শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

আমরা রাজনীতির কবি হিসেবে দেখি বঙ্গবন্ধুকে

৭ই মার্চের ভাষণ মূলত বঙ্গবন্ধুর কার্যত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা। পহেলা মার্চ ১৯৭১এ পাকিস্তানের সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান দুপুরের পরপরই বেতার ভাষণে হঠাৎ করেই ঘোষণা দেন, আগামী ৩ তারিখ থেকে পাকিস্তানের যে জরুরি অধিবেশন বসার কথা ছিল, সেটি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হলো। ৩রা মার্চ যে অধিবেশন বসবে সেটি আগে থেকেই বলা ছিল। বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সদস্যদের নিয়ে পার্লামেন্টের বাইরে বোর্ডের সভা করবেন ১ তারিখে হোটেল পূর্বাণী ইন্টারন্যাশনাল এ। সেভাবেই পরিকল্পনা করা আছে। কাজেই ১ তারিখের ঘোষণার সাথে সাথেই ঢাকা শহর মিছিলের ও প্রতিবাদের শহরে রূপান্তরিত হয়ে গেল। সবার মুখেই একই শ্লোগান ‘বীর বাঙ্গালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো।’ সেইসময় প্রায় তিনশ সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সভা এক জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে পরিণত হলো। বঙ্গবন্ধু আসলেন। জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুকে জিজ্ঞাসা করা হলো, এখন আপনি কি করতে যাচ্ছেন?

বঙ্গবন্ধু স্বভাবসুলভভাবেই বললেন, আগামীকাল ঢাকা শহরে হরতাল কর্মসূচি এবং আগামী পরশু সারাদেশে শহরে হরতাল কর্মসূচি পালন করছি। আগামী ৭ তারিখে জনগণের সামনে আমি আমার পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবো। ৭ তারিখে রেসকোর্সের ময়দানে বিশাল জনসভা প্রায় ১০ লাখ লোকের উপস্থিতি। ঢাকা শহরের লোকসংখ্যা খুবই সীমিত। কাজেই ১০ লাখ লোকের উপস্থিতিতে বোঝা যায়, ঢাকা শহরের কোন বাড়িতে পুরুষ কোন সদস্য ঘরে বসে ছিলেন না। সবাই উপস্থিত হয়ে অপেক্ষা করছিলেন এটি দেখতে যে, বঙ্গবন্ধু কি বলেন? বঙ্গবন্ধু পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি শাসক গোষ্ঠীর নির্যাতন নিপীড়ন অত্যাচারের ইতিহাস তুলে ধরলেন এবং তাঁর পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করলেন।

এই ভাষণের মূল কথাটি হলো, পাকিস্তানের একটি অংশের বিলুপ্তি, এবং বিশ্বের বুকে নতুন একটি দেশের অভ্যুদয়। তিনি দেখছেন যে, একটি দেশের অংশ মানচিত্র থেকে শেষ হয়ে যাবে,আরেকটি নতুন দেশের জন্মলাভ হবে। সেখানে দাঁড়িয়ে যে ভাষায় যেভাবে কথা বলতে হয়, সেই ভাষায় কথা বললেন বঙ্গবন্ধু। কারণ আপোষের কোন সুযোগ ছিল না। তবে বঙ্গবন্ধুর আপোষহীনতা যেমন ছিল, তেমনি কতটা মানবিক ছিলেন যে, তিনি শত্রুকে বলেছেন, তোমরা আমার ভাই। চিন্তা করা যায় না যে শত্রু বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন সেই তাদেরকে আবার বলছেন, তোমরা আমাদের ভাই। তোমরা ব্যারাকে ফিরে যাও। তোমরা আমার মানুষের বুকে গুলি করো না। এরকমই ছিল বঙ্গবন্ধুর মানবিক দিক। নব নির্বাচিত সদস্যদের নিয়ে জাতীয় সংসদে তাঁর শপথ নেওয়া হলো না, তিনি ৩রা জানুয়ারি জনগণকে সাক্ষী নিয়ে জনগণের সামনে শপথ নিলেন। সেখানেই তিনি বললেন যে, সংগ্রাম শেষ হয়নি। সংগ্রাম কেবল শুরু হতে যাচ্ছে। সেই মেসেজটিই তিনি দিলেন। তোমরা ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তোল। যার যা কিছু আছে তা নিয়ে প্রস্তুত থাক। এবং আমি যদি হুকুম দিবার না-ও পারি, তোমরা এই কাজগুলি করবে। হয়ত তিনি বুঝতে পারছিলেন,সময় বেশি বাকি নেই। এটিই হয়তো শেষ সুযোগ। জনগণের সাথে সরাসরি কথা বলার জন্য।

আমরা রাজনীতির কবি হিসেবে বঙ্গবন্ধুকে দেখি। বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের পরে তাকে নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক সাময়িকী প্রচ্ছদ করেছিল যেখানে বঙ্গবন্ধুকে poet of politics বা রাজনীতির কবি হিসেবে অভিহিত করা হয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, ৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু ১০ লাখ মানুষের সাথে কথা বলেছেন। এরা সকলেই সাড়ে সাত কোটি মানুষের প্রতিনিধি, তাদের সাথে কথোপথন করেছেন। জনগণের কথাই বঙ্গবন্ধুর নিজের কথায় প্রতিফলিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর কথায় ৫টি প্রশ্ন ছিল যেগুলি প্রকৃতপক্ষে মানুষেরই কথা। কি পেলাম আমরা? কাদের সাথে বসব? কিসের আর টি সি?

বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আমার মানুষের পয়সায় যে গোলাবারুদ কেনা হয়, সেটা আমার মানুষের বুকের উপর পড়ে। তাদের সাথে বসব? বঙ্গবন্ধু যখন ভাষণ দিচ্ছিলেন, তখন সেই সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ভাষণ চলা অবস্থায় বঙ্গবন্ধু খবর পেলেন সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আপনারা বাঙালি কর্মকর্তা যারা আছেন, তারা বেরিয়ে আসেন। সবাই বঙ্গবন্ধুর কথায় বেরিয়ে আসলেন। বঙ্গবন্ধুর ভাষণ তখন শিরোধার্য।

পরবর্তীতে ২৫শে মার্চের কালোরাত্রিতে বর্বর পাকিস্তানি যখন নিরীহ নিরস্ত্র মানুষের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল সেই মুহূর্তে তিনি ঘোষণা করেন, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। এটিই হচ্ছে আইনগত আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা। তারপর সাড়ে সাত কোটি মানুষ অটল পাহাড়ের মতো ঐক্যবদ্ধ থেকে মুক্তিযুদ্ধ করেছে। শত্রু কবল মুক্ত হয়েছে। দেশ স্বাধীন হয়েছে। এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কি হতে পারে? একজন মানুষের দীর্ঘ সংগ্রামের ফল আজকের স্বাধীন বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু ছিলেন প্রচণ্ডভাবে এক বিশ্বাসযোগ্য শক্তি এবং এই শক্তির কারণেই আমরা ৭ই মার্চের ভাষণ দেখেছি। আমরা দেখেছি জাতির পিতার সাথে সমগ্র জাতির মনের বন্ধন, যেটির শুভ সূচনা হয়েছিল ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের মধ্য দিয়ে।

 

লেখক: সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত