শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

বছর জুড়ে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব থাকবে

বৈশ্বিক অর্থনীতি এখন অনেক কিছুর সঙ্গেই সংযুক্ত। আমাদের দেশের অর্থনীতিও বৈশ্বিক অর্থনীতির সঙ্গে জড়িত। সেদিক চিন্তা করলে যেসব কারণে অর্থনীতি নিয়ে চিন্তার ব্যাপার আছে তা হলো, কোভিডের পরে রিকভারি চলছিল। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ে যায়। তবে দাম বৃদ্ধি যে পুরোপুরি ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের জন্য তা নয়। কোভিড রিকভারি প্রসেসের মধ্য দিয়েই এরকম হয়েছে। সেই জায়গা থেকে এটি ধারাবাহিকভাবেই চলছে। সেই বিচারে নিজেদের অর্থনীতি নিয়ে বেশি ভাবতে হবে এজন্য যে, বিশ্বের অর্থনীতিতে একটি মন্দাভাব থাকবে। তবে বাজারগুলি যেহেতু আমাদের রপ্তানির প্রধান বাজার সেদিক থেকে আমাদের সচেতন ও চিন্তা ভাবনার দরকার আছে।

আমি বলব এখন পর্যন্ত আমাদের রপ্তানি বেশ ভালো। আমরা যদি এটি ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে নিতে পারি, রপ্তানির দিক থেকে দুশ্চিন্তার কারণ হবে না। তবে অবশ্যই এই বাজারগুলি আমাদের পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে অর্থনীতি কোথায় যাচ্ছে। বৈশ্বিক অর্থনীতিতে একটি মন্দার আশঙ্কা বড় বড় অর্থনীতিবিদ অথবা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা করছে। কাজেই ২০২৩ এ একটি মন্দাভাব থাকবে। সেক্ষেত্রে এই অনিশ্চিত অবস্থায় আমাদের পণ্যের বাজার কেমন হবে সেটি সর্বোচ্চ সতর্কতায় রাখতে হবে।

আরও একটি সতর্কতার বিষয় হচ্ছে, এ বছর হচ্ছে নির্বাচনের বছর। যদিও নির্বাচনের তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি। তবে বছরের শেষে অথবা আগামী বছরের শুরুর দিকে যেহেতু নির্বাচন হবে, তবে সারা বছর ধরেই তার প্রভাব কিন্তু অর্থনীতির মধ্যে পড়বে। সেটির একটি ইতিবাচক দিক হচ্ছে, নানান জিনিসের কেনা বেচা অথবা বাজার একটু সরগরম থাকে; বিশেষ করে মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়। উদাহরণস্বরূপ প্রিন্টিংসহ স্বল্প আয়ের মানুষের নানামুখি কর্মসংস্থান যেমন চায়ের স্টলের আড্ডা থেকে সবকিছুই অর্থনীতির অংশ হয়ে যায়; যেগুলো নির্বাচনের বছরগুলোতেই চাঙ্গা হয়।

আবার কিছু অনিশ্চয়তা আমরা দেখি যেটি অর্থনীতির জন্য সুফল বয়ে আনে না। আমার মতে, এ বছরে অর্থনীতির দিক থেকে একটি ইতিবাচক প্রভাব থাকবে। এবারের নির্বাচন গ্রামে-গঞ্জে সারা দেশেই ছোট ছোট উদ্যোক্তা তৈরি করবে। নির্বাচনকে ঘিরে যতধরনের পণ্য তার সঙ্গে ক্ষুদ্র ব্যবসা যুক্ত হবে। সেদিক থেকে বলা যায় যে, দেশের অর্থনীতি বেশ চাঙ্গা থাকবে। তবে বিশ্বব্যাপী মন্দার কারণে, মূল্যস্ফীতির বিষয়টি আমাদের জন্য বড় চিন্তার বিষয়।

২০২৩-এ আমি মনে করি, এটি এখন পর্যন্ত যে গতিতে কমছে, সেটি বেশ ধীরগতি। আগামীতে ধানের ফলন ও সাপ্লাই চেঞ্জ ইত্যাদি জায়গাগুলোতে আমাদের মনোযোগ রাখতে হবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলো যেমন বন্যায় ফসল নষ্ট হয়, এসব ক্ষেত্রে আমাদের দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। অনেক ক্ষেত্রেই মানুষের সঞ্চয় কমে গেছে। বিশেষ করে নিম্নবিত্ত পরিবারে যারা নির্দিষ্ট আয়ে সংসার চালান, তারা চলছেন কিন্তু একটি চাপের মধ্যে আছেন। সেদিক বিবেচনায় মূল্যস্ফীতি বছর জুড়েই চিন্তার একটি ব্যাপার হবে।

সবকিছু মিলিয়ে আমি মনে করি, ২০২৩ সাল বাংলাদেশের জন্য একটি পরীক্ষার বছর, বিশেষ করে বিগত কয়েক বছরের উন্নয়নের ধারায় আমাদের শক্তিমত্তা কতটুকু? বিশ্বব্যাপী অর্থনীতিতে কিছুটা মন্দাভাব থাকলেও দরিদ্র-ধনী সবাই মিলে আমরা টিকে থাকতে পারি কীভাবে, সেদিক থেকে পরীক্ষার বছর। এই পরীক্ষায় ভালো ফল পেতে হলে আমাদের সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও এ বিষয়ে আরও বেশি মনযোগী হতে হবে।

নাজনীন আহমেদ: অর্থনীতিবিদ

এসএন

Header Ad
Header Ad

যমুনা সেতু মহাসড়কে র‍্যাবের টহল জোরদার (ভিডিও)

যমুনা সেতু মহাসড়কে র‍্যাবের টহল জোরদার করা হয়েছে। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ-উল-ফিতরের ছুটি শেষে নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে ঘরমানুষ। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফেরা ও সড়কে ডাকাতিরোধে র‍্যাবের টহল টিম জোরদার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাতে মহাসড়কের এলেঙ্গা ও মির্জাপুরসহ গুরত্বপূর্ণ এলাকায় চেক পোস্ট বসিয়ে যাত্রীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি মহাড়কে চলাচলের সার্বিক খোঁজখবর নিচ্ছে র‍্যাব সদস্যরা।

এছাড়াও ডাকাতিরোধসহ জরুরি প্রয়োজনে যাতে র‍্যাবের যোগাযোগ করতে জরুরি মোবাইল নম্বরও সরবরাহ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে র‍্যাব- ১৪ এর ৩ নং কোম্পানী কমান্ডার মেজর কাওছার বাঁধন বলেন, ঈদের আনন্দ শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে তাদের একাধিক টহল টিম দায়িত্ব পালন করছে।

Header Ad
Header Ad

শরীয়তপুরে দু’পক্ষের তুমুল সংঘর্ষ, শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ

শরীয়তপুরে দু’পক্ষের তুমুল সংঘর্ষ।ছবি: সংগৃহীত

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শরীয়তপুরের জাজিরায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে শতাধিক হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে কমপক্ষে ৮ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।

শনিবার (৫ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের দূর্বাডাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বেলা ১২ টার দিকে এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিলাসপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কুদ্দুস বেপারী ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা জলিল মাদবরের সমর্থকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলছে। প্রায় চার বছর আাগে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতা করেন আওয়ামী লীগের এই দুই নেতা। ওই সময় পুরানোর বিরোধ আরও চাঙা হয়। গত ৫ আগস্টের পরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকালে দূর্বাডাঙ্গা এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সমর্থকরা আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় অন্তত শতাধিক হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এদিকে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও হাতবোমা বিস্ফোরণের ১৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। যেখানে দেখা যায়, একটি খোলা মাঠে উভয় পক্ষের লোক মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছেন। সেখানে অনেকের হাতে বালতি ও হেলমেট পরিহিত অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। বালতি থেকে হাতবোমা নিক্ষেপ করা হচ্ছে। পরে সেগুলো বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়ে ধোঁয়ার সৃষ্টি করছে।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য কুদ্দুস বেপারী ও জলিল মাদবরের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলে নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল আখন্দ বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Header Ad
Header Ad

গরমে তৃষ্ণা মেটানোর বদলে ডিহাইড্রেটেড করবে যেসব পানীয়

ছবি: সংগৃহীত

গ্রীষ্মের তাপদাহে তৃষ্ণা নিবারণ করা প্রতিটি মানুষের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। তবে গ্রীষ্মের তীব্র তাপমাত্রায়, গরমে হাইড্রেটেড থাকা অনেক বেশি জরুরি, কারণ অতিরিক্ত তাপ আমাদের শরীর থেকে পানি শূন্য করে দেয়। তৃষ্ণা মেটানোর জন্য আমরা সাধারণত কোল্ড ড্রিঙ্ক, কোল্ড কফি বা আইসড টি বেছে নি, কিন্তু আপনি কি জানেন কিছু পানীয় আমাদের আরও বেশি ডিহাইড্রেটেড করে ফেলতে পারে?

পচলুন জেনে নেওয়া যাক, গ্রীষ্মে কোন পানীয়গুলো আমাদের শরীরের জলশূন্যতা বাড়িয়ে দিতে পারে:

১. কোল্ড কফি/আইসড কফি
গরমে ঠান্ডা কফি বেশ জনপ্রিয় পানীয়। এটা যেমন আমাদের তৃষ্ণা মেটায়, তেমনই আমাদের শক্তিও বৃদ্ধি করে। তবে কফিতে থাকা ক্যাফেইন আমাদের শরীরে জলশূন্যতা সৃষ্টি করতে পারে, কারণ ক্যাফেইন একটি প্রাকৃতিক মূত্রবর্ধক। তাই কোল্ড কফি বেশি পরিমাণে পান করলে তা শরীর থেকে পানি দ্রুত বের করে দিতে পারে, যার ফলে আপনি আরও বেশি ডিহাইড্রেটেড হয়ে পড়তে পারেন।

২. আইসড টি
আইসড টি গ্রীষ্মকালীন এক জনপ্রিয় পানীয়, যা ঠান্ডা থাকার পাশাপাশি স্বাদেও ভালো। কিন্তু এই পানীয়তে কফির মতোই ক্যাফেইন থাকে, যা তৃষ্ণা মেটানোর বদলে শরীর থেকে পানি বের করে দেয়। গ্রীষ্মকালে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে, আইসড টি পান করার পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া উচিত। অতিরিক্ত আইসড টি শরীরের পানির ভারসাম্য বিঘ্নিত করতে পারে।

৩. কোমল পানীয়
কোমল পানীয় বা সোডা, সাধারণত চিনি এবং ক্যাফেইনের বড় উৎস। এই পানীয় শরীরকে ডিহাইড্রেটেড করে ফেলতে পারে। সোডা শরীরে জলশূন্যতা বাড়ানোর পাশাপাশি, অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার কারণে ডিহাইড্রেশন আরও তীব্র হতে পারে। তাই কোমল পানীয় পানের পর সাথে পর্যাপ্ত পানি পান করা উচিত। এর পাশাপাশি, কোমল পানীয় শরীরের মেটাবলিজমেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

৪. এনার্জি ড্রিংক
এনার্জি ড্রিংক সাধারণত খেলা বা ব্যায়ামের পর শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য পুনরুদ্ধারের জন্য ব্যবহার করা হয়। তবে এগুলোতে অতিরিক্ত চিনি এবং কৃত্রিম রাসায়নিক থাকে, যা শরীরে পানি শূন্যতা বাড়াতে সহায়তা করে। এগুলি শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করতে পারে, কিন্তু যদি সঠিকভাবে পানি পান না করা হয়, তবে তা দ্রুত ডিহাইড্রেশন সৃষ্টি করতে পারে। গ্রীষ্মের সময় এনার্জি ড্রিংক পানের পর পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি।

৫. অ্যালকোহল
অ্যালকোহল একটি প্রাকৃতিক মূত্রবর্ধক, যা প্রস্রাবের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয় এবং শরীরের পানি শূন্যতা সৃষ্টি করে। গ্রীষ্মকালীন তাপদাহে যখন শরীরের হাইড্রেশন প্রয়োজন, তখন অ্যালকোহল পান করা অতি ক্ষতিকর হতে পারে। অ্যালকোহল শরীরের জলীয় পরিমাণ কমিয়ে দেয়, ফলে আপনার তৃষ্ণা মেটানোর বদলে তা আরও বাড়িয়ে দেয়।

অতিরিক্ত সতর্কতা
গ্রীষ্মকালে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখার জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় হল পানি। তাছাড়া, খেজুরের রস, ফলের শরবত, স্যালটেড লেবুর পানি বা নারিকেল পানি পান করলে শরীরের জলশূন্যতা প্রতিরোধ করা যায়। তৃষ্ণা মেটানোর জন্য যেগুলো খাওয়া বা পান করা উচিত, সেগুলির মধ্যে বেশি ক্যাফেইন বা চিনি না থাকাই ভালো। গ্রীষ্মকালীন পানীয় সঠিকভাবে বেছে নিন, যাতে শরীর থাকে সজীব এবং সুস্থ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

যমুনা সেতু মহাসড়কে র‍্যাবের টহল জোরদার (ভিডিও)
শরীয়তপুরে দু’পক্ষের তুমুল সংঘর্ষ, শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ
গরমে তৃষ্ণা মেটানোর বদলে ডিহাইড্রেটেড করবে যেসব পানীয়
পরকীয়া থেকে ফেরাতে না পেরে স্বামীকে হত্যা করলেন স্ত্রী
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু হতাহতের শিকার: জাতিসংঘ
আয়ারল্যান্ডের পাসপোর্ট বিশ্বসেরা, বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১তম
ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, নেই যানজট ও ভোগান্তি
আইএমএফের প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসছে আজ
অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে ২৮ জনের ৩ কোটি আত্মসাৎ, ফেরত দেওয়ার দাবি
প্রশাসনে রেকর্ড সংখ্যক কর্মকর্তা ওএসডি, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে নতুন রেকর্ড
ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
সাভারে আবারও চলন্ত বাসে ডাকাতি, স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল লুটপাট
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ