শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

চিত্রাপাড়ের জোৎস্নায়

ফয়সালকে আজ সকালেই ধরে আনা হয়েছে। মেজর শওকতের রুমে এনে রাখা হয়েছে। মেজর শওকত তখন ঘুম থেকে নাস্তা করছিলেন। কয়েকজন সেনা তাকে মেজরের সামনে নিয়ে দাড় করায়। মেজর শওকত তার দিকে একবার তাকান। তারপর আবার খাওয়ায় মনোযোগ দেন। খাওয়া শেষ করে তিনি ফয়সালের দিকে তাকান। যদিও তিনি বাংলা মোটামুটি জানেন, ফয়সালে সাথে মেজর শওকতের কথাবার্তা হলো ইংরেজিতে।
’তোমার নাম?’
’ফয়সাল।’
’শুধু ফয়সাল? পদবী-টদবী কিছু নেই?’
’যুদ্ধ শুরুর আগে মনে ছিল। এখন সেটা বলার প্রয়োজন মনে করছি না।’
’কেন?’
’জানিনা।’
’মিলিটারী দেখে ভয় পেয়েছো?”
একথা বলেই মেজর শওকত হাসতে থাকেন। ’তোমাদের বাঙালিদের বিচি খুব ছোট হয়। অল্পতেই ভয় পাও। প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলে। এই যে তুমি আমার সামনে দাড়িয়ে আছো, তোমার পা ভয়ে কাঁপছে। দ্যাখো, প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলো না। তোমাকে কিছু করবো না। তোমাকে মারার জন্য আনা হয়নি। অন্তত যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত তোমাকে বাঁচিয়ে রাখবো এ গ্যারান্টি দিচ্ছি। মেজর শওকত যা বলে তা থেকে নড়চড় হয় না। তাছাড়া তোমার ইয়ে পরিস্কার করার মতো কেউ নেই এখানে।’ বলেই আবার জোরে জোরে হাসতে থাকেন মেজর শওকত।
’তুমি জানো তোমাকে কেন আনা হয়েছে?’
’না।’
তুমি আমার দোভাষীর কাজ করবে। যাদের ধরে আনা হবে তাদের কথা বুঝিয়ে বলবে। মাসে মোটা বেতন পাবে। খাওয়া দাওয়া পাবে। আরও একটা কাজ করতে হবে মাঝে মধ্যে। আমাকে একটা করে ফ্রেশ মেয়ে দিতে হবে প্রতি রাতের জন্য। এর জন্য আলাদা বকশিশ পাবে। আমার পরে চাইলে তুমিও ওর সাথে কাটাতে পারো। আদারওয়াইজ তুমি এখন আমাদেরই লোক। দালালরা যাদের ধরে আনছে তারা ফ্রেশ না। অনেকে তো পাগল টাগলও সাপ্লাই দিচ্ছে। আমি অত খারাপ রুচির মানুষ না। আমার আরও ফ্রেশ দরকার। আমি নিজেও খুব ফ্রেশ মানুষ। আমার সাথে থাকলেই বুঝতে পারবে।’

’এখন বলো তুমি রাজী? যদিও এ প্রশ্ন তোমাকে করা অর্থহীন। কারণ তুমি রাজী না হলেও কাজ করতেই হবে। তোমার পরিবার আমাদের বন্দুকের নলের সামনে দাড়িয়ে। কোনো রকম গাঁইগুই করবে না।’
’আমি দোভাষীর কাজ করতে রাজী। কিন্তু ঐ মেয়ের ব্যাপার থেকে বাদ দিতে হবে।’

আচ্ছা এখন যাও। পরে দেখা যাবে। ফয়সাল মেজরের সামনে থেকে বেরিয়ে আসে। তাকে অন্য একটি রুমে নেওয়া হয়। এখানেই তার থাকার জায়গা করা হয়েছে। এটা একটা স্কুল ঘর। তাকে যে রুমে রাখা হয়েছে সেটি ক্লাস নাইনের বিজ্ঞান বিভাগের রুম। ফয়সাল এই ক্লাসেই ক্লাস করেছে। ফয়সালের গ্রামের নাম চিত্রাপুর। গ্রামের পাশ দিয়ে চিত্রা নদী বয়ে গেছে। নদীর নাম থেকেই গ্রামের নাম। ফয়সালের বাড়ি চিত্রা নদীর পাড়ে। এই স্কুলের নাম চিত্রাপুর উচ্চ বিদ্যালয়। এই স্কুলের হেডমাষ্টার সাধু নারায়ণ বাবুকে গ্রামের ঢোকার দিনই স্কুলেই গুলি করে মেরেছে। সেই সাথে স্কুলের হেডপন্ডিতকেও মেরেছে। ছাত্রছাত্রী ছিল না অনেক আগে থেকেই। কয়েকজন পুরাতন শিক্ষক আবেগ প্রবণ হয়ে স্কুলে এসে সময় কাটাতেন। হেডমাষ্টারের এ বছরই অবসর নেওয়ার কথা ছিল। অনেকেই বলেছিল ওপার চলে যেতে। হেডমাষ্টার সাহবের এক কথা, নিজের দেশ রেখে সে কোথাও যাবে না। অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে এই রুমের সাথে। ওর ঘনিষ্ট বন্ধু মিজান,শহীদ,শাবু আর হিরেনের মধ্যে কেবল মিজান এখনো গ্রামেই আছে। বাকিরা মুক্তিযুদ্ধে গেছে। ফয়সালেরও কিছুদিনের মধ্যেই যাওয়ার কথা। মাঝে অসুস্থ হওয়ায় যাওয়া হয়নি। ওকে দিয়ে পাকিস্তানীদের খবরাখবর সংগ্রহ করার কথা ছিল। এর মধ্যেই ওকে ধরে আনে। ফয়সাল দোভাষির কাজ করে যেতে লাগলো। যাদের ধরে এনে ক্যাম্পে নির্যাতন করা হতো তাদের সামনে দাঁড় করিয়ে রাখা হতো। এটা ছিল ফয়সালের জন্য জঘণ্য মানসিক নির্যাতন। একটা কাটারি মতো ধারালো অস্ত্র নিয়ে একজন দাড়িয়ে থাকতো। মেজরের ইশারা পেলেই একটা লোহার বাক্সে হাত ঢুকিয়ে এক কোপে কেটে ফেলা হতো। সেই সময় বন্দী যে তীব্র গগন বিদারী চিৎকার দিতো সেই চিৎকার দিন-রাত ফয়সালের কানে বাজতো। ওর ধারণা ওকে মানসিকভাবে নির্যাতন করার জন্যই এটা করতো। ওর সামনেই গ্রাম থেকে মেয়েদের এনে নির্যাতন করা হতো। ফয়সালের কিছুই করার ছিল না। গোপনে পালানোর সুযোগ খুঁজছিল। সেদিন রাতে ফয়সালকে ডেকে পাঠালো মেজর।

’হ্যালো ইয়ং ম্যান। হাউ আর ইউ?’
ফয়সাল কিছু না বলে চুপ করে থাকলো।
’তুমি শুধু প্রতিদিন মেয়েদের সাথে আমি কি করি সেটা দ্যাখো। আজ নিজেও আমার সাথে থাকতে হবে। তুমি স্বেচ্ছায় থাকবে না জানি। কিন্তু তোমাকে থাকতে হবে। কিছু না করো দেখবে। বসে বসে দেখবে। মজা পাবে। আর না হলে কি হবে সেটাও জানো। তোমার হাতের আঙুলগুলো নিশ্চয়ই হারাতে চাও না। ফয়সাল চুপ করে থাকে। ও বোঝার চেষ্টা করছে ঠিক কি ঘটতে যাচ্ছে। খারাপ কিছু যে ঘটছে সেটা বুঝতে পারছে কিন্তু সেটা কি সেটা বুঝতে পারছে না। কিন্তু কতটা খারাপ তা বুঝতে পারলো একটু পরে। ওরা ফয়সালের বোন অরুকে ধরে এনেছে। অরুকে চেনা যাচ্ছে না। মনে হয় মারধর করেছে। ভালোভাবে তাকাতেও পারছে না। মুখ ফুলে আছে। ফয়সালের দিকে তাকাতেই চমকে ওঠে। তারপর মুখ নামিযে নেয়। ডুকরে কেঁদে ওঠে। সেই কান্নার শব্দ বের হয় না। ফয়সালের মুখের অবস্থা দেখেই মেজর বলে উঠলো, আমি জানি তুমি কি ভাবছো? কিন্তু তুমি কিছুই করতে পারবে না। আমি তোমাকে দোভাষির কাজ ছাড়াও একটা দায়িত্ব দিয়েছিলাম কিন্তু তুমি তা পালন করোনি। বলতে পারো তার শাস্তিস্বরুপ তোমার বোনকে এখানে আনা হয়েছে। এতদিন যাদের রেপ করেছি তাদের আর কেউ পাশে ছিল না। আমি দেখতে চাইছি যদি তারা সামনে থাকে তখন কি অনুভূতি হয়। বলেই মেজর হাসতে থাকে। তখন তাকে হায়েনার মতো দেখায়। ফয়সাল একদলা থু থু ফেলে। থু থু ফেলে লাভ নেই মিষ্টার ফয়সাল। তার আগে আমরা একসাথে ড্রিংকস করবো। সেই মদের গ্লাস সার্ভ করবে তুমি। আপত্তি আছে? ফয়সাল আপত্তি করে না। আপত্তি করার সুযোগও নেই। ফয়সাল মদের গ্লাস আনতে চলে যায়। এটাই সুযোগ অরুকে বাঁচানোর। তারপর মেজরের সাথে ড্রিংকস করতে বসে। মদ খাওয়া শেষে শেষ হলে দু’জন সৈনিককে ফয়সালকে চেয়ারে বেঁধে ফেলতে নির্দেশ দেয় মেজর। ওরা ফয়সালকে বেঁধে দেয়। অরুকে ছেড়ে ওরা বাইরে বেরিয়ে যায়। মেজর অরুর দিকে এগিয়ে আসতে থাকে।

’মেজর শওকত?’
ফয়সালের ডাকে চমকে ওঠে মেজর। ঘুরে তাকায়। ফয়সাল হাসতে থাকে। মেজর অবাক চোখে ফয়সালের দিকে তাকিয়ে থাকে।
’শোনো মেজর। তুমি চাইলেও আমার বোনের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। শুধু অরুর না, তুমি কোনোদিন কোনো মেয়েকেই ছুঁতে পারবে না। কারণ একটু আগে তোমাদের জন্য যে মদের গ্লাস এনেছিলাম তার ভেতর বিষ মেশানো ছিল। আমাকে ধরে আনার দিনই আমি সাথে এনেছিলাম তোমাকে খাওয়াবো বলে। কিন্তু এতদিন সুযোগ পাইনি। আজ যখন আমার হাতে মদ খেতে চাইলে তখনই সেটা কাজে লাগিয়েছি। একেবারে মোক্ষম সময়! কি বলো? বাইরে সবাই ইতিমধ্যেই বিষের যন্ত্রণায় ছটফট করার কথা। মেজর কিছু একটা বলতে গিয়ে টেবিলের ওপর পরে যায়।’
বাইরে তখন রাত নেমেছে। কিন্তু ওদের পথ চলতে অসুবিধা হয় না। কারণ বাইরে আজ আকাশ ভেঙে জোৎস্না নেমেছে। চিত্রার পাড় দিয়ে দু’জন হেঁটে চলেছে। সেই জোৎস্নায় সমুদ্র ভেঙে দুই ভাইবোন বাড়ির দিকে এগিয়ে যায়।

শিক্ষক ও প্রাবন্ধিক, পাবনা

 

ডিএসএস/

 





Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী