বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

‘খলিফাদের দখলে নৌকা, ত্যাগীরা ঝুঁকছেন স্বতন্ত্রের দিকে’

ছবি: সংগৃহীত

নওগাঁর অবহেলিত বরেন্দ্র জনপথ হিসেবে পরিচিত নওগাঁ-২ (ধামইরহাট ও পত্নীতলা) আসনে আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন কে কেন্দ্র করে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী ৪৭ নওগাঁ-২ আসনের সাবেক এমপি শহীদুজ্জামান সরকার বাবলুর সঙ্গে ভোটের মাঠে ও ময়দানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আখতারুল আলমের।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত স্বতন্ত্র এই প্রার্থী (ট্রাক প্রতীক) নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় পাল্টে যাচ্ছে ভোটের হিসাব-নিকাশ। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কে জয়ী হবেন তা নিয়ে সকাল-সন্ধ্যা পাড়ায় মহল্লায় এবং চায়ের টেবিলে প্রার্থীদের পক্ষে ও বিপক্ষে চলছে নানান আলোচনা ও সমালোচনা।

অপর দিকে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মেহেদী মাহমুদ রেজা গত মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে উচ্চ আদালতের রায়ের মাধ্যমে প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন। ৩১ জানুয়ারি দুপুরে ঈগল প্রতীক নিয়ে এ আসন থেকে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

তবে সুষ্ঠু ভোট হলে নৌকাকে ডুবিয়ে শেষ হাসিটা হাসবেন ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আখতারুল আলম এমনটাই মনে করছেন দুই উপজেলার ভোটাররা। তারা বলছেন, ১৫ বছর ধরে ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে শহীদুজ্জামান সরকারের পছন্দের খলিফাদের ক্ষমতার অপব্যবহার, টেন্ডারবাজি ও দলবাজি থেকে পরিত্রান পেতে নতুন ও যোগ্য নেতৃত্বকেই এমপি হিসেবে নির্বাচিত করবেন তারা। অন্যদিকে ভোটের মাঠে খুব একটা সুবিধা করতে না পারলেও জাতীয় পার্টি মনোনীত (লাঙ্গল প্রতীক) প্রার্থী অ্যাডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।

স্থানীয় ও বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, শহীদুজ্জামান সরকার ১৯৯১ সালে বিএনপির প্রার্থী আব্দুল মান্নান কে হারিয়ে প্রথম সংসদ সদস্য নিদর্বাচিত হন। এরপর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে শামসুজ্জোহা খান জোহা ১৯৯৬-২০০১ সালে নির্বাচিত হন। এরপর ২০০৮-২০২৩ সাল পর্যন্ত ১৫ বছর ধরে শহীদুজ্জামান সরকার বাবলু দলের দুর্দিনের কান্ডারী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের দলের বিভিন্ন জায়গা থেকে বাদ দিয়ে জামায়াত ও বিএনপি থেকে আসা সুবিধাবাদীদের চাকরি দেওয়া থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ পদে পুনর্বাসনের মধ্য দিয়ে ত্যাগী নেতাদের কৌশলে কোণঠাসা করে রাখার মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই উপজেলায় চায়ের দোকান থেকে শুরু করে গ্রামের হাট বাজার ও বিভিন্ন মোড়ে পাড়ায় মহল্লায় প্রার্থীদের ব্যানার আর পোস্টারে ছেয়ে গেছে। সড়কে ব্যাটারি চালিত ভ্যান দাপিয়ে বেড়াচ্ছে প্রচার প্রচারণায়। শীতকে উপেক্ষা করে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা করছেন প্রার্থীরা। প্রার্থী আর কর্মীদের কুশল বিনিময়ে যেনো উৎসব মুখর হয়ে উঠেছে নির্বাচনের আমেজ।

বুধবার (৩১ জানুয়ারি) ভোটের মাঠে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে জানা গেছে, আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে (ধামইরহাট ও পত্নীতলা) এ আসনের উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সাবেক ও বর্তমান পদ বঞ্চিত নেতা-কর্মী এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা স্থানীয় সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকারের বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হয়ে ইঞ্জিনিয়ার আখতারুলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আইয়ুব হোসেন নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার ঘোষণা করে ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতারুলের পক্ষ নিয়েছেন। সুষ্ঠু নির্বাচন ও ভোটের মাঠে সাধারণ ভোটারদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে, এ আসনে নতুন মুখ আসার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না এমনটাই দাবি করেন আওয়ামী লীগের একাধিক বঞ্চিত সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মী, ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানগণ ও সাধারণ ভোটাররা।

একারণে ১২ ফেব্রুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের মাঠে ও ময়দানে হিসাব নিকাশ পাল্টে গেছে। আওয়ামী লীগ সমর্থিত (নৌকার প্রতিক নিয়ে) শহীদুজ্জামান সরকার, আওয়ামী লীগ সমর্থিত (ট্রাক প্রতীক) স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আখতারুল আলমের মধ্যে ভোটের মাঠে ও ময়দানে ব্যাপক প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এ দৌড়ে খুব একটা পিছিয়ে নেই জাতীয় পার্টির মনোনীত (লাঙ্গল প্রতীক) প্রার্থী এডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন।

উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল হাই দুলাল বলেন, 'এর আগে উপজেলায় চার খলিফা ছিল। এখন তা বেরে হয়েছে অর্ধশতাধিক। ক্ষমতার অপব্যবহার করে বালু মহল থেকে শুরু করে সব জায়গায় টেন্ডারবাজিসহ নিজেদের ইচ্ছেমতো অপকর্ম করে যাচ্ছেন। এদের পরিবর্তন না হলে আওয়ামী লীগসহ এর অঙ্গ সংগঠনের অস্তিত্ব সংকট দেখা দেবে।'

পত্নীতলা উপজেলার পাটিচোড়া ইউনিয়ন ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার ছাদেক উদ্দীন আহম্মেদ বলেন, 'বর্তমান সংসদ সদস্য দুই উপজেলায় তাঁর পছন্দের খলিফারদের নিয়ে একটি সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন। তাছাড়া যে নেতার কাছে সাধারণ মানুষ ও ত্যাগী নেতাকর্মীরা যেতে পারেন না তাদের পরিবর্তন দরকার। এ কারণেই একজন মুক্তিযোদ্ধা হয়ে তিনি আওয়ামী লীগ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতারুলের পক্ষ নিয়েছেন।'

খেলনা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড চকমগলিশ এলাকার গ্রামপ্রধান শৈলেন হাঁসদা বলেন, 'বরাবরই জোটবদ্ধ হয়ে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করেছেন। অথচ ভোট শেষে এলাকায় আসাতো দুরের কথা বিপদ আপদে দাবিদাওয়া নিয়ে গেলে ওই নেতা আমাদের আশার বানী শোনাতেই ব্যাস্ত থাকেন। একারণে ট্রাক মার্কায় ভোট দেবেন বলে জানান।'

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলদার হোসেন বলেন, '১৫ বছর দল ক্ষমতায়। এমপিও ক্ষমতা রয়েছেন। 'খলিফা' শব্দটি আসলে ঠিক নয় কারণ গণতান্ত্রিক পন্থায় দলের বিভিন্ন সেক্টরে কমিটি হয়েছে। কমিটিতে অনেক নতুন মুখ এসেছে আবার পুরাতন নেতাকর্মীরা ঝরে পড়েছেন। এতে করে অনেকের মনে কষ্ট থাকতে পারে কিন্তু ত্যাগী নেতাকর্মীরা দলছুট হয়েছে বা অন্য পক্ষ নিয়েছে এ বিষয়ে তাঁর জানা নেই।'

তিনি আরও বলেন, 'আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নৌকার বিকল্প নেই। আর এ কারণেই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটারদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এ এলাকার সাধারণ মানুষ শেখ হাসিনার পছন্দের প্রার্থী শহীদুজ্জামান সরকারকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন।'

লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন বলেন, 'নওগাঁর অবহেলিত জনপদের (ধামইরহাট ও পত্নীতলা) সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন ও উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে তিনি জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। যোগ্য প্রার্থী হিসেবে এ এলাকার সাধারণ ভোটাররা তাকেই ভোট দিবেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আখতারুল আলম বলেন, 'অবহেলিত এ জনপদের মানুষ টেন্ডারবাজি ও সিন্ডিকেট থেকে মুক্তি চায়। কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব তৈরির পাশাপাশি দুই উপজেলার শিক্ষিত ও বেকার তরুণদে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ও কৃষকদের সঙ্গে নিয়ে কৃষি বন্ধব শিল্প ও সমৃদ্ধ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চান।'

Header Ad
Header Ad

গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের

ছবি: সংগৃহীত

টানা ১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে সামরিক অভিযান চালানোর পর এবার গাজার দক্ষিণাঞ্চল দখলের ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। দু’জনই পৃথক বার্তায় এই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় হাঙ্গেরির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, গাজার দক্ষিণাঞ্চলে রাফাহ ও খান ইউনূসের মাঝামাঝি এলাকায় ‘মোরাগ এক্সিস’ নামে একসময় ইহুদি বসতি ছিল, যেখান থেকে পরবর্তীতে ইহুদিদের উচ্ছেদ করা হয়। তিনি জানান, এবার গাজায় সামরিক অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য ওই অঞ্চলকে পুনরায় ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এবং নিরাপত্তা জোনের অন্তর্ভুক্ত করা।

নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা গাজা উপত্যকাকে ভাগ করছি এবং ধাপে ধাপে হামাসের ওপর চাপ বাড়াচ্ছি, যেন তারা জিম্মিদের আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেয়।”

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী জানান, তাদের এই পদক্ষেপের ফলে রাফাহ শহর পার্শ্ববর্তী খান ইউনিস থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে এবং রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং সম্পূর্ণ ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। মিসর-গাজা সীমান্তে অবস্থিত এই রাফাহ ক্রসিং এতদিন ফিলিস্তিনিদের জন্য ‘লাইফলাইন’ হিসেবে কাজ করত, যার মাধ্যমে খাদ্য, ওষুধ ও ত্রাণসামগ্রী প্রবেশ করত গাজায়। তবে ইসরায়েল বরাবরই অভিযোগ করে আসছে, ওই পথ দিয়ে হামাস অস্ত্র পাচার করে।

নেতানিয়াহুর ঘোষণার আগে বুধবার সকালে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেন, “গাজাকে জঙ্গিমুক্ত করা এবং বিশাল এলাকাকে ইসরায়েলের নিরাপত্তা জোনের অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে বিরতির পর নতুন অভিযান শুরু হয়েছে।”

দীর্ঘ ২ মাসের যুদ্ধবিরতির পর গত ১৮ মার্চ থেকে ফের গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ দিনে ইসরায়েলের হামলায় এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শুধু বুধবারই নিহত হয়েছেন ৬০ জনের বেশি।

ইসরায়েলের সেনাপ্রধান ইয়াল জামির জানিয়েছেন, তাদের অভিযানের লক্ষ্য হামাসের কব্জায় থাকা অবশিষ্ট জিম্মিদের উদ্ধার করা। আইডিএফ ধারণা করছে, হামাসের কাছে এখনো অন্তত ৩০ জন জীবিত জিম্মি রয়েছে।

ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থা গিশা’র তথ্য অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর দখলের ঘোষণা দেওয়া গাজার ওই অঞ্চলের আয়তন প্রায় ৬২ বর্গকিলোমিটার, যা পুরো গাজা উপত্যকার প্রায় ১৭ শতাংশ।

সূত্র: রয়টার্স

Header Ad
Header Ad

মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

রংপুরের মিঠাপুকুরে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক কিশোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত কিশোর চুরিসহ নানান অপকর্মে জড়িত বলে জানায় পুলিশ।

বুধবার (২ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক।

এর আগে মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে মিঠাপুকুর উপজেলার ৯ নম্বর ময়েনপুর ইউনিয়নের শিকারপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী পরিবারে সদস্যরা ও স্থানীয়রা জানান, শিশুটিকে ধর্ষণ চেষ্টাকারী অভিযুক্ত কিশোর (১৫) জাকিরুল ইসলাম সম্পর্কে শিশুটির দাদা হন। ঘটনার আগে শিশুটির মা সহ অভিযুক্ত কিশোর এবং এক প্রতিবেশী নারী বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি জায়গায় বসে গল্প করছিল। গল্প শেষে শিশুটির মা বাড়ি ফিরে যান। তবে শিশুটি বাড়ি ফিরে না আসায় মা তাকে খুঁজতে থাকেন।

পরে অভিযুক্ত ওই কিশোরের বাড়ি থেকে শিশুটির চিৎকার শুনতে পাওয়া যায়। এ সময় শিশুটির মা সেখানে গিয়ে দেখেন ওই কিশোর শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করছে এবং ছেলেটির পরনে কাপড় নেই। পরে শিশুটির মা স্থানীয়দের জানালে ওই কিশোরকে বেঁধে রেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা।

খবর পেয়ে পুলিশ বিকেল ৪টার দিয়ে ওই কিশোরকে মিঠাপুকুর থানায় নিয়ে যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঐ কিশোর জাকিরুল ইসলাম শিশুটিকে ধর্ষণ চেষ্টার কথা স্বীকার করেছে।

এ বিষয়ে মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘অভিযুক্ত কিশোর জাকিরুল ইসলাম কে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঐ কিশোর শিশুটিকে ধর্ষণ চেষ্টার কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় বুধবার সকালে আইনি ব্যবস্থা শেষে আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’

Header Ad
Header Ad

এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এক মাস পেছানোসহ দুই দফা দাবিতে সারা দেশে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

আজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বেলা ১১টা থেকে জাতীয় শহীদ মিনারের সামনে শুরু হয়ে ঢাকা শিক্ষাবোর্ড পর্যন্ত এলাকায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে এই আন্দোলন। অন্য জেলার শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ শিক্ষাবোর্ড কার্যালয়ের সামনে আন্দোলনে অংশ নেবেন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার্থীরা জানায়, তাদের দাবি না মানা হলে তারা পরীক্ষায় অংশ নেবে না।

শিক্ষার্থীদের দুই দফা দাবি:

১. এসএসসি পরীক্ষা এক মাস পেছানো
২. প্রতিটি পরীক্ষার মাঝে ৩-৪ দিন বিরতি দেওয়া

পরীক্ষার্থীদের মতে, রমজান মাসে রোজা রেখে ভালোভাবে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হয়নি। ঈদের পরপরই পরীক্ষা হওয়ায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সুযোগও কম ছিল। তাই এক মাস সময় পেলে তারা ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবে।

এছাড়া, প্রচণ্ড গরমে একটানা পরীক্ষা দেওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, অনেক পরীক্ষাকেন্দ্র শিক্ষার্থীদের বাসা থেকে দূরে অবস্থিত। তাই পর্যাপ্ত বিশ্রামের জন্য প্রতিটি পরীক্ষার মাঝে অন্তত তিন থেকে চার দিনের বিরতি প্রয়োজন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের ঘটনা ঘটেনি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আখাউড়ায় ট্রেনের ছাদে টিকটক বানাতে গিয়ে দুর্ঘটনা, নিহত ২
বাংলাদেশকে ভেঙে ফেলার আহ্বান ভারতের ত্রিপুরার রাজপরিবার প্রধানের
বিএনপি কখনোই নির্বাচনের পরে সংস্কারের কথা বলেনি: মির্জা ফখরুল
বিরামপুরে জমি নিয়ে বিরোধ, চাঁদা দাবি ও হামলার ঘটনায় আটক ৫
হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ভ্যাল কিলমার আর নেই
ময়মনসিংহে সিনেমা হলে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে দর্শকদের ভাঙচুর
সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ড. ইউনূসের মন্তব্যে ভারতীয় রাজনীতিবিদদের তীব্র প্রতিক্রিয়া
মিয়ানমারের ভূমিকম্পে এক ইমামের ১৭০ স্বজনের মৃত্যু
ঈদের আনন্দে যমুনার দুর্গম চরে গ্রাম-বাংলার ঘুড়ি উৎসব, আনন্দে মেতে উঠে বিনোদনপ্রেমীরা!