শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধারাবাহিক উপন্যাস: পর্ব-১৭

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা

অঞ্জন রাস্তার ধারে গিয়ে রিকশা দাঁড় করায়। কাছে এসে হালিমা খাতুনকে টেনে তোলে। মা-মেয়ে দু’জনকে রিকশায় উঠিয়ে দিয়ে রিকশাওয়ালাকে বলে, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে নিয়ে গিয়ে দাঁড়াও। আমি আসছি, তোমার পেছনে পেছনে। রিকশাওয়ালা আস্তে আস্তে চালায়। অঞ্জন দ্রুত পায়ে হাঁটে। অল্পক্ষণে হাসপাতালে ঢোকে ওরা। ঘড়ি দেখে বিড়বিড়িয়ে বলে, ক্লাস তো শুরু হয়ে গেল। আজকে আর ক্লাস করা হবে না। থাক, একটা ক্লাস না করলে কিছু হবে না। এই গরিবের উপকারটুকু করে দিই। রিকশার পাশে এসে দাঁড়ালে কুকড়ি লাফ দিয়ে রিকশা থেকে নামে। মেয়েটি খুব চঞ্চল। নেমেই অঞ্জনের হাত আঁকড়ে ধরে বলে, আমি কিছু খাব।


-কী খাবি?

-ভাত, রুটি, বিস্কুট যা পাওয়া যায়।

-দাঁড়া তোর মাকে নামাই।

হালিমা খাতুনের হাত ধরে রিকশা থেকে নামায় অঞ্জন। তারপর রিকশাওয়ালাকে ভাড়ার টাকা দেয়। হালিমা খাতুনকে জিজ্ঞেস করে, এখন কেমন লাগছে শরীর?

-খুব খারাপ। মনে হচ্ছে গায়ে কোনো শক্তি নেই।
অঞ্জন দু’জনকে সামনের দোকানে নিয়ে গিয়ে পাউরুটি, বিস্কুট কিনে দেয়। দু’জনকে বলে, এই কোনায় দাঁড়িয়ে আপনারা খান। এই পানির বোতলটা রাখেন।

-তুমি খাবে না বাবা?

-না, আমি বাড়ি থেকে ভাত খেয়ে এসেছি।

-দুটো বিস্কুট খাও।

-না খালা, কিছু খাব না। কুকড়ির হাতে বিস্কুটের প্যাকেট থাকুক। ওর যখন ইচ্ছা হবে, খাবে। ওর কত বয়স হলো খালা?

-সাড়ে চার বছর। আমি হাসপাতালে ভর্তি হলে আমার মেয়ে কোথায় থাকবে? ওকে কি হাসপাতালে থাকতে দেবে?

-ভেতরে চলেন। কথা বলে দেখি।

-বাবারে আমার মেয়েরে যদি হাসপাতালে না রাখে তাহলে আমি ভর্তি হব না।

-না, না, এমন কথা ভাববেন না। দেখি কী ব্যবস্থা করা যায়।

কুকড়ি দু’হাতে অঞ্জনের হাত ধরে বলে, যদি আমাকে হাসপাতালে না রাখে তাহলে আমি ভাইয়ার কাছে থাকব। ভাইয়া তোমার বাড়িতে ঘর না থাকলে আমি বারান্দায় ঘুমাব।

-বলিস কি রে দুষ্টু মেয়ে। তুই তো অনেক কথা জানিস দেখি।

-বস্তিতে থাকি যে সবার কাছ থেকে কথা শিখি। কত লোক চারপাশে। সবাই অনেক কথা বলে।
হালিমা খাতুন ধমক দিয়ে বলে, হয়েছে থাম। আর কথা বলবি না।

-বলব, আমি অনেক কথা বলতে ভালোবাসি।

-থাম কুকড়ি। আর কথা বলিস না। খালা চলেন আমরা ইমার্জেন্সিতে যাই। আপনার কোনো ডাক্তার দেখানোর সুযোগ হয়েছে কি?

-না, রে বাবা। কেমন করে সুযোগ হবে? ভিক্ষার টাকায় ভাত খাই। ওষুধ খাওয়ার জন্য তো রাখতে পারি না।
-ঠিক আছে চলেন।

দু’হাতে দু’জনকে ধরে এগোয় অঞ্জন। বুকের ভেতর চনমন করে। আজ একটি অন্যদিন ওর সামনে। ও এই দায়িত্ব না নিলেও পারত। ওদের ছেড়ে চলে আসত কলেজে। কিন্তু বিবেকের তাড়নায় পারেনি। মানবিক বোধ চিন্তাকে আচ্ছন্ন করে বলেছিল, মানুষের জন্য মানুষকেই দায়িত্ব নিতে হয়। যে দায়িত্ব নেয় না সে অমানুষ। নিজেকে শাসন করে দায়িত্ব নিয়েছে। ভবিষ্যতে নিজেও ডাক্তার হবে। দেখেশুনে রাখতে হবে এমন অসংখ্য মানুষকে। এই প্রতিজ্ঞা করলাম দু’জনের হাত ধরে। বুকের ভেতর কথা জমিয়ে রাখে অঞ্জন। ভাবে, বাড়িতে গিয়ে বাবা-মাকে এই কথা বলবে।

ইমার্জেন্সিতে গেলে ডাক্তার জিজ্ঞেস করেন, কী খবর অঞ্জন? কাকে নিয়ে এসেছ?

-তিনি একজন পথের ভিখারি।

-কোথা থেকে আনলে তাঁকে?

-শহীদ মিনার থেকে। এটি ওনার মেয়ে। দু’জনে ভিক্ষা করে জীবন চালায়। শহীদ মিনারে দেখা হলো আমার সঙ্গে।

-কী সমস্যা হয়েছে ওনার?

-খুবই অসুস্থ। সেজন্য আমি হাসপাতালে নিয়ে এসেছি। ওনার জ্বর এবং পেটে ব্যথা।

-যে অসুখের কথা বললে তার জন্য তো ইমার্জেন্সিতে চিকিৎসা নেই। এটা তো জরুরি বিভাগ।

-উনি তো রাস্তার মানুষ। বস্তিতে থাকেন। ডাক্তার দেখানোর সাধ্য নেই। সেজন্য আমি নিয়ে এসেছি যে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করব। মেডিকেল কলেজে পড়ি বলে আপনাদের চিনি। আপনাদের কাছ থেকে ভর্তির সহযোগিতা নেব। আপনাকে ব্যবস্থা করে দিতেই হবে ডাক্তার ভাই। আপনার মানবিক বিবেচনা এ ক্ষেত্রে কাজ করুক। অফিস ফরমালিটিজ দিয়ে আমরা সব দিক রক্ষা করতে পারব না।

-ঠিক আছে আমি দেখছি। তুমি দাঁড়াও।
কুকড়ি লাফিয়ে বলে, আমিও হাসপাতালে থাকব।

-তুমি কেন হাসপাতালে থাকবে? তোমার তো জ্বর হয়নি।

-আমার তো খিদা পায়। পেট চোঁ-চোঁ করে। এটা অসুখ না?

অঞ্জন দু’হাতে তার মাথা জড়িয়ে ধরে বলে, হ্যাঁ রে, অসুখ। অনেক বড় অসুখ।

-এর ওষুধ কী বলো তো?

-ভাত।

সবাই হো-হো করে হাসে। হাসতে হাসতে ডাক্তার হালিমা খাতুনের ভর্তির ব্যবস্থা করে দেয়। আট নম্বর ওয়ার্ডের পঁচিশ নম্বর বেড। অঞ্জনকে কাগজপত্র দিয়ে বলে নিয়ে যাও। হালিমা খাতুন ডাক্তারকে বলে, ডাক্তার সাহেব। কুকড়ি জিজ্ঞেস করে, আমি কোথায় থাকব?

-মায়ের সঙ্গে।

-ওহ, মায়ের সঙ্গে। মায়ের গলা জড়িয়ে ধরে ঘুমাব। মা-মাগো চলো, চলো।

লাফাতে লাফাতে ও বারান্দায় বেরিয়ে যায়। অঞ্জন হালিমা খাতুনের হাত ধরে এগোয়। কুকড়ি সামনে থেকে ছুটে এসে অঞ্জনের হাত ধরে। নির্দিষ্ট ওয়ার্ডে পৌঁছে সব ব্যবস্থা করে দিয়ে অঞ্জন বেরিয়ে আসার সময় ওয়ার্ডের কর্মী বলে, এই বাচ্চাকে রেখে যাচ্ছেন কেন? কে ওকে দেখাশোনা করবে?

-ওর মা তো অসুস্থ। আমরা এখানে কোনো বাচ্চা রাখি না। রোগীর সঙ্গে আবার বাচ্চা কেন? ওকে বাড়িতে রেখে আসেন।

-ওরা তো রাস্তার মানুষ। বাড়ি নাই। ওর কেউ নাই।

-তাহলে, আপনি ওকে রাখার ব্যবস্থা করেন। আপনি আসুন আমার সঙ্গে আপনাকে বিছানায় দিয়ে আসি।

-হ্যাঁ, আমি বিছানায় যাব। আমার মাথা ঘোরাচ্ছে।

 

 

(চলবে..)

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১৬

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১৫

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১৪

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১৩

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১২

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১১

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১০

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৯

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৮

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৭

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৬

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৫

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৪

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৩

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ২

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১

 

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম হাসান সরকার অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট দিয়ে বিয়ের খবর জানিয়েছেন তিনি। স্ত্রীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি দিয়ে প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে ক্যাপশনে লিখেছেন— "আলহামদুলিল্লাহ কবুল। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।"

এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তোলা ছবি কাভার ফটো হিসেবে পোস্ট করেছেন এই অভিনেতা। ছবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানকেও দেখা গেছে।

 

তবে স্ত্রীর পরিচয় সম্পর্কে ফেসবুক পোস্টে কিছু উল্লেখ করেননি শামীম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো