বুধবার, ৮ জানুয়ারি ২০২৫ | ২৪ পৌষ ১৪৩১
Dhaka Prokash
Header Ad

টিউলিপের ওপর আস্থা রাখতে চান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

টিউলিপ সিদ্দিক ও প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার ব্রিটিশ। ছবিঃ সংগৃহীত

শেখ হাসিনার বোনের মেয়ে যুক্তরাজ্যের অর্থ ও নগরবিষয়ক মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের পাশে দাঁড়ালেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার। বাংলাদেশে আর্থিক দুর্নীতির এক মামলার তদন্ত এবং লন্ডনে ফ্ল্যাট উপহার পাওয়ারকাণ্ডে টিউলিপের ওপর আস্থা রাখতে চান ব্রিটিশ এই প্রধানমন্ত্রী। স্থানীয় সময় সোমবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

লন্ডনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার বলেছেন, ‘অর্থ ও নগরবিষয়ক মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের ওপর আস্থা রয়েছে।’

টিউলিপের ফ্ল্যাট ব্যবহার করা নিয়ে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের পর টিউলিপ সিদ্দিকের বিষয়টি পরিষ্কার করা উচিত কি না? জবাবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘টিউলিপ সিদ্দিক নিজেকে স্বতন্ত্র উপদেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করে একেবারে সঠিকভাবে কাজ করেছেন, যেমনটি তিনি বর্তমানে করছেন। আমি তার প্রতি আস্থা পেয়েছি এবং এটিই সেই প্রক্রিয়া যা এখন ঘটবে।’

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যে ব্যাপক তদন্ত শুরু করেছে তারই আওতায় পড়েছেন টিউলিপ।

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী দৈনিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে লন্ডনের কিং’স ক্রস এলাকায় একটি ফ্ল্যাট টিউলিপ সিদ্দিককে আবদুল মোতালিফ নামের এক ডেভেলপার উপহার দিয়েছিলেন বলে জানানো হয়। মোতালিফ ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত।

জানা যায়, বাংলাদেশি মুদ্রায় ফ্ল্যাটটির মূল্য ২০০১ সালে ছিল বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯ কোটি ৭৯ লাখ ৯৭ হাজার টাকা। বর্তমানে ফ্ল্যাটটি ভাড়া দিয়েছেন টিউলিপ। সেখান থেকে বাৎসরিক ৯০ হাজার পাউন্ড (১ কোটি ৩৫ লাখ ৬৮ হাজার টাকা) পাচ্ছেন তিনি। টিউলিপ যখন ফ্ল্যাটটি পেয়েছিলেন তখন তিনি লন্ডনের কিংস কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করেছিলেন এবং তার কোনও উপার্জন ছিল না। ফ্ল্যাট কেলেঙ্কারির এই ঘটনায় যুক্তরাজ্যে টিউলিপ সিদ্দিকের ওপর পদত্যাগের চাপ জোরাল হয়েছে।

এছাড়া, লন্ডনের কোনও নির্বাচনী হলফনামায় ফ্ল্যাটটির বিষয়ে উল্লেখ করেননি টিউলিপ। হলফ নামায় তিনি যুক্তরাজ্যের হাইগেট এবং হ্যাম্পস্টেড এলাকার ফ্ল্যাটের ব্যাপারে উল্লেখ করেছেন।

Header Ad
Header Ad

নওগাঁয় এক হালি ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ২ টাকায়, বিপাকে কৃষকরা

নওগাঁয় এক হালি ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ২ টাকায়। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

শীতের বাহারি সব সবজির ভিড়ে ফুলকপির কদর যে আলাদা, তা নিয়ে তর্ক করার লোক খুব একটা পাওয়া যাবে না। তবে সেই ফুলকপি ভালো লাভের আশায় চাষ করে এখন বিপাকে নওগাঁর কৃষকরা। ভালো ফলনেও কপাল পুড়ছে তাদের। পাইকারি প্রতি পিস ফুলকপি সর্বনিম্ন ৫০ পয়সা সর্বোচ্চ ২ টাকা করে একহালি ২ থেকে ৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) সকালে নওগাঁ সদর উপজেলার নওগাঁ-রাজশাহী আঞ্চলিক মহাসড়ক সংলগ্ন ডাক্তারের মোড়ে গিয়ে দেখা যায় ভোর থেকেই কৃষকরা তাদের জমিতে চাষ করা ফুলকপি বিক্রির জন্য নিয়ে আসে। কিন্তু ফুলকপি বিক্রি করতে এসেই পড়তে হচ্ছে বিপাকে। প্রতি পিস ফুলকপির দাম পড়ছে সর্বনিম্ন আটা আনা। এরপরেও অনেকেই অপেক্ষা করে ক্রেতার দেখা পাচ্ছেন না।

ফুলকপি বিক্রির জন্য বাজারে নিয়ে এসেছেন কৃষকরা। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

কৃষকরা বলছেন, গত বছর ফুলকপির ভালো দাম পেয়েছেন তারা। সে বিষয়টি ভাবনায় রেখে এ বছরও আবাদ করেছেন তারা। তবে ফুলকপির দাম যা দাঁড়িয়েছে তাতে লাভ তো দূরে থাক আসলও উঠে আসছে না। সবজির দামে ভোক্তারা স্বস্তি পেলেও খরচের টাকা তুলতে না পেরে পথে বসতে চলেছেন তারা। মৌসুমের শুরুতে আগাম জাতীয় এ সবজির উৎপাদন কম থাকায় দাম ছিল বেশ চড়া। বর্তমানে উৎপাদনের পরিমাণ বেশি হওয়ায় বাজারে এমন ধস নেমেছে বলে মনে করছেন তারা।

ফুলকপি বিক্রি করতে আসা আকবর হোসেন বলেন, ‘এক বিঘা জমিতে ফুলকপি চাষ করতে ১৭ থেকে ১৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এখনই ফুলকপি ১ থেকে টাকা ২ টাকা পিস বিক্রি করতে হচ্ছে। তাও কপি কেনার মত মানুষ নেই। এক বিঘা জমির কপি আড়াই থেকে তিন হাজার টাকাও বিক্রি হচ্ছে না। তাহলে আমরা কি করে চলবো। ধার-দেনা করে ফুলকপি চাষ করেছি সেই টাকাই তো পরিশোধ করা সম্ভব নয়।’

এনামুল হক নামে আরেক ফুলকপি বিক্রেতা বলেন, ‘এক বিঘা জমির ফুলকপি চাষ করেছি। প্রতি কপির গাছে ৬ থেকে ৮ টাকা খরচ হয়েছে। এখন বাজারে বিক্রি হচ্ছে আট আনা, ১ টাকা, দেড় টাকা করে। বিক্রি করে ভ্যান খরচের টাকায় উঠবে না। এমন বাজার দেখে কলিজা ফেটে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে এখনো জমিতে যে ফুলকপি আছে সেগুলো গরুকে দিয়ে খাওয়ায়।’

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, জেলায় ৬০০ হেক্টর জমিতে ফুলকপির আবাদ হয়েছে। যা থেকে প্রায় ৬ হাজার ২০০ টন ফুলকপি উৎপাদনের সম্ভবনা।

Header Ad
Header Ad

যুবদল নেতার সাহায্যে ভারতে পালান ওবায়দুল কাদের!

ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাবার পর থেকে লাপাত্তা হয়ে আছেন বেশিরভাগই আওয়ামী লীগের শীর্ষনেতারা।

বিগত ১৬ বছর ধরেই আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের কোনো হদিসই যেনও পাওয়া যাচ্ছিলো না। তার অবস্থান নিয়েও ছিল ধোঁয়াশা।


অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরি জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তিন মাস দেশে লুকিয়ে ছিলেন। তবে সরকার সে বিষয়ে অবগত ছিল না। জানা থাকলে তাকে গ্রেপ্তার করা হতো।


‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে ভারতে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছে যশোর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আনসারুল হক রানা’- ফেসবুক লাইভে এসে এমন অভিযোগ করেছেন সংগঠনটির বহিষ্কৃত প্রচার সম্পাদক এসকেন্দার আলী জনি।
মঙ্গলবার এসকেন্দার আলী জনি এই ফেসবুকে লাইভে এসে দলটির সভাপতি-সম্পাদকের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ তুলে ধরেন। এসব অভিযোগের ব্যাপারে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তদন্তের অনুরোধও জানান।
এর আগে গত ১৭ ডিসেম্বর নিজ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে যশোর জেলা যুবদলের প্রচার সম্পাদক এসকেন্দার আলী জনিকে বহিষ্কার করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে যশোর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আনসারুল হক রানা বলেন, জনির অভিযোগ হাস্যকর। অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই। স্বৈরাচার হাসিনা এবং ওয়াবদুল কাদের কবে, কীভাবে পালিয়েছে দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তদন্ত করছে। আমার সংশ্লিষ্টতা থাকলে তো এতদিন গ্রেফতার হয়ে যেতাম। আপনারাও তদন্ত করে দেখেন, সে (ওবায়দুল কাদের) কোন দিক দিয়ে কোথায় গেছে। একজন একটা কথা বললেই তো হবে না।

এতদিন ধরে রাজনীতি করলাম, খোঁজখবর নিয়ে দেখেন আমরা কোনো অনিয়মের সাথে জড়িত কি-না। শুধু আমাকে নয়, যুবদলের প্রেসিডেন্টের নামেও অভিযোগ করেছে। দীর্ঘদিন ধরে জনি এসব বলে আসছে। সে সুস্থ নয়। এসব বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্যই এসকেন্দার আলী জনিকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

মঙ্গলবার ফেসবুক লাইভের শিরোনামে এসকেন্দার আলী জনি লিখেছেন, ‘সঠিক তদন্ত চাই, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জননেতা তারেক রহমানের কাছে বরাবর। আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি ওবায়দুল কাদেরকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছে যশোর জেলা যুবদলের সেক্রেটারি, সাংবাদিক সম্মেলন করা হবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে, বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করুন অরজিনাল অপরাধীদের শান্তি দিন।

ফেসবুক লাইভে ২৭ মিনিটের ভিডিওতে যশোর জেলা যুবদলের বহিষ্কৃত প্রচার সম্পাদক এসকেন্দার আলী জনি অভিযোগ করেন, ‘যশোর ক্যান্টনমেন্টে লুকিয়ে ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ৫ তারিখের পর তাকে ভারতে পালাতে সাহায্যে করেছেন যশোর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আনসারুল হক রানা। কিছু দিন আগে সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন যশোর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক। বেনাপোলের পুটখালির গোল্ড নাসিরের সাথে (সিঙ্গাপুরে) টাকা ভাগাভাগি হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঘাট শহিদকে ধরলে এ তথ্য পাওয়া যাবে। শুধু ওবায়দুল কাদের নয়; আওয়ামী লীগের বহু নেতাকে ভারতে যেতে সাহায্য করেছে যশোর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আনসারুল হক রানা। এ তথ্য সব নেতাই জানে। এখন যশোর যুবদল দেখলে মনে হবে যুবলীগ হেঁটে যাচ্ছে। যশোর জেলা যুবদলের সভাপতি তমাল আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক আনসারুল হক রানা দলকে যুবলীগে পরিণত করেছে।’

ফেসবুক লাইভে তিনি আরও বলেন, আমি রাজপথে মার খেয়েছি, আমার ভাই মার খেয়েছে। আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্রের কারণে পরিবারসহ জেল খেটেছি। আমি ১৭ বছর ধরে নির্যাতনের শিকার ও ত্যাগী নেতা হয়েও আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আমি আন্দোলন সংগ্রাম করবো; ত্যাগী নেতাদের কেন বহিষ্কার করা হচ্ছে। যুবদলের নেতাকর্মী জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বিএনপি পার্টি অফিসের সামনে মিছিল করেছে। ভিডিওসহ নেতৃবৃন্দের জানানো হলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘গোপনে যশোর জেলা যুবদলের সভাপতি তমাল আহমেদ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথের সাথে মদের ব্যবসা করেন। যুবদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক মিলে যুবলীগের সন্ত্রাসীদের দলে নিয়ে এসেছেন। যারা বিএনপি অফিস ভাঙচুর করেছে, দলের নেতাদের ছবি ভাঙচুর করেছে, তারা এখন যুবদলে। এখন যুবদলের সভাপতি-সম্পাদক বলছেন ৫/৭ কোটি টাকা খরচ করে কমিটি নিয়ে আসবেন।’

বহিষ্কৃত প্রচার সম্পাদক এসকেন্দার আলী জনি ফেসবুক লাইভের বক্তব্য নিশ্চিত করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে সঠিক তদন্ত ও প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি এবং তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান।

এ বিষয়ে জেলা যুবদলের সভাপতি এম তমাল আহমেদ বলেন, ‘জনি নেশাগ্রস্ত ছেলে। বিতর্কিত কর্মকান্ডে জড়িত থাকায় জেলা বিএনপি ও জেলা যুবদলের সুপারিশে কেন্দ্রীয় যুবদল তাকে বহিস্কার করেছে। সে উন্মাদ হয়ে গেছে। উন্মাদ ও বহিস্কৃত লোক কি বলল, সেটি আমলে নিচ্ছি না। আমলে নেওয়ার দরকার নেই। আমরা কেমন লোক, যশোরের মানুষ জানে। ১৮ বছর ধরে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। ৩৫ থেকে ৪০ বার জেল খেটেছি।’

Header Ad
Header Ad

ইন্টারপোলের আদলে ‘ভারতপোল’ চালু করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

ইন্টারপোলের আদলে একটি নতুন পুলিশ সহায়তা পোর্টাল চালু করেছে ভারত, যার নাম 'ভারতপোল'। গতকাল মঙ্গলবার ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই পোর্টালটির উদ্বোধন করেন। এটি ভারতীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তার প্রক্রিয়াকে সহজ করবে, বিশেষ করে অপরাধী ধরতে এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়াতে। ভারতের বিরুদ্ধে অপরাধে অভিযুক্ত পলাতক অপরাধীদের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের মাধ্যমে এই সহায়তা পাওয়া যাবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (সিবিআই) এই নতুন পোর্টাল তৈরি করেছে। মূলত বিদেশে পালিয়ে যাওয়া অপরাধীদের ধরতে এবং ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে সহযোগিতা উন্নত করার বিষয়টি মাথায় রেখেই এই পোর্টাল ডিজাইন করা হয়েছে।

অমিত শাহ বলেছেন, ‘ভারতপোলের মাধ্যমে প্রতিটি সংস্থা ও পুলিশ বাহিনী ইন্টারপোলের সঙ্গে সহজে সংযুক্ত হতে পারবে, ফলে তদন্তে গতি আসবে। পোর্টালের প্রধান লক্ষ্য হলো আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর জন্য দ্রুত দেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধগুলো মোকাবিলা করা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে চলমান অপরাধবিরোধী যুদ্ধে যেসব সুযোগ-সুবিধা আছে তাতে সহজে প্রবেশাধিকার পাওয়া।’

ভারতের তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই ইন্টারপোলের সঙ্গে মিলে কাজ করে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলাসংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিভিন্ন ভারতীয় সংস্থার সঙ্গে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার লিয়াজোঁর কাজটিও করত সিবিআই। সিবিআই লিয়াজোঁ অফিসারের মাধ্যমে ইন্টারপোলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত। কিন্তু তাদের যোগাযোগের মাধ্যম ছিল চিঠি, ই-মেইল ও ফ্যাক্স। এ কারণে তথ্যপ্রাপ্তিতে প্রায়ই দেরি হতো।

ভারতপোল এই সমস্যার সমাধান করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি সমস্ত অংশীদারকে একটি একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে এনে আন্তর্জাতিক সহায়তার জন্য অনুরোধ পাঠানো এবং অনুরোধ গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ করবে। বিশেষ করে রেড নোটিশ এবং অন্যান্য ইন্টারপোল নোটিশ পাঠানো ও গ্রহণের ক্ষেত্রে এটি দারুণ সহায়ক হবে বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা।

অমিত শাহ বলেন, ‘আগে একমাত্র সংস্থা হিসেবে সিবিআই ইন্টারপোলের সঙ্গে কাজ করত, কিন্তু ভারতপোল চালু হওয়ার ফলে প্রতিটি ভারতীয় সংস্থা এবং সমস্ত রাজ্য পুলিশ ইন্টারপোলের সঙ্গে সহজে সংযুক্ত হতে পারবে.... আমরা ফাঁকফোকরগুলো পূর্ণ করতে পারব এবং কার্যকরভাবে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে পারব...।’

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ভারতের নতুন অপরাধ আইন অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে তাঁর বিচার করার বিধান অন্তর্ভুক্ত করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে যে, বিদেশে পালিয়ে যাওয়া অপরাধীদের ভারতের আদালতে বিচার করা সম্ভব হবে। একবার দোষী সাব্যস্ত হলে কর্তৃপক্ষগুলোর পক্ষে তাদের প্রত্যর্পণ বা প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করা সহজ হবে এই পোর্টালের মাধ্যমে।’

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র অনুযায়ী, নতুন এই পোর্টাল রাজ্য, কেন্দ্রীয় সংস্থা এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পুলিশ বাহিনীকে দ্রুত ও কার্যকরভাবে ইন্টারপোলের কাছে পলাতক অপরাধীদের তথ্য বা অন্যান্য বিষয়ে সহায়তার অনুরোধ পাঠানোর সুযোগ দেবে। আন্তসীমান্ত অপরাধ যেমন—সাইবার অপরাধ, আর্থিক জালিয়াতি, অনলাইন উগ্রপন্থা, মাদক পাচার, মানব পাচার এবং সংগঠিত অপরাধ বেড়ে যাওয়ার কারণে এ ধরনের পোর্টালের প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়ে গেছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

নওগাঁয় এক হালি ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ২ টাকায়, বিপাকে কৃষকরা
যুবদল নেতার সাহায্যে ভারতে পালান ওবায়দুল কাদের!
ইন্টারপোলের আদলে ‘ভারতপোল’ চালু করল ভারত
সরকারি স্কুলের পাশেই ইটভাটা, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা
দ্বিগুন হলো মোটরবাইক, ফ্রিজ, এসি উৎপাদনকারীদের কর
১০০ টাকার রিচার্জে কর দিতে হবে ৫৬ টাকা ৩০ পয়সা!  
বিকেলে লন্ডন পৌঁছবেন খালেদা জিয়া  
দাবানলে পুড়ছে লস অ্যাঞ্জেলেস, নিয়ন্ত্রনের উপায়ন্তরেও লাভ হচ্ছে না  
আসছে মৌসুমের দীর্ঘস্থায়ী শৈত্যপ্রবাহ, ফের শীতে কাঁপবে দেশ  
ভূমিকম্পে ঝুঁকিপূর্ণ ২০টি শহরের তালিকায় ঢাকাসহ বাংলাদেশের ৫ শহর
বিএসএফের কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ ঘিরে উত্তেজনা, বিজিবির সতর্ক অবস্থান  
খালেদা জিয়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বার্তা দিয়ে গেছেন: মির্জা ফখরুল  
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক  
মেটা প্ল্যাটফর্মে থাকছে না ফ্যাক্টচেকার, বাড়বে রাজনৈতিক কনটেন্ট: জাকারবার্গ  
হাসিনাকে দীর্ঘমেয়াদি থাকার অনুমতি দিলো ভারত  
ইউরোপে পোঁছানোর চেষ্টায় সাগরে প্রাণ গেলো ২,২০০ অভিবাসীর  
ই-সিগারেট আমদানি নিষিদ্ধ করল সরকার  
ঢাবি থেকে সাত কলেজকে আলাদা করতে কমিশন ও শিক্ষার্থীদের বৈঠক বুধবার
প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে ৯৮ কোটি টাকার অনুদান সংগ্রহ
এবার শাহীনকে ধরা হলো বিমানবন্দরে! আদালতে সোপর্দ