বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

বৈষম্য বিরোধী আইনের ত্রুটি দূর হোক

একজন মানবাধিকার কর্মী হিসেবে বৈষম্য বিরোধী আইন প্রণয়ন আমাদের দীর্ঘকালের দাবি। বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠন, মানবাধিকার কর্মী–সবারই দাবি ছিল এরকম একটি বৈষম্য বিরোধী আইন প্রণয়নের। মানবাধিকার কমিশনের দায়িত্বে থাকার সময় আমরা বাংলাদেশ লিগ্যাল সার্ভিসেস ট্রাস্ট, আইন ও সালিশ কেন্দ্র, নাগরিক উদ্যোগ, আদিবাসী ফোরাম, আইন কমিশনের মতো সংস্থার সঙ্গে মিলে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করে একটি খসড়া করেছিলাম। সবকিছু বিচার বিবেচনা করে পরবর্তী সময়ে আইন কমিশন থেকে সেটিকে চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হয়েছিল এবং জাস্টিস এবিএম খায়রুল হক নিজের হাতে আইনটিকে চূড়ান্ত রূপ দিয়েছিলেন।

২০১৪ সালের দিকে আমরা খসড়াটি আইন মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছিলাম। আমরা তখন থেকেই চেয়েছিলাম যে, একটি আইন হোক এবং সেটি জাতীয় সংসদে নিয়ে যাওয়া হোক। দীর্ঘকাল যাবৎ আইনটি ফেলে রাখা হয়েছিল। সন্দেহ দেখা দিয়েছিল, আদৌ আইনটি আলোর মুখ দেখবে কি না। আবার তারা নতুন করে কাজটি শুরু করেছে। যেহেতু আইনটি উত্থাপিত হয়েছে সংসদে, আমরা অবশ্যই পুলকিত, আনন্দিত। সাধুবাদ জানাই। তবে একই সঙ্গে আমাদের একটি উৎকণ্ঠা আছে। যে খসড়াটি আমরা করেছিলাম, সেখানে একটি জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টি হয়েছিল–যে কোনো ধরনের বৈষম্যকে ‘শাস্তিযোগ্য অপরাধ’ হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। তবে যে খসড়াটি এখন উত্থাপিত হয়েছে, সেখানে কিন্তু ‘শাস্তিযোগ্য অপরাধ’ হিসেবে রাখা হয়নি।

আমরা চেয়েছিলাম–আমি যদি বৈষম্যের শিকার হই, একজন নাগরিক হিসেবে এর প্রতিকার পাওয়া আমার মৌলিক অধিকার। আমি যে বৈষম্যের শিকার হয়েছি, এতে আমার মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে। সুতরাং আমি আইনের আশ্রয় গ্রহণ করতে পারব এবং আমি মামলা করতে পারব। বর্তমান খসড়ায় একজন ভুক্তভোগী সরাসরি আইনের আশ্রয় নিতে পারছেন না। মাঝখানে আমলাতান্ত্রিক একটা কূটকৌশল রেখে দেওয়া হয়েছে। নাম দেওয়া হয়েছে বৈষম্য দেখভাল কমিটি। আমি যখন বৈষম্যের শিকার, তখন আমার কতটুকু ব্যথা সেটি আমার থেকে বেশি কী করে বুঝবেন ওই কমিটির লোকজন।

অথচ আইনে বলা আছে, বৈষম্যের শিকার হলে আমি তার কাছে যাব, তাকে বলব–আমার সঙ্গে অন্যায় হয়েছে, আমি আইনের আশ্রয় চাই। আমার কতটুকু ব্যথা সেটি আমার চেয়ে বেশি বুঝতে হবে ওই আমলাকে। এখন কমিটি যদি মনে করে, বৈষম্যের শিকার হয়েছে, তখন তাদের উপস্থিতিতে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হবে। এর অর্থ হলো–আইনে থাকছে দীর্ঘসুত্রিতা। সেই সঙ্গে হয়রানির একটি সুযোগ রেখে দেওয়া হয়েছে। এগুলো একটি অধিকারকে সুরক্ষিত না করার কূটকৌশল।

এত বছর পর যে আইনটিকে আনা হলো, সেটিকে আমরা আরও ভালো অবস্থায় দেখতে চেয়েছিলাম। এমন বেশকিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি আছে, সেগুলো আইনটিকে একদমই অকার্যকর করে দিতে পারে। আমরা আশা করি, সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং সরকার যেসব ত্রুটি-বিচ্যুতি আছে সেগুলো নিয়ে আলোচনা করে, ত্রুটিমুক্ত করে, সংশোধন করা হবে। এর মধ্য দিয়ে আমরা আগে যেভাবে অপেক্ষাকৃত ভালো আইন করেছিলাম, আমরা যেভাবে এগিয়ে গিয়েছিলাম, যেখানে সাবেক প্রধান বিচারপতি সন্তুষ্ট হয়েছিলেন, সেরকম একটি পরিশীলিত আইন প্রণয়ন করতে পারি।

আমি আশা করব, সত্যিকার অর্থেই বৈষম্যমূলক আচরণ দূর হয়ে সবাই সমভাবে নাগরিক অধিকার ভোগ করবে। রাষ্ট্রের ইচ্ছা এবং রাজনৈতিক অঙ্গীকার যদি থাকে, তাহলে আইনটি ফলপ্রসূ হবে বলে বিশ্বাস করি। একই সঙ্গে নাগরিক সমাজ, শিক্ষক, মিডিয়া, বিভিন্ন ধরনের সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আমাদের সবারই দায়িত্ব আছে। সামাজিক বৈষম্য আমাদের অনেকদিনের সমস্যা। জাতি, ধর্ম, গোত্র, বর্ণ, শ্রেণি নির্বিশেষে বৈষম্য ছিল এবং আছে। কাজেই গণমানুষের সরকার, স্বাধীনতার সপক্ষের সরকার, সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষার্থে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে বৈষম্য দূর করবে–এটিই প্রত্যাশা।

লেখক: সাবেক চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও অধ্যাপক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এসএ/

Header Ad
Header Ad

সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯

ছবি: সংগৃহীত

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় মদপানের ফলে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় আরও ৯ জন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দুই যুবকের মৃত্যু হয়। এর আগে, ঈদের সন্ধ্যায় তারা মদপান করেন এবং রাতের মধ্যে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

মৃতদের মধ্যে রয়েছেন আশাশুনি উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের জাফর আলী খাঁর ছেলে জাকির হোসেন টিটু (৪০) ও সোহরাব গাজীর ছেলে নাজমুল গাজী (২৬)।

এ ঘটনায় অসুস্থদের মধ্যে রয়েছেন ব্রাহ্মণ তেতুলিয়া গ্রামের সাইদ সরদারের ছেলে ফারুক হোসেন, মোকামখালী গ্রামের কুদ্দুস সরদারের ছেলে ইমরান, মিত্র তেতুলিয়ার মর্জিনা খাতুনের ছেলে ইকবাল, কামরুলের ছেলে লিফটন, আজিবার সরদারের ছেলে রবিউল, শহীদ গাজীর ছেলে তুহিন, আনিসের ছেলে নাজমুলসহ আরও কয়েকজন।

গুরুতর অসুস্থদের মধ্যে ফারুক হোসেনকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ইমরানকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঈদের দিন সন্ধ্যায় আশাশুনির তেতুলিয়া শ্মশানঘাট মাঠে বসে জাকির হোসেন টিটু, নাজমুল গাজীসহ মোট ১১ জন একসঙ্গে মদপান করেন। মদপানের পর তারা বাড়ি ফিরে যান এবং ঘুমিয়ে পড়েন।

এরপর রাত ১২টার দিকে একে একে সবাই মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাকির হোসেন টিটু ও নাজমুল গাজী মারা যান। বাকি ৯ জনের চিকিৎসা চলছে।

আশাশুনি থানার ডিউটি অফিসার এসআই ফিরোজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, "অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যু অন্য কোনো কারণে হয়েছে কিনা, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।"

নিহতদের মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় বিস্তারিত তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Header Ad
Header Ad

ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরান, চীন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) একাধিক ব্যক্তি ও সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ইরানের অস্ত্র সংগ্রহ নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয়।

এই পদক্ষেপকে ইরানের ওপর আরও চাপ সৃষ্টির একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেছিলেন, নতুন পারমাণবিক চুক্তিতে রাজি না হলে দেশটির ওপর বোমা হামলা চালানো বা নতুন শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।

মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ ও বিচার বিভাগ যৌথভাবে জানিয়েছে, ইরানের ড্রোন কর্মসূচির অন্যতম প্রধান নির্মাতার জন্য মানববিহীন এয়ার ভেহিকল (ইউএভি)–এর উপকরণ সংগ্রহের সঙ্গে যুক্ত ছয়টি সংস্থা ও দুই ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে বলেন, "ইরান তাদের ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়াসহ তাদের প্রক্সিদের সরবরাহ করছে। রুশ বাহিনী এগুলো ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে, যা বেসামরিক নাগরিক, মার্কিন বাহিনী ও মিত্রদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, "আমরা ইরানের সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স এবং তাদের ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রচলিত অস্ত্রের বিস্তার ব্যাহত করতে কাজ চালিয়ে যাব।"

মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে একটি ইরান-ভিত্তিক সংস্থা, দুইজন ইরানি নাগরিক, একটি চীন-ভিত্তিক সংস্থা এবং চারটি সংযুক্ত আরব আমিরাত-ভিত্তিক সংস্থা।

এ বিষয়ে জাতিসংঘে ইরানের মিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

Header Ad
Header Ad

বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগের দোসররা বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার চালিয়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, "পরাজিত শক্তি নিউইয়র্ক টাইমসে মিথ্যা তথ্য দিয়ে রিপোর্ট করিয়েছে। ফ্যাসিবাদের দোসররা হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছে। তারা এই অবৈধ টাকা ব্যবহার করে বাংলাদেশকে কলঙ্কিত করতে চায়।"

বুধবার (২ এপ্রিল) সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

রিজভী আহমেদ অভিযোগ করেন, "শেখ হাসিনা জঙ্গি দমনের নামে একটি নাটক সাজিয়ে বিশ্ববাসীকে বিভ্রান্ত করেছেন। এটি মূলত ক্ষমতায় টিকে থাকার একটি রাজনৈতিক কৌশল ছিল। এমনকি একজন সাবেক আইজিপির বইয়েও এটি উঠে এসেছে।"

তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশে উগ্রবাদের কোনো উত্থান ঘটেনি। বরং বর্তমানে দেশে ফ্যাসিবাদের কোনো ছোবল নেই, মানুষ নির্বিঘ্নে ধর্মপালন করতে পারছে, কথা বলতে পারছে। এবার মানুষ নির্ভয়ে ঈদ উদযাপন করেছে, যা অতীতে সম্ভব হয়নি।"

আওয়ামী লীগ সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, "আওয়ামী লীগ বসে নেই, তারা কালো টাকা ব্যবহার করে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। তারা অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। বিদেশে পালিয়ে থাকা আওয়ামী লীগের নেতারাই দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।"

তিনি আরও বলেন, "শেখ হাসিনার নির্দেশে মুগ্ধ ফাইয়াজদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, কিন্তু এ নিয়ে তার কোনো অনুশোচনা নেই। প্রশাসনের চারপাশে আওয়ামী লীগের দোসররা বসে আছে, যার ফলে দেশে গণতন্ত্র ও সুশাসন ভূলুণ্ঠিত হয়েছে।"

রিজভী আহমেদ দ্রুত প্রয়োজনীয় সংস্কার করে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানান। তিনি বলেন, "নির্বাচনী সরকারই হচ্ছে বৈধ সরকার। নির্বাচন নিয়ে গড়িমসি সাধারণ জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হবে।"

তিনি নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে দ্রুত নির্বাচনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের ঘটনা ঘটেনি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আখাউড়ায় ট্রেনের ছাদে টিকটক বানাতে গিয়ে দুর্ঘটনা, নিহত ২
বাংলাদেশকে ভেঙে ফেলার আহ্বান ভারতের ত্রিপুরার রাজপরিবার প্রধানের
বিএনপি কখনোই নির্বাচনের পরে সংস্কারের কথা বলেনি: মির্জা ফখরুল
বিরামপুরে জমি নিয়ে বিরোধ, চাঁদা দাবি ও হামলার ঘটনায় আটক ৫
হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ভ্যাল কিলমার আর নেই
ময়মনসিংহে সিনেমা হলে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে দর্শকদের ভাঙচুর
সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ড. ইউনূসের মন্তব্যে ভারতীয় রাজনীতিবিদদের তীব্র প্রতিক্রিয়া
মিয়ানমারের ভূমিকম্পে এক ইমামের ১৭০ স্বজনের মৃত্যু
ঈদের আনন্দে যমুনার দুর্গম চরে গ্রাম-বাংলার ঘুড়ি উৎসব, আনন্দে মেতে উঠে বিনোদনপ্রেমীরা!
ইমামকে ঘোড়ার গাড়িতে রাজকীয় বিদায়, দেওয়া হলো ৯ লাখ টাকার সংবর্ধনা
লন্ডনে একসঙ্গে দেখা গেলো সাবেক চার আওয়ামী মন্ত্রীকে
ঢাকায় ফিরছে ঈদযাত্রীরা, অনেকে ছুটছেন শহরের বাইরে
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় আবারও সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ৭
বিটিভিতে আজ প্রচারিত হবে ঈদের বিশেষ ‘ইত্যাদি’
ঈদের ছুটিতে ফাঁকা ঢাকা, নেই যানজটের চিরচেনা দৃশ্য
মাদারীপুরে তিন মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ২