শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

বিশেষ প্রতিবেদন

ডিজিটাল হয়রানির শিকার ৯৮% মামলায় যেতে চান না

সবচেয়ে বেশি ডিজিটাল হয়রানির শিকার হন ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী নারীরা।

সহজলভ্য হয়ে উঠেছে নিত্য নতুন প্রযুক্তি। ব্যবহার বেড়েছে বিভিন্ন ধরণের অ্যাপসের। প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় এখন নিজের পরিচয় ও অবস্থান গোপন করে সংঘটিত হচ্ছে সাইবার অপরাধ। আর এসব ডিজিটাল হয়রানির প্রধান শিকার হন নারীরা।

পরিসংখ্যান বলছে, দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর অপরাধীদের শনাক্ত করা গেলেও ৯৮ শতাংশ অভিযোগকারী মামলা করতে চান না। সামাজিক মর্যাদাহানির ভয় থেকেই তাদের এমন অবস্থান বলে দাবি পুলিশের। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন সাইবার জগতের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা তৈরী করা গেলেই কেবল এ ধরণের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

সাইবার অপরাধের ধরণ সম্পর্কে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাইবার বুলিং, ট্রলিং, মানহানি, ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার ও প্রকাশ, ব্ল্যাকমেইলিং, প্রতিশোধ, পর্ণসহ বিভিন্ন উপায়ে নারীদের সাইবার জগতে হয়রানি করা হয়। এতে করে তারা সামাজিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হন।

ভুক্তভোগীরা অধিকাংশ সময় বুঝতে পারেন না কীভাবে, কী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এবং কাকে বিষয়টি জানাবেন। অনেক ক্ষেত্রে পরিবারকে জানাতে বা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে পুরুষ পুলিশ কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ জানাতে দ্বিধাবোধ করেন।

নারীর বিরুদ্ধে সংঘটিত সাইবার অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযোগ গ্রহণ এবং অভিযোগকারীদের প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রযুক্তিগত ও আইনি পরামর্শ দিয়ে থাকে পুলিশের সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন ডেস্ক। এটি পরিচালিত হয় পুলিশ সদর দপ্তরের এলআইসি শাখার অধীনে। নারীদের পাশে দাঁড়াতে ২০২০ সালের ১৬ নভেম্বর যাত্রা শুরু করে সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন।

এই ডেস্কটি নারী পুলিশ সদস্যদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে থাকে বলে জানান পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (এলআইসি) মীর আবু তৌহিদ।

তিনি বলেন, ‘ডেস্কটি সম্পূর্ণভাবে নারী পুলিশ সদস্যদের মাধ্যমে পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক অভিযোগ আসে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ আমরা প্রথমেই যাচাই-বাছাই করে থাকি। আমরা চাই না, একজনকে সেবা দিতে গিয়ে আরেকজন হয়রানির শিকার হোক।’

পুলিশের সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন ডেস্কের তথ্য বলছে, গত বছরের ১৬ নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ডিজিটাল হয়রানীর শিকার হয়ে সাপোর্ট সেন্টারে যোগাযোগ করেছেন ১৭ হাজার ২৮০ জন। এর মধ্যে অভিযোগ করেছেন ১২ হাজার ৬৪১ জন। অপরাধীদের শনাক্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছেন ১৯৭ জন, যা মোট অভিযোগকারীর ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

অভিযোগ বিশ্লেষনে দেখা যায়, ভুয়া আইডি থেকে মেসেজ বা তথ্য প্রকাশ করে হয়রানির শিকার হয়েছেন ৫৪৭৫ জন। আপত্তিকর ছবি বা ভিডিও পাঠিয়ে হয়রানি করা হয় ৯৯২ জনকে। ব্যাক্তিগত তথ্য প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছে ৮৮৪ জনকে। আর অন্যান্য উপায়ে হয়রানি করা হয়েছে ৫১৮ জনকে।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে এমন বেশ কিছু অ্যাপস রয়েছে যেখানে পরিচয় গোপন রেখে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়। এতে পরিচয় গোপন রেখে অপরাধ করার প্রবণতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে অপরাধী শনাক্ত করা দিন দিন দুর্বোধ্য হয়ে পড়ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরকারী পর্যায়ে আলোচনা প্রয়োজন। পাশাাপাশি আইপিডিআর এর ডাটা সঠিকভাবে সংরক্ষণ এবং প্রদানের জন্য ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ডাটা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে।

পুলিশ সদর দপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, ডিজিটাল হয়রানির শিকার হয়ে সবচেয়ে বেশী অভিযোগ এসেছে ঢাকা বিভাগ থেকে। যার হার ৬৪ শতাংশ। চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে এসেছে ১৭ শতাংশ অভিযোগ। খুলনা, রাজশাহী এবং সিলেট বিভাগ থেকে ৪ শতাংশ হারে অভিযোগ এসেছে। বরিশাল বিভাগ থেকে এসেছে ৩ শতাংশ অভিযোগ। আর সবচেয়ে কম ২ শতাংশ করে অভিযোগ এসেছে রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগ থেকে।

সবচেয়ে বেশি ডিজিটাল হয়রানির শিকার হন ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী নারীরা। যার হার ৫৮ শতাংশ। ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের মধ্যে এই হয়রানির হার ২০ শতাংশ। ১৮ বছরের নিচে এই হয়রানীর হার ১৬ শতাংশ। আর ৪০ বছরের ওপরে সাইবার জগতে হয়রানির হার ৬ শতাংশ।

সাইবার অপরাধ নিয়ে কাজ করা একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার ভাষ্যমতে, প্রাথমিক তথ্যানুসন্ধানের পর অভিযুক্তদের শনাক্ত করা সম্ভব হলেও অধিকাংশ ভুক্তভোগী পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ হিসেবে মামলা প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হতে আগ্রহী হন না। ভুক্তভোগীদের মধ্যে বেশীর ভাগই মনে করেন মামলা করলে অভিভাবক ও পরিবার বিষয়টি জেনে ফেলতে পারেন। এতে পারিবারিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। ভুক্তভোগীদের অনেকেই লোকলজ্জা ও সামাজিক মর্যাদাহানির ভয়ে মামলা করেন না। পাশাপাশি আইনগত প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা না থাকা এবং পরবর্তীতে পুনরায় হয়রানির আশংকা থেকে অনেক ভুক্তভোগী মামলা করতে চান না।

ডিজিটাল হয়রানীর শিকার হলেও নারীদের আইনগত ব্যবস্থা না নেয়ার প্রবণতা নিয়ে কথা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানউল্লাহ’র সঙ্গে। ঢাকাপ্রকাশকে তিনি বলেন, সম্প্রতি আমরাও দুটি জরিপ সম্পন্ন করেছি। সেখানেও দেখা গেছে সাইবার হয়রানীর শিকার হলেও ৮০ শতাংশ নারী এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে চান না। তাদের মধ্যে এক ধরণের সামাজিক মর্যাদাহানি ও ভোগান্তি ভীতি কাজ করে। এ ধরণের সংকট থেকে উত্তরণের জন্য কেবল ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট নয়, প্রচলিত আইনের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, উন্নত দেশগুলোতে ‘ডিজিটাল সিটিজেনশিপ’ কনসেপট এর ব্যাপক প্রচলন রয়েছে। মূলত ডিজিটাল সিটিজেনশিপের মাধ্যমে একজন নাগরিক ডিজিটাল মাধ্যমের যথাযথ ব্যবহার সম্পর্কে জানতে পারবেন। পাশাপাশি সাইবার জগতের নিরাপদ প্লাটফর্মগুলো খুঁজে পেতে ব্যবহারকারীদের সহযোগিতা করে এই ডিজিটাল সিটিজেনশিপ। যদি পাঠ্যপুস্তকে এই ডিজিটাল সিটেজনশিপ অন্তুর্ভুক্ত করে বাচ্চাদের নিয়মিত পড়ানো হয় তাহলে শিক্ষার্থীরাও সাইবার জগতে হয়রানি থেকে পরিত্রান পাবে। এছাড়া দ্রুততম সময়ে সাইবার ট্রাইবুনালের তদন্ত সম্পন্ন করার পরামর্শও দেন এই সমাজবিজ্ঞানী।

এনএইচ/এএস

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত

নিহত শফিউল্লাহ মিয়া। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ট্রাক চাপায় শফিউল্লাহ মিয়া (৪৭) নামে এক আনসার সদস্য (কমান্ডার) সদস্য নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভোরে উপজেলা হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

শফিউল্লাহ মিয়া উপজেলার মৌলভীপাড়া গ্রামের মরহুম হাবিবুল্লাহ ওরফে মজনু মিয়ার ছেলে। তিনি কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের কমান্ডার (পিসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবার সূত্রে জানা যায, ঈদের ছুটিতে গত ২৮ মার্চ বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। ছুটি শেষে শুক্রবার কর্মস্থলে ফেরার কথা ছিল শফিউল্লাহর। শুক্রবার ভোরে হাঁটতে বেরিয়ে ছিলেন তিনি।

এ সময় দেলদুয়ার সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাক বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। এতে বৈদ্যুতিক খুঁটিটি ভেঙে শফিউল্লাহর মাথায় পড়ে। এরপর তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শোয়েব আহমেদ বলেন, ঈদের ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন শফিউল্লাহ। শুক্রবার ভোরে তিনি নামাজ পরে হাঁটতে বের হন। হাঁটার একপর্যায়ে হাসপাতালের সামনে এলে মাটি বহনকারীর ড্রাম ট্রাক তাকে চাপা দিয়ে খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা
অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান