বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধারাবাহিক উপন্যাস: পর্ব ৩

দ্য ফার্স্ট ম্যান

পুরুষ দুজনকে ঢুকতে দেখে আরব মহিলা চকিতে তাদের দিকে তাকিয়ে একটুখানি হাসি ছড়িয়ে দিল। তারপর আগুনের দিকে ফিরে তাকাল; এখনও তার হাতে এনামেল বেসিনটা। ক্যান্টিনের মালিক মহিলা তাদের দুজনকে দেখে আনন্দের সঙ্গে বলে উঠলেন, আপনার আর দরকার নেই ডাক্তার সাহেব। এমনি এমনিই হয়ে গেছে। মহিলা হাঁটুর ওপর বসে আবার কাজে ফিরে গেলে তারা দুজন দেখতে পায় রোগীর পাশে রক্তে ভেজা আকারহীন কী যেন স্থির অবস্থার মধ্যেই নড়াচড়া করছে আর চাপা চিঁহিচিঁহি স্বরে কানে আসে কি আসে না ধরনের মিহি আওয়াজ করছে অবিরত।

ডাক্তার বললেন, তা-ই তো বলছে সবাই। আশা করি আপনারা নাড়ী এখনো ছুঁয়ে দেখেননি।
মহিলা হাসতে হাসতে বললেন, না, আপনার জন্য কোনো একটা কাজ তো রেখে দিতেই হয়। তাই আমরা আপাতত এই কাজটা রেখে দিয়েছি।

মহিলা উঠে গিয়ে ডাক্তারের জন্য জায়গা করে দিলেন। ডাক্তার যেভাবে বসলেন তাতে দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা করমারির দৃষ্টির আড়ালেই রয়ে গেল নবজাতক। করমারির মাথা উদোমই রয়ে গেছে। ডাক্তার মেঝে বসে পড়ে তার ব্যাগ খুললেন। তিনি আরব মহিলার কাছ থেকে বেসিনটা নিলে মহিলা আলোর এলাকা ছেড়ে উনানের পাশে আড়ালে এসে দাঁড়ালেন। ডাক্তার ভালো করে হাত ধুলেন। তার পেছন পাশ এখনও দরজার দিকেই। তার সদ্যো-ধোয়া দুহাতে একটুখানি মাদক ঢাললেন। গন্ধটা কিছুটা আঙুরের রসের মতো। সঙ্গে সঙ্গে গোটা রুম গন্ধে ভরে উঠল। এই মুহূর্তে স্ত্রী মাথা তুলে তাকিয়ে তার স্বামীকে দেখতে পেল। ক্লান্ত সুন্দর মুখটাতে চমৎকার তৃপ্তির একটা হাসি ছড়িয়ে পড়ল।
করমারি জাজিমের কাছে এগিয়ে এল। করমারিকে উদ্দেশ করে নবজাতকের দিকে ইঙ্গিত করে নিঃশ্বাসের মতো হালকা সুরে তার স্ত্রী বলল, এসে গেছে। তারপর শিশুটির দিকে তার হাত বাড়িয়ে দিল।

ডাক্তার বললেন, হ্যাঁ, এসে গেছে। কিন্তু আপনি এখন একটু চুপচাপ থাকুন।
প্রসূতি ডাক্তারের দিকে প্রশ্নবোধক দৃষ্টিতে তাকাল।

করমারি জাজিমের পায়ের দিকটায় দাঁড়িয়ে তার স্ত্রীর দিকে চুপ থাকার ইঙ্গিত করে বলল, চুপ করে শুয়ে থাকো।
সে আবার শুয়ে পড়ল। টালির পুরনো ছাদের ওপর বৃষ্টি আরো বার দুয়েক জোরালো শব্দে বয়ে গেল। ডাক্তার কম্বলের নিচে কাজ করতে এগোলেন। সোজা হয়ে বসে সামনে কী যেন ঝাঁকাতে লাগলেন। মৃদু একটুখানি কান্নার শব্দ হলো।

ডাক্তার বলে উঠলেন, ছেলে হয়েছে! বাহ, চমৎকার স্বাস্থ্যবান ছেলে!
হ্যাঁ, নতুন বাড়িতে উঠে সুন্দর জীবন শুরু হতে যাচ্ছে, বললেন ক্যান্টিনের মালিক মহিলা।
এক কোণে দাঁড়িয়ে থাকা আরব মহিলা হাসতে হাসতে দুবার হাততালি দিয়ে উঠল। করমারি তার দিকে দৃষ্টি ফেরালে মহিলা কিছুটা বিব্রত বোধ করে একটূখানি সরে গেল।

ডাক্তার বললেন, ঠিক আছে, কয়েক মুহূর্তের জন্য আমাদের একটু নিরিবিলি কাজ করতে দিন আপনারা।
করমারি তার স্ত্রীর দিকে তাকাল। তার চাহনি তখনও শিশুটির দিকে কাত হয়ে আছে। মোটা কম্বলের ওপর তার একটা হাত আলগোছে ফেলে রাখা। স্ত্রীর হাত দেখেই করমারির মনে পড়ে গেল, একটু আগে হতভাগা রুমটা আলোয় ভরিয়ে তুলেছিল তার স্বর্গীয় হাসি। মাথায় হেলমেট পরে করমারি দরজার দিকে এগোল।
ক্যান্টিনের মালিক মহিলা করমারির উদ্দেশে বললেন, ছেলের নাম কী রাখবেন?
মহিলার দিকে তাকিয়ে করমারি বলল, জানি না। আমরা এখনও ঠিক করিনি। তবে ওর জন্ম উপলক্ষে আপনি যেহেতু এসেছিলেন তাহলে ওর নাম রাখা যেতে পারে জ্যাক।

মহিলা উচ্চ হাসিতে ফেটে পড়লেন। করমারি বাইরের দিকে পা বাড়াল। আরব গাড়োয়ান তখনও চট মাথায় দিয়ে আঙুর গাছের তলায় অপেক্ষমাণ। সে করমারির দিকে তাকাল। তবে করমারি কিছু বলল না। চটের এক কোণা এগিয়ে দিয়ে গাড়োয়ান বলল, এখানে আসুন; এটার নিচে দাঁড়ান।

করমারি চটের তলায় এসে দাঁড়াল। বৃদ্ধের কাঁধের সঙ্গে তার নিজের কাঁধ লেগে গেছে টের পেল সে। লোকটার গায়ের কাপড় থেকে তামাকের গন্ধ আসছে। তাদের দুজনের মাথা ঢেকে রাখা চটের ওপরে বৃষ্টি পতন টের পেতে থাকে সে। সঙ্গীর দিকে না তাকিয়েই করমারি বলে ওঠে, ছেলে হয়েছে।

বৃদ্ধ খুশিতে বলে ওঠে, সকল প্রশংসা আল্লাহর। আপনি একজন বড় কর্তা। হাজার হাজার কিলোমিটার দূর থেকে আসা পানি তাদের পায়ের কাছে কয়লার কুচির ওপরে পড়তে থাকে; বৃষ্টিতে সৃষ্ট ছোট গর্তের ওপরে, আর দূরের আঙুর ক্ষেতের ওপরে গড়িয়ে পড়তেই থাকে। আঙুর ক্ষেতের মাচাগুলো বৃষ্টির ফোঁটায় মাঝে মাঝে চকচক করে ওঠে। বৃষ্টির এই ধারা পূর্ব দিকের সমুদ্রে যাবে না; গোটা দেশ, নদীর ধারের জলাভূমি, আশপাশের পাহাড় পর্বত আর প্রায় জনবসতিহীন এই বিশাল ভূখণ্ডকে সিক্ত করে দেবে। বিশাল সিক্ত ভূখণ্ড থেকে চমৎকার একটা গন্ধ ভেসে আসছে। একটা চটের নিচে জড়ো হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা দুজন মানুষের কাছে তখন তাদের পেছনের দিক থেকে ভেসে আসছে ক্ষীণ কান্নার আওয়াজ।

রাত গভীর। করমারি তার স্ত্রীর জাজিমের পাশে বিছানো আরেকটা জাজিমের ওপর অন্তর্বাস আর গেঞ্জি পরিহিত অবস্থায় হাত পা ছড়িয়ে শুয়ে ঘরের ছাদে উনানের আগুনের নাচ দেখছে। রুমটা এখন মোটামুটি পরিপাটি করে গোছানো মনে হচ্ছে। তার স্ত্রীর আরেক পাশে কাপড়-চোপড় রাখার বড় একটা ঝুড়ির মধ্যে ঘুমিয়ে আছে তাদের শিশু সন্তান। কোনো সাড়া শব্দ নেই। তবে মাঝে মাঝে গলার ভেতর থেকে মৃদু গড়গড় আওয়াজ আসছে। তার স্ত্রীও গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। কিছুটা খোলা মুখটা তার দিকে ফেরানো। বৃষ্টি থেমে গেছে। আগামীকালই কাজে যোগ দিতে হবে। তার খুব কাছেই পড়ে আছে তার স্ত্রীর ক্লান্ত হাত; দেখতে এমনই শুকনো মনে হয় কাঠের তৈরি। হাত দেখেই তার মনে পড়ে যায় এই হাত দিয়ে এযাবৎ কত কাজ করা হয়েছে। নিজের হাত এগিয়ে নিয়ে স্ত্রীর হাতের ওপর আলতো করে রেখে মাথাটা আরেকটু পেছনের দিকে নিয়ে করমারি আরামে চোখ বন্ধ করে।

(চলবে)

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২

 

 

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

পার্বত্য চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি ও অস্ত্রবাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে রাঙামাটির বাঘাইহাট ও সাজেক পরিদর্শন শেষে স্থানীয় বিজিবি সেক্টরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনকে চাঁদাবাজি ও অস্ত্রবাজি বন্ধে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “৫ আগস্টের পর সমতলের অনেক থানার অস্ত্র লুট হয়েছে। এসব অস্ত্র উদ্ধার হলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে।”

পাহাড়ের উন্নয়নকে সঠিক জায়গায় পৌঁছানোর জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

এই সফরে তিনি বিজিবির বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন এবং সৈনিকদের খোঁজ-খবর নেন। এছাড়া, তিনি রাঙামাটি বিজিবি সেক্টর পরিদর্শন করেন।

সাজেকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে অস্থায়ীভাবে ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি নিয়োজিত রাখার নির্দেশনা দেন তিনি। ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালককে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলেন।

Header Ad
Header Ad

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা। ছবি: সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিরপুর এলাকার সাবেক সমন্বয়ক তানিফা আহমেদ এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যাওয়ার পথে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ১০ জন নিহত হন, যার মধ্যে তানিফা আহমেদও ছিলেন।

বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় মুখপাত্র উমামা ফাতেমা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে তানিফার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি লেখেন— “তানিফা আহমেদ ছাত্র আন্দোলনের প্রতি অত্যন্ত নিবেদিত ছিলেন এবং তিনি সব সময় নিষ্ঠার সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করতেন। তার অকালমৃত্যু সংগঠনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।”

তানিফার আকস্মিক মৃত্যুতে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। উমামা ফাতেমা বলেন, “তিনি শুধু একজন নেতা ছিলেন না, বরং বিশ্বাস ও আদর্শের জন্য কাজ করে গেছেন।”

সংগঠনের পক্ষ থেকে তানিফার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয় এবং তার সহকর্মীদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

উমামা ফাতেমা আল্লাহর কাছে তানিফার আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মাকাম দান করার দোয়া করেন।

 

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের ঘটনা ঘটেনি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আখাউড়ায় ট্রেনের ছাদে টিকটক বানাতে গিয়ে দুর্ঘটনা, নিহত ২