বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ফিনল্যান্ডের মানুষরা সবচেয়ে সুখী কেন?

বহু বছর ধরে জাতিসংঘের সবচেয়ে সুখী দেশ ফিনল্যান্ড। কেন? তারা কীভাবে লাভ করেন? সুখই বা কী-লিখেছেন আহমেদ সজীব

ব্যাকুল সুখের লাগি

সুখ কী? জীবনমুখী আলোচনায় এ এক প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন। এমন এক বিমূর্ত ও সারাজীবনের সাধনা; যাকে মুখের কোনো ভাষায় বা পাতায় লিখে দেওয়া কোনো শব্দে প্রকাশ করা যায় না। কোনো পরম বা অ্যাবসুলেট সংজ্ঞাও নেই। এ যে এক পরম পাওয়া। তবে আমি বলি সুখ একটি আপেক্ষিক বিষয় কী ঘটনা বা মনের বিশেষ কোনো অবস্থা। সুখ আসলে ব্যক্তিনিভর। একেকজনের কাছে একেক রকম। শব্দের অর্থ মিলিয়ে সুখের ধারণা দেওয়া গেলে বলতে হয়Ñসুখ আমাদের মনের সন্তুষ্ট; অন্য কোনোকিছুতে বিক্ষিপ্ত না হওয়া বিরল অবস্থা। নানা কারণে, বিভিন্নভাবে আমরা সবাই সুখী হই। বাংলাদেশের এত পরিশ্রমী জনগোষ্ঠী-যারা এত ব্যাকুল সুখের লাগি; তাও কেন সুখের দেখা পান না?

ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস

ফিনল্যান্ডের মানুষ জাতিসংঘের সুখের বৈশ্বিক সূচকে প্রথম স্থান দখল করে রয়েছেন দিব্যি। ফিনিশীয়দের সুখী হওয়ার গোপন রহস্য কী? পাশাপাশি আমাদের দক্ষিণ এশিয়ার ছোট্ট দেশটি ভুটান, যারা মোট দেশজ সুখের মাধ্যমে জাতীয় উন্নতির বিস্ময়কর হিসেবটি করেন; তারা কেন সুখী দেশের তালিকায় প্রথমে নেই? তাহলে তো জটিল মনে প্রশ্ন ভাসে-বৈশ্বিক সুখ বা ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস বলতে আদতে কিছু আছে কি?

জাতিসংঘ বলছে

জাতিসংঘের সুখের পরিমাপক নীতিতে পযাপ্ত সামাজিক সুযোগ-সুবিধাগুলো; ব্যক্তি, সমাজ ও দেশের সামাজিক উদারতা, মানুষের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, গড় আয়ু, দেশের গড় জিডিপি ও দুর্নীতির মাত্রা স্ট্যান্ডার্ড বা সূচক হিসেবে কাজ করে। সূচকগুলো নিয়ে করা তালিকার প্রথম দেশটি ফিনল্যান্ড। তাদের আর্থসামাজিক, রাজনৈতিক অবস্থা, দেশবাসীর সামাজিক-মনস্তাত্বিক পরিস্থিতিও অন্য সব দেশের চেয়ে ওপরে। দেশে সরকার জনগনকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রদান করতে পারেন, উন্নয়নের যেকোনো বাধায় জনতাও রক্ষাকর্তার ভূমিকা পালন করেন। তবে দেশটির কর্মক্ষম জনসংখ্যার ৪০ ভাগেরও বেশি বয়স্ক। তারপরও সব বয়সের মানুষের চমৎকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমবায় ব্যবস্থাটি বিদ্যমান আছে।

অসাধারণ শিক্ষাব্যবস্থা

ফিনল্যান্ডে শিশুদের লালন ও পালনে এতই গুরুত্ব দেওয়া হয় যে, ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকে কমপক্ষে তিনটি মাস বাবা ও মায়ের সান্নিধ্যে থাকতে পারে। তখন সরকার ওই পরিবারের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব পালন করেন। ফিনল্যান্ডের অনবদ্য শিক্ষাব্যবস্থাটি সম্বন্ধে সচেতন নাগরিক সমাজের কে অবগত নন? ফিনিশদের ব্যক্তিসত্তার মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে ‘সিসু’। ফিনিশিয় সিসু ধারণাটির মানে হলো, ব্যক্তি অভিযোগহীনভাবে দু:খ ও যন্ত্রণা সইতে পারেন; তার চরিত্রটি হয় দৃঢ়, নাছোড়বান্দার মতো জীবনের লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য পূরণের জন্য সারাজীবন লেগে থাকেন, তার ভেতরে সাহস আছে, সহিষ্ণুতার গুণাবলী রয়েছে, তিনি প্রাণোচ্ছল, জীবনকে আবার ফিরিয়ে আসতে পারেন, তার সহ্যশক্তি রয়েছে। এই সিসু ধারণাটিকে ফিনিশরা তাদের জাতীয় চরিত্র বলে জানান। নানা ধরণের সিসু স্কুল আছে, সিসু পরিবেশ বিদ্যালয় রয়েছে; আছে বইও। ফলে জাতিগতভাবেও তারা প্রতিটি যুক্তিসঙ্গত লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ।

জীবনযাপনে তারা

জীবনযাপনের পারস্পরিক যোগাযোগে টুকটাক কথাবার্তাও খুব কম বলেন ফিনল্যান্ডের মানুষজন। এমনকি তারা ধন্যবাদ বা স্বাগতমের মতো ছোট্ট কথাটিও প্রায় বলেন না। এই নয় যে, তারা বিনয়ী নয়। যথেষ্ট দিলখোলা, আন্তরিক। আসলে নীরবতা তাদের সাধারণ আচরণবিধি। আলোচনা, আড্ডার মাঝে হুট করে চুপ করে যাওয়া দেশটিতে সংস্কৃতির সাধারণ মিল।

জীবনযাপনে সবাই

মানুষরা খুব পরিশ্রমী। বছরজুড়ে পরিশ্রমের ফলে বার্ষিক ছুটির ব্যবস্থা আছে এই দেশে। তারপরও মাথাপিছু আয়ে ইউরোপের অন্য অনেক দেশ থেকে পিছিয়ে আছেন। এরপরও যা কামান গড়ে প্রতিটি নাগরিক, দেশের বিচারেও জীবনযাপনের জন্য পর্যাপ্ত। একেবারে সামান্য, সাধারণ ফিনল্যান্ডের নাগরিকও আয়ব্যয়ের চিন্তায় জীবনকে দুশ্চিন্তামুক্ত যাপনে বরাবর প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। এই দেশের মানুষের প্রায় সকলের সামাজিক পরিচয় এক আছে। ‘পরিবার-বন্ধু-কর্ম-শিক্ষা’ এই পরিচিতির ভালো ও মন্দের নির্ধারক। তারপরও শ্রেণীবৈষম্য এবং শ্রেণী সংঘাত এবং সংগ্রাম থাবা মেরেছে ইউরোপের ওই ভুবনে। নিজেদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মানবোধও আছে প্রবলভাবে। নতুন কারো সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে মানুষরা খুব সতর্ক থাকেন। সাউনা নামের একটি সাধারণ জায়গায় তারা বন্ধু ও পরিবারের সাথে সময় কাটান। এটির আরেক নাম সুডাটরি। একটি ছোট্ট ঘর বা ছোট ভবন যেখানে বৃষ্টিহীন বা বৃষ্টিময় কী উত্তাপের দিনগুলোকে উপভোগ করেন। এখানে একটি বা এমন অনেকগুলো সুবিধাকে ভোগ করার ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। বাস্পীয় ইঞ্জিন ও উচ্চমাত্রার উত্তাপ দিয়ে অবগাহনকারীকে স্বগীয় সুখ প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়। একটি তাপমানযন্ত্র ঐতিহ্যগতভাবে প্রতীক হিসেবে তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য ব্যবহার করা হয়। আ‌‌দ্রতা মাপার জন্যও থাকে একটি হাইগ্রোমিটার বা আদ্রতামাপক যন্ত্র। এটি বাস্পের বা আদ্রতার পরিমাপ করে। ইনফ্রারেড থেরাপি প্রায়ই এক ধরণের সুনাতে ব্যবহারের মতবাদ আছে। তবে ফিনিশ সুনা প্রতিষ্ঠানগুলোর মতে, এটি একটি সুনা নয়। বরফে ঢাকা দেশের মানুষের কাছে সুনা অমূল্য।

ব্যক্তিগতভাবে

ব্যক্তিজীবনেও পরিবার, বন্ধু তাদের কাছে বেশ জরুরি। সামাজিক দায়, দায়িত্ব সুনাগরিকের মতই পালন করেন তারা বহুকালের ঐতিহ্যে। শীতপ্রধান দেশটি নির্জনতাপ্রিয়। ফিনিশরা সাধারণত নিজেদের চাওয়া, পাওয়া, অভাব, অভিযোগ, চাহিদা ও যোগান সম্বন্ধে খুব ভালোভাবে জানেন। ছোটকাল থেকে এই দেশের শিশুদের, যেটি বিশ্বের সেরা শিক্ষাব্যবস্থা; সেখানে যেটুকু প্রয়োজন, তার চেয়ে বেশি না চাওয়ার শিক্ষা প্রদান করা হয়। লোভী না হওয়ার মানুষের আদিম শিক্ষা তাদের মজ্জাগত হয়ে যায়। শতভাগ শিক্ষিত দেশটিতে শিক্ষকদের সম্মান সবচেয়ে বেশি, আয়ও। ফলে যেকোনো ধরণের বৈষম্য, সেটি ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয়-যাই হোক না কেন; দেশের অন্যতম সামাজিক উদ্বেগে ও পরে রাষ্ট্রীয় সংকটে পরিণত হয়ে থাকে। সব দিক-সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, মানসিক ভারসাম্য ইত্যাদি ফিনিশীয়দের সবচেয়ে সুখী করে তোলে। তাদের দেশে সুখ হলো ইতিবাচক আবেগীয়, উন্নতির চলমান অবস্থা।

ওএস/২৭-১-২০২২।

 

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী