শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫ | ২৭ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধারাবাহিক উপন্যাস: পর্ব-৩১

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা

আমিও তাই মনে করি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী একটি শরণার্থী শিবির দেখতে গিয়েছিলেন। দেখ তিনি গাছের দিকে তাকিয়ে আছেন। আমার মনে হয়েছে যারা ভিড়ের মধ্যে পেছন থেকে তাকে দেখতে পাচ্ছিলনা তারা গাছের উপর উঠেছে তাকে দেখার জন্য। তিনি গাছের দিকে তাকিয়ে ওদেরকে দেখে হাসছেন। আমার নিজেও ছবিটি তুলে প্রাণ জুড়িয়ে গেছে।

অঞ্জন ক্যামেরা বুকে জড়িয়ে ধরে। বলে, তিনি শরণার্থীদের বাঁচিয়ে রাখার আনন্দে আছেন। আমি অনেককে বলি, তিনি আমাদের মা। মায়ের আদর ভেসে উঠেছে তার হাসিমুখে।

অঞ্জন ক্যামেরার ছবির দিকে তাকিয়ে থাকে। চোখের পলক পড়ে না। ভাবে, শরণার্থীদের নিয়ে এ এক অসাধারণ ছবি। রঘু রাইয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকলে ওর চোখ ছলছল করে। তারপরও মৃদু হেসে বলে, এই ছবি আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ের প্রধান দিক। ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী শরণার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন।

-তুমি বেশ আবেগাড়িত হয়ে গেছ অঞ্জন।

-হবইতো। আমি তোমার বন্ধু। এমন একটা সুন্দর ছবি তুলেছ তুমি। তিনি কত সুন্দরভাবে হাসিমুখে গাছের ডালের দিকে তাকিয়ে আছেন। শরণার্থীরা তাঁর গলায় ফুলের মালা দিয়েছে।

-বাব্বা,তুমি খুব নিখুঁতভাবে ছবিটা দেখছ। আস তোমার একটা ছবি তুলি। তুমি আর তোমার বাবা গাছের নিচে পড়ে আছ। পেছনে শরণার্থীদের তাঁবু।

-হ্যাঁ, ত্যাঁ, তোল বন্ধু। এটাও তোমার আর এক ধরনের ছবি হবে।

রঘু রাই হা-হা করে হাসে। হাসতে হাসতে বলে, শরণার্থীদের জীবন আমার ছবির রূপরেখা। এই শরণার্থী শিবির আমি নানা মাত্রায় দেখতে থাকি। তারপর যেটা পছন্দ হয় তখন সেই ছবিটি তুলি।

-তুমি যে একটি শিশুর মুখ আর বুক নিয়ে হা করে কান্নার ছবিটি তুলেছ সেটা দেখতে আমার মনে হয়েছিল ও শুধু একা না, শরণার্থী শিবির জুড়ে পড়ে থাকা মানুষের মুখ। এই কান্না বেঁচে থাকার সত্য। ছবিটা দেখার সময় আমার মনে হয়েছিল ওটা আমার মুখ। হাজার হাজার মানুষের মুখ।

-বাব্বা, তোমার ভাবনার সীমা নাই। এখন ছবি তুলব।

অঞ্জন প্রথমে বাবার মাথার চুল এলোমেলো করে দেয়। তারপর নিজের মাথার চুল এলোমেলো করে গাছের নিচে চিৎ হয়ে পড়ে। রঘু রাই ছবি তোলে। অঞ্জনকে ছবি দেখিয়ে চলে যায়।

অঞ্জন বাবাকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন তাঁবুতে যায়। কার কি খাবার আছে সেসব খোঁজ করে। একজন তীক্ষ্ণ গলায় বলে, খোঁজ করে কী করবে? চাল-ডাল দিতে পারবে?

-চেষ্টা করে দেখব।

-থাক, এতকিছুর দারকার নাই। ঢং দেখানোর জায়গা নাই। শুধু ডাক্তারী কর। কেউ যেন বিছনায় পড়ে চিল্লায়না। ওষুধের ব্যবস্থা কর।
-আচ্ছা যাই।

অঞ্জন আর দাঁড়ায় না। চলে যাবার জন্য ঘুরে দাঁড়াতেই মুখোমুখি হয় হাসনা বানুর।

-কি খুঁজতে এসেছেন ডাক্তার সাহেব?

-দেখতে এসেছি সবাই কেমন আছে?

-এই দেখাতো শুধু চোখের দেখা হবে। আপনিতো ওষুধ আনতে পারবেন না।

-আমি ঠিক করেছি ওষুধ জোগাড় করার চেষ্টা করব।

-হ্যাঁ, ভালো চিন্তা করেন। আমিও জোগাড় করার জন্য আপনার সঙ্গে থাকব। যখনই বলবেন আমি আপনার সঙ্গে কাজ করব। শরণার্থী হওয়ার কষ্ট পাচ্ছি বলে কাজ না করে শুধু বসে থাকব, এটা আমি ভাবিনা।

-আপনি তো অসুস্থ মানুষকে সেবা করেন।

-তাতো করবই। অসুস্থ মানুষকে সুস্থ করে তোলা আমাদের দায়িত্ব না? সবাইকে সুস্থ করে আমরা একসঙ্গে স্বাধীন দেশে ঢুকব। আর যুদ্ধে শহীদ হওয়া সবাইকে মাথায় রেখে স্বাধীন দেশের কারুশিল্পী হব।

-বাব্বা হাসনা বানু, আপনিতো অনেক কথা বললেন।

-শুধুই কথাই বললাম। যুদ্ধ করতে তো পারলাম না।

-আপনি অসুস্থদের সেবা করেন, এটাও যুদ্ধ। কেউ যদি পড়ে থেকে মরে যায় সেটা হবে যুদ্ধের খারাপ দিক। আমাদের চোখের সামনে কেউ পড়ে থাকতে পারবেনা। আমরা অসুস্থতার মতো শত্রুপক্ষকে মেরে কাহিল করব। নইলে যুদ্ধ অসুস্থতা আমাদের জীবন নিয়ে দৌড়াবে।

শব্দ করে হাসে হাসনা বানু। হাসতে হাসতে বলে আপনিতো বেশ গুছিয়ে সুন্দর কথা বললেন।

-আমরাতো আর বেশি দিন এখানে থাকবনা। আমাদের স্বাধীন দেশে ফিরে যেতে হবে। চারদিক থেকে যুদ্ধের খাবর পাই। আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা ভালোভাবে যুদ্ধ করছে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে মেরে দাবড়াচ্ছে। আমাদের ইন্দিরা গান্ধী মা সবরকম সহযোগিতা দিচ্ছেন। আমার মনে হয় আমাদের আর বেশিদিন লাগবেনা।

হাসনা বানু সঙ্গে সঙ্গে বলে, আমিও তাই মনে করি। ছেলেমেয়ে দুটোকে রাতদিন এই গল্পই করি। ওরা রাতে ঘুমুতে পারেনা। মাঝে মাঝে কাঁদতে শুরু করে। বেশ কিছুক্ষণ কেঁদে তারপর আবার ঘুমায়। একজনের বয়স ছয়, একজনের বয়স তিন।
-ওদের বাবাতো যুদ্ধ করছে।

-হ্যাঁ, যুদ্ধ করছে। এজন্য আমি খুব কৃতজ্ঞ। আমার স্বামীকে মুক্তিযোদ্ধা ভাবলে আমার গৌরব হয়। আমার এই দুই বাচ্চাকে যদি দেশে রেখে আসতে পারতাম, তাহলে আমিও প্রশিক্ষণ নিয়ে যুদ্ধ করতাম। শুরু তাঁবুর মধ্যে বসে থেকে দিন কাটাতাম না।

-আপনিতো বসে থেকে দিন কাটাচ্ছেন না।

-হ্যাঁ, তা কাটাচ্ছিনা। সাধ্যমতো যা করতে পারছি, তা করছি। করাতো কর্তব্য।

-হ্যাঁ, আমিও তাই মনে করি। দেখি ভারতীয় ভাইদের কাছে যাই। কিছু চাল জোগাড় করতে পারি কিনা। পারলে যাদের ঘরে চাল নাই ,তাদেরকে দেব। আমি বাচ্চাদের কান্না শুনতে পারিনা।

-খুব ভালো কথা। তাড়াতাড়ি যান।

 

 

চলবে...

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৩০

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ২৯

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা পর্ব: ২৮

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ২৭

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ২৬

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ২৫

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ২৪

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ২৩

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ২২

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ২১

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ২০

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১৯

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১৮

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১৭

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১৬

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১৫

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১৪

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১৩

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১২

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১১

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১০

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৯

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৮

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৭

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৬

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৫

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৪

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৩

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ২

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১

 

 
Header Ad
Header Ad

জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য দিলশাদ আফরিন বহিষ্কার

দিলশাদ আফরিন। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক কমিটির শৃঙ্খলা ও আদর্শ বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সংগঠনটির নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা শাখার সদস্য দিলশাদ আফরিনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) এই বহিষ্কারাদেশ জারি করা হয়।

বিষয়টি বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) গণমাধ্যমের সামনে আসে।

জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন স্বাক্ষরিত ওই বহিষ্কারাদেশে বলা হয়, ‘এই পত্রের মাধ্যমে আপনাকে জানানো যাচ্ছে যে, জাতীয় নাগরিক কমিটি-এর নিয়ম ও নীতিমালা অনুযায়ী আপনার সাম্প্রতিক কর্মকান্ড আমাদের সংগঠনের শৃঙ্খলা এবং আদর্শের পরিপন্থী বলে প্রতীয়মান হয়েছে। সমস্ত অভিযোগের ভিত্তিতে এবং সংগঠনের শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন এর অনুরোধক্রমে আপনাকে জাতীয় নাগরিক কমিটি থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।’

নারায়ণগঞ্জ জেলার দায়িত্বে থাকা জাতীয় নাগরিক কমিটির সাবেক যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল আমিন দিলশাদ আফরিনকে বহিষ্কারের বিষয়ে বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ উঠেছিল। জাতীয় নাগরিক কমিটি অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা পাওয়ায় গত ৮ এপ্রিল তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে।

আফরিন জাতীয় নাগরিক কমিটির শহীদ আহত কল্যাণ সেলের কোনো দায়িত্বে ছিলেন না। তারপরেও তিনি ব্যক্তিগতভাবে শহীদ ও আহত পরিবারের আর্থিক বিষয় নিয়ে কাজ করেছেন। যা নিয়ে জাতীয় নাগরিক কমিটি অবগত ছিল না বলেও জানান তিনি।

Header Ad
Header Ad

সরকারে এলে প্রথম ১৮ মাসে ১ কোটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে বিএনপি

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে প্রথম ১৮ মাসে বিএনপি ১ কোটি কর্মসংস্থান বা চাকরির ব্যবস্থা করবে। ২০৩৪ সালে জিডিপির লক্ষ্যমাত্রা ১ ট্রিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করেছে বিএনপি। এ ছাড়া জনগণের ঘাড় থেকে বাড়তি করের লাগাম টেনে ধরা, মানুষের মন থেকে করের ভয় দূর করে কীভাবে কর আহরণ বাড়ানো যায়, তা নিয়েও দলটি কাজ করতে চায়।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) আয়োজনে বিনিয়োগ সম্মেলন ২০২৫–এ অংশ নিয়ে বিএনপি এসব পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এসব তথ্য জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

‘১ ট্রিলিয়ন ডলার ইকোনমি’ শিরোনামে দেওয়া ওই পোস্টে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর লিখেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে প্রথম ১৮ মাসে ১ কোটি কর্মসংস্থান বা চাকরির ব্যবস্থা করবে। প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই)/মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) লক্ষ্যমাত্রার শূন্য দশমিক ৪৫ শতাংশ থেকে জিডিপির ২ দশমিক ৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে বিএনপি। ২০৩৪ সালে জিডিপির লক্ষ্যমাত্রা ১ ট্রিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করেছে বিএনপি। জনগণের ঘাড় থেকে বাড়তি করের লাগাম টেনে ধরা, মানুষের মন থেকে করের ভয় দূর করে কীভাবে কর আহরণ বৃদ্ধি করা যায়, তা নিয়েও কাজ করতে চায় বিএনপি।

বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ বা এফডিআইকে জনপ্রিয় করতে বিএনপি ১১টি রেগুলেটরি পরিবর্তনের প্রস্তাব করেছে বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল। এর মধ্যে আটটি প্রস্তাবের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। এগুলো হলো বিডাকে কার্যকর করা, ভিসা বা ওয়ার্ক পারমিট বিধির আধুনিকীকরণ, বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৪x৭ (দিনে ২৪ ঘণ্টা ও সপ্তাহে ৭ দিন) সেবা চালু করা, স্বয়ংক্রিয় মুনাফা প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা, স্থানীয়ভাবে দক্ষ জনশক্তির ব্যবস্থা করা, বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের সঙ্গে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, মানবসম্পদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির ব্যবস্থা নেওয়া এবং প্রকৃত প্রশিক্ষণ ও প্রণোদনার ব্যবস্থা করে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের পরিমাণ ও আওতা বৃদ্ধি।

সরকার গঠন করতে পারলে দেশের মানবসম্পদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির ব্যবস্থা নেওয়া, প্রকৃত প্রশিক্ষণ ও প্রণোদনার ব্যবস্থা করে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের পরিমাণ ও আওতা বৃদ্ধির জন্য বিএনপি অতীতের চেয়েও ব্যাপক সফলতা অর্জন করতে চায় বলে জানান মির্জা ফখরুল। পোস্টে তিনি জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিনিয়োগ সম্মেলন উপলক্ষে এক শুভেচ্ছাবার্তায় তিনটি বিষয় বলেছেন। এগুলো হলো ঐক্যই ভবিষ্যৎ জাতীয় উন্নয়নের সোপান, এফডিআই আকৃষ্ট করতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকার আইন করেছিল এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সরকারগুলোর বিনিয়োগবান্ধব নীতি ছিল।

Header Ad
Header Ad

চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) বেলা ১১ টা থেকে ‍দুপুর ১২ টা ২০ মিনিট পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকা মেহেরপুর জেলার ইছাখালি সীমান্ত এলাকার মেইন পিলার ১২৪ এর নিকট শূন্য রেখা বরাবর ভারতীয় পার্শ্বে বিএসএফ নব চন্দ্রপুর ক্যাম্পে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) এবং প্রতিপক্ষ ৫৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের সাথে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বিজিবি’র পক্ষে চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. নাজমুল হাসান স্টাফ অফিসারসহ মোট ৯ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব প্রদান করেন।

অপরদিকে বিএসএফ এর পক্ষে ৫৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্ট শ্রী বিনয় কুমার তাঁর স্টাফ অফিসারসহ ৮ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।

বৈঠকের শুরুতে উভয় পক্ষ ঈদ-উল-ফিতর পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর উভয় ব্যাটালিয়ন কমান্ডার সীমান্ত এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে চোরাচালান প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ, যৌথ টহল তৎপরতা জোরদারকরণ এবং গোয়েন্দা নজরদারির বিষয়সমূহে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সীমান্তকে অধিক সুসংহত ও কার্যকরী করার লক্ষ্যে বিজিবি-বিএসএফ যৌথভাবে কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে ব্যাটালিয়ন কমান্ডারগণ একমত পোষণ করেন। এছাড়াও, সীমান্তে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা ও সীমান্ত সংক্রান্ত যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদানের বিষয়ে উভয় ব্যাটালিয়ন কমান্ডারগণ সম্মত হন।

বৈঠক শেষে উভয় ব্যাটালিয়ন কমান্ডার মেইন পিলার ১২৪ সহ তৎসংলগ্ন সীমান্ত পিলারসমূহ যৌথভাবে পায়ে হেঁটে পরিদর্শন করেন।
দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আন্তরিক ও সদ্ভাবপূর্ণ পরিবেশে বৈঠক শেষ হয়।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য দিলশাদ আফরিন বহিষ্কার
সরকারে এলে প্রথম ১৮ মাসে ১ কোটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে বিএনপি
চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত
আবারও চেন্নাইয়ের অধিনায়ক হলেন ধোনি
‘ক্রিম আপা’ খ্যাত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর শারমিন শিলা গ্রেফতার
দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে সোনা, ভরি ১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা
ভিন্ন ধর্মের ছেলের সঙ্গে প্রেম, বাবার হাতে প্রাণ গেল মেয়ের
পোল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত হলেন সাবেক আইজিপি ময়নুল
জেনে নিন গ্রীষ্মে সুস্বাদু আর উপকারী কাঁচা আমের ১১টি বিস্ময়কর গুণ
এসএসসি পরীক্ষা না দিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে অনশনে কিশোরী
সাধারণ মানুষ চায় এই সরকার আরো ৫ বছর থাকুক: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মানববন্ধন (ভিডিও)
জিয়াউর রহমান বেঁচে থাকলে ইসরায়েল এমন অপকর্মের সাহস পেত না: মির্জা আব্বাস (ভিডিও)
নওগাঁয় গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ২
বাংলাদেশ রেলওয়ের দুই কর্মকর্তাকে পদায়ন ও বদলি
২০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশে হাসপাতাল বানাচ্ছে মার্কিন কোম্পানি
কাদের-কামালসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি করতে চিঠি
সিলেটে থানায় লালগালিচা দেখে ক্ষোভ ঝাড়লেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
দিল্লিতে লিঙ্গ পরিবর্তনের চিকিৎসা নিতে এসে গ্রেপ্তার ৫ বাংলাদেশি
রবিবার ৩ জেলায় সাধারণ ছুটি, সবমিলিয়ে টানা ৪ দিনের অবকাশ