রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণ ও বণ্টনে ব্যাপক অনিয়ম!

নেত্রকোনার বারহাট্টায় মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার ঘর নির্মাণ ও বণ্টনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ভূমিহীনদের নামে দুই শতাংশ খাস জমি বরাদ্দ পেয়েছে আর্থিক সচ্ছল ব্যক্তিরা। এমনকি তারা পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ভূমিহীনদের ঘরও। এ ছাড়াও এসব ঘর নির্মাণ কাজের প্রতিটি ধাপে ব্যাপক অনিয়ম ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করাসহ আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। ফলে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে সরকারের এই মহৎ উদ্যোগটি।

সরেজমিনে বাড়ি বাড়ি ঘুরে দেখা গেছে, ভূমিহীনদের মাঝে বিতরণ করা ঘর যারা পেয়েছেন তাদের মধ্যে কারো ৫ কাঠা জমি আছে, আবার কেউ ভূমি ও ঘরের মালিক।

এ ছাড়াও একাধিকবার সরেজমিনে ঘর নির্মাণের কাজ দেখতে গিয়ে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর নির্মাণে নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যবহার ও প্রয়োজনের তুলনায় কম সিমেন্ট দিয়ে ঘর তৈরি করা হয়েছে। ফলে এসব ঘর নির্মাণের পর দেয়ালে হাত দিয়ে আঘাত করলেও দেয়াল থেকে আস্তর খসে পড়ছে। এসব ঘর যেকোনো সময় ধ্বসে পড়ার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। এ ছাড়াও ঘরের চালে হালকা ও নিম্নমানের পাতলা কাঠ ও পাতলা টিন ব্যবহারের ফলে বড় ধরনের বাতাস কিংবা ঝড়-তুফানে এসব ঘরের চাল টিকবে কিনা সেটা নিয়েও শঙ্কা থেকে যাচ্ছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও ক্ষুব্ধ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

বারহাট্টা উপজেলার সিংধা ইউনিয়নের সুবিধাভোগী কয়েকজনের সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার ঘরের চাবি বুঝে পেলেও এখন পর্যন্ত ঘর বুঝে পাননি তারা। কারণ উল্লেখ করে তারা বলেন, ঘর নির্মাণ কাজ এখনও শেষ হয়নি।

এদিকে তারাসহ এলাকার অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নির্মাণাধীন উপহার ঘর নির্মাণে নিম্ন মানের ইট, বালু, কাঠ, টিন ও প্রয়োজনের তুলনায় সিমেন্ট কম ব্যবহার করা হচ্ছে। যার ফলে দেয়াল থেকে আস্তর ধসে পড়ছে। ভেঙ্গে পড়ছে দেয়াল ও পিলার। এ ছাড়াও সৌন্দর্যের জন্য দেয়ালে ব্যবহার করা রং একেবারেই নিম্ন মানের হওয়ায় রং লাগানোর পরপরই ফ্যাকাসে হয়ে সৌন্দর্য্য নষ্ট হয়ে বিশ্রী দেখাচ্ছে। সমান্তরাল স্থানে নির্মাণকৃত এসব ঘর কোনোটা উঁচু আবার কোনোটা অনেক নিচু হওয়ার কারণে বৃষ্টি হলে নিচু ঘরে পানি ঢুকে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে ৯৫টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে এবং প্রতিটি ঘরের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। আর ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১০টি ঘরের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে এবং প্রতিটি ঘরের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ২ লক্ষ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকা।

সূত্র আরও জানায়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অগ্রাধিকার প্রকল্প আশ্রয়ণ-২ এর আওতায় এই দুই অর্থবছরে বারহাট্টা উপজেলার মোট ১০৫টি ভূমিহীন পরিবারকে ২ শতাংশ খাস জমি বন্দোবস্ত দিয়ে একটি করে সেমি পাকা ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হবে। আর এ কাজের দেখভাল করছেন স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন। প্রকল্পের ঘর নির্মাণ বাস্তবায়নে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাজহারুল ইসলাম এবং ঘর নির্মাণ কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা লতিফুর রহমান। তবে যারা ঘর নির্মাণ ও বণ্টনের দায়িত্বে আছেন তারা বিরুদ্ধেই উঠেছে অভিযোগ।

জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নায়েবদের সহযোগিতায় প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে সরকারি খাস জমির দলিল রেজিষ্ট্রি না করে দিয়ে জমি ও গৃহ আছে এমন স্বচ্ছ ব্যক্তিদের মাঝে ২ শতাংশ করে ভূমি রেজিষ্ট্রি করে দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এলাকাবাসীর ধারণা, কোনও লাভ ছাড়া তিনি এ কাজগুলো করেননি।

এ প্রসঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা লতিফুর রহমানের কাছে ঘর নির্মাণের ওয়ার্ক ওয়ার্ডার দেখতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, এ ব্যাপারে ইউএনও স্যারের সাথে কথা বলুন।

ঘর নির্মাণ কাজে অনিয়ম ও নিম্নমানের কাজ হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইতে প্রকল্পের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাজহারুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেস্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে জানতে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মাইনুল হক কাসেমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীনদের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া উপহার ঘর নির্মাণে কোন রকম দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। যদি কেউ নিম্নমানের দ্রব্য সামগ্রী দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার ঘর নির্মাণ করে সরকারের এই মহৎ উদ্যোগকে প্রশ্নবিদ্ধ করে ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে তাহলে তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়ে।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নে দুর্নীতি মুক্ত শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্টা করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন সোনার বাংলা বাস্তবায়িত হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২৩ জানুয়ারি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসব ঘর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে ভূমিহীনদের মাঝে এসব ঘর এখনো বুঝিয়ে দিতে পারেনি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি।

Header Ad
Header Ad

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল। ছবি: সংগৃহীত

চিকিৎসা সংক্রান্ত নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে সিঙ্গাপুরে গেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (৬ এপ্রিল) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি তার স্ত্রীসহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, “স্যার এবং ভাবী হেলথ চেকআপ করাতে সিঙ্গাপুর গেছেন। সেখানে একটি ক্লিনিকে কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করবেন। ইতোমধ্যে ডাক্তারদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ঠিক করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, বিএনপি মহাসচিবের এক সপ্তাহ পর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ও তার স্ত্রী।

Header Ad
Header Ad

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার উপদেষ্টা ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সাধারণ মানুষ। শনিবার (৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগালসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

আয়োজকদের দাবি, ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি এবং মাস্কের অতিরিক্ত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ।

ওয়াশিংটনের কানেটিকাট অ্যাভিনিউ ও ন্যাশনাল মল এলাকায় বৃষ্টির মধ্যেও হাজারো বিক্ষোভকারী প্ল্যাকার্ড হাতে জড়ো হন। ‘যুক্তরাষ্ট্রে কোনো রাজা নেই’, ‘মাস্ককে বিতাড়িত করুন’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখর ছিল রাজপথ। আয়োজকদের ধারণা, শুধু ওয়াশিংটনেই অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

ইউরোপের শহরগুলোতেও ছিল একই দৃশ্য। জার্মানির বার্লিনে টেসলার শোরুমের সামনে এবং ফ্রাঙ্কফুর্টে ‘হ্যান্ডস অফ’ ব্যানারে বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের পদত্যাগ দাবি করেন। তাদের হাতে ছিল ব্যানার: ‘গণতন্ত্র রক্ষা করুন’, ‘ট্রাম্প চলে যাও’। প্যারিসের প্যালেস দে লা রিপাবলিক এলাকায় মার্কিন অভিবাসীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়, যেখানে ‘আইনের শাসন চাই’, ‘অত্যাচারীকে প্রতিহত করুন’—এমন বার্তাবাহী প্ল্যাকার্ড বহন করা হয়।

লন্ডন, লিসবনসহ আরও বেশ কিছু শহরেও মাস্ক ও ট্রাম্প বিরোধী আন্দোলনের ঝড় উঠে। বার্লিনে “ইলন, তোমাকে কেউ ভোট দেয়নি”—এই স্লোগানটি মাস্কের অগণতান্ত্রিক প্রভাবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের মনোভাব স্পষ্ট করে তোলে।

বিশ্বব্যাপী এই বিক্ষোভ শুধু রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের পক্ষে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে প্রতিভাত হচ্ছে। আয়োজকরা বলেন, এখনকার বিশ্ব আগের চেয়ে অনেক বেশি আন্তঃসংযুক্ত—একটি দেশের নেতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়ে অন্য দেশেও। এই বিক্ষোভ তাই স্বৈরাচার ও অগণতান্ত্রিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিশ্বজাগরণের প্রতিচ্ছবি। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

Header Ad
Header Ad

চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিজিটিএন-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও গভীর এবং কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করতে চান তিনি। শনিবার (৫ এপ্রিল) চার মিনিটের সেই ভিডিও সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। এই সম্পর্ক শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং পুরো অঞ্চলের ভূমি পরিবেষ্টিত দেশগুলোর জন্যও উপকার বয়ে আনবে।” তিনি চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিল্প-কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের পথে রয়েছে, আর এ যাত্রায় চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নে চীনের ভূমিকা হতে পারে উল্লেখযোগ্য। “আমাদের অর্ধেক জনগণের বয়স ২৭ বছরের নিচে। এরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, এবং তাদের অর্থনৈতিক দক্ষতায় পরিণত করতে হবে,” বলেন তিনি।

তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে চীনের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বলেন, “বাংলাদেশ ও চীনের ৫০ বছরের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই সাফল্য আরও এগিয়ে নিতে সংস্কৃতি ও ভাষা চর্চার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।” তিনি বাংলাদেশে চাইনিজ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেন, যাতে বাংলাদেশের মানুষ চীনা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হতে পারে।

সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস স্বাস্থ্যসেবা খাতেও চীনের সহায়তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “চীনের স্বাস্থ্য প্রযুক্তি ও পরিষেবা থেকে বাংলাদেশ অনেক কিছু শিখতে পারে। দেশের সাধারণ মানুষ চীনের মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পেতে আগ্রহী।”

সাক্ষাৎকারের শেষভাগে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “শান্তিই একমাত্র সমাধান, যুদ্ধ কোনো পথ নয়। একটি টেকসই, শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার বিকল্প নেই।”

উল্লেখ্য, গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ ড. মুহাম্মদ ইউনূস দক্ষিণ চীনের হাইনান দ্বীপে আয়োজিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বেইজিং সফর করেন। এটি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল
বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা
চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা
রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায় হেফাজত, বিএনপির সঙ্গে একমত
চীনের পাল্টা শুল্কারোপে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উত্তেজনা
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ
পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস
বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক