রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

সম্ভাবনার নতুন দুয়ার পদ্মা সেতু-১১

এক কিশোরীর চোখে পদ্মা পারাপারের স্বপ্ন

বাবা তখন ঢাকায় চাকরি করতেন। আমার জন্ম হয়নি। বড় দুই ভাই খুব ছোট। প্রতিবার ছুটি শেষে বাবা ঢাকায় চলে আসতেন। ভাইয়েরা বাবাকে যেতে না দেয়ার জন্য কান্না জুড়তেন। তখন বাবা নাকি বলতেন, পদ্মা সেতুটা হইলে সকালে বাড়ি থেকে ঢাকা গিয়ে অফিস করে সন্ধ্যায় আবার তোদের কাছেই ফিরবো। পদ্মা পেরোলেই তো ঢাকা। আমার দুই মানিককে বুকে নিয়ে শান্তির ঘুম দিব...।

বলতে বলতে নাকি বাবার দুচোখ বিস্ময়ে চকচক করে উঠতো। সেই বিস্ময় ভরা চোখের দিকে তাকিয়ে দুই ভাই আনন্দে খিল খিল করে হেসে উঠতো। হাত তালি দিত। যুগ যুগ ধরে পদ্মা সেতু নিয়ে ওপারের মানুষ এভাবে কত শত স্বপ্ন বুনে গেছেন। পদ্মার ওপারের মানুষের কাছে পদ্মা সেতু নিয়ে এমন উচ্ছ্বাসের হাজারো গল্প শুনেই বড় হয়েছি আমরা। এরপর কত বছর পেরিয়ে গেছে। বাবা বৃদ্ধ হয়েছেন। বাবা এখন পদ্মার ওপারের গ্রামে থাকেন। আর সময়ের প্রয়োজনে আমরা ভাই-বোনেরা থাকছি ঢাকায়। পদ্মার কারণে এ দূরত্বটুকু মনে হয় এক সমুদ্র।

আমরা ঢাকায় কিংবা যেখানেই থাকি ঈদ কিংবা কোন উৎসব এলে সকলকে পদ্মার ওপারের সবুজে ঘেরা সেই ঘরটিতেই ফিরতে হয়। সেখানেই যেন সকল শান্তির বসবাস। তবে ওই যে বললাম, পদ্মার কারণে দূরত্বটুকু যেন এক সমুদ্র। সেই শান্তির ঘর পর্যন্ত পৌঁছাতেই করতে হয় বিশাল যুদ্ধ জয়। এক ঈদযাত্রার কথা বলতে পারি। ২০১৯ সালে ঈদে বাড়ি যাওয়া নিয়ে আমরা আগেই পরিকল্পনা করলাম, কীভাবে দ্রুততম সময়ে বাড়ি যাওয়া যেতে পারে। ঠিক করা হলো ঢাকা থেকে আমরা রওনা হবো সেহরি খেয়েই। যত দ্রুত পদ্মার পাড়ে পৌঁছানো যায়! ভোর রাতে নিশ্চই রাস্তা ফাঁকা কিংবা ফেরিও পেয়ে যাবো খুব সহজে। আর তাতে করে সকাল ১০টা-১১ টায় পৌঁছে যাব বাড়ি। ইফতারে কি কি আয়োজন হবে তা আগে থেকেই বাজার করে রেখেছেন বাবা। আজ সবাই একসঙ্গে ইফতার করবো।

ভাবতেই খুব আনন্দ হচ্ছিলো। সেখানে আমাদের অপেক্ষায় রয়েছে বাবা-মায়ের স্নিগ্ধ-ক্লান্ত দুই জোড়া চোখ। আমাদের দেখা পেলেই যেন চোখের সকল ক্লান্তি সেরে যাবে। যা ভেবেছিলাম, রাস্তা অনেকটাই ফাঁকা। খুব কম সময়ে আমরা পৌঁছে গেলাম পদ্মার পাড়ে। যখন পৌঁছেছি সূর্য কেবল আলো ছড়াচ্ছে। সদ্য ভোরের সোনালী আলোয় যা দেখলাম, হাজার হাজার গাড়ি স্থির দাঁড়িয়ে আছে ফেরীর অপেক্ষায়। হয়তো আমাদের মতন তারাও ভেবেছিলো ভোরেই পৌঁছাবে ঘরে। তাইতো সবাই সেহরি খেয়েই রওনা। তাদের লাইনে যোগ হলো আমাদের গাড়িও। লাইন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হলো। এক সময় ফেরিও পার হওয়া গেলো।

আমরা যখন মাদারীপুর শহর পার হচ্ছি তখন মাগরিবের আজান হচ্ছে! বাড়ি যেতে তখনও ঘন্টা খানেক বাকি। খাবার কিনে গাড়িতেই ইফতার করে নিতে হলো। বাবা মা তখনও অপেক্ষা করছিলেন একসঙ্গে বসে ইফতার করবেন বলে। একটি সেতুর অভাবে এমন ঘটনা ঘটেছে আরও অসংখ্য মানুষের ক্ষেত্রে। এখন স্বপ্নের পদ্মা সেতু হয়েছে। সামনের ২৫ জুন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে। খবরটি বাবাকে জানাতেই বিস্ময়ে তার দুচোখ চক চক করে উঠলো। এবার তার সন্তানেরা পদ্মা পেরিয়ে বাবাকে দেখার তৃষ্ণা নিয়ে তার বুকে ফিরবে স্বল্পতম সময়েই।

পদ্মা সেতু নিয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের ঘরে ঘরে রয়েছে এরকম হাজারো গল্প। প্রায়ই খবর শোনা যায় ফেরীর অপেক্ষায় অ্যাম্বুলেন্সেই রোগীর মৃত্যুর খবর। মুমূর্ষু ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা নিয়ে আসার পথেই রোগীর মৃত্যু। পদ্মার ওপারের মানুষেরা উন্নত চিকিৎসা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন এই একটা সেতুর জন্য। সুচিকিৎসার অভাবে স্বজন হারানোর বেদনা আছে ওই অঞ্চলের প্রায় প্রতিটি পরিবারের মধ্যে। আমাদের আত্মীয় মাদারীপুরের কালকিনী উপজেলা সাহেবরামপুর গ্রামের সারওয়ার ভাইয়ের বাবা হঠাৎ স্টোক করেন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ছুটলেন ঢাকার উদ্দেশ্যে। পদ্মা পেরোলেই রাজধানী ঢাকা। পাবেন উন্নত চিকিৎসা। চিকিৎসা দিয়ে বাবাকে সুস্থ করে নিয়েই তবে বাড়ি ফিরবেন। সেই স্বপ্ন নিয়েই যাত্রা শুরু করেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য, ফেরী ঘাটেই আটকা পড়লেন ৫ ঘন্টা। ফলে যা হবার তা-ই হলো। উন্নত চিকিৎসার আশা সেখানেই মাটি। ফেরি ঘাটেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন রোগী। ফলে লাশ নিয়েই বাড়ি ফিরলেন তারা। সেদিন তিনি বারবার একটি কথাই বলেছিলেন, নদীতে একটি সেতু থাকলে হয়তো বাবা আজ বেঁচে ফিরতেন।

পদ্মা সেতু না থাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেরির জন্য অপেক্ষা, কত শত মানুষের প্রাণ দিতে হয়েছে পদ্মার উন্মত্ত ঢেউয়ে। সেই যন্ত্রণাময় দিনগুলি শেষ হতে চলেছে। এবার সেসব পেছনে ফেলে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দেয়ার পালা এসেছে। যুগ যুগ ধরে চলে আসা এসব সমস্যার সমাধান হবে। এই অঞ্চলে এখন শিল্প কারখানা গড়ে উঠবে। বেকারত্ব দূরীকরণে ভূমিকা রাখবে। মানুষ উন্নত চিকিৎসা পাবে। গোটা দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চেহারা বদলে যাবে। সকলের চোখে পদ্মা সেতু অর্জন এক বিস্ময়। এ বিস্ময় আমার বাংলাদেশের।
এসজেটি/এনএইচবি/এএজেড

Header Ad
Header Ad

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার উপদেষ্টা ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সাধারণ মানুষ। শনিবার (৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগালসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

আয়োজকদের দাবি, ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি এবং মাস্কের অতিরিক্ত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ।

ওয়াশিংটনের কানেটিকাট অ্যাভিনিউ ও ন্যাশনাল মল এলাকায় বৃষ্টির মধ্যেও হাজারো বিক্ষোভকারী প্ল্যাকার্ড হাতে জড়ো হন। ‘যুক্তরাষ্ট্রে কোনো রাজা নেই’, ‘মাস্ককে বিতাড়িত করুন’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখর ছিল রাজপথ। আয়োজকদের ধারণা, শুধু ওয়াশিংটনেই অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

ইউরোপের শহরগুলোতেও ছিল একই দৃশ্য। জার্মানির বার্লিনে টেসলার শোরুমের সামনে এবং ফ্রাঙ্কফুর্টে ‘হ্যান্ডস অফ’ ব্যানারে বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের পদত্যাগ দাবি করেন। তাদের হাতে ছিল ব্যানার: ‘গণতন্ত্র রক্ষা করুন’, ‘ট্রাম্প চলে যাও’। প্যারিসের প্যালেস দে লা রিপাবলিক এলাকায় মার্কিন অভিবাসীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়, যেখানে ‘আইনের শাসন চাই’, ‘অত্যাচারীকে প্রতিহত করুন’—এমন বার্তাবাহী প্ল্যাকার্ড বহন করা হয়।

লন্ডন, লিসবনসহ আরও বেশ কিছু শহরেও মাস্ক ও ট্রাম্প বিরোধী আন্দোলনের ঝড় উঠে। বার্লিনে “ইলন, তোমাকে কেউ ভোট দেয়নি”—এই স্লোগানটি মাস্কের অগণতান্ত্রিক প্রভাবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের মনোভাব স্পষ্ট করে তোলে।

বিশ্বব্যাপী এই বিক্ষোভ শুধু রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের পক্ষে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে প্রতিভাত হচ্ছে। আয়োজকরা বলেন, এখনকার বিশ্ব আগের চেয়ে অনেক বেশি আন্তঃসংযুক্ত—একটি দেশের নেতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়ে অন্য দেশেও। এই বিক্ষোভ তাই স্বৈরাচার ও অগণতান্ত্রিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিশ্বজাগরণের প্রতিচ্ছবি। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

Header Ad
Header Ad

চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিজিটিএন-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও গভীর এবং কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করতে চান তিনি। শনিবার (৫ এপ্রিল) চার মিনিটের সেই ভিডিও সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। এই সম্পর্ক শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং পুরো অঞ্চলের ভূমি পরিবেষ্টিত দেশগুলোর জন্যও উপকার বয়ে আনবে।” তিনি চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিল্প-কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের পথে রয়েছে, আর এ যাত্রায় চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নে চীনের ভূমিকা হতে পারে উল্লেখযোগ্য। “আমাদের অর্ধেক জনগণের বয়স ২৭ বছরের নিচে। এরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, এবং তাদের অর্থনৈতিক দক্ষতায় পরিণত করতে হবে,” বলেন তিনি।

তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে চীনের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বলেন, “বাংলাদেশ ও চীনের ৫০ বছরের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই সাফল্য আরও এগিয়ে নিতে সংস্কৃতি ও ভাষা চর্চার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।” তিনি বাংলাদেশে চাইনিজ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেন, যাতে বাংলাদেশের মানুষ চীনা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হতে পারে।

সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস স্বাস্থ্যসেবা খাতেও চীনের সহায়তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “চীনের স্বাস্থ্য প্রযুক্তি ও পরিষেবা থেকে বাংলাদেশ অনেক কিছু শিখতে পারে। দেশের সাধারণ মানুষ চীনের মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পেতে আগ্রহী।”

সাক্ষাৎকারের শেষভাগে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “শান্তিই একমাত্র সমাধান, যুদ্ধ কোনো পথ নয়। একটি টেকসই, শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার বিকল্প নেই।”

উল্লেখ্য, গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ ড. মুহাম্মদ ইউনূস দক্ষিণ চীনের হাইনান দ্বীপে আয়োজিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বেইজিং সফর করেন। এটি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল।

Header Ad
Header Ad

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন নয় বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। রবিবার (৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে ঈদ-পরবর্তী প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নতুন করে যেসব শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, সেগুলোর প্রভাব মোকাবিলা করা কঠিন হবে না।

তিনি জানান, “ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে বড় কোনো প্রভাব ফেলবে না। আমাদের রপ্তানি বাজার বহুমুখী, সেই সঙ্গে উৎপাদন খরচ তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় আমরা প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে আছি।”

ঈদের পরবর্তী সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “মানুষ এবার ভালোভাবে ঈদ উদযাপন করেছে। মার্চ মাসে ৩ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যার প্রভাবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে।”

সালেহউদ্দিন আহমেদ আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং যেকোনো বৈশ্বিক চাপে তা টিকে থাকতে সক্ষম হবে।

 

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা
চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা
রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায় হেফাজত, বিএনপির সঙ্গে একমত
চীনের পাল্টা শুল্কারোপে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উত্তেজনা
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ
পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস
বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫