শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ৯ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

মেট্রোরেল স্টেশনে ময়লা-আবর্জনা নিয়ে তীব্র সমালোচনা

ছবি: সংগৃহীত

মেট্রোরেলে চলাচলকারী যাত্রীদের কর্মকাণ্ড দেখে অনেকেই বিব্রত ও বাকরুদ্ধ হচ্ছেন। সম্প্রতি মেট্রোরেল স্টেশনের ভেতরে যেখানে-সেখানে ব্যবহৃত পানির বোতল, টিস্যু, পলিথিনের ব্যাগ, ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখা হচ্ছে। দিন পেরিয়ে রাত হলেও ক্লিনারের দেখা নেই। যাত্রীদের কেউ কেউ খোঁজ করেও কোনো ক্লিনারও পাননি। এক দিকে অসেচতন কিছু যাত্রীদের বদ অভ্যাস অপরদিকে কর্তৃপক্ষের খাম খেয়ালী।এক যাত্রীর এরকম অভিযোগের জেরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে তীব্র সমালোচনা।

কেউ কেউ বলছেন, আমাদের জাত চেনানো শুরু হয়ে গেলো। এই ভয়টাই ছিলো, সেটাই আজ দেখলাম। কেউ কেউ আবার বলছেন, এইটা কি ময়লা ফেলার জায়গা? ক্লিনারের চেয়ে খোঁজ করা দরকার যারা ময়লা ফেলেছে ওদের।

ফেসবুকের মেট্রোরেলের একটি কমিউনিটি গ্রুপে স্টেশনের ভেতরে ময়লা আবর্জনার ছবি পোস্ট করে নাজমুল ইসলাম ফাহিম নামক এক যাত্রী লিখেছেন, 'আমাদের জাত চেনানো শুরু হয়ে গেলো। এই ভয়টাই ছিলো, সেটাই আজ দেখলাম। ধরে নিলাম ইজতেমার লোকজনের প্রচুর চাপ ছিলো আজ কিন্তু সেটা তো দুপুরের পরে শিথিল হয়েছে আর এই ছবিটা রাত ৮টার দিকের। যতদূর জানি এয়ারপোর্টে যে কোম্পানি ক্লিনিং এর কাজ করে তারাই মেট্রোর ক্লিনিং এর ঠিকাদারী পেয়েছে। আজ একজন ক্লিনারকেও দেখলাম না। আমি ডেকে দেখাতে চেয়েছিলাম।'

ফাহিম আরও লিখেছেন, 'দেখে নিজেকে খুব অসহায় মনে হয়েছে। তবে এ নিয়ে কারো কোনো ভ্রুক্ষেপ ছিলো বলে মনে হয় না। কবে যেন দেখবো রাজনৈতিক পোস্টারে ভরে উঠবে প্লাটফর্ম। সেদিন এটা বলেছিলাম এক ভাই বললো কখনোই হবে না এমন। আমি নিজে দেখেছি পদ্মা সেতুর সংযোগ এত সুন্দর সড়কে রাজনৈতিক পোস্টারে ভরা। এমনকি দুই রোডের মাঝে ডিভাইডারের ওপরও বাঁশের চাটাই দিয়ে পোস্টার লাগানো।'

সেখানে মাহমুদুল হাসান শাফিন নামের এক যাত্রী কমেন্ট করেছেন, 'তখন কি জাত ধরে রাখার মতো কেউ ছিলো না। একজনও কি বোতল ফালানোর সময় বলতে পারলো না বা ডাস্টবিন দেখিয়ে দিতে পারলো না।'

রংধনু নামের একজন লিখেছেন, 'এটা আমাদের জাতের দোষ। সবসময় আমরা পারি দোষ অন্যের ঘারে চাপাতে। কেন ক্লিনারের দোষ দিচ্ছেন। এইটা কি ময়লা ফেলার জায়গা। ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট কোন জায়গা কি ছিল না নাকি। এই দেশ উন্নতের দিকে দাবিত হলে কি হবে আমাদের মানসিকতা কোন দিন উন্নত হবে না। আপনি জানেন কি অনেক দেশ এর মেট্রোরেলের প্ল্যাটফর্মে কিছু খেতেও পারবেন না। আর এইখানে কত জগণ্য কাজটি করেছে। কেন এখন ক্লিনারের দোষ দিচ্ছেন? নিজেরা সচেতন হয়ে ময়লা নির্দিষ্ট স্থানে ফেললেইতো হয়ে যায়। জাতিগত রোগ এটা আমাদের, নিজেদের মানষিকতা উন্নত করুন, দেখবেন সব ঠি হয়ে গেছে।'

আহনাফ লিখেছেন, 'শৃঙ্খলা-শিক্ষা ব্যতীত উন্নয়ন করলে এমনই হবে। যতই সুন্দর হোক না কেন তা বিচ্ছিরি রূপ নেবেই। পদ্মাসেতুর সংযোগ সড়ক, নব নির্মিত কক্সবাজার রেলস্টেশন এখন ঢাকা মেট্রোরেল। ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন হচ্ছে ঠিক কিন্তু, তা ব্যবহারকারী জনতা তো এখনো নিয়মের ব্যাপারে বিশৃঙ্খল।'

সৈয়দ মুনির হাসান লিখেছেন, 'ক্লিনারের চেয়ে খোঁজ করা দরকার যারা ময়লা ফেলেছে ওদের। তাদেরকে ধরে এনে তিনদিন স্টেশন পরিষ্কা করানোর কাজে লাগানো উচিত।' নাদিরা আঞ্জুম প্রিয়া লিখেছেন, 'দেশ উন্নত হলেও দেশের মানুষ আর তাদের চিন্তা ভাবনা উন্নত হবে না।'

আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ সৈকত লিখেছেন, 'তো ক্লিনারের দোষ খোঁজার আগে নিজেদের চারিত্রিক ও বংশগত দোষ খোঁজেন না কেন? এ ময়লা কি এখানে ফেলার জায়গা? আচ্ছা এখানে বাদ দিলাম যেখানে সেখানে ফেলার জায়গা?'

মঞ্জুর ইসলাম লিখেছেন, 'কিছুদিন আগে কমেন্টে বলেছিলাম এটা আমাদের সম্পদ তাই আমাদেরকেই ক্লিন রাখতে হবে। আফসোস এক বড় ভাই রিপ্লাই দিল ওখানে অনেক ক্লিনার আছে।'

রাশেদ হোসেন লিখেছেন, 'সিসিটিভি ফুটেজ দেখে যারা এইসব জঘন্য কাজ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা নেওয়া হোক।' সেলিম আল সাজু লিখেছেন, '৬ মাসের জেল দেওয়া উচিত।'

শেখ মাশফিক জামান লিখেছেন, 'ভাই এইগুলি বাস মালিক দের ষড়যন্ত্র। বিজনেস খারাপ ওদের তাই ময়লা ফেলিয়া পরে মানুষদের বলবে মেট্রোতে ময়লা আসেন বাসে যাই। আমাদের গণতান্ত্রিক দেশ, বাঙালিদের আবার বিশ্বাস নাই।'

Header Ad
Header Ad

নারী গোয়েন্দার প্রেমের ফাঁদে পড়ে ভারতের গোপন তথ্য ফাঁস

নারী গোয়েন্দার প্রেমের ফাঁদে পড়ে ভারতের গোপন তথ্য ফাঁস। ছবি: সংগৃহীত

দুই ঠিকাদার কর্মীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ নৌঘাঁটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে পাকিস্তান। এতে পাচার হয়েছে ঘাঁটির সংবেদনশীল এলাকার ছবি, ভিডিও, নথিসহ বিভিন্ন ভবনের নকশা।

এমন অভিযোগ উঠেছে পাকিস্তানের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (আইএসআই) বিরুদ্ধে। ভারতীয় জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনআইএ) দাবি, নারী গোয়েন্দাকে ব্যবহার করে সুকৌশলে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এ পর্যন্ত দুই জনকে আটক করেছে দেশটির এনআইএ।

জানা যায়, ১১ হাজারেরও বেশি একর জায়গা নিয়ে ভারতের ওয়েস্টার্ন ফ্রন্টে অবস্থিত নৌঘাঁটি- ‛আইএনএস কদম্ব’। বর্তমানে এটিই দেশটির তৃতীয় সর্বোচ্চ নৌঘাঁটি। তবে, সম্প্রসারণ কাজ শেষ হলে পূর্ব গোলার্ধ্বের সবচেয়ে বড় নৌঘাঁটিতে পরিণত হবে। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে ভারতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে আইএনএস কদম্বকে। সামরিক ও প্রতিরক্ষাখাতে কৌশলগত ব্যাপক অবদান রয়েছে। তবে, চতুর্দিক নিরাপত্তায় মোড়া এই ঘাঁটির সংবেদনশীল তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে পাকিস্তান। এমন অভিযোগ উঠেছে দেশটির প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্সের (আইএসআই) বিরুদ্ধে।

এদিকে, ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর দাবি- ঐ নৌঘাঁটিতে কর্মরত দুই সিভিলিয়ান ঠিকাদার কর্মীদের হানিট্র্যাপে ফেলে তথ্য হাতিয়ে নেয় নাফিসা জান্নাত নামের এক পাকিস্তানি নারী গোয়েন্দা। যার সাথে ২০২৩ সাল থেকে পরিচয় ছিল ঐ দুই কর্মীর। মেরিন ইঞ্জিনিয়ার পরিচয়ে হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক এবং টেলিগ্রামে ভিন্ন নামের তাদের সাথে শখ্যতা গড়ে তোলেন ঐ নারী।

গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, ঐ দুই ঠিকাদার কর্মীর মাধ্যমে আইএনএস কদম্বের খুবই সংরক্ষিত স্থানের ছবি, ভিডিও, গুরুত্বপূর্ণ নথি, নির্মাণাধীন স্থাপনার নকশা, সিমুলেটর বিল্ডিং এরিয়ার ছবি সুকৌশলে হাতিয়ে নেন ঐ পাকিস্তানি গোয়েন্দা। এমনকি কোন জাহাজ কখন কোথায় টহল দেয়, কোনটি অপারেশনাল কিংবা রেডি টু এনগেজ মুডে থাকে এসব তথ্য রয়েছে আইএসআই’র কাছে।

তবে, আটক দুই ব্যক্তির ভাষ্যমতে, প্রতি মাসে তাদের ৫ হাজার রুপি করে দেয়া হত। টানা ৮মাস টাকা দিয়ে, প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাদের বিশ্বাস অর্জন করে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা। সম্প্রতি, তাদের মাধ্যমে পাচার হয় ভারতীয় নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

Header Ad
Header Ad

নির্বাচনের আগেই জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবি নিহতদের পরিবারের

নিহতদের বিচারের দাবি স্বজনদের। ছবি: সংগৃহীত

আগামী সংসদ নির্বাচনের আগেই জুলাই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবাইকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন নিহতদের পরিবার। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত ‘জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি’ নামের নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি উঠে আসে।

সংবাদ সম্মেলনে নিহতদের স্বজনরা বলেন, একদল রাজনৈতিক দল গঠন করে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে। আরেক দল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নির্বাচন চাচ্ছে। কিন্তু এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন দেওয়া যাবে না।

তারা বলেন, এই দুই হাজার হত্যাকাণ্ডের বিপরীতে একজন হত্যাকারী পুলিশ কিংবা হেলমেট বাহিনীর সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হলেও দুই হাজার জন গ্রেপ্তার হতো। কিন্তু নগণ্য কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের সবাইকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

যাত্রাবাড়ী এলাকায় পুলিশের গুলিতে নিহত মো. সিয়ামের ভাই মো. রাশেদ বলেন, এই সরকারের কাছে বেশি কিছু চাই না, ভাই হত্যার বিচার চাই। দেশে কোনো নির্বাচন দেওয়ার আগে ভাই হত্যার বিচার করুন।

নিহত সিফাতের বাবা কামাল হাওলাদার বলেন, আমাদের সন্তানরা জীবন দিয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন দল নির্বাচন নিয়ে রাজনীতি করছে। অথচ আমাদের সন্তান হত্যার বিচারের কথা কেউ বলছে না।

নিহত সাজ্জাত হোসেন সজলের মা শাহিনা বেগম বলেন, পুলিশ আমার ছেলেকে আশুলিয়ায় আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। সাত মাস হয়ে গেল আমি আমার ছেলের হত্যার বিচার পেলাম না। কান্না করতে করতে এখন চোখের জল শুকিয়ে গেছে। তবুও ছেলে হত্যার বিচার পাচ্ছি না।

সংবাদ সম্মেলনে তিনজন উপদেষ্টা নিয়ে ৩০ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাহী পরিষদ কমিটি গঠন করা হয়। সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদে আছেন মো. মহিউদ্দিন, শহিদুল ইসলাম ভুইয়া এবং মো. মীর মোস্তাফিজুর রহমান। নির্বাহী পরিষদ কমিটিতে চেয়ারম্যান হয়েছেন মো. গোলাম রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান আবুল হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক রবিউল আউয়াল ভুইয়া। কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছে আব্দুল্লাহ আল মারুফ ও জান্নাতুল ফেরদৌস সাফা। সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেলিম মাহমুদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল হাওলাদার ও সহ সাধারণ সম্পাদক সাবিনা আক্তার রিমা।

এছাড়া কোষাধক্ষ্য হয়েছেন জারতাজ পারভীন ও সহকোষাধক্ষ্য আবু হোসেন, জনসংযোগ সম্পাদক শিল্পী আক্তার, দপ্তর সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম ও সহদপ্তর সম্পাদক আব্দুল মান্নান। আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন রাহাত আহম্মেদ খান, ক্রিয়া সংস্কৃতি ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক কবির হোসেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক শাহরিয়ার খান পলাশ এবং সহ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক সাবরিনা আফরুজ সেবন্ধী।

নির্বাহী সদস্য হয়েছেন সামছি আরা জামান, মো. সাইদুল ইসলাম, মো. অব্দুল বাসার অনিক, স্বর্ণা আক্তার, রাজু আহমেদ, শাহিনা বেগম, ফারহানা ইসলাম পপি, খালেদ সাইফুল্লাহ, রাজু আহমেদ, মো. সুমন মিয়া, আহমেদ লামিয়া, পাপিয়া আক্তার শমী এবং এম. এ. মতিন।

Header Ad
Header Ad

চলন্ত বাসে ডাকাতি-যৌন নিপীড়ন: মির্জাপুর থানার এএসআই বরখাস্ত

মির্জাপুর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. আতিকুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত

চলন্ত বাসে ডাকাতি ও নারীর শ্লীলতাহানীর ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. আতিকুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মির্জাপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এইচএম মাহবুব রেজওয়ান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে ভুক্তভোগী কয়েকজন বাসযাত্রী মির্জাপুর থানায় গিয়ে চলন্ত বাসে ডাকাতির বিষয়ে ডিউটি অফিসার মো. আতিকুজ্জামানকে অবহিত করেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ আমলে না নেওয়ায় কয়েক মিনিট পর তারা থানা ত্যাগ করেন।

এছাড়া ডিউটি অফিসার তাদের নাম ঠিকানা বা মোবাইল নম্বর সহ কোন তথ্যই রাখেননি তিনি। যার কারণে মামলা গ্রহণ করতে বিলম্ব হয়। এরপর ঘটনার তিনদিন পরে এক ভুক্তভোগী বাস যাত্রীর মামলা নিতে হয়েছে।

এদিকে, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান গত শুক্রবার ২১ ফেব্রুয়ারি রাতেই এএসআই আতিকুজ্জামানকে মির্জাপুর থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করেন। শনিবার তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এএসআই আতিকুজ্জামানের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

এ বিষয়ে মির্জাপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এইচএম মাহবুব রেজওয়ান জানান, শনিবার আতিকুজ্জামানের সাময়িক বরখাস্তের বিষয়টি তিনি জানতে পেরেছেন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

নারী গোয়েন্দার প্রেমের ফাঁদে পড়ে ভারতের গোপন তথ্য ফাঁস
নির্বাচনের আগেই জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবি নিহতদের পরিবারের
চলন্ত বাসে ডাকাতি-যৌন নিপীড়ন: মির্জাপুর থানার এএসআই বরখাস্ত
ছাত্রদের নতুন দলে যোগ দিচ্ছেন সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক সদস্যরা
চলন্ত বাসে ডাকাতির সময় ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি: পুলিশ সুপার
ময়মনসিংহে দেড় শতাধিক বিড়ালের মিলনমেলা
বিচার ও পুলিশ বিভাগের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে: অ্যাটর্নি জেনারেল
১৩ দিনের চীন সফরে যাচ্ছেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির
২৯ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা পেয়েছে ২ সদস্যের একটি অপরিচিত বাংলাদেশি ফার্ম: ট্রাম্প
ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা: প্রাণে বাঁচলেন দিতি কন্যা লামিয়া
ফাগুনের দুপুরে রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
‘আমাদের অনেক বয়স হয়েছে, নবীন-তরুণরা দেশকে নতুন করে চিন্তা করছেন’
ভেঙে পড়া রাষ্ট্রকে গঠন বিএনপির পক্ষেই সম্ভব: তারেক রহমান
চলন্তবাসে বাসে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানি, টাঙ্গাইলে গ্রেফতার ৩
আমরা কারো দাবার গুটি হবো না: জামায়াত আমির
গরমে স্যুট পরে এসির তাপমাত্রা কমানো বন্ধ করুন: জ্বালানি উপদেষ্টা
সেনাবাহিনীতে চাকরির সুযোগ, আবেদন শুরু ২৮ ফেব্রুয়ারি
নতুন দলের শীর্ষ ছয়টি পদ নিয়ে ‘সমঝোতা’
মিঠাপুকুরে তোপের মুখে পালিয়ে গেলেন সাব রেজিস্ট্রার
আমার মা চাইতেন না আমি বিয়ে করে সংসারী হই : পপি