শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

যে কারণে মাদক নিয়ন্ত্রণ অভিযান ব্যর্থ

বিশ্বে মাদক দ্রব্যের এবং চোরাচালানের উপর নানাবিধ আইন জারি করা হলেও, আদতে এর কোনোটাই এখনো নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি৷ এমনই এক তথ্য পাওয়া গেছে।

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বলছে, পুরোপুরি মাদক নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা তাদের নেই। অন্যদিকে, এ বিষয় নিয়ে সরকারের বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা বলছেন, দেশ থেকে পুরোপুরি মাদক নিয়ন্ত্রণে আমরা সফল হতে পারিনি। সুশীল সমাজ বলছে, অনেক দেশ মাদক নিয়ন্ত্রণে সফল হয়, আমরা কেন সফল হচ্ছি না?

গোয়েন্দা তথ্য বলছে, সারা দেশে অবাধে বেচাকেনা হচ্ছে মাদক। এটা এখন অনেকটা ‘ওপেন সিক্রেট’ তবে মোবাইলে এসব মাদক বিক্রি হচ্ছে বেশি। মাদককারবারিরা এখন প্রযুক্তিকে ব্যবহার করছে।

মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ২০১৮ সালের ৪ মে একযোগে দেশব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে। সেই অভিযানে র‌্যাব, পুলিশ ও কোস্ট গার্ডের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রায় ৪০০ মাদক কারবারি নিহত হন। গ্রেপ্তার হন দুই লক্ষাধিক মাদক। কিন্তু তারপরও বন্ধ করা যায়নি মাদক ব্যবসা। তথ্য বলছে, অনেক মাদক কারবারি জেল থেকে বের হয়ে আবারও নতুন করে মাদকের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা বলেছেন, সবাই সতর্ক না হলে পুরোপুরিভাবে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। মাদক নির্মূূূল হোক এবং সে লক্ষ্যে আমাদের বিশেষ বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে। তা ছাড়া, বিভিন্ন শহরে মাদকবিরোধী অভিযানের কিছুটা সফলতা আসছে।

তথ্য বলছে, প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাদকদ্রব্য দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হচ্ছে। সীমান্ত দিয়ে বেশির ভাগ ফেনসিডিল, মরফিন, ইডিগ্রা, হেরোইন, ম্যাগডন, সিগনেসার, রয়েলস্টার, এপ্রিয়র ব্লু, বিআরসহ বিভিন্ন নামের মাদকদ্রব্য প্রবশে করছে। মাদক সহজলভ্য হওয়ায় যুবসমাজ সহজেই নেশায় আসক্ত হচ্ছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তারা শুধু ঢাকা বিভাগেই সাড়ে তিন হাজার সন্দেহভাজন মাদক ব্যবসায়ীর একটি তালিকা করেছে। কর্মকর্তারা বলছেন, যাদের চিহ্নিত করে এই তালিকা করা হয়েছে, তাদের অনেকে গ্রেপ্তার হয়েছে, অনেকেই আবার পলাতক।

এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, মাদক ব্যবসায় গডফাদার এবং প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না মূলত সে কারণে অভিযানে কোন ফল পাওয়া যাচ্ছে না। দেখা গেছে তারা সমাজের উচুস্থানে বসবাস করে এজন্য হয়তো সরকারের বিভিন্ন বাহিনীর অভিযানে তেমনটা সফলতা আসছে না।

অভিযোগ আছে, কোথাও কোথাও প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও নানাভাবে মাদকের সঙ্গে জড়িত আছেন। এসব কারণে মাদকের বিরুদ্ধে জোরালো কোনো অভিযান দেখা যায় না।

অবশ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতারা সমাজের কেউকেটা হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে তেমন কিছু করা যায় না।

একাধিক গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে ইয়াবাসেবনকারীর সংখ্যা ৮০ লাখেরও বেশি। সম্প্রতি প্রকাশিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা সাময়িকীর এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মাদকাসক্তদের ৫৮ শতাংশেরও বেশি ইয়াবাসেবী।

জানতে চাইলে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে কাজ করছি। তবে মাদক নিয়ন্ত্রণে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মনুষদের এগিয়ে আসতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে র‌্যাব সর্বপ্রথম যুদ্ধ ঘোষণা করে।

জানতে চাইলে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) কর্নেল মো. কামরুল বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে র‌্যাব কাজ করছে। নতুন নতুন কৌশলে আমরা এসব দমনের জন্য বিশেষ ভুমিকায় কাজ করছি।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের জনসংযোগ বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার কেএন রায় নিয়তি বলেন, আমাদের দেশে তো মাদক তৈরি হয় না। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের নিয়মিত অভিযান চলমান রয়েছে। সবচেয়ে ভয়াবহভাবে পাওয়া যায় ইয়াবা। যা মিয়ানমার থেকেই আসছে।

তিনি বলেন, এগুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি। এর সঙ্গে কারা জড়িত, আশ্রয় বা প্রশ্রয়দাতা কারা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আশ্রয় বা প্রশ্রয়দাতা কারা সেটা নিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কাজ করে।

পুলিশ সদর দপ্তরের এক সহকারী মহাপরিদর্শক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, পুলিশ সব সময় ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক নির্মূলে কাজ করছে। তবে পুরোপুরিভাবে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

জানতে চাইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, আমরা বিভিন্ন সময় দেখেছি যারা মাদকের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয় তারা অধিকাংশ সময় তাদের গডফাদারদের নাম প্রকাশ করে না। যার করণে মাদকের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতারা আড়ালে থেকে যায়।

আপনারা মাদক ব্যবসায়ীদের একটি লিস্ট করেছেন সেটার প্রথমিক তদন্তে কী পেয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তদন্ত শেষে আমরা একটি ফাইনাল লিস্ট সংশ্লিষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে এবং দুদকে পাঠিয়েছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মোহাম্মদ শফিউল্লাহ বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর আমাদের কাছে যে লিস্ট দিয়েছে সেটা আপাতত আমরা প্রকাশ করতে পারছি না। খতিয়ে দেখতে হবে এখানে মাদকের সঙ্গে যুক্ত আছেন কারা।

কেএম/এমএমএ/

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম হাসান সরকার অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট দিয়ে বিয়ের খবর জানিয়েছেন তিনি। স্ত্রীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি দিয়ে প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে ক্যাপশনে লিখেছেন— "আলহামদুলিল্লাহ কবুল। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।"

এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তোলা ছবি কাভার ফটো হিসেবে পোস্ট করেছেন এই অভিনেতা। ছবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানকেও দেখা গেছে।

 

তবে স্ত্রীর পরিচয় সম্পর্কে ফেসবুক পোস্টে কিছু উল্লেখ করেননি শামীম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো