শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

‘হিজড়াদের টেকসই উন্নয়নে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ’

সমাজের পিছিয়ে পড়া হিজড়া সম্প্রদায়কে মূল ধারায় ফিরিয়ে আনতে সমাজসেবা অধিদপ্তর রংপুরে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তবে হিজড়াদের টেকসই উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি পর্যায় থেকে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ ব্যাপারে সমন্বিত উদ্যোগ ও সুর্নিদিষ্ট স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না থাকায় সরকারি উদ্যোগের ইতিবাচক সুফল পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ হিজড়াদের। ফলে কর্মহীন হিজড়া জনগোষ্ঠীর একটি অংশ সমাজে প্রতিনিয়ত উশৃঙ্খল জীবনযাপন করছেন। এ ছাড়া তাদের কিছু কার্যক্রমে সাধারণ মানুষও অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে এবং তাদের প্রতি বিরূপ মনোভাব পোষণ করছে।

এদিকে পিছিয়ে পড়া এ হিজড়াদের জীবনমান উন্নয়নে সমাজসেবা অধিদপ্তর এরই মধ্যে রংপুর জেলার ৮ উপজেলায় জরিপ চালিয়ে ৩৭০ জন হিজড়াকে তালিকাভুক্ত করেছে। তালিকাভুক্তদের মধ্য থেকে রংপুর সিটি করপোরেশন এলাকাসহ সাত উপজেলার মোট ১৫০ জন হিজড়াকে বাছাই করে তাদের কর্মসংস্থানের জন্য ২০১৮ সাল পর্যন্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে। এর মধ্যে সেলাই, কম্পিউটার, বিউটিফিকেশন ও রান্নাসহ হাতের কাজের কারিগরী প্রশিক্ষণ ছিল। তিন মাস মেয়াদি এ প্রশিক্ষণ শেষে এদের প্রত্যেককে কর্মসংস্থানের জন্য ১০ হাজার টাকা করে এককালীন আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হয়। এ কর্মসূীচর আওতায় এরই মধ্যে ১৫/২০ জন হিজড়া স্বাবলম্বী হয়েছেন বলওে জানা গেছে। তবে এদের অধিকাংশই এখন রয়েছেন কর্মহীন। ফলে ভিক্ষাবৃত্তি ও চাঁদা তোলাই জীবন-জীবিকার সম্বল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হিজড়াদের একটি অংশ দল বেঁধে বিভিন্ন সড়কের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়, বাসা-বাড়ি, যানবাহন, যাত্রীবাহী বাস ও ট্রেন এবং বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে জোর করে চাঁদা আদায় করে জনজীবন অতিষ্ঠ করে তুলছে। শুধু তাই নয় স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী বিশেষ করে ছাত্রী, নারী পথচারীসহ নিরীহ পথচারীদের সঙ্গে এরা নানা ধরনের অশ্লীল আচরণ করে। এসব অস্বস্তিকর পরিবেশ প্রতিরোধে সমাজসেবা অধিদপ্তর, জেলা ও পুলিশ প্রশাসন অনেকটাই নির্বিকার।

সরেজমিন অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা গেছে, রংপুর মহানগরীর প্রবেশদ্বার মর্ডান মোড়, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মোড়, বাংলাদেশ ব্যাংক মোড়, মাহিগঞ্জ সাত মাথা মোড়, নববাগঞ্জ বাজার, সিটি বাজার, কাচারীবাজার এলাকাসহ মহানগরী এবং জেলা-উপজেলার বিভিন্ন স্থানে হিজড়া সম্প্রদায়ের একটি অংশ দল বেঁধে এ ধরনের চাঁদাবাজি নির্বিঘ্নে চালিয়ে আসছে।

সম্প্রতি নগরীর কামাড়পাড়া এলাকায় এক বাসায় প্রবেশ করে হিজড়ার দল শিরিন বেগম নামে এক গৃহবধূকে তার শিশু সন্তানসহ জিম্মি করে ১০ হাজার টাকা দাবি করে। শেষে কিছু টাকা দিয়ে পরিবারটি ওই যাত্রায় রক্ষা পায়। এ চিত্র প্রায় সর্বত্র বিরাজ করছে।
এ ব্যাপারে রংপুর জেলা সমাজসেবা অধিপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল মতিন বলেন, রংপুর নগরীর বিভিন্ন স্থানে উত্ত্যক্ত করা হিজড়ারা ভিন্ন এলাকা থেকে আসা ও বহিরাগত। এরা রংপুর জেলার বাসিন্দা নয়। হিজড়াদে প্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে এদের কাউন্সিলিং করে এসব বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে রংপুর জেলা হিজরা নেতা আনোয়ারুল ইসলাম রানা জানালেন ভিন্ন কথা। তার ভাষায় এরা রংপুরেরই সন্তান। তবে ক্ষুধা নিবারণের জন্য এসব করে। আমরা এসব আচরণ না করার জন্য পরামর্শ দেই। তবে জীবন চালানর কাজ পেলে এসব বন্ধ হবে।

রংপুর জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর জানায়, হিজড়াদের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নরত হিজড়াদের শিক্ষা সহায়তা ভাতা দেওয়া হচ্ছে। এরমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জনপ্রতি ৭০০ টাকা, মাধ্যমিক শিক্ষার্থী ৮০০ টাকা, উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থী ১ হাজার ১০০ টাকা এবং উচ্চতর শিক্ষার্থীদের ১ হাজার ২০০ টাকা হারে প্রতি মাসে উপবৃত্তি দেওয়া হয়। এ কর্মসূচির আওতায় রংপুর সিটি করপোরেশন এলাকায় ছয়জন এবং মিঠাপুকুর উপজেলায় তিনজন হিজড়া শিক্ষার্থী শিক্ষা সহায়তা ভাতা পাচ্ছে। এ ছাড়া ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সের অক্ষম ও অসচ্ছল হিজড়াদের বিশেষ বয়স্ক ভাতা কর্মসূচির আওতায় জনপ্রতি মাসে ৬০০ টাকা হারে রংপুর সিটি করপোরেশন এলাকায় দুইজন, পীরগঞ্জ উপজেলায় ১১ জন, মিঠাপুকুর উপজেলায় ১০ জন ও বদরগঞ্জ উপজেলায় একজনসহ রংপুর মহানগর এবং জেলায় মোট ৩৩ জন হিজড়াকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনি কর্মসূচির আওতায় মাসিক ভাতা দেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে হিজড়াদের সংগঠন ”ন্যায় অধিকার তৃতীয় লিঙ্গ উন্নয়ন সংস্থা”, রংপুরের সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম রানা জানান, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ সর্বপ্রথম নিজ বাসা থেকেই নিগৃহীত হন। এরাও যে মানুষ তা বোঝাতে যুদ্ধ করতে হয়। কেবল মা ছাড়া আর কেউ এদের স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারেন না। পরিবারের অন্য সদস্যদের কথিত ’পারিবারিক ভবিষ্যৎ নিরাপদ’ পরিবেশের স্বার্থেই তারা যেন এমন বঞ্চনার শিকার।

রংপুর চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট মোস্তফা সোহরাব চৌধুরী টিটু হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন বিষয়ে বলেন, সমাজসেবা অধিদপ্তর এবং বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসায় হিজড়া সম্প্রদায় আগের থেকে কিছুটা সুশৃঙ্খল। তবে এদের শারীরিক কাঠামো অনুপাতে উপযোগী কর্মসংস্থানের মতো পরিবেশ ও সুযোগ এখনো রংপুরে গড়ে ওঠেনি। এদের জন্য গার্মেন্টস শিল্পের মতো বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন। এজন্য সরকারি সহায়তায় সমাজসেবা অধিদপ্তরকে এগিয়ে আসতে হবে। তাদের সবাইকে সরকারি ভাতার আওতায় এনে ভাতার পরিমাণ জীবন চলার উপযোগী করে বাড়ানো উচিৎ। সেই সঙ্গে সরকারের আবাসন প্রকল্পের মাধ্যমে এদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন বলেন, এদের পুনর্বাসন ও মোটভিশনের বিষয় নিয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরের সঙ্গে আমরা বসেছি। সরকারও সাধ্য মতো চেষ্টা করছে। হিজড়াদের চাদাঁ তোলা বন্ধে বিভিন্ন পয়েন্টে মাঝে মাঝে ব্যবস্থাও নেওয়া হয়। কখনো বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হয় তবে এসব নিয়ন্ত্রণে আমরা কাজ করছি।

এসএন

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা