শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর ছিল পারস্পরিক বোঝাপড়ার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সদ্য সমাপ্ত ভারত সফরকে কূটনৈতিক ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার সফর হিসেবেই দেখছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, এই সফরে বড় কোনো চুক্তি হবে এমন আভাস ছিল না। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে আস্থা বাড়ানোই ছিল মূল উদ্দেশ্য।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে কানেকটিভিটি, দেশটি থেকে অস্ত্র কেনা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা, বাংলাদেশে খাদ্যদ্রব্য পাওয়ার নিশ্চয়তার বিষয়গুলো উঠে এসেছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের উপর চীনের ‘প্রভাব’ নিয়েও ভারতের পক্ষ থেকে উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

কূটনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশেষ করে ভারতের পক্ষ থেকে ব্যাপক উদ্বেগ ছিল বাংলাদেশে উপর ‘চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব’ নিয়ে। বিষয়টি নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিনয় মোহন কোয়াত্রাও সাংবাদিকদের বলেছেন।

দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের পর বাংলাদেশে চীনা উপস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের বিনয় মোহন কোয়াত্রা সরাসরি জবাব না দিয়ে বলেন, ভারতের আগ্রহ ও উদ্বেগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

সফরকালে যে ৭টি সমঝোতা সই হয়েছে সেগুলো খুবই গতানুগতিক এবং কোনো চমক নেই বলেও মনে করেন কূটনীতিকরা। তবে এগুলো দরকার ছিল বলেও মনে করেন তারা। তারা বলছেন, বিষয়গুলো ভবিষ্যতে আরও পরিষ্কার হবে যখন আরও স্টেটমেন্ট পাওয়া যাবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, বড় কোনো চুক্তির আভাস ছিল না। এটি ছিল আস্থা ও বোঝাপড়ার সফর।

সাবেক পররাষ্ট্র সচিব তৌহিদ হোসেন ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, দু'দেশের সমস্যাগুলো সহজে সমাধান হবে, এমনটা না ভাবাই ভালো। সেসব প্রতিশ্রুতি এসেছে সেগুলো পূরণ হতেও সময় লাগবে। সফরটিকে আমাদের সেভাবেই দেখতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজের পরিচালক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, যেসব সমঝোতা সই হয়েছে সেগুলোর চমক না থাকলেও প্রয়োজনীয়। তবে চুক্তির বাইরে যে আলোচনা হয় সেটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হলো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ তার ‘বন্ধু’দের আচরণে হতাশ। চীন, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন মিয়ানমারের সঙ্গে ব্যবসা বাড়িয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বিভিন্ন সময় সাংবাদিকদের বলেছেন, গত ৫ বছরে ১৫ গুণ থেকে ২০০ গুণ পর্যন্ত ব্যবসা বেড়েছে উল্লিখিত দেশগুলোর। এককভাবে যুক্তরাজ্যের সঙ্গেই মিয়ানমারের ব্যবসা বেড়েছে ২০০ গুণ।

ভারতীয় কর্মকর্তারাও বিভিন্ন সময় তাদের দেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে। অনেক রোহিঙ্গা ভারত থেকে সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার সময় বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) হাতে ধরাও পড়েছে।

এমন অবস্থার মধ্যেও হাসিনা-মোদি বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে ভারত। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন।

বৈঠক শেষে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিনয় মোহন কোয়াত্রা বলেন, ভারত চায় রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন হোক। ভারত সহযোগিতা করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ভারতের ভূমিকা প্রসঙ্গে ড. ইমতিয়াজ আহমেদ ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, চীন একটা মধ্যস্থতা করছে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে। কারণ দুটি দেশের সঙ্গেই চীনের সম্পর্ক ভালো।

ভারতের সঙ্গেও বাংলাদেশ-মিয়ানমারের ভালো সম্পর্ক এমন মন্তব্য করে ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, চীন যেহেতু সফল হয়নি, ভারত এমন উদ্যোগ নিয়ে সফল হলে তাদের স্ট্যাটাসও অনেক বেড়ে যাবে।

এনএইচবি/এসজি

Header Ad
Header Ad

মার্কিন শুল্ক নিয়ে সন্ধ্যায় জরুরি মিটিং ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন শুল্ক ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে একটি জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সভা আয়োজিত হবে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। সভায় অংশ নেবেন শীর্ষ বিশেষজ্ঞ, উপদেষ্টা ও কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, গত বুধবার বাংলাদেশের পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এত দিন দেশটিতে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হতো।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের ৪০ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি শিল্পে বড় ধরনের আঘাত আসতে পারে। এই ধাক্কা সামলাতে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চাইছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর পথ খোঁজা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ: পরীমনি বললেন ‘আমার হাতে সব প্রমাণ আছে’

অভিনেত্রী পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি এখন একটি বিতর্কিত অভিযোগের শিকার। তার গৃহকর্মী পিংকি আক্তার পরীমনির বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলে রাজধানীর ভাটারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে তিনি দাবি করেছেন, পরীমনি তার ওপর শারীরিক নির্যাতন করেছেন, বিশেষত এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানোর ঘটনায়।

অভিযোগ দায়েরের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি দ্রুত আলোচনায় আসে এবং সোশ্যাল মিডিয়া সহ গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়ে ওঠে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে পরীমনি ফেসবুক লাইভে আসেন। তিনি জানান, তার কাছে সব প্রমাণ রয়েছে, তবে তিনি সেগুলো প্রকাশ করতে চান না কারণ তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

অভিনেত্রী পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

লাইভে পরীমনি বলেন, “যদি আমার বিগত জীবনযাপন দেখেন, বুঝবেন যে আমি আমার স্টাফদের সঙ্গেই সময় কাটাই, তারা আমার পরিবার। এক গৃহকর্মী যার সাথে এক মাসও হয়নি, সে নিজের বিরুদ্ধে এমন দাবি করতেই পারে, তবে আমি বলব সে আমার গৃহকর্মী নয়।”

এছাড়া পরীমনি আরো জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে মিডিয়া তাকে 'মিডিয়া ট্রায়াল' করেছে এবং তা একেবারেই সঠিক নয়। তিনি বলেন, “যে কেউ যে কারও বিরুদ্ধে জিডি করলেই সেটা কি সত্যি হয়ে যাবে? প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে দোষী সাব্যস্ত করা উচিত নয়।”

লাইভে আবেগপ্রবণ হয়ে পরীমনি আরও বলেন, “এত মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধ করুন, জনগণ আসলে পুরো একটা মিডিয়া।"

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার অভিযোগ করেন, পরীমনি তার মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানোর সময় তাকে মারধর করেন, ফলে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান এবং পরে ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে ডেকে আনেন। পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে।

এদিকে, পরীমনি জানিয়েছেন, তিনি আইনি ব্যবস্থা নেবেন এবং সমস্ত প্রমাণ আদালতের মাধ্যমে উন্মোচন করবেন।

Header Ad
Header Ad

যমুনা সেতু মহাসড়কে র‍্যাবের টহল জোরদার (ভিডিও)

যমুনা সেতু মহাসড়কে র‍্যাবের টহল জোরদার করা হয়েছে। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ-উল-ফিতরের ছুটি শেষে নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে ঘরমানুষ। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফেরা ও সড়কে ডাকাতিরোধে র‍্যাবের টহল টিম জোরদার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাতে মহাসড়কের এলেঙ্গা ও মির্জাপুরসহ গুরত্বপূর্ণ এলাকায় চেক পোস্ট বসিয়ে যাত্রীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি মহাড়কে চলাচলের সার্বিক খোঁজখবর নিচ্ছে র‍্যাব সদস্যরা।

এছাড়াও ডাকাতিরোধসহ জরুরি প্রয়োজনে যাতে র‍্যাবের যোগাযোগ করতে জরুরি মোবাইল নম্বরও সরবরাহ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে র‍্যাব- ১৪ এর ৩ নং কোম্পানী কমান্ডার মেজর কাওছার বাঁধন বলেন, ঈদের আনন্দ শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে তাদের একাধিক টহল টিম দায়িত্ব পালন করছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

মার্কিন শুল্ক নিয়ে সন্ধ্যায় জরুরি মিটিং ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ: পরীমনি বললেন ‘আমার হাতে সব প্রমাণ আছে’
যমুনা সেতু মহাসড়কে র‍্যাবের টহল জোরদার (ভিডিও)
শরীয়তপুরে দু’পক্ষের তুমুল সংঘর্ষ, শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ
গরমে তৃষ্ণা মেটানোর বদলে ডিহাইড্রেটেড করবে যেসব পানীয়
পরকীয়া থেকে ফেরাতে না পেরে স্বামীকে হত্যা করলেন স্ত্রী
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু হতাহতের শিকার: জাতিসংঘ
আয়ারল্যান্ডের পাসপোর্ট বিশ্বসেরা, বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১তম
ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, নেই যানজট ও ভোগান্তি
আইএমএফের প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসছে আজ
অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে ২৮ জনের ৩ কোটি আত্মসাৎ, ফেরত দেওয়ার দাবি
প্রশাসনে রেকর্ড সংখ্যক কর্মকর্তা ওএসডি, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে নতুন রেকর্ড
ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
সাভারে আবারও চলন্ত বাসে ডাকাতি, স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল লুটপাট
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ