রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ভোলার যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়মই হচ্ছে নিয়ম

নানা অনিয়মে জর্জরিত ভোলা সদর উপজেলার ১৯৮ নম্বর পূর্বকাজীচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সরকারি নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে নানা অনিয়ম চলছে এই প্রতিষ্ঠানে।

সরেজমিনে দেখা যায়,১৯৮ নম্বর পূর্বকাজীচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণি কক্ষে ৭/৮ জন ছাত্র-ছাত্রীকে পাঠদানের দায়িত্ব পালন করছেন একজন গেস্ট টিচার (রহিমা)। সহকারী দুই শিক্ষক আপন বোন রাবেয়া ও খালেদা পান খাচ্ছেন আর গালগল্পে মশগুল শিক্ষার্থীশুন্য অপর একটি কক্ষে। আরেকটি শ্রেণি কক্ষে দুই শিক্ষার্থী গুটি খেলছে। বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না প্রধান শিক্ষক মাওলানা আবু নাইম। তবে প্রধান শিক্ষক উপজেলা শিক্ষা অফিসে ছিলেন বলে নিশ্চিত করেন সহকারী শিক্ষক রাবেয়া।

শিক্ষিকাদের পাঠদান রেখে লাইব্রেরিতে গিয়ে গালগল্প করার বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী দুই শিক্ষক বলেন, ছাত্র-ছাত্রী কম উপস্থিতি এবং প্রথম শিফট ক্লাস ছুটির সময় হয়েছে তো তাই ।

এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষক রাবেয়া বলেন, আমরা সরকারের নিয়ম-নীতি পুরোপুরি মানতে পারছি না। প্রশ্ন ছিল কেন নিয়ম-নীতি মানতে পারছেন না? উত্তরে রাবেয়া ও খালেদা দুই বোন (শিক্ষিকা) বলেন, সব নিয়ম অনুযায়ী চলা যায় না।

আপনাদের ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কত? হিসেব দিলেন খাতায় ১৬৩ জন। কিন্তু উপস্থিতি কম কেন? উত্তরে জানি না বলেই শেষ করলেন।

প্রথম সিফটের সকল শ্রেনী কক্ষ মিলিয়ে ১০-১২ জন ছাত্র-ছাত্রীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেলেও বিদ্যালয়টির জন্য বরাদ্ধ হয়েছে দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে একটি ৪ তলা বিশিষ্ট আধুনিক ভবন। ১৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী উপবৃত্তি পাচ্ছেন বলেও জানান শিক্ষকা রাবেয়া। উপবৃত্তি গ্রহণ করা ছাত্র-ছাত্রীরা কোথায়? এমন কথার কোনও উত্তর তাদের কাছ থেকে মেলেনি।

এই বিদ্যালয়ের সভাপতি নিয়েও রয়েছে আরেক অনিয়ম। জানা যায়, বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ছিলেন আঃ খালেক নামের এক ব্যাক্তি। শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ না থাকায় তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতিত্ব করতে পারবেন না বিধান রয়েছে। এমন বিধানকে কারচুপির কৌশল আঁটা হয়েছে। সাবেক সভাপতি খালেকের ভাই হাসানের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ দিয়ে সভাপতির পদ আঁকড়ে রেখেছেন খালেক। তবে এ বিষয়ে খালেক বলেন, আমার শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ না থাকায় আমার ভাই হাসানের সনদ দিয়েছি ঠিক। কিন্তু আমি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করি। কথিত এই সভাপতিকে প্রশ্ন ছিল বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ছবি নেই কেন? এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এতো দিকে দেখা যাবে না ভাই। আমি অনেক কষ্ট করে দেড় কোটি টাকার একটি ভবন পাশ করিয়েছি। ভবনটি হলে সব ঠিক করা হবে। আপনারা ভাই ব্রাদার চা খরচ পাঠিয়ে দিব।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি আজ ঢাকা যাব। প্রধান শিক্ষক আমার ভগ্নিপতি আমি ঢাকা থেকে এসে তাকে সহ বসে কথা বলব।’ সেইসঙ্গে বিদ্যালয়ের অনিয়মের আখড়ার সংবাদ এড়িয়ে যাবার অনুরোধও করেন তিনি।

বিদ্যালয়ের অনিয়ম এড়িয়ে যাবার বিষয়ে মুঠোফোনে অনুরোধ করেন মেদুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেনও। তিনি বলেন, ১৯৮ নম্বর পূর্বকাজীচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু নাইম আমার খালাতো ভাই। তার বিদ্যালয়ের অনিয়মের বিষয় একটু এড়িয়ে যান ভাই। সকল নিয়ম-নীতি আসলেই মানা যায় না । তবে আলমগীর সাহেবও চা খাওয়ার জন্য অনুরোধ ও বিনিময় করার কথা জানান । প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে কি প্রধান শিক্ষক আবু নাইম, আলমগীর এবং সভাপতি (বিধিবহির্ভূত) আঃ খালেক তাদের দাপটে অনিয়ম নিয়মে পরিণত হলো?

এ প্রসঙ্গে পূর্বকাজীচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু নাইম বলেন, সাবেক সভাপতি আঃ খালেক মিয়ার শিক্ষার মান কম থাকায় হাসানের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ জমা দিলেও দায়িত্ব পালন করছে আঃ খালেক। এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধও করেন তিনি।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শিরিন সুলতানা বলেন, সকল নিয়ম মানতে পারছেন না শিক্ষকরা এমন কথা বলার কোনও সুযোগ নেই । তাদের সমস্যা থাকলে কর্তৃপক্ষ দেখবে। জাতীয় পতাকা উত্তোলন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ছবি না লাগানোর কোনও সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, এই বিদ্যালয়টি আমার ক্লাস্টারের আওতায় না এটি আবু তাহের স্যারের ক্লাস্টারের আওতায়। তবুও আমি এখনি স্যারকে বলছি। আশা করি দ্রুতই সমস্যা সমাধান করা হবে বলেও জানান তিনি।

এসআইএইচ

 

 

Header Ad
Header Ad

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল। ছবি: সংগৃহীত

চিকিৎসা সংক্রান্ত নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে সিঙ্গাপুরে গেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (৬ এপ্রিল) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি তার স্ত্রীসহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, “স্যার এবং ভাবী হেলথ চেকআপ করাতে সিঙ্গাপুর গেছেন। সেখানে একটি ক্লিনিকে কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করবেন। ইতোমধ্যে ডাক্তারদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ঠিক করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, বিএনপি মহাসচিবের এক সপ্তাহ পর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ও তার স্ত্রী।

Header Ad
Header Ad

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার উপদেষ্টা ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সাধারণ মানুষ। শনিবার (৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগালসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

আয়োজকদের দাবি, ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি এবং মাস্কের অতিরিক্ত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ।

ওয়াশিংটনের কানেটিকাট অ্যাভিনিউ ও ন্যাশনাল মল এলাকায় বৃষ্টির মধ্যেও হাজারো বিক্ষোভকারী প্ল্যাকার্ড হাতে জড়ো হন। ‘যুক্তরাষ্ট্রে কোনো রাজা নেই’, ‘মাস্ককে বিতাড়িত করুন’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখর ছিল রাজপথ। আয়োজকদের ধারণা, শুধু ওয়াশিংটনেই অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

ইউরোপের শহরগুলোতেও ছিল একই দৃশ্য। জার্মানির বার্লিনে টেসলার শোরুমের সামনে এবং ফ্রাঙ্কফুর্টে ‘হ্যান্ডস অফ’ ব্যানারে বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের পদত্যাগ দাবি করেন। তাদের হাতে ছিল ব্যানার: ‘গণতন্ত্র রক্ষা করুন’, ‘ট্রাম্প চলে যাও’। প্যারিসের প্যালেস দে লা রিপাবলিক এলাকায় মার্কিন অভিবাসীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়, যেখানে ‘আইনের শাসন চাই’, ‘অত্যাচারীকে প্রতিহত করুন’—এমন বার্তাবাহী প্ল্যাকার্ড বহন করা হয়।

লন্ডন, লিসবনসহ আরও বেশ কিছু শহরেও মাস্ক ও ট্রাম্প বিরোধী আন্দোলনের ঝড় উঠে। বার্লিনে “ইলন, তোমাকে কেউ ভোট দেয়নি”—এই স্লোগানটি মাস্কের অগণতান্ত্রিক প্রভাবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের মনোভাব স্পষ্ট করে তোলে।

বিশ্বব্যাপী এই বিক্ষোভ শুধু রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের পক্ষে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে প্রতিভাত হচ্ছে। আয়োজকরা বলেন, এখনকার বিশ্ব আগের চেয়ে অনেক বেশি আন্তঃসংযুক্ত—একটি দেশের নেতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়ে অন্য দেশেও। এই বিক্ষোভ তাই স্বৈরাচার ও অগণতান্ত্রিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিশ্বজাগরণের প্রতিচ্ছবি। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

Header Ad
Header Ad

চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিজিটিএন-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও গভীর এবং কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করতে চান তিনি। শনিবার (৫ এপ্রিল) চার মিনিটের সেই ভিডিও সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। এই সম্পর্ক শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং পুরো অঞ্চলের ভূমি পরিবেষ্টিত দেশগুলোর জন্যও উপকার বয়ে আনবে।” তিনি চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিল্প-কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের পথে রয়েছে, আর এ যাত্রায় চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নে চীনের ভূমিকা হতে পারে উল্লেখযোগ্য। “আমাদের অর্ধেক জনগণের বয়স ২৭ বছরের নিচে। এরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, এবং তাদের অর্থনৈতিক দক্ষতায় পরিণত করতে হবে,” বলেন তিনি।

তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে চীনের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বলেন, “বাংলাদেশ ও চীনের ৫০ বছরের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই সাফল্য আরও এগিয়ে নিতে সংস্কৃতি ও ভাষা চর্চার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।” তিনি বাংলাদেশে চাইনিজ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেন, যাতে বাংলাদেশের মানুষ চীনা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হতে পারে।

সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস স্বাস্থ্যসেবা খাতেও চীনের সহায়তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “চীনের স্বাস্থ্য প্রযুক্তি ও পরিষেবা থেকে বাংলাদেশ অনেক কিছু শিখতে পারে। দেশের সাধারণ মানুষ চীনের মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পেতে আগ্রহী।”

সাক্ষাৎকারের শেষভাগে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “শান্তিই একমাত্র সমাধান, যুদ্ধ কোনো পথ নয়। একটি টেকসই, শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার বিকল্প নেই।”

উল্লেখ্য, গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ ড. মুহাম্মদ ইউনূস দক্ষিণ চীনের হাইনান দ্বীপে আয়োজিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বেইজিং সফর করেন। এটি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল
বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা
চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা
রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায় হেফাজত, বিএনপির সঙ্গে একমত
চীনের পাল্টা শুল্কারোপে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উত্তেজনা
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ
পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস
বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক