শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

প্রশাসনের গুণগতমান বাড়ানো দরকার

বাংলাদেশে দুর্নীতি নতুন কোনো বিষয় না। এটি অনেকদিন থেকেই চলে আসছে। যেসব আইন-কানুন আছে, সেসব অনেক ক্ষেত্রেই ভালো; কিন্তু প্রয়োগের ক্ষেত্রে যথেষ্ট দুর্বলতা আছে। দুর্বলতার জায়গাগুলো ঠিক করে তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে পরিপালন করতে হবে। যা আমরা করছি না। স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি বৃদ্ধি করা গেলে এবং আইনের প্রয়োগ করা গেলেও দেশ থেকে দুর্নীতি কমে যাবে।

আমাদের যেমন বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান আছে–এন্টিকরাপশন, মানি লন্ডারিংসহ বিভিন্ন ধরনের সংস্থা আছে। এগুলো প্রয়োগের ক্ষেত্রে আমরা যদি যথাযথ বাস্তবায়ন করতে পারি, তাহলে এর সমাধান সম্ভব হবে বলে আমি আশা করি। তখন দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকার মানও ভালো হবে। আমাদের স্কোরও ভালো করা সম্ভব হবে। এখানে স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট যারা আছেন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ যারা আছেন, তাদেরও ভূমিকা আছে। আমাদের পার্লামেন্টের ভূমিকা আছে। নজরদারির ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক যেসব সংশ্লিষ্টতা আছে, সেগুলো বাস্তবায়নের দিক থেকে আরও মনযোগী হতে হবে।

সাধারণ জনগণ যারাই এটির সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী হয়ে থাকেন, তাদেরও এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। তা ছাড়া সামাজিক অবস্থান নেওয়া দরকার। এটি একটি সামাজিক ‘অল অব সোসাইটি’ দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখার ব্যাপার। এগুলো যদি আমরা না করতে পারি, তাহলেই একটি একক সংস্থা অথবা সরকার দুর্নীতি সমস্যার সমাধান করতে পারবে বলে আমি মনে করি না। রাজনৈতিক অঙ্গীকার যেমন আছে, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, আইনের প্রয়োগ যেমন দরকার আছে, দুর্নীতি দমন কমিশনকে আরও শক্তিশালী করারও প্রয়োজন আছে। সাধারণ জনগণের যে প্রতিবাদী ভূমিকা সেগুলোও শক্তিশালী করার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি। জনগণের কাছেও জবাবদিহির বিষয়টি স্পষ্ট নয়। এ বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া উচিত।

সমস্যাটি যেহেতু শুধুমাত্র ঢাকা কেন্দ্রিক না, পুরো দেশেই দুর্নীতি হয়ে থাকে, তাই এর সমাধানও করতে হবে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে। এটি এককেন্দ্রিকভাবে সমাধান করা যাবে না। এখানে জনপ্রশাসনে যারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় আছেন, তাদেরও স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহির দরকার আছে। সরকার বিভিন্ন রকম সেবা দিয়ে থাকে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে।

সরকারের বিভিন্ন জনপ্রশাসনে মেধাভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া উচিত। একইসঙ্গে পদোন্নতি এবং কাজের ভিত্তিতে পুরস্কার এবং তিরস্কার এই পদ্ধতিতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। তাদের সেবার গুণগতমান নিশ্চিত করা গেলে, সরকারের যেসব আইন আছে, সেগুলোও যদি বাস্তবায়ন করা হয়–বিকেন্দ্রিকরণের মধ্য দিয়েই এর সমাধান করতে হবে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো–ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সুবিধাটি আমাদের নিতে হবে। তাহলে ফেস টু ফেস ইন্টারাকশনের মাধ্যমেই দুর্নীতির বড় অংশটি সংঘটিত হয়। সে ক্ষেত্রে ডিজিটাল মাধ্যমে যদি আমরা সার্ভিস দিতে পারি, তাহলে দুর্নীতির সুযোগ-সুবিধা অনেকটাই কমে যায়। কাজেই আমাদের ই-প্ল্যাটফর্মগুলোকে কাজে লাগাতে হবে সরকারের বিভিন্ন পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে। এই সুবিধা যদি আমরা নিতে পারি, তাহলে দুর্নীতির রাশ টেনে ধরা সম্ভব।

লেখক: অধ্যাপক এবং সম্মানীয় ফেলো (সিপিডি)

এসএ/

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত