শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

গণতন্ত্রের সংগ্রাম আর নিপীড়নের সংস্কৃতি

গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত মত প্রকাশের স্বাধীনতা। মত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য প্রয়োজন কথা বলা, লেখা, সমাবেশ ও সংগঠন করার স্বাধীনতা। মত প্রকাশ আর মত প্রচারের পর প্রয়োজন মতামত যাচাই করার স্বাধীনতা যা নির্বাচনের স্বাধীনতা হিসেবেও বলা যায়। কিন্তু নির্বাচনকে রাজনৈতিক মত প্রচার, যাচাই, গ্রহণ, বর্জনের পদ্ধতির চাইতেও ক্ষমতা দখলের উপায় হিসেবেই দেখা হচ্ছে। তাই রাজনৈতিক বিষয় গুরুত্বহীন হয়ে ক্ষমতা দখল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফলে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড মানেই সংঘাত সংঘর্ষ উত্তেজনা।

আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে দিন দিন। বিভিন্ন স্থানে সংঘাত আর আক্রমণ পাল্টা আক্রমণের ঘটনা ঘটছে প্রায় প্রতিদিন। পত্রিকায় বড় বড় খবর আর পাঠক পড়ছেন সেসব ভীষণ আগ্রহ নিয়ে। রাজপথে উত্তেজনা না থাকলে তা নাকি রাজনীতি বলে মনে হয় না। এমন কি টেলিভিশনের টক শোতেও উত্তেজনা না ছড়ালে নাকি তা মানুষ দেখতে চায় না। যুক্তিপূর্ণ কথার চাইতে অপ্রাসঙ্গিক এবং অযৌক্তিক কথা উচ্চস্বরে বললে নাকি দর্শক শ্রোতাদের একটা বড় অংশ মনে করেন, দারুণ বলেছে, একেবারে প্রতিপক্ষকে শুইয়ে দিয়েছে। তর্কের মধ্যে মারমার কাটকাট ভাব থাকলে টেলিভিশনের অনুষ্ঠানের দর্শক সংখ্যা এবং মতামত প্রদানের হার বাড়তে থাকে তর তর করে। দর্শক শ্রোতাদের এই ধরনের পছন্দের কারণ কি তা নিয়ে একটা গবেষণা হতে পারে এবং তা মানুষের মনস্তত্ত্ব বুঝতে সহায়তা করতে পারে কিন্তু এই মারমুখী ব্যাপারটা যে গণতান্ত্রিক মানসিকতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য অনুকূল নয় সেটা অনুভব করছেন সবাই। অনেকসময় মূল বিষয়কে আড়াল করার জন্যও কৃত্রিম উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি করা হয়।

যে কারণে কোন রাজনৈতিক দল একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে কথা বলছে, একটি বড় জনসমাবেশ করেছে এটা কোনো খবর নয়। কিন্তু পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে, আহত নিহত হয়েছে এটাই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সমালোচনার ধরনটা সে রকমেরই। সরকারি দল বলতে থাকে,বিরোধীদের আন্দোলন করার সামর্থ্য নেই, জনগণ তাদের সঙ্গে নেই, এরকম আন্দোলন করে কিছু করতে পারবে না ইত্যাদি। এর ফলে উত্তেজনার পারদ চড়তে থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে তার কিছু নজির লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

রাজনীতিতে যুক্তি পাল্টা যুক্তি থাকবেই। থাকবে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি। পুলিশ এবং প্রশাসনের ভূমিকা তখন কি রকম হবে? তারা কি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী থাকবেন নাকি দলীয় কর্মীর মত ভূমিকা পালন করবেন তা নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘদিনের। এর রাজনৈতিক সমাধান হয় নি বরং এই ধারনাটাই স্থায়ী হয়েছে যে, যারা ক্ষমতায় থাকবেন তারা প্রশাসন ও পুলিশকে তাদের মত করেই ব্যবহার করবেন। ফলে ক্ষমতাসীনরা আন্দোলনকারীদেরকে পুলিশের ভয় দেখাবেন আর বিরোধীদল মোকাবিলা করবে পুলিশকে। পুলিশের ভূমিকা আর রাজনৈতিক দলের কর্মীদের মনোভাব দুই ক্ষেত্রেই যখন মারমুখী অবস্থান তখন বিরোধীরা কিছু করতে পারেনা ক্ষমতাসীন দলের এ ধরনের বক্তব্য উস্কানির মত শোনায়। ক্ষমতাসীন দলের পক্ষে পুলিশ নামে মাঠে, মারপিট করে, গুলি করে আবার মামলাও করে। এইসব মামলার প্রকৃতিটাও ভিন্ন। আসামি করা হয় হাজার হাজার মানুষকে। গ্রেপ্তার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, গ্রেপ্তার এড়াতে এলাকা ছেড়ে বাইরে চলে যেতে বাধ্য হয় কর্মীরা। জেলে থাকে অথবা জামিন নিয়ে আদালতের বারান্দায় ঘুরতে থাকে মাসের পর মাস। রাজনৈতিক বিরোধ পরিণত হয় রাজনৈতিক সহিংসতায় আর প্রতিহিংসাপরায়ণতায়।

হামলা-মামলা গ্রেপ্তারতো আছেই, এর সঙ্গে যুক্ত হয় গুম হয়ে যাওয়ার ভয়। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়ে থাকে দেশে কোনো গুমের ঘটনা ঘটে না। কিন্তু বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা বলছে গুম হয় এবং তা আতঙ্ক তৈরি করে সাধারণ মানুষের মধ্যে। যেমন আইন সালিস কেন্দ্র (আসক) তাদের এক জরিপে বলেছে, গত ১৩ বছরে বাংলাদেশে ৬০৪ জন গুমের শিকার হয়েছেন। তাদেরকে বিভিন্ন বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে অথবা তারা হঠাৎ করে নিরুদ্দেশ হয়ে গেছেন। এইসব নিরুদ্দেশ বা নিখোঁজ হয়ে যাওয়া মানুষদের বেশিরভাগ আর তাদের স্বজনদের কাছে ফিরে আসেনি। আসক এর মতে ৬০৪ জনের মধ্যে ৭৮ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, ৮৯ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, ৫৭ জন কোনো না কোনোভাবে ফিরে এসেছেন, বাকিদের খবর জানা নেই। একটা বিষয় খুবই আশ্চর্যের যে যারা ফিরে এসেছেন তাদের কেউই বলছেন না যে কে তাদের আটকে রেখেছিল, তারা কোথায় ছিলেন এবং কীভাবে তারা ফিরে এলেন? একেবারে চুপচাপ হয়ে যান তারা।

এক্ষেত্রে আরও একটি ঘটনার কথা নিশ্চয়ই মানুষ ভুলে যায়নি। সন্ত্রাস দমনের নামে ২০০২ সালের ১৬ অক্টোবর থেকে ২০০৩ সালের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ নামে যৌথ বাহিনীর অভিযান চালান হয়। এই অভিযানে ৫৯ জন মারা যান। হৃদরোগে তাদের মৃত্যু হয়েছিল বলে সে সময় যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। কিন্তু দেশের মানুষ তখন তা বিশ্বাস করেনি, এখনো যেসব ঘটনা ঘটছে সেগুলোও মানুষ বিশ্বাস করে না।

নিপীড়িত হওয়ার ভয়ের পরিবেশে গণতন্ত্র থাকে না। মামলার ভয়, অজ্ঞাতনামা আসামির তালিকায় থাকার ভয়, বছরের পর বছর মামলার জের টানার ভয়, মরে যাওয়ার ভয়ের পাশাপাশি গুম হয়ে যাওয়ার ভয় থাকলে সুস্থ রাজনৈতিক চিন্তার চর্চা হবে কীভাবে? ভয় থেকে আত্মসমর্পণ বা বেপরোয়া হয়ে উঠা দু’ধরনের ঘটনাই ঘটতে পারে। আত্মসমর্পণে মর্যাদা নষ্ট হয় আর বেপরোয়া মনোভাবে বহুল কথিত গণতান্ত্রিক পরিবেশ নষ্ট হয়। নির্বাচন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অঙ্গ কিন্তু গণতান্ত্রিক পরিবেশ না থাকলে নির্বাচন কি গ্রহণযোগ্যতা পায়? সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে তাই হামলা, মামলা, গুম, খুনের আতঙ্কমুক্ত গণতান্ত্রিক পরিবেশ নির্মাণ করা প্রাথমিক শর্ত।

লেখক: সদস্য, কেন্দ্রীয় কমিটি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)

আরএ/

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী