শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

পদ্মা পাড়ের অজানায়

বাংলাদেশের বিখ্যাত ভ্রমণবিদ ও দে-ছুট ভ্রমণ সংঘের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ জাভেদ হাকিম নিয়ে গেলেন কোথায়? সেই কাহিনীর ছবিও তাদের দেওয়া।

পরের দিন শুক্রবার মানেই আমার ও আমাদের কজনের বৃহস্পতিবার রাতের ঘুম হারাম। রাতভর এপাশ, ওপাশ করতে, করতেই ভোর চারটা থেকে সাড়ে চারটার মধ্যে, দে-ছুট ভ্রমণ সংঘ’র জসিম, হানিফের ফোন চলে আসে। অমনি বিছানা ছেড়ে দিতে হয়, শুরু হয়ে যায় বেরুবার হবার কসরত।

তেমন এক শুক্রবার। মটর বাইকে নবনির্মিত সিঙ্গাইর সড়ক ধরে মিতরা, ঝিটকা পেরিয়ে হরিরামপুর উপজেলার আন্ধারমানিক, নৌঘাট। নতুন সড়কের বর্ণনা না দিলেই নয়। ধল্লা ব্রিজ পার হবার পর হতেই নয়নে আটকাতে থাকবে পথের দুধারের নৈসর্গিক সব প্রাকৃতিক দৃশ্য। আনমনেই গেয়ে উঠবেন গান।

মানিকগঞ্জ যাবার নতুন সড়কটিতে, এখনো ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল তেমন চোখে পড়েনি। ঘাটে বসে চায়ের কাপে চুমুক দিতে, দিতে যাত্রীবাহী ট্রলার ছাড়ার সময় হয়ে গেল। চা দোকানদারকে অনুরোধ করে, তার দোকানের পাশেই বাইক রেখে ট্রলারে চড়লাম।

ঢেউ তোলা আষাঢ়ে, প্রমত্তা পদ্মা নদী। ঝলমলে তপ্ত রোদে ছাউনিহীন ট্রলার আমাদের। কিছুক্ষণ চলার পর, আকাশে কালোমেঘের ঘনঘটা এলো। হঠাৎ তুফান ছাড়লে কী হতে পারে, সেদিকে খেয়াল নেই আমাদের কারো। রোদের ঝাঁঝ কমে যাওয়ায় আবার মহা খুশী সবাই। আসলে পাহাড়-সমুদ্রে অ্যাডভেঞ্জার করা দে-ছুটের দামালেরা পদ্মাকে নিয়ে ভাবলো না। পৌনে একঘন্টা পর ট্রলার ভিড়ল লেছড়াগঞ্জ ঘাটে। যাত্রী দেখে ভাড়ায় খাটা বাইকারদের হাঁক, ডাক শুরু হয়ে গেল। আমাদের ভ্রুক্ষেপ নেই। হাঁটতে শুরু করলাম।

সবুজে ঘেরা মেঠো পথ। খানিকটা দূরেই একজনের নেটের মত ব্যাগে, কিছু একটা দেখতে পেয়ে থামালাম তাকে। ব্যাগ খুলে দেখতেই, সাপের মত কিছু একটা। উৎসাহে জিজ্ঞাসা করতেই বলল, এ বাউস মাছ। সর্প আকৃতির বিশাল মাছটি হাতে নিয়ে, ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিতে হলো। প্রচুর লাইক-কমেন্ট এল। বিভিন্ন জনের নানান মন্তব্যের মাধ্যমে জানা গেল, সচারচর ধারা পড়ে না। খেতে নাকি দারুণ স্বাদ।

গ্রামের দিকে আমরা এগুচ্ছি। চোখে পড়ল ভুট্টা ক্ষেত। নয়নাভিরাম সব দৃশ্য। কৃষক-কৃষাণী সমানতালে গাছ থেকে ছিঁড়ে ভুট্টা জমা করছেন। তাদের সঙ্গে আমরাও যোগ দিয়ে, অন্যরকম অভিজ্ঞতা অর্জন করলাম। ভ্রমণ মানেই হলো বিনোদন ও যাপিতজীবনের শিক্ষা।

লেছড়াগঞ্জ চরের ভেতরে পাটগ্রামের দিকে যেতে, যেতে বাজার পেরিয়ে নদীর ধার। তীর, আশপাশ আর স্বচ্ছ্ব জল দেখে সেখানেই বসে পড়লাম। মানিকগঞ্জের বন্ধু মেহেদীকে ফোন দিয়ে, নদীর নাম জিজ্ঞাসা করতেই জানাল, ‘এ হলো ইছামতী’। যে যার মত, দ্রুত হ্যামোক টানিয়ে, পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়লাম। বিভূতিভূষণের নদীতে কত মজা। ফিরে গিয়েছিলাম আমি সেই শৈশবে, টলটলে বুড়িগঙ্গা নদীর জলে। ডুব সাঁতার, উল্টো সাঁতারসহ ইচ্ছে মতো ইছামতীতে দাপাদাপি। এরপর ছুটলাম জুম্মা আদায়ে। নামাজ শেষে হেঁটে, ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়নের গ্রামগুলো ঘুরে, ঘুরে দেখলাম। পুরো চর জুড়ে ভুট্টার বাম্পার পলন। প্রচুর গাছগাছালিতে নানান পাখির কলতান। তাল গাছগুলোতে সারি, সারি বাবুই পাখির বাসা। এত, এত বাসা সাধারণত আজকাল কোথাও তেমন চোখে পড়ে না। চরের বাসিন্দারা বেশ বন্ধুবৎসল। রয়েছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বসতঘর।

সাধারণ বর্ষায় লেছড়াগঞ্জের জমি বরাবর নদীর পানি থাকে ছুঁই, ছুঁই কিন্তু বন্যা হলে চরের বাসিন্দাদের সরে যেতে হয়। নির্ভুল তথ্যের জন্য দায়িত্বশীল কাউকে না পাওয়ায়, চরের আয়তন ও জনসংখ্যা জানা হয়নি। যেটুকুন জেনেছি, প্রতি বছরই পদ্মায় লেছড়াগঞ্জর চর একপাশে বিলীন হয়ে যায়। আরেক পাশে জমি জেগে ওঠে, তারা চলে যান। সঠিক আয়তন তাই রেকর্ড করা যায় না। এ কূল ভাঙে, ও কূল গড়ে-এই তো নদীর খেলা। নদীভাঙন এলাকার মানুষের মুখে, মুখে, কষ্টের বুলি যুগ, যুগান্তর চলে আসছে। বিদ্যুৎবিহীন নিঝুম চরাঞ্চলের নয়নাভিরাম নৈসর্গিক দৃশ্য দেখতে, দেখতে বেলা গড়াল অনেক। তাই আর দেরী না করে, নাড়ির টানে ফিরতি ট্রলার ধরতে হলো।

যোগাযোগ : ঢাকার গাবতলী বাস টার্মিনাল হতে বিভিন্ন পরিবহনের বাস মানিকগঞ্জ রুটে চলাচল করে থাকে। মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার লেছড়াগঞ্জ যাবার জন্য মটর বাইকাররাও আছেন। ঢাকা হতে সাভারের হেমায়েতপুর হয়ে সিঙ্গাইর-ঝিটকা সড়কে হরিরামপুরের আন্ধারমানিক বাজার। সেখান থেকে প্রতি ঘন্টায় ট্রলার ছেড়ে যায় লেছড়াগঞ্জ ঘাট। মটরবাইকে, ঘোড়ার গাড়িতে পাটগ্রাম। তবে হেঁটে যাবার আনন্দ ভ্রমণে ভিন্ন মাত্রা যোগ হবে।
খাবার-দাবার : লেছড়াগঞ্জ মানিকগঞ্জ জেলার অন্তর্গত হলেও জায়গাটা দুর্গম, চরাঞ্চল। শুকনো খাবার সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে।
বাস ও ট্রলার ভাড়া : ভাড়া চড়ার আগেই জায়গায় নির্ধারণ করে নিতে হবে।
সতর্কতা : প্রমত্তা পদ্মা নদী পারি দিতে হয় বলে সাঁতার জানতে হবে ও অবশ্যই লাইফ জ্যাকেট। নিজ নিরাপত্তা সবসময় মাথায় রাখুন। ভ্রমণ পরিকল্পণার পূর্বে সবসময় নিজের সীমাবদ্ধতা যাচাই করে নিন।
ডালি : লেছড়াগঞ্জ, পাটগ্রাম সবই সব মৌসুমে তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ডালি মেলে ধরে থাকে।

ওএফএস।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা