রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

সম্ভাবনার নতুন দুয়ার পদ্মা সেতু-১২

সেতু উদ্বোধনের আগেই ‘সমন্বয়’ হবে পরিবহন ভাড়া

পদ্মা সেতু নিয়ে এখন দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের মাঝে বিরাজ করছে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস-আনন্দ। সেই উচ্ছ্বাসে কিছুটা হলে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে গাড়ির ভাড়া নিয়ে। দফায় দফায় টোল গুণতে হবে পদ্মার উপর দিয়ে চলাচলকারী দক্ষিণও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলগামী যাত্রা ও পণ্যবাহী পরিবহনকে। পদ্মা সেতু ছাড়াও এক্সপ্রেসওয়ের দুই পাশে এবং মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারেও টোল দিতে হবে যানবাহনগুলোকে। ফলে আশঙ্কা করা হচ্ছে যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনের ভাড়া অনেক বেশি বেড়ে যাওয়ার ।

এ অবস্থায় পদ্মা সেতু চালু হওয়ার আগেই যানবাহনের ভাড়া ‘সমন্বয়’ করতে চাইছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতিও চায় সেতু উদ্বোধনের আগেই সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে ভাড়ার সমন্বয় করা হোক।

বিআরটিএ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফেরির ভাড়ার চেয়ে পদ্মা সেতুর টোল যেহেতু বেশি তাই ভাড়া বাড়তে পারে। কিন্তু এটিই শেষ কথা নয়। কারণ, এই সেতুর কারণে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অধিকাংশ জেলার দূরত্ব রাজধানীর সঙ্গে কমবে। তাই টোল বেশি হলেও এই দিক বিবেচনায় ভাড়া কমারও সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে শুধুমাত্র পদ্মা সেতুর টোল হলে বিষয়টা একরকম হত। কিন্তু সেতুর পাশাপাশি এক্সপ্রেসওয়েতেও টোল দিতে হবে। এ কারণে ভাড়া কমার সম্ভাবনা খুবই কম। অবশ্য সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন পণ্য পরিবহনের খরচ বেশি বেড়ে যাবে।

এই অবস্থায় পদ্মা সেতু চালুর আগেই যানবাহনের ভাড়া সমন্বয় করা হবে বলে জানিয়ে বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহামস্মদ মজুমদার। তিনি বলেন, পদ্মা সেতুর কারণে অনেক রুটের দূরত্ব কমবে। তাই ভাড়া কমতেও পারে।

টোল দিতে হবে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতেও

বিআরটিএ চেয়ারম্যান ভাড়া কমতে পারে বললেও বাস্তবে তেমন সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। কারণ পদ্মা সেতুর টোলের পাশাপাশি যানবাহনগুলোকে টোল দিতে হবে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের জন্য। তাই ভাড়া কমার সম্ভাবনা নাই। বরং বাড়ার সম্ভাবনাই বেশি।

আগামী ২৫ জুন সকাল ১০টায় বহুল্র প্রতিক্ষীত পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পরই যানবাহনের জন্য সেতু খুলে দেওয়া হবে।

সম্প্রতি সেতুর টোল নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। পদ্মা সেতুর নির্ধারিত টোলের হার হচ্ছে, মোটরসাইকেলের জন্য টোল দিতে হবে ১০০ টাকা এবং প্রাইভেট কার ও জিপের জন্য ৭৫০ টাকা। মাঝারি বাসের জন্য ২ হাজার টাকা, বড় বাসের জন্য ২ হাজার ৪০০ টাকা টোল নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া মিনিবাসকে দিতে হবে ১ হাজার ৪০০ টাকা এবং মাইক্রোবাসকে দিতে হবে ১ হাজার ৩০০ টাকা।

৫ টন পর্যন্ত ট্রাকের জন্য টোল নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৬০০ টাকা, ৫ থেকে ৮ টনের ট্রাকের জন্য ২ হাজার ১০০ টাকা, ৮ থেকে ১১ টনের ট্রাকের জন্য ২ হাজার ৮০০ টাকা, বড় ট্রাকের জন্য (থ্রি এক্সেল পর্যন্ত) ৫ হাজার ৫০০ টাকা এবং টেইলারের জন্য ৬ হাজার টাকা টোল নির্ধারণ করা হয়েছে।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) এক সমীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে পদ্মা সেতু দিয়ে প্রতিদিন ২৪ হাজার যানবাহন চলবে। এর মধ্যে রয়েছে ৮ হাজার ২৩৮টি বাস, ১০ হাজার ২৪৪টি ট্রাক, এবং ৫ হাজারের বেশি মাইক্রোবাস ও ব্যক্তিগত গাড়ি।

এই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রতিবছর যানবাহনের সংখ্যা ৭-৮ শতাংশ হারে বাড়বে। সেক্ষেত্রে ২০৫০ সাল নাগাদ সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন ৬৭ হাজার বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলবে।

সড়ক ও জনপথ (সওজ) সূত্র জানায়, ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের টোল নির্ধারণের বৈঠক হবে ৭ জুন। তারপরই জানা যাবে এক্সপ্রেসওয়ের টোল কত হবে।

মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারেও আছে টোল

পদ্মা সেতু দিয়ে ঢাকায় ঢুকতে এবং বের হতে হলে টোল দিতে হবে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারেও। এই টোলের পরিমাণও নিতান্ত কম নয়।

মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারে টোলের পরিমাণ-ট্রেইলার ৩৫০ টাকা, ট্রাক ৩০০ টাকা, বাস ২৭৩ টাকা, ট্রাক (চার চাকা) ২৭৩ টাকা, মিনি বাস ১৭৩ টাকা, পিকআপ ৬০ টাকা এবং মাইক্রোবাস ৬০ টাকা।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্ল্যাহ ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, সরকারের কাছে আমরা আবেদন করেছি ভাড়া সমন্বয় করার জন্য। যেসব বাস পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট হয়ে চলে সেগুলোও যদি পদ্মা সেতু দিয়ে চলার কারণে দূরত্ব কমে তাহলে ভাড়া কমাতেও আপত্তি নেই আমাদের।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব খন্দকার মোজাম্মেল হক চৌধুরী ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, সরকার জনগণকে কর দেয়। তাই টোল আদায়ের কোনো যৌক্তিকতা নাই।

এক্সপ্রেসওয়ে চালুর পর বাস ও মিনিবাসে ট্রিপ সংখ্যা বেড়েছে জানিয়ে মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, এখন টোল দিতে হলে মালিকরা ভাড়ার সঙ্গে সমন্বয় করবে। কাজেই শেষ বিচারে যাত্রীদেরই পকেট কাটা হবে।

আরইউ/এনএইচবি/এমএমএ/

 

Header Ad
Header Ad

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার উপদেষ্টা ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সাধারণ মানুষ। শনিবার (৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগালসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

আয়োজকদের দাবি, ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি এবং মাস্কের অতিরিক্ত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ।

ওয়াশিংটনের কানেটিকাট অ্যাভিনিউ ও ন্যাশনাল মল এলাকায় বৃষ্টির মধ্যেও হাজারো বিক্ষোভকারী প্ল্যাকার্ড হাতে জড়ো হন। ‘যুক্তরাষ্ট্রে কোনো রাজা নেই’, ‘মাস্ককে বিতাড়িত করুন’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখর ছিল রাজপথ। আয়োজকদের ধারণা, শুধু ওয়াশিংটনেই অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

ইউরোপের শহরগুলোতেও ছিল একই দৃশ্য। জার্মানির বার্লিনে টেসলার শোরুমের সামনে এবং ফ্রাঙ্কফুর্টে ‘হ্যান্ডস অফ’ ব্যানারে বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের পদত্যাগ দাবি করেন। তাদের হাতে ছিল ব্যানার: ‘গণতন্ত্র রক্ষা করুন’, ‘ট্রাম্প চলে যাও’। প্যারিসের প্যালেস দে লা রিপাবলিক এলাকায় মার্কিন অভিবাসীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়, যেখানে ‘আইনের শাসন চাই’, ‘অত্যাচারীকে প্রতিহত করুন’—এমন বার্তাবাহী প্ল্যাকার্ড বহন করা হয়।

লন্ডন, লিসবনসহ আরও বেশ কিছু শহরেও মাস্ক ও ট্রাম্প বিরোধী আন্দোলনের ঝড় উঠে। বার্লিনে “ইলন, তোমাকে কেউ ভোট দেয়নি”—এই স্লোগানটি মাস্কের অগণতান্ত্রিক প্রভাবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের মনোভাব স্পষ্ট করে তোলে।

বিশ্বব্যাপী এই বিক্ষোভ শুধু রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের পক্ষে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে প্রতিভাত হচ্ছে। আয়োজকরা বলেন, এখনকার বিশ্ব আগের চেয়ে অনেক বেশি আন্তঃসংযুক্ত—একটি দেশের নেতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়ে অন্য দেশেও। এই বিক্ষোভ তাই স্বৈরাচার ও অগণতান্ত্রিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিশ্বজাগরণের প্রতিচ্ছবি। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

Header Ad
Header Ad

চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিজিটিএন-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও গভীর এবং কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করতে চান তিনি। শনিবার (৫ এপ্রিল) চার মিনিটের সেই ভিডিও সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। এই সম্পর্ক শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং পুরো অঞ্চলের ভূমি পরিবেষ্টিত দেশগুলোর জন্যও উপকার বয়ে আনবে।” তিনি চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিল্প-কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের পথে রয়েছে, আর এ যাত্রায় চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নে চীনের ভূমিকা হতে পারে উল্লেখযোগ্য। “আমাদের অর্ধেক জনগণের বয়স ২৭ বছরের নিচে। এরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, এবং তাদের অর্থনৈতিক দক্ষতায় পরিণত করতে হবে,” বলেন তিনি।

তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে চীনের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বলেন, “বাংলাদেশ ও চীনের ৫০ বছরের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই সাফল্য আরও এগিয়ে নিতে সংস্কৃতি ও ভাষা চর্চার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।” তিনি বাংলাদেশে চাইনিজ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেন, যাতে বাংলাদেশের মানুষ চীনা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হতে পারে।

সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস স্বাস্থ্যসেবা খাতেও চীনের সহায়তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “চীনের স্বাস্থ্য প্রযুক্তি ও পরিষেবা থেকে বাংলাদেশ অনেক কিছু শিখতে পারে। দেশের সাধারণ মানুষ চীনের মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পেতে আগ্রহী।”

সাক্ষাৎকারের শেষভাগে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “শান্তিই একমাত্র সমাধান, যুদ্ধ কোনো পথ নয়। একটি টেকসই, শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার বিকল্প নেই।”

উল্লেখ্য, গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ ড. মুহাম্মদ ইউনূস দক্ষিণ চীনের হাইনান দ্বীপে আয়োজিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বেইজিং সফর করেন। এটি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল।

Header Ad
Header Ad

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন নয় বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। রবিবার (৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে ঈদ-পরবর্তী প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নতুন করে যেসব শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, সেগুলোর প্রভাব মোকাবিলা করা কঠিন হবে না।

তিনি জানান, “ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে বড় কোনো প্রভাব ফেলবে না। আমাদের রপ্তানি বাজার বহুমুখী, সেই সঙ্গে উৎপাদন খরচ তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় আমরা প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে আছি।”

ঈদের পরবর্তী সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “মানুষ এবার ভালোভাবে ঈদ উদযাপন করেছে। মার্চ মাসে ৩ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যার প্রভাবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে।”

সালেহউদ্দিন আহমেদ আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং যেকোনো বৈশ্বিক চাপে তা টিকে থাকতে সক্ষম হবে।

 

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা
চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা
রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায় হেফাজত, বিএনপির সঙ্গে একমত
চীনের পাল্টা শুল্কারোপে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উত্তেজনা
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ
পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস
বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫