শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

কুষ্টিয়ার ‘কুশলীবাসা শাহী মসজিদ’: মুঘল আমলের নন্দনশৈলীর নিদর্শন

স্থাপত্য ইতিহাস প্রকাশনায় ‘কুশলীবাসা শাহী মসজিদ’ কবে এবং কে তৈরি করেছেন, তার নিশ্চিত উৎস খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে জনশ্রুতি আছে, মুঘল আমলে এই মসজিদটি নির্মিত হয়। কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত কুশলীবাসা গ্রামের আব্দুল খালেক মিয়ার বাড়ির আঙ্গিনায় অবস্থিত ‘কুশলীবাসা শাহী মসজিদ’। অদূরেই কালীগঙ্গা নদী মৃতপ্রায় অবস্থায় প্রবাহিত।

গবেষকরা মনে করেন, মুঘল সম্রাট মুহিউদ্দিন মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব (শাসনকাল ১৬৫৮-১৭০৭) তার শাসনামলে রাজকর্মচারী হিসেবে অনেককে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে নদী পথে পাটজাত সোনালী আঁশ কেনা-বেচার দেওয়ানী দিয়ে পাঠাতেন। কর্মচারীদের অধিকাংশ ছিলেন সুফি মতাদর্শের ও ধর্মভীরু। তারাই প্রতিকূল পরিবেশে নিজেদের আস্তানা তৈরি করে রাজকার্যের পাশাপাশি ইসলাম ধর্ম প্রচারেও যত্নশীল ছিলেন। মুঘল আমলে নির্মিত ছোটো আকৃতির নন্দনশৈলীর মসজিদগুলো তাদের সেই সহমর্মিতার নিদর্শন বহন করে।

‘কুশলীবাসা শাহী মসজিদ’টি আওরঙ্গজেবের আমলের নির্মিত বলে ধারণা করা যায়। এই জাতীয় কর্মচারী ও ধর্ম প্রচারকদের অধিক সমাবেশ বাংলা অঞ্চলে লক্ষ্যণীয়, যারা সব ধর্মের মানুষের কাছে অধিক গ্রহণযোগ্য হন। তাদের শোষণ বঞ্চনার বিরুদ্ধে ‘মানবধর্ম’ সমগ্র জনগোষ্ঠীকেই মুগ্ধ করতো।

মসজিদ স্থাপত্য (১২০৪-১৭৬৫) একটি কাঠামোগত ধারণা, যেখানে মুসলমান ধর্মাবলম্বীরা একসঙ্গে বা পৃথকভাবে তাদের নিত্যদিনের নামাজ আদায় করে থাকেন। প্রায় প্রত্যেক মসজিদ স্থাপত্যেরই একটি সাধারণ গাঠনিক রূপ থাকে। যেমন–মূল প্রার্থনা কক্ষ, ছাদের উপর স্থাপিত অর্ধ-বৃত্তাকার গম্বুজ, পিলার বা স্তম্ভের উপর ছোট মিনার-গম্বুজ এবং উঁচু মিনার। এ গঠনের ব্যতিক্রমও চোখে পড়ে। বিশেষ করে বিভিন্ন ভূখণ্ডের মানুষের সংস্কৃতি, আবহাওয়া, ভূ-প্রকৃতি, শাসন কাঠামো, রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রভৃতি সকল দিকই সংশ্লিষ্ট ভূখণ্ডের ধর্মীয় স্থাপত্য নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করে। বাংলায় মুসলমান শাসন প্রতিষ্ঠার পর মুসলমানদের ধর্মীয় আয়োজন মেটানোর প্রয়োজনে মসজিদ প্রতিষ্ঠা করা হয়। নির্মাণ উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয় পোড়ামাটির টেরাকোটা, চুন-সুঁড়কি, বিশেষ ধরনের মাটি পোড়ানো টালি। এসব উপকরণও নিজেদের মেধা বুদ্ধি দিয়ে ধর্মপ্রচারকগণ অথবা মুসলিম জমিদারগণ নির্মাণ করেন স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী নির্মাণশৈলীর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ছোটখাটো বাস্তব উপযোগী মসজিদ যার মধ্যে স্থাপত্য কর্তৃত্বের ছাপ প্রতিফলিত হতো।



কুশলীবাসা শাহী মসজিদের গায়ে লতা-পাতার নকশা অঙ্কিত। মসজিদের মাঝে বড় গোলাকৃতি গম্বুজ একটি যার গায়ে লাগোয়া দুই পাশে লম্বা আকৃতির চারচালা ঘরের আদলে লম্বা ঢিবি আকৃতির দুটি গম্বুজ, যা একদমই ব্যতিক্রম। চারপাশে চারটি স্তম্ভ বা পিলারের উপর ছোটো আকৃতির মিনার যার উপর উল্টো করে টেপা কলস আকৃতির ছোটো গম্বুজ। বড় গম্বুজের উপর খাঁজকাটা নান্দনিক স্থাপত্যশৈলী মিনার রয়েছে। মসজিদের দুটি দরজা একটি পূর্বদিকে অন্যটি উত্তরে। উত্তরের দরজার দৈর্ঘ্য ৪৬ ইঞ্চি, প্রস্থ ৩৩ ইঞ্চি এবং দেয়ালের পুরুত্ব ১৮ ইঞ্চি। মসজিদের প্রবেশ দরজা এখন ভূমি সমতল থেকে ৩ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতায় রয়েছে। ভেতরের দৈর্ঘ্য ১২ ফুট এবং প্রস্থ ৬ ফুট ৮ ইঞ্চি। পশ্চিম দেয়ালে দুটি ও পূর্ব দেওয়ালে দুটি করে চারটি কোটর রয়েছে আলোক উৎস রাখার জন্য। মেহরাব দৈর্ঘ্যে ২ ফুট ৪ ইঞ্চি, উচ্চতায় ৩ ফুট ৩ ইঞ্চি এবং গভীরে ১ ফুট ৩ ইঞ্চি। উপর থেকে পরিমাপে দেখা গেছে, মসজিদের লম্বা ১৬ ফুট ৪ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ১০ ফুট। মসজিদটি অন্তত ৫ ফুট মাটির নিচে চলে গেছে। এক কাতারের এই মসজিদে ৫ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। মসজিদ সংলগ্ন একটি ইন্দারা ছিল, যা মাটি দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া আছে। ১৯৭৮ সালে (১৩৮৫ বঙ্গাব্দ) মসজিদের কয়েকটি অংশের মেরামত করা হয়।



মসজিদ নির্মাতার উত্তরাধিকার আব্দুল খালেক মিয়া জানান, তাদের পরিবার মসজিদের নামে ৫ শতক জায়গা ওয়াকফ করে দিয়েছেন। ঐতিহ্য রক্ষায় মাঝে মাঝে তাদের পরিবার সমস্যার সম্মুখীন হন। শত প্রতিকূলতার মাঝে তার পরিবার এখনও মসজিদটি বাঁচিয়ে রেখেছে। মসজিদ সংলগ্ন একটি কবর অবস্থিত। কবর সম্বন্ধে তাদের পূর্বপুরুষরা বলে গেছেন যে, তিনি এমন একজন কামেল ব্যক্তি ছিলেন, যিনি মসজিদের অভ্যন্তরে সার্বক্ষণিক ইবাদত-বন্দেগীতে মশগুল থাকতেন। তার বেশ কিছু সহচরও ছিল বলে তিনি শুনেছেন। সুফি ব্যক্তিত্বের মৃত্যু হলে তাকে মসজিদ আঙিনাতে দাফন করা হয় এবং সহচররা ভারতে ফিরে যান।

তাদের সংরক্ষিত পূর্বপুরুষ জামানার ছেঁড়া দলিল থেকে ‘একিন সা ফকির’ নামক একজনের নাম পাওয়া যায়। যার সঙ্গে মসজিদ নির্মাতার ঘনিষ্ঠতা অথবা ঘনিষ্ঠ উত্তরসূরি বলে ধারণা করা হয়। প্রাচীন মসজিদের সামনে ৬ কাতারের নতুন মসজিদ নির্মিত হয়েছে, যার প্রতি কাতারে ২৫ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। গবেষকদের ধারণা, ‘কুশলীবাসা শাহী মসজিদ’, যেখানে পাঁচজন মাত্র মুসল্লি নামাজের জন্য দাঁড়াতে পারেন–এমন ছোট আকারের মসজিদ কুষ্টিয়াসহ বাংলাদেশের কোথাও আছে কি না সন্দেহ!

লেখক: ইতিহাস গবেষক ও প্রাবন্ধিক

এসএ/

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত