শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

নারায়ণগঞ্জে আইভির প্রতিদ্বন্দ্বী কে!

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছেন ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভি। টানা ১৮ বছর নারায়ণগঞ্জে নেতৃত্ব দেওয়া দেশের প্রথম নারী মেয়রের সঙ্গে লড়াই করার মতো কোনো প্রার্থী এখন মাঠে নেই।

আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড ও দলের সংসদীয় বোর্ডের যৌথ সভায় নৌকার ঝান্ডা তার হাতে তুলে দেওয়া হয়। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জানুয়ারি ২০২২।

সেলিনা হায়াৎ আইভি প্রথম নির্বাচন করেন ২০০২ সালে। তখন নারায়ণগঞ্জ ছিল পৌরসভা। ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভরাডুবির পর তার এই বিজয় ছিল স্রোতের বিপরীতে। তিনি হারিয়েছিলেন ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থীকে। এরপর আর পেছনে পিরে তাকাতে হয়নি তাকে।

নির্বাচিত হওয়ার পর উন্নয়নকেই নিজের কাজের একমাত্র ‘দর্শন’ হিসেবে নেন আইভি। নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করে তিনি জনগণের মন জয় করে নেন। এই তালিকায় যুক্ত হয়েছিল বিএনপি ঘরনার মানুষও। যে কারণে পরেরবারের নির্বাচনেও তিনি বিজয়ী হন।

২০১১ সালে নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত হয়। তখন ক্ষমতায় নিজের দল আওয়ামী লীগ। মনোয়ন পাওয়ার লড়াইয়ে তার সঙ্গে শামিল হন নারায়ণগঞ্জের প্রভাবশালী নেতা শামীম ওসমান। আওয়ামী লীগ সমর্থন দেন শামীম ওসমানকে। তার পক্ষ হয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির অনেক নেতাই প্রচারে নামেন। এই দুই জনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার। ত্রিমুখি লড়ায়ে দেশব্যাপী ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয। আওয়ামী লীগ-বিএনপির দুই ডাকসাইটে প্রার্থীর বিপরীতে আইভি ছিলেন স্বতন্ত্র। স্থানীয় আওয়ামী লীগের খুব অল্পসংখ্যক নেতা- কর্মী ছিলেন তার সঙ্গে। কিন্তু নির্বাচনের আগের রাতে বিএনপি তাদের প্রার্থীকে প্রত্যাহার করে নিলে নির্বাচনের চিত্র পাল্টে যায়। আইভির পাল্লা ভারী হয়ে উঠে। বিজয়ও তখন এক প্রকার নিশ্চিত হয়ে যায়। নির্বাচনে সেলিনা হায়াত শামীম ওসমানকে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলন এক লাখেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে।

প্রথমবার সিটি মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর উন্নয়নের ধারার সঙ্গে বেদখল হয়ে যাওয়া সিটি করপোরেশনের জমি দখলমুক্ত করতে থাকেন। জনগণের মাঝে তার অবস্থান আরও পোক্ত হয়।

২০১৬ সালের নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির আইনজীবী শাখাওয়াত হোসেন। আইভি পান নৌকা প্রতীক। এটি ছিল তার প্রথম নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচন। কিন্তু এই মার্কা পেতে তাকে অনেক প্রতিরোধের মুখে পড়তে হয়েছিল। তৃণমুল থেকে যাদের নাম গিয়েছিল কেন্দ্রে, সেখানে তার নাম ছিল না। তারপরও কেন্দ্র তার ওপর আস্থা রাখে। এবারও আইভি জয়ী হন সত্তর হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে।

সময় যত গড়িয়েছে আইভির কাজের গতি বেড়েছে। শক্ত হয়েছে পায়ের তলার মাটিও। এবারও তিনি যাতে নৌকা প্রতীক না পান সে জন্য ওসমান পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে চেষ্টা করা হয়েছিল। বিভিন্ন সভা সমাবেশে শামীম ওসমানের সঙ্গে তার বড় ভাই আরেক সাংসদ সেলিম ওসমানও কথা বলেছেন। প্রতিবার আইভি সে সব কথার কড়া জবাব দিয়েছেন।

এবারে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেতে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন আরও তিনজন। তারা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মো. শহীদ বাদল, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহা ও সিনিয়র সহ-সভাপতি চন্দন শীল। কিন্তু আওয়ামী লীগ আস্থা রেখেছে আইভির ওপরই।

স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতো, নৌকা ও ধানের শীষকে মোকাবেলা করে আসা আইভির সামানে এবার তেমন শক্ত কোনো প্রতিপক্ষ নেই। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ায় দলীয় নেতাকর্মীদের সমর্থন তার পক্ষে নিশ্চিত। রাজনৈতিক অপর প্রতিপক্ষ বিএনপি বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। স্থানীয়ভাবে আইভির বড় প্রতিপক্ষ ওসমান পরিবার কী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় সেটিই এখন দেখার বিষয়।

গতবারও ওসমান পরিবার প্রকাশ্যে তার বিরোধিতা করতে পারেনি। এবার নৌকার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে নামার কোনো সম্ভাবনাও নেই। আপাতদৃষ্টিতে এবারের নির্বাচনে আইভির প্রতিপক্ষ হিসেবে কোন ডাকসাইটে প্রার্থী নেই।

এমপি/এপি/এএন

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম হাসান সরকার অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট দিয়ে বিয়ের খবর জানিয়েছেন তিনি। স্ত্রীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি দিয়ে প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে ক্যাপশনে লিখেছেন— "আলহামদুলিল্লাহ কবুল। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।"

এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তোলা ছবি কাভার ফটো হিসেবে পোস্ট করেছেন এই অভিনেতা। ছবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানকেও দেখা গেছে।

 

তবে স্ত্রীর পরিচয় সম্পর্কে ফেসবুক পোস্টে কিছু উল্লেখ করেননি শামীম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো