বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০২৪ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩১
Dhaka Prokash
Header Ad

আমরা রাজনীতির কবি হিসেবে দেখি বঙ্গবন্ধুকে

৭ই মার্চের ভাষণ মূলত বঙ্গবন্ধুর কার্যত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা। পহেলা মার্চ ১৯৭১এ পাকিস্তানের সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান দুপুরের পরপরই বেতার ভাষণে হঠাৎ করেই ঘোষণা দেন, আগামী ৩ তারিখ থেকে পাকিস্তানের যে জরুরি অধিবেশন বসার কথা ছিল, সেটি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হলো। ৩রা মার্চ যে অধিবেশন বসবে সেটি আগে থেকেই বলা ছিল। বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সদস্যদের নিয়ে পার্লামেন্টের বাইরে বোর্ডের সভা করবেন ১ তারিখে হোটেল পূর্বাণী ইন্টারন্যাশনাল এ। সেভাবেই পরিকল্পনা করা আছে। কাজেই ১ তারিখের ঘোষণার সাথে সাথেই ঢাকা শহর মিছিলের ও প্রতিবাদের শহরে রূপান্তরিত হয়ে গেল। সবার মুখেই একই শ্লোগান ‘বীর বাঙ্গালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো।’ সেইসময় প্রায় তিনশ সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সভা এক জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে পরিণত হলো। বঙ্গবন্ধু আসলেন। জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুকে জিজ্ঞাসা করা হলো, এখন আপনি কি করতে যাচ্ছেন?

বঙ্গবন্ধু স্বভাবসুলভভাবেই বললেন, আগামীকাল ঢাকা শহরে হরতাল কর্মসূচি এবং আগামী পরশু সারাদেশে শহরে হরতাল কর্মসূচি পালন করছি। আগামী ৭ তারিখে জনগণের সামনে আমি আমার পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবো। ৭ তারিখে রেসকোর্সের ময়দানে বিশাল জনসভা প্রায় ১০ লাখ লোকের উপস্থিতি। ঢাকা শহরের লোকসংখ্যা খুবই সীমিত। কাজেই ১০ লাখ লোকের উপস্থিতিতে বোঝা যায়, ঢাকা শহরের কোন বাড়িতে পুরুষ কোন সদস্য ঘরে বসে ছিলেন না। সবাই উপস্থিত হয়ে অপেক্ষা করছিলেন এটি দেখতে যে, বঙ্গবন্ধু কি বলেন? বঙ্গবন্ধু পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি শাসক গোষ্ঠীর নির্যাতন নিপীড়ন অত্যাচারের ইতিহাস তুলে ধরলেন এবং তাঁর পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করলেন।

এই ভাষণের মূল কথাটি হলো, পাকিস্তানের একটি অংশের বিলুপ্তি, এবং বিশ্বের বুকে নতুন একটি দেশের অভ্যুদয়। তিনি দেখছেন যে, একটি দেশের অংশ মানচিত্র থেকে শেষ হয়ে যাবে,আরেকটি নতুন দেশের জন্মলাভ হবে। সেখানে দাঁড়িয়ে যে ভাষায় যেভাবে কথা বলতে হয়, সেই ভাষায় কথা বললেন বঙ্গবন্ধু। কারণ আপোষের কোন সুযোগ ছিল না। তবে বঙ্গবন্ধুর আপোষহীনতা যেমন ছিল, তেমনি কতটা মানবিক ছিলেন যে, তিনি শত্রুকে বলেছেন, তোমরা আমার ভাই। চিন্তা করা যায় না যে শত্রু বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন সেই তাদেরকে আবার বলছেন, তোমরা আমাদের ভাই। তোমরা ব্যারাকে ফিরে যাও। তোমরা আমার মানুষের বুকে গুলি করো না। এরকমই ছিল বঙ্গবন্ধুর মানবিক দিক। নব নির্বাচিত সদস্যদের নিয়ে জাতীয় সংসদে তাঁর শপথ নেওয়া হলো না, তিনি ৩রা জানুয়ারি জনগণকে সাক্ষী নিয়ে জনগণের সামনে শপথ নিলেন। সেখানেই তিনি বললেন যে, সংগ্রাম শেষ হয়নি। সংগ্রাম কেবল শুরু হতে যাচ্ছে। সেই মেসেজটিই তিনি দিলেন। তোমরা ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তোল। যার যা কিছু আছে তা নিয়ে প্রস্তুত থাক। এবং আমি যদি হুকুম দিবার না-ও পারি, তোমরা এই কাজগুলি করবে। হয়ত তিনি বুঝতে পারছিলেন,সময় বেশি বাকি নেই। এটিই হয়তো শেষ সুযোগ। জনগণের সাথে সরাসরি কথা বলার জন্য।

আমরা রাজনীতির কবি হিসেবে বঙ্গবন্ধুকে দেখি। বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের পরে তাকে নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক সাময়িকী প্রচ্ছদ করেছিল যেখানে বঙ্গবন্ধুকে poet of politics বা রাজনীতির কবি হিসেবে অভিহিত করা হয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, ৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু ১০ লাখ মানুষের সাথে কথা বলেছেন। এরা সকলেই সাড়ে সাত কোটি মানুষের প্রতিনিধি, তাদের সাথে কথোপথন করেছেন। জনগণের কথাই বঙ্গবন্ধুর নিজের কথায় প্রতিফলিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর কথায় ৫টি প্রশ্ন ছিল যেগুলি প্রকৃতপক্ষে মানুষেরই কথা। কি পেলাম আমরা? কাদের সাথে বসব? কিসের আর টি সি?

বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আমার মানুষের পয়সায় যে গোলাবারুদ কেনা হয়, সেটা আমার মানুষের বুকের উপর পড়ে। তাদের সাথে বসব? বঙ্গবন্ধু যখন ভাষণ দিচ্ছিলেন, তখন সেই সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ভাষণ চলা অবস্থায় বঙ্গবন্ধু খবর পেলেন সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আপনারা বাঙালি কর্মকর্তা যারা আছেন, তারা বেরিয়ে আসেন। সবাই বঙ্গবন্ধুর কথায় বেরিয়ে আসলেন। বঙ্গবন্ধুর ভাষণ তখন শিরোধার্য।

পরবর্তীতে ২৫শে মার্চের কালোরাত্রিতে বর্বর পাকিস্তানি যখন নিরীহ নিরস্ত্র মানুষের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল সেই মুহূর্তে তিনি ঘোষণা করেন, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। এটিই হচ্ছে আইনগত আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা। তারপর সাড়ে সাত কোটি মানুষ অটল পাহাড়ের মতো ঐক্যবদ্ধ থেকে মুক্তিযুদ্ধ করেছে। শত্রু কবল মুক্ত হয়েছে। দেশ স্বাধীন হয়েছে। এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কি হতে পারে? একজন মানুষের দীর্ঘ সংগ্রামের ফল আজকের স্বাধীন বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু ছিলেন প্রচণ্ডভাবে এক বিশ্বাসযোগ্য শক্তি এবং এই শক্তির কারণেই আমরা ৭ই মার্চের ভাষণ দেখেছি। আমরা দেখেছি জাতির পিতার সাথে সমগ্র জাতির মনের বন্ধন, যেটির শুভ সূচনা হয়েছিল ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের মধ্য দিয়ে।

 

লেখক: সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

Header Ad

খালেদা জিয়ার সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন মাহফুজ-আসিফ-নাহিদ

ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে কুশল বিনিময় করেছেন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে তাদের এ কুশল বিনিময় হয়।

সেনাকুঞ্জে খালেদা জিয়া পৌঁছালে উপস্থিত সবাই তাকে স্বাগত জানান। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৩ সমন্বয়ক ও সরকারের উপদেষ্টা তার পাশে এসে দাঁড়ান এবং শারীরিক খোঁজখবর নেন। এ সময় খালেদা জিয়া তাদের অভিনন্দন জানান এবং দেশকে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার পরামর্শ দেন।

এ সময় এই ৩ উপদেষ্টা বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছে দোয়া চান এবং সরকারের সংস্কার কাজে তার সর্বাত্মক সহযোগিতা চান।

এদিকে সেনাকুঞ্জে গেলে খালেদা জিয়ার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়া এখানে এসেছেন। একযুগ তিনি আসার সুযোগ পাননি। আমরা গর্বিত এই সুযোগ দিতে পেরে। দীর্ঘদিনের অসুস্থতা সত্ত্বেও বিশেষ দিনে সবার সঙ্গে শরিক হওয়ার জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আপনার আশু রোগমুক্তি কামনা করছি।

Header Ad

দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

ছবি: সংগৃহীত

আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ১ হাজার ৯৯৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা আজকেও ছিল এক লাখ ৩৭ হাজার ৪৪৯ টাকা।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। শুক্রবার (২২ নভেম্বর) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১৪ হাজার ৮৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩ হাজার ৬৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

স্বর্ণের দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫৭৮ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ৪৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ১১১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৮৬ টাকায়।

এর আগে, সবশেষ গত ১৯ নভেম্বর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় টানা চার দফা কমার পর ভরিতে ২ হাজার ৯৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৪৯ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৩১ হাজার ১৯৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১২ হাজার ৪৫৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯২ হাজার ২৮৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছে গত ২০ নভেম্বর থেকে।

এ নিয়ে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে ৩০ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, আর কমানো হয়েছে ২১ বার।

Header Ad

‘দেশের মানুষ এখনো কোনো রাজনৈতিক দলকেই বিশ্বাস করতে পারে না’

ছবি: সংগৃহীত

দেশের জনপ্রিয় নির্মাতা আশফাক নিপুন। কাজের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও বেশ সরব তিনি। কথা বলেন নানা ইস্যু নিয়ে। সেই ধারাবাহিকতায় সরকার পতনের পর অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠনেও বিভিন্ন সময় নিজের আকাঙ্ক্ষা, প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশ্যেও বিভিন্ন বার্তা দিয়েছেন। এবার এমনি একটি বার্তায় দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জনগনের আস্থার বিষয়ে আক্ষেপ জানালেন এই নির্মাতা।

বুধবার (২০ নভেম্বর) আশফাক নিপুন তার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে লেখেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সর্বস্তরের ছাত্র এবং সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল, বাসায় বসে বসে দোয়া করেছিল, যার যা সামর্থ্য দিয়ে সহায়তা করেছিল। কারণ, তারা দেখেছিল লড়াইটা আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শাসক বনাম সাধারণ ছাত্র-জনতার। এটাও অস্বীকার করার কোনো উপায় নাই যে এই আন্দোলন বেগবান করতে বিরোধী সকল দলের কর্মীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাদের সংগ্রামও গত দেড় দশকের। কিন্তু এটা যদি শুধুমাত্র রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার লড়াই হতো তাহলে সাধারণ মানুষ এই লড়াই থেকে দূরে থাকত। সেই প্রমাণ বিগত ১৫ বছরে আছে।

‘দেশের মানুষ এখনো কোনো রাজনৈতিক দলকেই বিশ্বাস করতে পারে না’

কারণ হিসেবে তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ এখনো দেশের কোনো রাজনৈতিক দলকেই পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারে না। এটাই বাস্তবতা। এই বাস্তবতা মেনে সকল রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত কীভাবে সাধারণ জনগণের ভেতর নিজের দলের প্রতি আস্থা তৈরি করা যায় সেই বিষয়ে নিরলস কাজ করা। এই আস্থা ক্ষমতায় গিয়ে অর্জন করা সম্ভব না। কারণ, সাধারণ মানুষ আজীবন এস্টাবলিশমেন্টের বিপক্ষে। এই আস্থা অর্জন করতে হয় ক্ষমতা বলয়ের বাইরে থেকেই।

নিপুন আরও লিখেন, অরাজনৈতিক সরকার দিয়ে দীর্ঘদিন দেশ চালানো যেমন কাজের কথা না ঠিক তেমনি রাজনৈতিক সরকার হতে চাওয়া সকল রাজনৈতিক দলগুলোর বোঝা উচিত মুক্তিযুদ্ধের পরে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত হয়েছে সকল প্রকার পূর্বানুমান (যেমন- বর্ষাকালে আন্দোলন হয় না, নির্বাচনের আগেই কেবল জোরেশোরে আন্দোলন হয়, ঘোষণা দিয়ে বিরোধী সকল পক্ষ আন্দোলনে শামিল না হলে সফল হয় না) অগ্রাহ্য করেই। সেটা সম্ভব হয়েছে সাধারণ মানুষের ন্যায্যতার আকাঙ্ক্ষা থেকেই।

সবশেষ এই নির্মাতা লিখেছেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সাধারণ মানুষের এই আকাঙ্ক্ষার দুই পয়সার দাম দেন নাই। সাধারণ মানুষের এই আকাঙ্ক্ষা, ইচ্ছা আর দেশপ্রেমকে পুঁজি করে অরাজনৈতিক এবং রাজনৈতিক যারাই রাজনীতি রাজনীতি খেলতে চাইবে, তাদের দশাও কোন একসময় যেন পলাতক শেখ হাসিনার মতো না হয়, সেই বিষয় নিশ্চিত করতে হবে তাদেরকেই।

Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

খালেদা জিয়ার সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন মাহফুজ-আসিফ-নাহিদ
দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
‘দেশের মানুষ এখনো কোনো রাজনৈতিক দলকেই বিশ্বাস করতে পারে না’
‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে’: প্রধান উপদেষ্টা
নওগাঁ শহরে শৃঙ্খলা ফেরাতে বিশেষ অভিযান শুরু
২০২৬ সালের মাঝামাঝিতে নির্বাচন হতে পারে: উপদেষ্টা সাখাওয়াত
সেনাকুঞ্জে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে খালেদা জিয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহত ৫ জনকে রোবটিক হাত উপহার
সেনাকুঞ্জের পথে খালেদা জিয়া
সুযোগ পেলে শেখ হাসিনার পক্ষে মামলায় লড়ব: জেড আই খান পান্না
নির্বাচন কমিশন গঠন, সিইসি হলেন অবসরপ্রাপ্ত সচিব নাসির উদ্দীন
ডিএনএ টেস্টের ফলাফল: ভিনিসিয়ুসের পূর্বপুরুষ ছিলেন ক্যামেরুনের
জামিন পেলেন সাংবাদিক শফিক রেহমান
বিএনপি ছেড়ে আওয়ামী লীগে আসা সেই শাহজাহান ওমর গ্রেপ্তার
মিরপুর ও মহাখালীতে অটোরিকশা চালকদের সেনাবাহিনীর ধাওয়া
‘শেখ হাসিনা এখনও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী’, এমন কথা বলেননি ট্রাম্প
লেবাননে ৮ শতাধিক ইসরায়েলি সেনা নিহত
ভারতে সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরল ২৪ বাংলাদেশি কিশোর-কিশোরী
ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্টে অবরোধ করে ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকদের বিক্ষোভ
গাজায় ইসরায়েলের হামলায় আরও ৮৮ ফিলিস্তিনি নিহত