শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত কার্জন হল

কার্জন হল বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনা। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে এ স্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিবিজড়িত স্থান হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে। ১৯০৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ভারতের তৎকালীন ভাইসরয় ও গভর্নর জেনারেল জর্জ কার্জন এ হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের পর ভবনটির গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়। এক সময় এটি ঢাকা কলেজের ক্লাসরুম হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে কার্জন হল তার অন্তর্ভুক্ত হয়। বর্তমানে কার্জন হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞান অনুষদের শ্রেণিকক্ষ ও পরীক্ষার হল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

১৯৪৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর ও ১ জানুয়ারি কার্জন হলে অনুষ্ঠিত হয় পূর্ব পাকিস্তান সাহিত্য সম্মেলন। ঐ সম্মেলনে সভাপতির অভিভাষণে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ বাঙালিত্বের অহঙ্কার প্রকাশ করে যে বক্তৃতা দেন, তা বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতির অগ্রযাত্রার ইতিহাসে এক মাইলফলক হয়ে আছে। ওই অভিভাষণে ভাষা ও সাহিত্যের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন তিনি। বাঙালিত্বের পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করে তিনি বলেন, ‘আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশী সত্য আমরা বাঙ্গালী। এটি কোন আদর্শের কথা নয়, এটি একটি বাস্তব সত্য। মা প্রকৃতি নিজের হাতে আমাদের চেহারায় ও ভাষায় বাঙ্গালীত্বের এমন ছাপ মেরে দিয়েছেন যে, মালা-তিলক-টিকিতে কিংবা টুপি-লুঙ্গি-দাড়িতে ঢাকবার জো-টি নেই।’ কার্জন হলের ঐ সাহিত্য সম্মেলনে প্রাদেশিক সরকারের শিক্ষা দফতরের সেক্রেটারি ফজলে আহমেদ ফজলী ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ভাষণটির সমালোচনা করেন এবং রুষ্ট হয়ে সভাস্থল পরিত্যাগ করেন।

রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে কার্জন হল স্মরণীয় হয়ে আছে পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সমাবর্তন বক্তৃতায় উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণার কারণে। ১৯৪৮ সালের ২৪ মার্চ তিনি এক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ঘোষণা করেন–‘উর্দুই রাষ্ট্রভাষা হইবে’। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সমবেত ছাত্রগণ তাৎক্ষণিকভাবে এর প্রতিবাদ করেন। হলের মধ্যে কিছু সংখ্যক ছাত্র ‘না, না’ বলে চিৎকার করতে থাকেন। ওই সভার প্রত্যক্ষদর্শী সরদার ফজলুল করিম লিখেছেন, “কার্জন হলের অনুষ্ঠানে প্রথমে ছিল শিক্ষকদের বসার জায়গা, তার পেছনে ছিল ছাত্ররা। ...জিন্নাহ সাহেব তাঁর স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড ল্যাঙ্গুয়েজে ইংরেজিতে ভাষণ দিলেন। ...জিন্নাহ সাহেব যখন রাষ্ট্রভাষার কথায় এলেন তখন তিনি রেসকোর্সের কথাটাই রিপিট করলেন, ‘আই টেল ইউ, এ্যাজ ফার এ্যাজ ল্যাঙ্গুয়েজ ইন কনসার্নড উর্দু এ্যান্ড উর্দু এ্যালোন শ্যাল বি দি স্টেট ল্যাঙ্গুয়েজ অব পাকিস্তান।’ এ সময়ে ছাত্ররা যেখানে দাঁড়িয়েছিল সেখান থেকে তিনটা আওয়াজ বের হয়েছিল ‘নো, নো, নো’। জাস্ট তিনটা শব্দ। ...জিন্নাহ সাহেব হেজিটেটেড ফর এ সেকেন্ড এ্যান্ড স্টপড, বাট দেন হি কনটিনিউড হিজ ওউন স্পিচ এজ হি ওয়ান্টেড টু।”

পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগের আহ্বায়ক নঈমদ্দীন আহমদ বলেন, “কায়েদে আজম উঠলেন বক্তৃতা দিতে। তিনিও এসে পড়লেন রাষ্ট্রভাষার খচখচানিতে।... দাঁড়িয়ে গিয়ে বললাম, ‘কায়েদে আজম আমরা মাস্টার ডিগ্রি পেয়েছি, কাজেই ভাষার সবক নিতে আর রাজি নই।’...কায়েদে আজমের বক্তৃতা বন্ধ হয়ে গেল।”

ভাষাসংগ্রামী আবদুল মতিন লিখেছেন, “আমি আগের বছর বিএ পাশ করেছি। সনদ গ্রহণের জন্য কার্জন হলে সমাবর্তন সভায় যাই। যথারীতি সমাবর্তন সভা শুরু হলো। জিন্নাহ প্রধান অতিথির ভাষণের একপর্যায়ে তাঁর রেসকোর্স ময়দানের বক্তৃতার পুনরাবৃত্তি করে বললেন, ‘উর্দু, উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।’ এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে আমি দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বললাম, ‘নো, নো’।”

কার্জন হলের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণায় তাঁর সামনে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ করা তখনকার দিনে ছিল অতি দুঃসাহসী কাজ। ফলে ওই সময়কার পত্র-পত্রিকায় এ সংবাদ খুব গুরুত্বসহ প্রকাশিত হয়।

কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকায় বলা হয়, “মি. জিন্না যখন পুনরায় ঘোষণা করেন যে, একমাত্র উর্দুই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হইবে, আর কোন ভাষা নহে, তখন কতিপয় গ্র্যাজুয়েট, যাহাদিগকে কিছুক্ষণ পূর্বে ডিপ্লোমা বিতরণ করা হইয়াছে, তাঁহারা ‘না না’ বলিয়া প্রতিবাদ করিয়া উঠেন। ছাত্রদের মধ্য হইতে এই অপ্রত্যাশিত প্রতিবাদে সমগ্র সভামণ্ডপ মধ্যে কিছুক্ষণ যাবৎ মৃদু গুঞ্জন চলে। সমাবর্তনের পর কায়েদে আজম যখন সমাবর্তন মণ্ডপ ত্যাগ করেন, ছাত্রেরা ঐ সময় ‘কায়েদে আজম জিন্দাবাদ’, ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’, ‘উর্দুর সঙ্গে বাংলা আমরা রাষ্ট্রভাষা করিতে চাই’ বলিয়া চিৎকার করিতে থাকেন।”

কার্জন হল রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে প্রতিবাদের স্মারক হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর অন্যায় ঘোষণার প্রতিবাদে পূর্ব-বাংলার ছাত্রসমাজ মাতৃভাষা বাংলার প্রতি প্রগাঢ় ভালোবাসার যে দৃষ্টান্ত সেদিন স্থাপন করেছিলেন, তা ইতিহাসে মর্যাদার আসন লাভ করেছে।

লেখক: গবেষক-প্রাবন্ধিক; অধ্যাপক, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

এসএ/

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত