রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪ | ৯ আষাঢ় ১৪৩১
Dhaka Prokash

৩ বছর বন্ধ শাহজালালের কনকোর্স হল, দুর্ভোগে যাত্রী ও স্বজনরা

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ কনকোর্স হল বন্ধ ৩ বছর ধরে। করোনার কারণে বন্ধ হওয়া কনকোর্স হল করোনা কেটে গেলেও খুলে দেওয়ার কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। তাই সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী ও স্বজনরা।

বিদেশগামী ও আগমনী যাত্রীর স্বজনদের জন্য ৩০০ টাকার বিনিময়ে কনকোর্স হল থেকে তাদের স্বজনদের অভ্যর্থনা ও বিদায় জানানোর সুযোগ থাকলেও গত প্রায় তিন বছর এটি বন্ধ রয়েছে। অথচ প্রতিদিন এ বিমানবন্দর দিয়ে অন্তত ২০ হাজার যাত্রী আসা-যাওয়া করেন। আর যাত্রীর সঙ্গে সর্বনিম্ন অন্তত ২/৩ জন স্বজন থাকেন। সেক্ষেত্রে বিমানবন্দরে প্রায় ৪০/৫০ হাজার লোকের সমাগম ঘটে।

কনকোর্স চালু থাকলে যাত্রীর স্বজনরা তাদের নির্ধারিত ব্যক্তিদের সহজেই রিসিভ করে বাইরে আনতে পারতেন। আর এটি বন্ধ থাকার কারণে খুঁজে স্বজনদের পাওয়াই কষ্টকর হয়ে যায়। এছাড়াও ঘন্টার পর ঘন্টা যাত্রীর স্বজনদের অপেক্ষা করতে হয় বাইরে প্রখর রোদে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন কামরুল ইসলাম বলেন, কনকোর্স হল খুলে দেওয়ার এখনো পরিকল্পনা হয়নি। পরিকল্পনা হলে জানতে পারবেন।

কামরুল ইসলাম আরও বলেন, এই মুহূর্তে দর্শনার্থীদের জন্য বিমানবন্দরের হলটি খোলার কোনো পরিকল্পনা নেই। বিভিন্ন জেলা থেকে বিমানবন্দরে যাত্রীদের অভ্যর্থনা জানাতে আসা স্বজনদের বসার জন্য বিকল্প পরিকল্পনা রয়েছে। বিমানবন্দরের সামনে ছোট পরিসরে কয়েকটি ছাউনি তৈরি করা হবে।

কামরুল ইসলাম আরও জানান, যাত্রী ও স্বজনদের সুবিধার্থে বিমানবন্দরের কাছেই নিরাপদ ও মনোরম পরিবেশে একটি আবাসিক হোস্টেল নির্মাণ করেছে ওয়েজ অনার্স কল্যাণ বোর্ড। সেখানে একজন যাত্রী মাত্র ২০০ টাকার বিনিময়ে নিরাপদে রাত্রীযাপন থাকতে পারবেন। যাত্রীরা সময়মতো ফ্লাইট ধরতে আগের দিন এসে এখানে অবস্থান করতে পারবেন।

বিমানবন্দরে দায়িত্বপালনকারী এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউল হক পলাশ বলেন, সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ যদি কনকোর্স হল খুলে দেয় সেক্ষেত্রে নিরাপত্তার কোন সংকট হবেনা বলে মনে করি। আমরা শতভাগ নিরাপত্তা বিধানে প্রস্তুত রয়েছি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে ২০২০ সালের মার্চ মাসে বন্ধ করে দেওয়া হয় দর্শনার্থী সম্মেলনের কনকোর্স হল। এরপর প্রায় তিন বছর হতে চললেও এখনও খোলা হয়নি হলটি। যাত্রীর বা স্বজনদের জন্য বিমানবন্দরে করা হয়নি কোনো বসার ব্যবস্থাও।

যাত্রীর স্বজনরা জানান, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হলেও যাত্রীর স্বজনদের জন্য বসার ব্যবস্থা নেই। এতে রোদ-বৃষ্টি কিংবা দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাদের।

তাদের দাবি, বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়ে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখলেও প্রবাসী কিংবা তাদের স্বজনদের সেভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। বিমানবন্দরে বসার জায়গাও নেই। নানাভাবে হয়রানির অভিযোগও তাদের।

প্রবাসী মোতালেব জানান, তিনি দুবাইয়ের একটি বাগানে কাজ করেন। গ্রামের বাড়ি নওগাঁ জেলায়। দুই মাসের ছুটি শেষে কাজের জন্য আবার দুবাই রওনা হয়েছেন। বিমানবন্দর বহির্গমন কনকোর্স হল পর্যন্ত এসে তাকে বিদায় জানান স্বজনরা। কিন্তু হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর টার্মিনাল পর্যন্ত যেতেই গেটে আইন প্রয়োগকারী সদস্যদের বাধা। প্রিয়জনকে বিদায় জানাতে টার্মিনালের গেট কিংবা টিকিট কেটে কনকোর্স হলে যেতে পারেননি স্বজনেরা।

বিমানবন্দরে আসা এক যাত্রীর স্বজন জরিনা বেগম জানান, মালয়েশিয়া থেকে তার ছেলে আসবেন। গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরব এলাকায়। সকাল সাড়ে ১১টায় মালয়েশিয়ার একটি ফ্লাইটে বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা। সকাল থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও ছেলের দেখা পাননি।

দীর্ঘদিন পর দেশে ফিরছেন টাঙ্গাইলের রোকেয়া খাতুনের স্বামী প্রবাসী আওলাদ হোসেন। তার জন্য রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছেন রোকেয়াসহ কয়েক স্বজন। কিন্তু কোথাও বসার জায়গা নেই। তাই প্রখর রোদ থেকে বাঁচতে তারা অবস্থান নেন বিমানবন্দরের গাড়ি পার্কিং এলাকার একটি বটগাছের নিচে।

শুধু আওলাদের স্বজনরাই নন, নিত্যদিন এমন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন দেশের নানা প্রান্ত থেকে বিমানবন্দরে আসা প্রবাসীদের স্বজনরা।

বিমানবন্দরে যাত্রী নিতে আসা আশরাফুল ইসলাম বলেন, তিনি তার এক ভাইকে রিসিভ করতে এসেছেন। তার ভাই সৌদি আরব থেকে ৫ বছর পর দেশে আসছেন। সে কোন গেট দিয়ে বেরুবে তা তিনি বুঝতে পারছেন না।

আশরাফুল ইসলাম বলেন, যদি আগমনীর ক্যানোপিতে দর্শনার্থী প্রবেশ উন্মুক্ত থাকতো তাহলে তিনি ভেতরে যেতে পারতেন। তার ভাইকে সহজেই নিয়ে আসতে পারতেন। কিন্তু বন্ধ থাকার ফলে তারা গ্রাম থেকে ২ জন এসেছেন। তিনি রয়েছেন টার্মিনাল-১ এ আর তার আরেক আত্নীয় রয়েছেন টার্মিনাল-২ এ। পরে টার্মিনাল-১ থেকে তাদের ভাইকে পেয়ে বাসায় নিয়ে যান।

যাত্রীর স্বজনদের অভিযোগ, অনেক স্বল্প-শিক্ষিত ব্যক্তি বিদেশ যাচ্ছেন কিংবা বহু বছর পর দেশে আসছেন। তারা কিভাবে যাবেন, কোন দিক দিয়ে আসবেন এসব কিছু ভালোভাবে বুঝতে পারেন না। এ কারণে ভেতরে প্রবেশের যে সুবিধা সেটি পুনরায় চালু করলে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। দেশি যাত্রীদের পাশাপাশি যারা বিদেশি যাত্রী রয়েছেন তারাও পড়ছেন নানা সমস্যায়। কনকর্স হল খোলা থাকলে বিভিন্ন হোটেলের প্রতিনিধিরা বিদেশি অতিথিদের নামের কাগজ নিয়ে গ্রিন চ্যানেলের বাইরে থাকতেন। নাম দেখে ওই যাত্রী নির্দিষ্ট লোকের সঙ্গে দেখা করে তার ঠিকানায় চলে আসতে পারতেন। কিন্তু বর্তমানে এই সুবিধা না থাকায় তারাও পড়ছেন নানা সমস্যায়।

এতো গেলো দেশের বাইরে থেকে আসা যাত্রীদের সমস্যা। বহির্গমনের ক্ষেত্রেও নানা বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন যাত্রীরা। দেখা যাচ্ছে অনেক বয়স্ক যাত্রী তাদের লাগেজ নিয়ে কাউন্টার পর্যন্ত যেতে পারছেন না। তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসার মতও কেউ নেই। অথচ বহির্গমন কনকর্স হল খোলা থাকলে বৃদ্ধ ও রোগীদের সাহায্যার্থে আসা ব্যক্তি ক্যানোপি পর্যন্ত যেতে পারতেন। বর্তমানে এই সুবিধাও বন্ধ।

যাত্রী ও তাদের স্বজনরা বলছেন, এমনিতেই তারা বিমানবন্দরে আসছেন। ক্যানোপির বাইরে অবস্থান করছেন। এক্ষেত্রে যদি নিরাপত্তার সমস্যা না হয় তবে ক্যানোপির ভেতরে কি সমস্যা। যখন একটি লোক ক্যানোপির ভেতরে প্রবেশ করবেন তাকে যথাযথ তল্লাশির মাধ্যমে প্রবেশ করালে সমস্যা কোথায়। দেশের বাইরে অন্যান্য বিমানবন্দরগুলোতে এই সমস্যা নেই। অথচ আমাদের বিমানবন্দরে এই সমস্যা। তারা দ্রুত কনকর্স হলে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

স্বজনরা জানান, বর্তমানে করোনা সংকট কেটে গেছে। এছাড়াও ভেতরে প্রবেশের সময় শতভাগ চেকিং এমনকি আর্চওয়ে গেট পার হয়েই ভেতরে যেতে হচ্ছে। সেক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টি যে রয়েছে সেটিও শতভাগ সম্পন্ন হচ্ছে। পাশাপশি ভেতরে ঢুকতে টাকাও পাচ্ছে। সেক্ষেত্রে আয়েরও একটি ব্যবস্থা হচ্ছে। তাই দ্রুত খুলে দেয়ার দাবি তাদের।

এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউল হক পলাশ বলেন, এটি সম্পূর্ণ সিভিল এভিয়েশনের এখতিয়ার। তারা যা ভালো মনে করবেন সেটিই করবেন। আমাদের নিরাপত্তার যে বিষয়টি আছে আমরা সেটি শতভাগ পালন করছি।

আরইউ/এএস

Header Ad

রক্তাক্ত ফিলিস্তিনিকে জিপের সামনে বেঁধে নিয়ে গেল ইসরায়েলি বাহিনী

রক্তাক্ত এক ফিলিস্তিনিকে জিপের সামনে বেঁধে নিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনে কিছুতেই যেন থামছে না ইসরায়েলি তাণ্ডব। বর্বরতা ক্রমশ বেড়েই চলেছে দেশটিতে। এবার ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের জেনিন শহরে অভিযান চালানোর সময় এক ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করে রক্তাক্ত অবস্থায় জিপের বনেটের (গাড়ির সামনের অংশ) সঙ্গে বেঁধে নিয়ে গেছে ইসরায়েলি সেনারা।

রবিবার (২৩ জুন) এক প্রতিবেদনে বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।

বর্বর এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে। তারা বলছে, অভিযানের সময় গুলি বিনিময়ে ওই ব্যক্তি আহত হয়েছিলেন। তিনি সন্দেহভাজন ছিলেন।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছে। এক বিবৃতিতে, এ ঘটনায় সামরিক প্রটোকল লঙ্ঘন হয়েছে বলেও স্বীকার করেছে তারা।

প্রত্যক্ষদর্শী এক স্থানীয় ওই ব্যক্তিকে শনাক্ত করেছেন এবং তার নাম মুজাহেদ আজমি বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন।

আইডিএফ জানিয়েছে, শনিবার সকালে ওয়াদি বুরকিন এলাকায় গ্রেফতার অভিযানের সময় গুলি বিনিময়ে সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তি আহত হন।

আহতের পরিবার জানিয়েছে, অভিযানের সময় আজমি আহত হলে অ্যাম্বুলেন্স ডাকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আইডিএফ তাকে জিপের বনেটের সঙ্গে বেঁধে নিয়ে যায়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঘটনার ভিডিওতে ইসরায়েলি বাহিনীর আচরণ আইডিএফের মূল্যবোধের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। ঘটনাটি তদন্ত করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে পশ্চিম তীরে সহিংসতা বেড়েছে। জাতিসংঘ বলেছে, গত ৭ অক্টোবরের পর পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিম তীরে সংঘাত-সম্পর্কিত ঘটনায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্য ও বেসামরিক নাগরিকসহ অন্তত ৪৮০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

বর্ণচোরা বিএনপি আমাদের চলার পথে প্রধান বাধা: ওবায়দুল কাদের

বক্তব্য রাখছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বর্ণচোরা বিএনপি আমাদের চলার পথে প্রধান বাধা। এ অপশক্তিকে প্রতিহত করাই আওয়ামী লীগের আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ।

রবিবার (২৩ জুন) দলের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের দলের জন্মদিনে আমাদের অঙ্গীকার হচ্ছে— আমাদের রক্তমূল্যে অর্জিত বিজয়কে সুসংহত করব। আমাদের চলার পথে প্রধান বাধা বর্ণচোরা বিএনপি। মুক্তিযুদ্ধের নামে এ বর্ণচোরারা ভাঁওতাবাজি করে। সাম্প্রদায়িক ও জঙ্গিবাদী শত্রু আজ আমাদের অভিন্ন শত্রু।

তিনি আরও বলেন, আজ আমাদের অঙ্গীকার— আমাদের আজ শপথ এ অপশক্তিকে পরাজিত করতে হবে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণ করব। এটাই আজকের দিনের শপথ।

এর আগে সকাল ৭টায় আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ধানমন্ডিতে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন শেখ হাসিনা। পরে দলের অন্যান্য নেতাও শ্রদ্ধা জানান।

৩টা জিতেছি, ৩টা হেরেছি, খুব একটা খারাপ নয়: সাকিব

সাকিব আল হাসান। ছবি: সংগৃহীত

অ্যান্টিগায় সুপার এইটের ম্যাচে ভারতের কাছে পাত্তাই পায়নি বাংলাদেশ। আগে ব্যাটিং পেয়ে ১৯৬ রানের বিশাল পুঁজি গড়ে তারা। জবাবে পুরো ওভার ব্যাট করেও বাংলাদেশ ১৪৬ রানের বেশি করেনি। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তিন ম্যাচ জিতে সুপার এইটে খেলছে বাংলাদেশ। আপাতদৃষ্টে একে উন্নতি বা সাফল্য বলাই যায়। কিন্তু একটু গভীরভাবে দেখলে এটুকু সাফল্য যথেষ্ট কি না, কেউ চাইলে সে প্রশ্ন তুলতেই পারেন।

এদিকে ভারতের কাছে গতকাল ৫০ রানের বড় ব্যবধানে হারের পর বাংলাদেশের পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলেছেন অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তিনি অবশ্য নিজেদের পারফরম্যান্স ‘খারাপ নয়’ বলেই মন্তব্য করেছেন। বলেছেন, ৫০ শতাংশ সাফল্য পেয়ে মোটামুটি একটা অবস্থানে আছেন তাঁরা।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিশ্বকাপে নিজেদের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করতে গিয়ে সাকিব বলেছেন, যদি ফলের দিক থেকে বলেন, তবে আমি বলব আমরা মোটামুটি একটা অবস্থানে আছি। আমরা ৩টা জিতেছি, ৩টা হেরেছি। ৫০ শতাংশ (সাফল্য)। সেদিক থেকে খুব একটা খারাপ নয়। তবে আমরা যেভাবে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে লড়াই করেছি, এই দুইটা (সুপার এইট) ম্যাচের একটাতে যদি সেভাবে লড়াই করতে পারতাম, তখন বিশ্বকাপটা আমাদের জন্য সফল একটা টুর্নামেন্ট হতো। সে জায়গায় আক্ষেপ আছে।

বিশ্বকাপে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার বিপরীতে আলো ছড়িয়েছেন বোলাররা। তবে উইকেটের সহায়তা না পেলে বোলাররা কতটা ভালো করতেন, সে প্রশ্নও তুলেছেন সাকিব, বোলিংয়ের ব্যাপারটা হচ্ছে, আমরা যখন উইকেটের একটু সুবিধা পাই, তখন আমাদের দল অনেক ভালো বোলিং করে। ফ্ল্যাট উইকেটে আমাদের এখনো অনেক উন্নতির জায়গা আছে। যেহেতু এবারের উইকেটগুলো বোলারদের জন্য একটু মানানসই ছিল, আমরা অসাধারণ বল করেছি। বোলারদের অবশ্যই কৃতিত্ব দিতে হবে। যেভাবে তারা বল করেছে, সেটা কেড়ে নেওয়ার সুযোগ নেই।

ব্যাটসম্যানরা কেন পারেন না, সে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সাকিব বলেছেন, ব্যাটিংয়ের ক্ষেত্রে যখন ফ্ল্যাট উইকেটে খেলা হয়, ১৮০–২০০ রানের উইকেটে খেলা হয়, তখন আমরা পিছিয়ে যাই। আমরা ১৩০, ১৪০ বা ১৫০ রানের খেলাটা ভালো জানি। এ ধরনের খেলা খেলেই আমরা অভ্যস্ত। এটা আমাদের কাছে অনেক পরিচিত।

এদিকে টস জিতে ফিল্ডিং নেওয়ার সময় শান্ত জানান, প্রতিপক্ষকে ১৫০ থেকে ১৬০ রানের মধ্যে আটকে রাখতে পারলে ম্যাচ জিততে পারেন তারা। কিন্তু বাস্তবতার কাছাকাছিও ছিলো না তার পর্যবেক্ষণ।

এ প্রসঙ্গে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার সাকিব জানান তার কাছেও মনে হয়েছে আগে ব্যাটিং করাই ছিলো আদর্শ। তিনি বলেন, আপনি যদি ব্যক্তিগতভাবে জিজ্ঞেস করেন ক্যারিবিয়ানে দুই একটা ম্যাচ ছাড়া (আগে ব্যাটিং উপযোগী)। ইংল্যান্ড শুধু ১৮০ তাড়া করেছিল। এছাড়া শুরুতে ব্যাটিং নেওয়াই ট্রেন্ড বেশিরভাগ দলের, তারা সফলও এটা করে। পরিসংখ্যান দেখলে আগে ব্যাট করাই আদর্শ হতো। অধিনায়ক ও কোচ হয়ত অন্যভাবে চিন্তা করেছেন। আমরা হয়ত ভেবেছি তাদের নাগালের মধ্যে আটকে রাখতে পারব।

এই সিদ্ধান্তে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার হিসেবে তার কোন অভিমত দেয়ার ছিলো কিনা এমন প্রশ্ন এড়িয়ে তিনি বলেন, দলের যখন নেতা একজন থাকবে সিদ্ধান্ত তার। যদি ভাল করতে পারতাম অধিনায়কের কৃতিত্ব হতো। খারাপ করলে তাদের সিদ্ধান্তের উপর আমরা প্রশ্ন রাখি। এটা খুবই যুক্তিযুক্ত। এটা এভাবেই হয়। যদি প্রথম দুই ওভারে দুটি উইকেট নিয়ে নিতাম তাহলে মনে হতো ব্যাটিং করলে ভালো হতো। নিতে পারিনি তাই এখন মনে হচ্ছে আগে ব্যাট করলে ভালো হতো।

সর্বশেষ সংবাদ

রক্তাক্ত ফিলিস্তিনিকে জিপের সামনে বেঁধে নিয়ে গেল ইসরায়েলি বাহিনী
বর্ণচোরা বিএনপি আমাদের চলার পথে প্রধান বাধা: ওবায়দুল কাদের
৩টা জিতেছি, ৩টা হেরেছি, খুব একটা খারাপ নয়: সাকিব
ছাগলকাণ্ডে এনবিআর কর্মকর্তা মতিউরকে ওএসডি করা হয়েছে
একাদশে ভর্তিতে প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ আজ
আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ, ২০ নারী-পুরুষ আটক
সিভিল এভিয়েশনের গলার কাঁটা হোটেল শেরাটন, বিমান চলাচলে ঝুঁকি!
রোনালদোর রেকর্ডের রাতে তুরস্ককে উড়িয়ে দিয়ে নকআউটে পর্তুগাল
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সেমির স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল আফগানিস্তান
আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা
গাজায় ইসরায়েলি হামলা, নিহত আরও শতাধিক
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে বন্ধ থাকবে যেসব সড়ক
ভারতের কাছে হেরে সেমিফাইনালের স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তী আজ
কেটে ফেলা হলো গোপালগঞ্জের সেই কথা বলা আলোচিত গাছ
ইরানে জনপ্রিয় গায়কের মৃত্যুদণ্ড বাতিল
দিল্লি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
নওগাঁয় বিষধর সাপের কামড়ে প্রাণ গেল কৃষকের
হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুদ আছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
কাবাঘরের চাবিরক্ষক সালেহ বিন জাইন আর নেই