শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধারাবাহিক উপন্যাস: পর্ব ১৬

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা

তোজাম্মেল দু’হাতে বউকে জড়িয়ে ধরে। খালিদা উপভোগ করে তার প্রাণের টান। দু’জনে শোবার ঘরে এসে বিছানায় শুয়ে পড়ে। তোজাম্মেল স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে বলে, বিছানা তো তোমার কাছে নদী? আজকেও কি তাই মনে করছ?

–করব না কেন? একশবার করছি। বিছানার আবেগ থেকে আমি নিজেকে আলাদা করব না। আমরা এখন নদীতে ডুবসাঁতার দেব। ডুবসাঁতারে ভেসে যাবে কামনার ঘোলা জল।

–ঘোলা জল কেন?

–এটাই আমার কাছে মজার কথা। আমি অন্য কোনো শব্দ ব্যবহার করব না।

–বুঝেছি, বুঝেছি। তুমি কি কবিতা লিখতে চাও?

–সন্তানের জন্ম আমার কাছে কবিতা। তুমি তো জানো তা। এখন কথা বন্ধ করো। এসো ডুবসাঁতারে চলে যাই।

হা-হা করে হাসে তোজাম্মেল। হাসতে হাসতে বলে, তোমার ভাষা শুনে খুব মজা পাই। সেজন্য ডুবসাঁতার আমার খুব আনন্দের।

খালিদা হাসতে হাসতে বলে, আনন্দে নিজেকে তৈরি করে ফেলেছি। চলো ডুবি।

–ওহ দারুণ। তোজাম্মেলও নিজেকে ডুবিয়ে ফেলে।

বিশাল হয়ে ওঠে শরীর। দু’জনের আকর্ষণে বিশাল হয়ে ওঠে শরীর। স্রোতের তোড়ে মেতে ওঠে বিছানার শরীর। নিঃশব্দ হয়ে যায় ঘর। বিছানার নড়াচড়া শব্দ মাত্র না, তা আনন্দের ঢেউ। দু’জনে সে ঢেউয়ে ডুবে যায়। কত সময় পেরিয়ে যায় সে খবর ওরা রাখে না। ডুবসাঁতার শেষ হলে খালিদা বলে, আমি উঠব না। কিছুক্ষণ শুয়ে থাকব।

–আমিও থাকব।

তোজাম্মেল কাত হয়ে খালিদাকে জড়িয়ে ধরে বলে, চলো ঘুমাই।

–না, ঘুমাব না। ভাবনার নদীর পাড় দিয়ে হাঁটব। দেখব নদীর ভেতর থেকে একটি শিশু উঠে আসে কিনা।
সেই শিশু পেলে ওকে বুকে নিয়ে নদীর পানির ওপর দিয়ে হেঁটে যাব। দেখব তুমি দাঁড়িয়ে আছ নদীর অপর পাড়ে। আমাকে দেখে তুমি ছুটে এলে আমার কাছে। গিুটিকে কেড়ে নিয়ে নিজের বুকে জড়িয়ে ধরলে। বললে, ডুবসাঁতারে পাওয়া মেয়েটি–

–থাক, থাক আর বলতে হবে না। এখন আমি নিঃসঙ্গ মুহূর্ত চাই। তোমার শরীর আমার ভালোবাসার নদী। দু’জনে দু’জনকে জড়িয়ে শারীরিক অনুভবের মাত্রা বাড়াই।

–তোমার শরীর আমার ফসলের ক্ষেত। আমি এখন এই ক্ষেতের আল দিয়ে অনুভবে হেঁটে যাব। শুধু বাতাস আমাকে ভালোবাসার পরশ দিয়ে যাবে। সেই পরশ এখন তুমি। খালিদা তোজাম্মেলকে চুমু দিয়ে বলে, আজকে আমাদের মনের দরজা খুলে গেছে। আমরা যে কত কিছু ভাবছি। কবিতা লেখার ভাবনা।
তোজাম্মেল আর কথা বলে না। ঘরের নিস্তব্ধতা প্রগাঢ় হয়ে যায়। দু’জনে চোখ বুঁজে রেখে অনুভবের মাত্রাকে গাঢ় করে। এক সময় ঘুমিয়ে পড়ে।

অঞ্জন আজকে আর রিকশায় ওঠে না। আজিমপুর থেকে মেডিকেল কলেজে প্রায়ই হেঁটে যায় ও। ভালোই লাগে হাঁটতে। কখনো মনে করে পথ ওর প্রিয়জন। যেদিন হাঁটতে ভালো লাগে না, কিংবা সময় কম থাকে, সেদিন রিকশায় ওঠে। আজকে প্রফুল্ল মনে হাঁটে। মাকে ভালোবাসার ছোঁয়া দিয়ে এসেছে। মা এই ছোঁয়া নিয়ে সারাদিন আনন্দে কাটাবে। হাঁটতে হাঁটতে শহীদ মিনারের কাছে এলে দেখতে পায় একটি সভা হচ্ছে। দূর থেকে অবশ্য বক্তার কণ্ঠস্বর শোনা যাচ্ছিল মাইকে। জয় বাংলা স্লোগান ধ্বনিত হচ্ছে চারদিকে।

অঞ্জন শহীদ মিনারের এক পাশে দাঁড়িয়ে পড়ে। সেখানে একজন মা একটি শিশুকে নিয়ে মাটিতে বসে আছে। মেয়েটি মায়ের কাছে বসে শুকনো পাতা নাড়াচাড়া করছে। মুঠি করে গুঁড়ো করছে। ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করছে। অঞ্জন বুঝতে পারে এটা ওর খেলা। এই খেলা দেখতে ভালোই লাগছে ওর। এই ছোট্ট দৃশ্যটি দেখে ও দূর থেকে শহীদ মিনারের দিকে দৃষ্টি ফেরায়। শেখ মুজিব বক্তৃতা করছেন। বাঙালির অধিকার নিয়ে কথা বলছেন। ও মগ্ন হয়ে শোনে। কাছে-ধারে দাঁড়ানো ছেলেরা মাঝে মাঝে বলছে, ‘শেখ মুজিব এসেছে, বাঙালি জেগেছে।’ অঞ্জন নিজেও জোরের সঙ্গে বলে, হ্যাঁ বাঙালি তো জেগে উঠেছে। অঞ্জন নিজেকে বলে, আপনি আমার প্রিয় মানুষ। আপনাকে আমি সামনাসামনি দেখিনি। আপনি দেশবাসীর প্রিয় নেতা। বাঙালিকে জাগিয়ে তুলেছেন। বাঙালি তাদের অধিকার আদায়ে সচেতন হয়ে উঠেছে। আপনার নেতৃত্ব আমাদের আকাশ ছুঁইয়ে দিচ্ছে।

ঘণ্টাখানেক পরে শেষ হয়ে যায় সভা। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে মানুষ। যে যার মতো চলে যাচ্ছে। নেতা গিয়ে তাঁর গাড়িতে ওঠেন। চলে যায় গাড়ি। অঞ্জন ঘড়ি দেখে। কলেজে ঢুকতে ওর আর সময় লাগবে না। ভিড় কমে গেলে ও যাবার জন্য উঠে দাঁড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে মেয়েটি ওর হাত ধরে বলে, আমি সকাল থেকে কিছু খাইনি। আমার খুব খিদা পেয়েছে ভাইয়া।

–খাসনি কেন?

–বাড়িতে কোনো খাবার ছিল না। তাই মা দেয়নি। তখন বসে থাকা সেই নারী বলে, আমার খুব অভাব
বাবা। আমি রোজদিন ঠিকমতো খেতে পাই না।

–ওর বাবা কী করে?

–আমার মেয়ের বাবা নাই। আমি মেয়েটাকে নিয়ে পথে পথে ভিক্ষা করি।

এটুকু বলেই কাঁদতে শুরু করে মহিলা। কান্নার শব্দ ছড়িয়ে পড়ে। দু’চারজন কাছে এসে বলে, কী হয়েছে ওনার?

মেয়েটি চিৎকার করে কেঁদে উঠে বলে, আমার মায়ের খুব অসুখ। আমাদের বাড়িতে ভাত নাই। আমার মা ভাত খেতে পায়নি।

কাছাকাছি দাঁড়িয়ে থাকা লোকেরা মহিলার হাতে বেশকিছু টাকা দেয়। আঁচল দিয়ে চোখ মুছে টাকাগুলো আঁচলে বাঁধে।

অঞ্জন জিজ্ঞেস করে, আপনার কী অসুখ হয়েছে?

–আমার জ্বর, পেটব্যথা।

পাশে দাঁড়ানো কেউ একজন বলে, পেট শূন্য থাকলে তো ব্যথা হবেই।

–আমি এখন এখান থেকে উঠতে পারছি না। মনে হচ্ছে মাথা ঘুরে পড়ে যাব। আমি পড়ে গেলে আমার মেয়ে কুকড়ির কী হবে?

–আমি মেডিকেল কলেজে পড়ি। চলেন আপনাকে হাসপাতালে ভর্তি করে দেব।

–সত্যি বাবা দিবা? বাবা আমাকে বাঁচাও। আমার মেয়েটাকেও তোমার দেখতে হবে বাবা। কুকড়ি চেঁচিয়ে বলে, আমিও মায়ের সঙ্গে হাসপাতালে থাকব।

–আমি একটা রিকশা ডাকছি।

(চলবে)

এসএ/

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১৫

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১৪

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১৩

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১২

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১১

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১০

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৯

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৮

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৭

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৬

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৫

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৪

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৩

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ২

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম হাসান সরকার অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট দিয়ে বিয়ের খবর জানিয়েছেন তিনি। স্ত্রীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি দিয়ে প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে ক্যাপশনে লিখেছেন— "আলহামদুলিল্লাহ কবুল। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।"

এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তোলা ছবি কাভার ফটো হিসেবে পোস্ট করেছেন এই অভিনেতা। ছবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানকেও দেখা গেছে।

 

তবে স্ত্রীর পরিচয় সম্পর্কে ফেসবুক পোস্টে কিছু উল্লেখ করেননি শামীম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো