপাতালের রোগী ও সেবাদানকারী কর্মীদের সময় কাটে সবচেয়ে করুণভাবে। অনেকে ছুটিতে চলে যাওয়ায় যারা দায়িত্বে থাকেন, তারাই বাড়তি চাপ সামলান দ্বিগুণ পরিশ্রম করে। তেমনই ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার অনেক সাংবাদিক নিজেদের ঈদ আনন্দ বাদ দিয়ে দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকেন। টিভি পর্দায় অন্যদের ঈদ আনন্দের যেন বিঘ্ন না ঘটে, তাই দায়িত্ব পালনে নিজেদেরকে নিয়োজিত রাখেন কর্মস্থলে।

ঈদের ছুটিতে মানুষজনের ঘরের তালা সুরক্ষার দায়িত্ব কিন্তু পাহারাদার, দারোয়ান, নিরাপত্তাকর্মীদের। সারা বছরে দায়িত্বের পাশাপাশি ঈদ এলে তাদের দায়িত্ব যেন আরও বেড়ে যায়। ঈদের সময় সবার ছুটি জুটলেও তাদের বেলায় খুব কম সময়ই ছুটি মঞ্জুর হয়। এ কারণে অফিস, আদালত, ব্যাংকের নিরাপত্তাকর্মীদের সেই অর্থে ঈদ আনন্দ নেই বললেও চলে।

এদিকে যেকোনো হাসপাতালের দিকে তাকালে খুব সহজেই বোঝা যায় মানবতার সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসকেরও নেই ঈদ ছুটি। এ সময় রোগীর সংখ্যা কিছু কম থাকলেও মুমূর্ষু রোগীদের চিকিৎসা বন্ধ রাখার কোনো উপায় নেই। তাই ডাক্তার, নার্স, আয়া ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ঈদ ছুটি মেলে না।

ঈদ মানেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশাল দায়িত্ব। ছুটি খুব কম সদস্যেরই মেলে। মিললেও তা দুই-এক দিনের বেশি নয়। তাতে অবকাশের তেমন কোনো সুযোগ নেই। সবাই এক কাতারে যখন ঈদের নামাজ আদায় করে তখনও এদের দায়িত্ব পালন করতে হয় বন্দুক কিংবা লাঠি-বাঁশি হাতে। ট্রাফিক পুলিশকে ঈদের দিনেও বৃষ্টি, রোদ উপেক্ষা করে তার দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। রাস্তার বাস, ট্রাক, রিকশাই যেন তাদের পরিবারের সদস্য। ট্রেনের টিটি, ড্রাইভার, গাড়িচালক, লঞ্চ সাড়েং-সুকানিদের কথা ভাবাভাবির বিষয় হয়তো কেউ মাথায়ও আনেন না। কিসের ঈদ, কিসের পূজা! খুব কম সময়ই পরিবারের সঙ্গে তাদের ঈদ আনন্দ ভাগাভাগির সুযোগ হয়।

চালক, কন্ডাক্টর, হেলপারদের কোনো ছুটি নেই। ঈদের দিনও তাদের ক্লান্তিহীন পথচলা। রাস্তা, গাড়ি, যাত্রীই হয়ে ওঠে তাদের ঈদ আনন্দ।

সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের রোজার ঈদে ছুটি মিললেও, কোরবানির ঈদের সময় খুব ঝামেলা যায়। কারও ছুটি মেলে না।

মসজিদের ইমাম বা মুয়াজ্জিনেরা খুব কম সময়ই ঈদের ছুটি পান। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় তাদের পরিবার-পরিজন থাকেন অনেক দূরে। ঈদে অনেক গুরুদায়িত্ব তাদের ওপর। ঈদের নামাজ পড়ানো, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা ইত্যাদি। কোনোভাবেই দায়িত্ব পালন না করার সুযোগ নেই।

যারা চব্বিশ ঘণ্টার অনলাইন নিউজ পোর্টাল, রেডিও-টেলিভিশনে কাজ করেন তাদের অনেককেই ঈদের সময় দায়িত্ব পালন করতে হয়। এই দুই মাধ্যমের সাংবাদিকসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কলাকুশলীদেরও থাকতে হয় দায়িত্বের মধ্যে। অবশ্য মিডিয়া হাউজগুলোকে ঈদ উৎসব নিয়ে অনেক নিউজ কাভার ও প্রোগ্রাম তৈরি করতে হয়। এটাকেই তারা ঈদ আনন্দেরই অংশ হিসেবে মনে করেন। কিন্তু পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়স্বজনের বাসায় ঘুরে বেড়ানো এমন সৌভাগ্য খুব কম জনেরই হয়।

টেলিভিশন চ্যানেল ও অনলাইন মিডিয়ার সংবাদ কর্মীরাও ঈদের আনন্দ পরিবারের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে না পারলেও ঈদের দিন অন্যের আনন্দে শামিল হয়ে সেই দুঃখটা ভুলে থাকার চেষ্টা করেন তারা।

Header Ad

১৪ জেলায় নতুন এসপি নিয়োগ

ছবি: সংগৃহীত

১৪ জেলার পুলিশ সুপারকে (এসপি) বদলি করা হয়েছে। রবিবার (২৩ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাদের বদলি করা হয়।

জেলাগুলো হলো- রংপুর, কুষ্টিয়া, সিলেট, কুমিল্লা, পটুয়াখালী, বরগুনা, বগুড়া, ফেনী, পাবনা, টাঙ্গাইল, নীলফামারী, যশোর, মাদারীপুর ও সুনামগঞ্জ।

বদলি কর্মকর্তাদের মধ্যে- ডিএমপির ডিসি মোহাম্মদ শাহজাহানকে রংপুরের পুলিশ সুপার (এসপি), ডিএমপির ডিসি মুহাম্মদ আলমগীর হোসেনকে কুষ্টিয়া, কুমিল্লার এসপি আব্দুল মান্নানকে সিলেটে, সিলেটের এসপি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ডিএমপির ডিসি, পটুয়াখালীর এসপি মো. সাইদুল ইসলামকে কুমিল্লা, বরগুনার এসপি মো. আবদুস ছালামকে পটুয়াখালী, বরগুনার পুলিশ সুপার মো. আবদুস ছালামকে পটুয়াখালী, পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. রাফিউল আলমকে বরগুনা, ফেনীর এসপি জাকির হাসানকে বগুড়ায় পদায়ন করা হয়েছে।

এছাড়া ডিএমপির ডিবির ডিসি মো. আ. আহাদকে পাবনা, নীলফামারীর এসপি মো. গোলাম সবুরকে টাঙ্গাইল, পিবিআইয়ের এসপি মো. মোকবুল হোসেনকে নীলফামারী, মাদারীপুরের এসপি মাসুদ আলমকে যশোর, এসবির পুলিশ সুপার মো. শফিউর রহমানকে মাদারীপুর, পুলিশ সদরদপ্তরের এম এন মোর্শেদকে সুনামগঞ্জের এসপি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

সময় নিয়েও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদকে হাজির হননি বেনজীর

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

অতিরিক্ত ১৭ দিন সময় দেওয়া হলেও দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) হাজির হননি পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে দ্বিতীয়বারের মতো রবিবার (২৩ জুন) সকাল ১০টায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে ডাকা হয়েছিল।

আজ বেলা ১২ টায়ও তিনি সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে যাননি। দুদকের তদন্ত কমিটির সামনে হাজির হওয়ার ব্যাপারে তার অনুরোধে তাকে অতিরিক্ত ১৭ দিন সময় দেওয়া হয়েছিল।

দুদক সূত্র জানায়, বেনজীর আহমেদের অনুরোধে তাকে অতিরিক্ত ১৫ দিন সময় দিয়েছিল দুদক। আজ তার দুদকে হাজির হওয়ার কথা থাকলেও তিনি হাজির হননি।

গত ২৮ মে বেনজীর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ পাঠানো হয়। সেই নোটিশে বেনজীরকে ৬ জুন এবং তার স্ত্রী ও সন্তানদের ৯ জুন দুদকে হাজির হয়ে বক্তব্য দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু ৫ জুন রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে বেনজীরের পক্ষে তার আইনজীবী আরও ১৫ দিনের সময় চান। দুদকের উপপরিচালক বরাবর সময় চেয়ে আবেদনটি করা হয়। এরপর নতুন তারিখ দেওয়া হয়। পরে দুদক সচিব ব‌লেন, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দুদক তলব করলেও শুনানিতে অনুপস্থিত থাকায় ২৩ জুন নতুন তারিখ ঘোষণা করেছে দুদক।

গত ২৩ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলন করে দুদকের সচিব খোরশেদা ইয়াসমীন জানান, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন নিয়ে গত ৩১ মার্চ একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরবর্তী সময়ে আরও কিছু গণমাধ্যমে তার (বেনজীর) বিষয়ে একই অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এসব প্রতিবেদনে উঠে আসা অভিযোগগুলোর বিষয়ে দুদক আইন অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু করে।

‘বেনজীরের ঘরে আলাদীনের চেরাগ’ শিরোনামে ওই প্রতিবেদন তার অর্থ-সম্পদের বিবরণ তুলে ধরা হয়। বেনজীরের বিপুল সম্পদের মধ্যে রয়েছে গোপালগঞ্জের সাহাপুর ইউনিয়নে সাভানা ইকো রিসোর্ট নামের এক অভিজাত ও দৃষ্টিনন্দন পর্যটনকেন্দ্র। এ ছাড়াও তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের নামে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ছয়টি কোম্পানির খোঁজ পাওয়া গেছে। পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের পরিমাণ ৫০০ কোটি টাকারও বেশি।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, ঢাকার অভিজাত এলাকাগুলোতে বেনজীর আহমেদের দামি ফ্ল্যাট, বাড়ি আর ঢাকার কাছের এলাকায় বিঘার পর বিঘা জমি রয়েছে। দুই মেয়ের নামে বেস্ট হোল্ডিংস ও পাঁচতারকা হোটেল লা মেরিডিয়ানে রয়েছে দুই লাখ শেয়ার। এ ছাড়া পূর্বাচলে রয়েছে ৪০ কাঠার সুবিশাল জায়গাজুড়ে ডুপ্লেক্স বাড়ি, যার আনুমানিক মূল্য কমপক্ষে ৪৫ কোটি টাকা। একই এলাকায় আছে ২২ কোটি টাকা মূল্যের আরও ১০ বিঘা জমি। ৩৪ বছর সাত মাসের দীর্ঘ চাকরিজীবনে বেনজীর আহমেদ বেতন-ভাতা বাবদ মোট আয় এক কোটি ৮৪ লাখ ৮৯ হাজার ২০০ টাকার মতো হওয়ার কথা বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আইনের ভিত্তিতে খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর অনুমতি নেই: আইনমন্ত্রী

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যমান আইনে খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে নতুন করে কোনো আবেদন আসেনি বলেও জানান তিনি।

রবিবার (২৩ জুন) জুডিশিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে সিনিয়র সহকারী জজের ১৫২তম রিফ্রেশার কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত তার ইচ্ছে মতো চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। বিদেশে ডাক্তার এনেও চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ আইনি ব্যবস্থায় তাকে বিদেশে যেতে দেয়ার সম্ভাবনা নেই।

বেনজীর ইস্যুতে প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সময়ে সময়ে সম্পদের হিসাব দিয়ে থাকে। নতুন আইনের প্রয়োজন নেই। এখন আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি আরও বলেন, কিছু কিছু সৎ মানুষের ব্যাপারেও এখন লেখালেখি হচ্ছে। আমি আপনাদের অনুরোধ করব, সত্য ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রচার করুন। দুর্নীতি নিয়ে স্পেসিফিক তথ্য থাকলে সংবাদ করেন। কিন্তু মিথ্যা বা ভুল তথ্য দিয়ে কিছু করবেন না।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন খালেদা জিয়া। এ অবস্থায় গত শুক্রবার রাতে ফের হঠাৎ করে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। শারীরিক অসুস্থতার কারণে ভোরেই অ্যাম্বুলেন্সে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি রয়েছেন।

সর্বশেষ সংবাদ

১৪ জেলায় নতুন এসপি নিয়োগ
সময় নিয়েও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদকে হাজির হননি বেনজীর
আইনের ভিত্তিতে খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর অনুমতি নেই: আইনমন্ত্রী
রক্তাক্ত ফিলিস্তিনিকে জিপের সামনে বেঁধে নিয়ে গেল ইসরায়েলি বাহিনী
বর্ণচোরা বিএনপি আমাদের চলার পথে প্রধান বাধা: ওবায়দুল কাদের
৩টা জিতেছি, ৩টা হেরেছি, খুব একটা খারাপ নয়: সাকিব
ছাগলকাণ্ডে এনবিআর কর্মকর্তা মতিউরকে ওএসডি করা হয়েছে
একাদশে ভর্তিতে প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ আজ
আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ, ২০ নারী-পুরুষ আটক
সিভিল এভিয়েশনের গলার কাঁটা হোটেল শেরাটন, বিমান চলাচলে ঝুঁকি!
রোনালদোর রেকর্ডের রাতে তুরস্ককে উড়িয়ে দিয়ে নকআউটে পর্তুগাল
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সেমির স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল আফগানিস্তান
আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা
গাজায় ইসরায়েলি হামলা, নিহত আরও শতাধিক
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে বন্ধ থাকবে যেসব সড়ক
ভারতের কাছে হেরে সেমিফাইনালের স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তী আজ
কেটে ফেলা হলো গোপালগঞ্জের সেই কথা বলা আলোচিত গাছ
ইরানে জনপ্রিয় গায়কের মৃত্যুদণ্ড বাতিল
দিল্লি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী