রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ডাক, মুক্তিযুদ্ধ ও জনযুদ্ধ প্রসঙ্গ

২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ মূলত ছিল জনযুদ্ধ। সামরিক বাহিনীর পাশাপাশি এই যুদ্ধে ব্যাপকভাবে গণমানুষ অংশগ্রহণ করেন। এদেশের সাধারণ মানুষ লড়াই করেছেন মুক্তির জন্য, স্বাধীনতার জন্য। কেউ লড়েছেন অস্ত্র হাতে, কেউ অস্ত্র ছাড়া, অন্য কোনোভাবে। পাকিস্তান দখলদার বাহিনিকে হটিয়ে দেশ স্বাধীন করতে এদেশের শিশু, কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণী, বয়স্কজন যুদ্ধ প্রাণপণ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে সাধারণ মানুষের অবদান- আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ। তাঁদের বুদ্ধিমত্তা, কৌশল, মৃত্যুঝুঁকি আর বুকভরা দেশপ্রেম বাস্তবিকই অহংকার করার মতো। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য যিনি সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছেন তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জেলের নির্মম নির্যাতন সহ্য করেছেন কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানিদের সঙ্গে আপোশ করেননি। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা জানতাম না বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানি মিলিটারিরা ধরে নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলেছে না বাঁচিয়ে রেখেছে। তবু আমরা বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে যুদ্ধ চালিয়ে গেছি। দেশ স্বাধীন করেছি। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেখানে আমাদের পিছু হটবার কোনো কারণই থাকতে পারে না। আমরা যুদ্ধে জয়লাভ করেছি। দেশ স্বাধীন হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর দেশের অবস্থা হয়ে পড়েছিল নাজুক। সদ্য স্বাধীন দেশ। চারদিকে ধ্বংসস্তূপ। যুদ্ধ যা করে তা হচ্ছে আলগা টাকা বাতাসে ছড়িয়ে দেয়। আমাদের দেশে বাতাসে আলগা টাকা উড়ে বেড়াতে থাকল। সবাই অস্ত্র জমা দিলো না। মানুষ হয়ে পড়ল অস্থির। সুবিধাবাদীরা শুরু করল ডাকাতি, লুটপাট, চুরি, জোচ্চুরি, জোরদখল।

বঙ্গবন্ধু এলোমেলো হয়ে যাওয়া নবজাতক দেশ গোছাতে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। দেশের আনাচেকানাচে ছুটতে থাকলেন। সবাইকে আঁকড়ে ধরে আহ্বান জানালেন দেশ গড়ার।

তখন দেশের ভেতরে বাইরে তুমুল অস্থিরতা শুরু হয়ে গেছে। আমেরিকা ওঁৎ পেতেছে যদি তালেগোলে নিজ গোলায় কিছু তুলে নেওয়া যায়। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ভেতর বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা গঠনের উদ্যোগ চলছে, সরকার উৎখাতে গণবাহিনী গঠিত হয়েছে। সকলের তৎপরতা অতি উচ্চকিত। বঙ্গবন্ধুর অতি প্রিয়জন মওলানা ভাসানী সরকার খেদাও আন্দোলনের কথা বলে অনশন শুরু করলেন।

সেসব চলছে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায়। রাজনৈতিক প্রক্রিয়া দেশে স্থিতিশীলতা আনবে। গণতান্ত্রিক দেশে রাজনৈতিক ধারা অব্যাহত থাকা জরুরি। সমালোচনা সংশোধনের পথ।

বঙ্গবন্ধু স্থির, দৃঢ় এবং তেজোময়। তিনি রাজনীতির প্রতি, গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমরা তখন সংবিধানকে সমুন্নত করার কাজ করছি। সেই পথে এগুচ্ছি। সাংবিধানিক পথে গণমানুষের জন্য গড়ে উঠছে স্বপ্নের স্বাধীন বাংলাদেশ।

অকস্মাৎ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে বাংলাদেশের রাজনীতিকে কয়েক ধাপ, মাত্রা এবং সময়ের হিসেবে কয়েক বছর পিছিয়ে দেওয়া হলো। স্থবির করে দিলো আমাদের প্রগতির পথ। স্বাধীন দেশে আমরা স্বৈরাচারের শৃঙ্খলে আটকা পড়ে গেলাম। স্বাধীন দেশের চেহারা আচমকা বদলে গেল। অরাজনৈতিক এই জঘন্য ঘটনায় বাংলাদেশের অবস্থা হয়ে গেল ছিন্নবিচ্ছিন্ন।

আবেগের বশবর্তী হয়ে কিংবা অন্যের প্ররোচনায় কয়জন সামরিক কর্মকর্তা আর তাদের এদেশীয় ক্ষমতালিপ্সু দোসর ও বিদেশি চক্রান্ত স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনৈতিক পথচলাকে ছিন্নভিন্ন করে ফেলল। গণতন্ত্রকে সামরিক বুটের নিচে ফেলে পিষতে থাকল। নাজুক করে দিলো দেশ।

আমরা হারালাম কৃষক, শ্রমিক, মজুর আর বাংলাদেশের খেটে খাওয়া আপামর মানুষের আপনজনকে। শাহাদতবরণ করলেন বঙ্গবন্ধু।

আত্মীয়স্বজন-সহ সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা পৃথিবীর বর্বরোচিত, নৃশংসতম, ন্যাক্কারজনক কুটিল অধ্যায়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি আনত শ্রদ্ধা, প্রগাঢ় ভালোবাসা এবং বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার দৃপ্ত প্রত্যয়।

জয় বাংলা।

লেখক: কথাসাহিত্যিক।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নতুন শুল্কহার নিয়ে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানানো হবে, মার্কিন প্রশাসনের কাছে কী বার্তা পাঠানো হবে, সেসব বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হবে।”

প্রেসসচিব আরও বলেন, “আমরা এমন কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছি, যাতে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি বর্তমানের তুলনায় আরও বাড়ে। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, রপ্তানি কমবে না বরং বাড়বে। এই উদ্দেশ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আজকের বৈঠক থেকে খুবই ইতিবাচক কিছু সিদ্ধান্ত আসবে।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অত্যন্ত ভালো বন্ধু। রপ্তানিবিষয়ক এই ইস্যুতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেই আমরা আশা করছি।”

বিশ্লেষকদের মতে, রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক কৌশল ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এ বাজারে আরও প্রবৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ধান ক্ষেত থেকে ফজিলা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার আউলিয়াবাদ গ্রামের মাঝিপাড়ার ধান ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফজিলা বেগম ওই গ্রামের মৃত চান মাহমুদের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার ৪ এপ্রিল রাত ৩টার দিকে মেয়েরা ফজিলা বেগমকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ পায়নি। এ সময় বৃদ্ধার বসত ঘরটির দরজা ও জানালা বন্ধ ছিল।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে ঘরে না পেয়ে মেয়েরা ওই বৃদ্ধাকে খুঁজতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের বোরো ধানের জমির পাশে ফজিলা বেগমেরব মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। ফজিলা বেগমের মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তাদের চিৎকারে আশপপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

ফজিলা বেগমের স্বজনদের ধারণা, কোনো সংঘবদ্ধ চক্র ফজিলাকে হত্যা করে তার গলা, কান ও হাতে থাকা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া জানান, ওই বৃদ্ধা নারীর মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তার একটি কান কাটা ও নাক-মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। ধারণা, তাকে হত্যা করে গুম করার উদ্দেশ্যে মরদেহটি লুকিয়ে রাখে দুর্বৃত্তরা। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী, সাথী ও সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক প্রীতিসভায় এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।

সমাবেশের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে সৎ, আদর্শবান ও ইসলামপন্থী প্রার্থীদের জয়ী করে জাতিকে সুশাসনের পথে ফিরিয়ে আনতে হবে।

ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদিঘি) আসনে নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে আলহাজ দবিবুর রহমান, বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আবিদুর রহমান সোহেল এবং বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে গোলাম রব্বানী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি গোলাম রব্বানী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এবং আন্তর্জাতিক ছাত্র ও যুব ফেডারেশন (ইফসু)’র সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। এছাড়া জামায়াতের বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য মাওলানা আব্দুর রহীম ও অধ্যাপক নজরুল ইসলাম আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিতে ছাত্রশিবিরের দুই হাজারেরও বেশি সাবেক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এরপর অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে দেশের খ্যাতনামা শিল্পীরা পরিবেশনা করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আয়োজনের মাধ্যমে জামায়াত নির্বাচনী মাঠে নিজেদের পুনরায় সক্রিয় ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে চাইছে। ছাত্রশিবিরের সাবেকদের অংশগ্রহণ দলটির সাংগঠনিক শক্তি ও মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতির একটি ইঙ্গিত বলেও মনে করছেন অনেকে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫
‘বিদেশি কিছু গণমাধ্যম অর্থ উপার্জনের উদ্দেশে বাংলাদেশকে নিয়ে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রচার করছে’
সারা দেশে ৩২৯ উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ: মহাপরিচালক
২৭৭ জনকে নিয়োগ দেবে পানি উন্নয়ন বোর্ড, এইচএসসি পাসেও আবেদন
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৫৪
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
স্বর্ণভর্তি ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত গড়লেন অটোরিকশাচালক খায়রুল
ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী
যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না
লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার