শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

সড়কে যাত্রীদের সুরক্ষা দেবে কে?

সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হাহাকার নিরসনের দায়িত্ব যাদের, তাদের বাগাড়ম্বর কথামালা ছাড়া বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হয় না। বিশেষ করে যাত্রীদের সুরক্ষার বিষয়টি একেবারেই উপেক্ষিত। সর্বশেষ মাদারীপুরের শিবচরের এক্সপ্রেসওয়েতে ইমাদ পরিবহনের বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে অকালে ঝরেছে ২০ জনের তাজা প্রাণ। অন্তত ৩০ জন আহতের অনেককেই আজীবন পঙ্গুত্বে বিকলাঙ্গ দুর্বিসহ জীবনযাপন করতে হবে। এ দুর্ঘটনার পর যথারীতি গঠন করা হয়েছে কয়েকটি তদন্ত কমিটি। এইসব কমিটির রিপোর্ট দেওয়ার আগেই হয়ত আরেকটি দুর্ঘটনার খবর এসে যাবে। আর তাতেই ওইসব তদন্ত কমিটির রিপোর্ট ধামাচাপা পড়ে যাবে। যারা দায়ী তারাও হাফ ছেড়ে বেঁচে যাবে। নিহত ও আহতদের পরিবারের আর্তনাদ শোনার কারো সময় থাকবে না। এভাবেই চলছে এবং চলবে! কার সাধ্যি গড্ডালিকা প্রবাহের পরিবর্তন আনার?

গণমাধ্যমে শিবচরে এই বাস দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে নানা তথ্য ও বিশ্লেষণ ইতোমধ্যে চলে এসেছে। এতে দেখা যায়, প্রথমত: গাড়িটি ছিল বেপরোয়া গতির। এই এক্সপ্রেসওয়েতে সাধারণত ৮০ কিলোমিটার সীমাবদ্ধ থাকলেও গাড়িটির গতি ছিল নাকি ১২০ কিলোমিটারেরও বেশি। যাত্রীরা আস্তে চালানোর জন্য অনুরোধ করলেও চালক কর্ণপাত করেনি। দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ের মতো ভালোমানের সড়কে উঠলেই চালকরা পঙ্খীরাজ বনে যান। বিদেশে নির্দিষ্ট সীমার অতিরিক্ত গতিতে উঠলেই হাইওয়ে পুলিশ তৎক্ষণাৎ হাজির হয়ে ব্যবস্থা নেয়। আমাদের এই এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ির অতিরিক্তি গতি মনিটরিংয়ের সেই ব্যবস্থা আছে কি না জানা নেই। যদি না থাকে তাহলে অবিলম্বে এই ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে এক্সপ্রেসওয়ের মতো আধুনিক সড়ক নির্মাণে এই ব্যবস্থা না থাকাটা হবে অত্যন্ত খারাপ নজির। এজন্য যারা এর পরিকল্পনাকারী তাদেরও দায় আছে। আর যদি এই ব্যবস্থা থাকে, তাহলে কেন হাইওয়ে পুলিশ সময়মতো দুরন্ত গতির এই গাড়িটির বিরুদ্ধে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নিল না তাও খতিয়ে দেখতে হবে।

দ্বিতীয়ত: আহত যাত্রীদের অনেকে বলেছেন, গাড়িটি চলার সময় চালক ও সহকারীর কথায় বুঝা গেছে, চাকার সমস্যা আছে। তাহলে চালক গাড়িটি থামিয়ে এর সমাধান করল না কেন? এ ছাড়া গাড়িটির ফিটনেসও ছিল না। এর আগেও গাড়িটি দুর্ঘটনায় পড়েছিল। এতে নিহত হয় পুলিশ কর্মকর্তাসহ চার জন। তাহলে ফিটনেস ছাড়া গাড়িটি কীভাবে মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়ালে? তার দায় দায়িত্ব কার? ইতোমধ্যে বিআরটিএর গৎবাঁধা বক্তব্য, লোকবলের অভাবে তাদের পক্ষে ফিটনেস ছাড়া গাড়ি চলাচল মনিটরিং করা সম্ভব নয়। পুলিশের জবাব এখনো জানা যায়নি। হয়ত বলা হবে তাদেরও লোকবলের অভাব! তাহলে ফিটনেস ছাড়া গাড়ি চলাচল কি অবাধে চলতে থাকবে? আর এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে থাকবে! ইতোমধ্যে ইমাদ পরিবহনের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। শেষ পর্যন্ত এই মামলায় ফলপ্রসূ কিছু হয় কি না তা-ই এখন দেখার বিষয়।

তৃতীয়ত: চালক ক্লান্ত ছিল বলে ঘুম চোখে গাড়ি চালানোয় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে— এমনও বলা হচ্ছে। গাড়িটির চালক জাহিদ হাসানও (৪০) নিহতদের তালিকায়। তার ছেলের বক্তব্য, তার বাবা একটানা ৩০ ঘণ্টা গাড়ি চালাচ্ছিলেন। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে পারেননি। এক্ষেত্রে দায় অবশ্যই পরিবহন সংস্থাটির। তাদের জানার কথা, চালককে পর্যাপ্ত বিশ্রাম না দিলে বিপদের আশঙ্কা আছে। তারপরও তারা সেরকম ব্যবস্থা নেয় না কেন? পরিবহন মালিক সমিতি ও চালক সমিতির নেতারা কেন চালকদের পর্যাপ্ত ঘুম বা বিশ্রামের ব্যবস্থা করতে পারে না? অভিযোগ আছে, এই সমিতিগুলোর নেতাদের চাঁদাবাজি ছাড়া সাধারণ চালকদের বা যাত্রীদের সুরক্ষার দিকে কোনো মনোযোগ নেই!

সাধারণত সড়ক পরিবহন আইনের কোনো ধারা উপধারা নিয়ে পরিবহন সমিতিগুলোর নেতারা তাদের স্বার্থরক্ষায় সব সময় সোচ্চার থাকে! কিন্তু এরকম একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর তাদের কোনো বক্তব্য চোখে পড়েনি। চালকদের গাড়ি চালানোর জন্য সময়ে সময়ে সচেতন করার কাজটি তারাই করতে পারে। কিন্তু সেরকম কোনো কর্মসূচি মনে হয় না তাদের আছে। সড়কের কর্তৃপক্ষ বিআরটিএ’রও হয়ত নেই!

চতুর্থত: যাত্রী সুরক্ষার বিষয়টি কে দেখবে বা কারা তদারকি করবে? সাধারণত: এ রকম ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর নিহত ও আহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয় বিভিন্ন পর্যায় থেকে। কিন্তু শিবচরের দুর্ঘটনার পর এরকম কোনো সহায়তার ঘোষণা জানা যায়নি। দুর্ঘটনা কবলিত বাসটির মালিকের কাছ থেকেও নিহত ও আহতদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের ঘোষণা আসেনি। তাই নিহত ও আহতদের পরিবার এই বিশাল ক্ষতি নিয়ে কীভাবে দিনযাপন করবে? বিদেশে যাত্রী বিমা বাধ্যতামূলক। কিন্তু বাংলাদেশে কেন এখনো যাত্রীদের সার্বজনীন বিমার আওতায় আনা হলো না? এ নিয়ে যাত্রী সুরক্ষা সমিতিগুলো বারবার আহ্বান জানালেও কারো সাড়া নেই। সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, পরিবহন মালিক, শ্রমিক সমিতিগুলোর উদ্যোগ ছাড়া যা বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। তাই আর কতো প্রাণ গেলে তাদের টনক নড়বে—সেটাই এখন প্রশ্ন?

এ ছাড়া পরিবহন সমিতিগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদা তোলারও অভিযোগ আছে। আর এ চাঁদার ভাগ শুধু নেতাদের পকেটে না দিয়ে নিহত ও আহতদের পরিবারের জন্যও কিছু দিতে পারে বলে অনেকে অভিমত প্রকাশ করেছে। এজন্য সরকারের পক্ষ থেকেও একটি তহবিল গঠন সময়ের দাবি। বিআরটিএ’র বিভিন্ন সেবায় এই তহবিলের জন্য অর্থ নেওয়া যেতে পারে। তাহলে অন্তত: দুর্দশাগ্রস্ত এই পরিবারগুলো চরম সংকটে কিছুটা হলেও বেঁচে থাকার অবলম্বন পেতে পারে।

ইব্রাহিম আজাদ: কবি ও সাংবাদিক

আরএ/

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী