শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধারাবাহিক উপন্যাস: পর্ব ৩

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা

দুজনে বেশ খানিকটা সামনে গিয়ে রাস্তার দুপাশে দাঁড়ায়। দুজনেই বুঝতে পারে যে গাড়িটা আসতে বেশ সময় লাগবে। দূরত্বটা এখনও অনেক।

মারুফ মনে মনে স্বস্তি বোধ করে। সময় লাগাই ভালো, তাহলে আসমানীকে পরিস্কার করে ফেলতে পারবে ওর মা। গর্ভের পানি ও রক্তে ভিজে আছে ও। আহারে আসমানী! সবার জীবনে এক নতুন অভিজ্ঞতা হলো আজ। সন্তানটির জন্ম ও মৃত্যু ঘটে গেল মাটিতে এবং আকশের নিচে। এই স্মৃতি মৃত্যু পর্যন্ত কেউ ভুলবেনা। দূর থেকে দেখতে পায় আসমানীকে অন্য একটি শাড়ি পরাচ্ছে ওর মা।
সময় পেরিয়ে যায়। গরুর গাড়ি এগিয়ে আসছে। চারদিকে তাকালে পথ-প্রান্তর দেখে মন ভরে যায় রবিউলের। জোরে জোরে বলে, কি সুন্দর আমার দেশ। মনে হচ্ছে মাটিতে মাথা ঠেকিয়ে রাখি।

- না, আব্বা আমরা যুদ্ধ করব। আমি শুধু শরণার্থী হব না। আপনাদেরকে ক্যাম্পে রেখে আমি ট্রেনিং নিতে যাব।
- ঠিক বলেছিস বাবা। আমিতো ভেবেছিলাম ছেলেটার মৃত্যু তোকে বসিয়ে দেবে।
- ওর মৃত্যু বুকে নিয়ে যুদ্ধ করব। যুদ্ধ শুরু না হলেতো ছেলেটার জন্ম রাস্তায় হতোনা। ঠিকমতো কবর দিতে পারলামনা।

কথা শেষ করে ফুঁপিয়ে কেঁদে ওঠে ও। রবিউলের চোখও পানিতে ভরে যায়। মাথা নিচু করে বসে থাকে। মনে হয় মৃত্যুর হৃদয়-ভাঙা কান্না স্তব্ধ করে ফেলেছে দুজনকে। চারদিকে বাসাতের শোঁ- শোঁ শব্দ। খোলা প্রান্তর জনশূন্য।

পাখিদের ওড়াউড়ি মাথার ওপর থেকে ভালোবাসার পরশ বুলোয়। রবিউল বিড়বিড়িয়ে বলে, আমাদের যুদ্ধ, আমাদের স্বাধীনতা
- তোরা আমাদের পাশে থাকিস পাখিরা।

ততক্ষণে গরুর গাড়ি এগিয়ে এসেছে। দুজনে মাথার উপর হাত তুলে রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকে। গরুর গাড়ি কাছাকাছি এসে দাঁড়ায়। গাড়ি থেকে নামে ওয়াজেদ মিয়া। জিজ্ঞেস করে, কি হয়েছে আপনাদের? 

- আমরা আপনাদের সাহায্য চাই।
- কি হয়েছে?

রবিউল কাঁদ কাঁদ কন্ঠে বলে, আমার মেয়েটি গর্ভবতী ছিল। এই যে মারুফ আমার মেয়ের জামাই।

মারুফ বলে, আমরা গরুর গাড়িতে আনতে চেয়েছিলাম। কিন্তু একটাও খোঁজ পাইনি। শেষে হেঁটে রওনা করি। ওই যে সামনের বট গাছের নিচে আমার শাশুড়ি আর বউ বসে আছে।

রবিউল কাঁদতে কাঁদতে বলে, ওই বট গাছের নিচে আমার মেয়েটি একটি সন্তানের জন্ম দেয়। ছেলেটি জন্মের পর মরে গেছে।
- কি করেছেন আপনারা?
- ওকে কবর দেয়া হয়েছে। এই অবস্থায় মেয়েটি হাঁটতে পারবে না বলে আপনাদের সাহায্য চাই। গাড়িতে যদি জায়গা থাকে ওকে গাড়িতে তুলে নেন।
- জায়গা বের করব। চলেন বটগাছের কাছে যাই। ওখানে গাড়ির সবাইকে নামিয়ে জায়গা ঠিক করব। আমি গাড়িতে উঠবনা। আপনাদের সঙ্গে হাঁটব।

মারুফ ঝট করে ওনার পায়ে হাত দিয়ে সালাম করে।
রবিউল জিজ্ঞেস করে, তোমার নাম কি রে ভাই?

- মোবারক। আমি সাতগাঁ গ্রামে থাকি। ঠিক করেছি বউ-ছেলেমেয়েকে শরণার্থী ক্যাম্পে রেখে আমি ফিরে এসে মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হব। ওরা যা করতে বলবে তাই করব। 

- বাব্বা, তুমিতো অনেক চিন্তা করেছ।

মোবারক গরুর গাড়ির চালককে বলে, সামনে এগোও। আমাদের সঙ্গে চলো। ওই বটগাছের কাছে গিয়ে থামবে।
গরুর গাড়ির সঙ্গে স্বামী আর মেয়ের জামাইকে আসতে দেখে আকাশী বুঝে যায় যে আসমানীর যাওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। পোটলাগুলো পথের পাশে এনে জড়ো করে রাখে। আসমানীর দুহাত ধরে বলে, মা ওঠ। ওই দেখ ওরা গরুর গাড়ি জোগাড় করতে পেরেছে। দরকার হলে শুধু তোকে ওঠাব। আমরা সবাই হেঁটে যাব।

- আমার উঠতে কষ্ট হচ্ছে মা। আমি গরুর গাড়িতে বসতে পারবনা। তাহলে আমি যাব না।
- না গেলে এখানে কি করবি?
- মরে যাব। তারপর ছেলের সঙ্গে মাটির নিচে শুয়ে থাকব।

- কি বলছিস মারে। এটা কোনো কথা হলো। দেশ স্বাধীন হলে মনে রাখবি তোর ছেলে স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিয়েছে। ও আমার শহীদ নাতি।
- মাগো, তুমি এইভাবে বলতে পারলে?
- কেন পারবনা? এটাইতো সত্য। যুদ্ধের সময় না হলে আমরাতো পথে নামতাম না।
আসমানী কেঁদে উঠে মাকে জড়িয়ে ধরে বলে, তুমি আমাকে বাঁচিয়ে দিলে। সম্মানের শিক্ষা দিলে। সবার কাছে এভাবেই বলব।
- হ্যাঁ, বলবি, বলবি। আজীবন তোর স্মরণে এইকথা থাকবে।
- ওই দেখ গরুর গাড়ি কাছাকাছি এসে গেছে। চল রাস্তার ধারে গিয়ে দাঁড়াই।

পা টেনে হেঁটে রাস্তার কাছে যায় আসমানী। একটু পরে গরুর গাড়ির এসে থামে। মোবারক এগিয়ে এসে বলে, আমার বউ বাচ্চারা আছে। আমি আসমানীকে নিতে পারব গাড়িতে। মোবারক বউ সাফিয়াকে বলে, মেয়েটার বাচ্চা হয়ে মরে গেছে। ও হেঁটে যেতে পারবেনা। ওকে গাড়িতে নিতে হবে।

- হ্যাঁ, হ্যাঁ, নিব। আস মা আস।
গাড়িতে আছে মোবারকের দশ-পনেরো বছরের তিনজন ছেলেমেয়ে। ওরা একসঙ্গে বলে ওঠে, আমরাও মাঝে মাঝে হাঁটব। বুবুকে গাড়িতে উঠান। দেখি কতদূর হেঁটে যেতে পারি।
সবাই গাড়ি থেকে নেমে আসে। আকাশী এগিয়ে গিয়ে সাফিয়াকে বলে, আমি ওর মা। ওকে গাড়িতে একটু জায়গা দেবেন। আমি হেঁটে যাব।
- চলেন, ওকে গাড়িতে উঠাই। আয় মা। দুজনে আসমানীকে গাড়িতে উঠায়। ও গাড়িতে উঠেই গুটিসুটি হয়ে
শুয়ে পড়ে। বসে থাকার সাধ্য ওর নেই।

সাফিয়া বলে, মাগো এই বালিশটা মাথার নিচে দে। আমি গাড়িতে শোব বলে বালিশ রেখেছি। কাঁথা রেখেছি।
- আমিতো বিছিয়ে রাখা কাঁথার উপরে শুইলাম। নে, বালিশ দিচ্ছে তোর মাথার নিচে। আমরা দুজন তোর দুই পাশে বসব। আমার ছেলেমেয়েরা
হাঁটুক। যখন ওরা হাঁটতে পারবেনা, তখন ওরা গাড়িতে উঠে বসবে, আমরা দুজন নেমে যাব।
- আচ্ছা, ঠিক আছে। তাই হবে।

মোবারক গাড়োয়ান শফিককে বলে, তুমি আগাও। পথ একটাই। এদিক-ওদিক যেতে হবে না।
- আচ্ছা, সালাম হুজুর।
গরুর গাড়ি চলতে শুরু করে। ছেলেমেয়েরা দৌড়াতে শুরু করে। কিছুদূর গিয়ে থামে। মারুফও ওদের সঙ্গে দৌড়ে ওদের কাছে থাকে। বাবুল বলে, আপনি কেন
এসেছেন মারুফ ভাই?
- তোমরা যেন এদিক-ওদিক চলে না যাও সেজন্য। আমরা এখানে এখন দাঁড়িয়ে থাকব। তোমাদের বাবা এলে, আমার বাবা এলে, গরুর গাড়ি এলে
আমরা একসঙ্গে যাব।
- আচ্ছা তাই হবে। তাহলে আমরা এখানে বসি।
- তোমাদের নাম বল আমাকে।
- আমি বাবুল, আমি সবার বড়। আমি নজরুল, আমি মেজো। আমি আমিনা সবার ছোট।
- চলো ওই ঘাসের উপর বসি। কি সুন্দর চারদিক। সবাই মিলে ঘাসের ওপর বসে। আমিনা জিজ্ঞেস করে, এই যুদ্ধ কবে শেষ হবে মারুফ ভাই?
- যেদিন আমরা পাকিস্তান সেনাদের এই দেশ থেকে তাড়াতে পারব সেদিন। যেদিন দেশ স্বাধীন হবে সেদিন। বাবুল জিজ্ঞেস করে, মারুফ ভাই আপনি
বঙ্গবন্ধুকে দেখেছেন।
- তিনি যেদিন মার্চ মাসের সাত তারিখে রমনা রেসকোর্সে ভাষণ দিয়েছিলেন সেদিন আমি তাঁকে মঞ্চে দেখি। আর কোনোদিন দেখিনি।
- আমরাতো দেখতে চাই। কিভাবে দেখতে পাবো?
- যুদ্ধ শেষ হলে আমি তোমাদেরকে ঢাকায় নিয়ে যাব।
- সত্যি, সত্যি, সত্যি মারুফ ভাই।
- হ্যাঁ রে সত্যি। গাড়ি এসে গেছে। চল, আমাদের যেতে হবে। উঠে দাঁড়িয়ে তিনজনে দৌড়াতে শুরু করে। কিছুদূর দিয়ে আবার দাঁড়িয়ে থাকে। মারুফ ওদের সঙ্গে যায়নি। ও গরুর গাড়ির পেছনে সবার সঙ্গে চলে।

মোবারক বলে, আমার ছেলেমেয়ে তিনটি এমনভাবে দৌড়ায় যে আমি ভয় পাই।

- ভয় পাবেন না চাচা। এরপরে আমি ওদেরকে আমার সঙ্গে ধরে রাখব। ওদেরকে আর দৌড়াতে দেব না। তাহলে হয়রান হয়ে যাবে।
- ঠিক বলেছ। চলো এগোই।

(চলবে)

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ২

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী