শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

আসল চিত্র পাওয়া যাবে চূড়ান্ত হিসাবে

পরিচালন মুনাফা আর নিট মুনাফা এক জিনিস নয়–এ দুইয়ের মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে। সাধারণ মানুষ বা সাধারণ আমানতকারীদের মধ্যে এই বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা নাও থাকতে পারে। তবে যারা ব্যাংক ব্যবসা পরিচালনা করেন তাদের এই বিষয়ে টনটনে জ্ঞান রয়েছে। এ কারণে তারা বেশি উল্লসিত হন না এবং এ নিয়ে তারা আমানতকারীদের সঙ্গে বেশি আলাপও করতে চান না; কিন্তু কোনো না কোনোভাবে পরিচালনা মুনাফা অর্জনের বিষয়টি মানুষ যেন জানতে পারে এ জন্য তারা বেশি উৎসাহ না দেখিয়ে সুক্ষ্মভাবে ‘নিউজ লিক’ করেন। এর কারণ কী?

এই প্রশ্নের উত্তরে কয়েকজন সাবেক ব্যাংক ব্যবসা পরিচালক এবং ব্যাংক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে জড়িতদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, সাধারণ এবং ব্যাংকিং ব্যবসার মাঝে জড়িত মহলে একটা ধারণা দেওয়া যে, আলোচিত ব্যাংকটি ভালো, নৈপুণ্য দেখাচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হলো–ব্যাংকের ‘ইমেজ’ বা ভাবমূর্তিকে উন্নত করা বা রক্ষা করা। আরও অধিক সংখ্যক সাধারণ গ্রাহক বা আমানতকারীকে আলোচিত ব্যাংকের দিকে আকৃষ্ট করা, অর্থাৎ আমানত বা ডিপোজিটের পরিমাণ বাড়ানো; যেসব ব্যাংক পুঁজিবাজারে নিবন্ধিত ট্রেডিংয়ে সেগুলোর শেয়ার মূল্য কিছুটা হলেও যেন বৃদ্ধি পায় এবং আলোচিত ব্যাংকের একীভূত বা অধিগৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

তবে উদ্দেশ্য যা-ই থাকুক না কেন, মূল বিষয় হচ্ছে নিট মুনাফা কত হলো। পরিচালন মুনাফা থেকে বছর শেষে সরকারকে দেওয়া করপোরেট ট্যাক্স এবং ঋণের বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণের পর যে পরিমাণ টাকা থেকে যাবে বা উদ্বৃত্ত থাকবে, সেটিই হবে নিট মুনাফা। এই মুনাফার পরিমাণের উপর ভিত্তি করেই আলোচিত ব্যাংকের সফলতা, ইমেজ ইত্যাদি বাড়বে বা কমবে। নিট মুনাফার প্রধান ভাগীদাররা হচ্ছেন ব্যাংকের ডাইরেক্টর বা মালিকরা। ডিভিডেন্ট হিসাবে তারা লাভ পেয়ে থাকেন। সদ্য সমাপ্ত ইংরেজি বছরে বেসরকারি এক ডজনেরও বেশি ব্যাংক ভালো পরিমাণে পরিচালন মুনাফা করেছে। এর মধ্যে নতুন প্রজন্মের ব্যাংকও রয়েছে।

স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে–যেখানে বিগত বছরের একটি বিরাট অংশজুড়ে করোনার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছিল, সেখানে কীভাবে পরিচালন মুনাফার উল্লম্ফন ঘটল। এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করে একটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক তথা সরকারের প্রদত্ত সুযোগ সুবিধার কারণে ব্যাংকগুলি লাভবান হয়েছে। তারা একে অন্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে পরিচালন মুনাফা বাড়িয়েছেন। কেন্দ্রীয় ব্যংকের নির্দেশনার (সার্কুলার) আওতায় ব্যাংকগুলো বিভিন্ন ক্যাটাগরির ঋণের বিপরীতে প্রভিশন কম সংরক্ষণ করেছে, ঋণ আদায় না করেও তারা আদায় দেখিয়েছে (অর্থাৎ কৃত্রিম আয়) এবং বড় অংকের ডিভিডেন্ট দিতে যাচ্ছে। এর অবশ্যম্ভাবী ফল হলো ব্যাংকগুলোর মূলধন কাঠামো দূর্বল হয়ে পড়বে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় যে সমস্ত সুযোগ-সুবিধা করোনা আপদকালীন সময়ে দেওয়া হয়েছে তার সবগুলোই বেসরকারি-বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোই নির্দিষ্ট করেছিল।

চূড়ান্ত বিবেচনায় পরিচালন মুনাফা যে কোনো বাণিজ্যিক ব্যাংকের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। দেশে অনেক বাণিজ্যিক সংস্থা রয়েছে, যেগুলো প্রাথমিকভাবে সংস্থার পরিচালন মুনাফা দেখিয়েও চূড়ান্ত বা ফাইনাল অডিটে লোকসান দেখেছে। ব্যাংকিং সংস্থার বেলায়ও একই ঘটনা ঘটতে পারে। ব্যাংকগুলো নিট মুনাফা কত পরিমাণে করেছে, তা জানা যাবে চূড়ান্ত হিসাবের পর। এর জন্য আরও দুই-তিন মাস সময়ের প্রয়োজন হতে পারে। নিট মুনাফা কম হলে অথবা না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকটি হয়তো বা প্রচারে সামনের কাতারে আসতে চাইবে না। তবে তারা উল্টোপথও ধরতে পারে। অর্থাৎ অধিকহারে প্রচারের দিকে মনোযোগী হতে পারে। তবে লাভ-লোকসান যা-ই হউক না কেন, ব্যাংক মালিকানায় যারা রয়েছেন চলমান পরিস্থিতিতে তারা লাভের ঘরেই থাকবেন।

লেখক: সাংবাদিক

এসএ/

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত