শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ডোপ টেস্ট: চাকরি ফেরত পেতে মরিয়া পুলিশ সদস্যরা!

ডোপ টেস্টে পজিটিভ আসায় চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যরা চাকরি ফেরত পেতে মরিয়া। ইতিমধ্যে তাদের অন্তত ৫০ জন চাকরি ফেরত পেতে আদালতে মামলা করেছেন।

অপরদিকে পুলিশের সূত্রগুলো বলছে, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী চাকরিতে প্রবেশের সময় যেমন ডোপ টেস্ট করা হবে, তেমনি চাকরি চলাকালীন সময় কারও ব্যাপারে সন্দেহ জাগলে ডোপ টেস্ট করা হবে। এ ব্যাপারে পুলিশের অবস্থান পরিস্কার।

এদিকে চাকরি হারানো পুলিশ সদস্যরা বলছেন, ডোপ টেস্ট শুধু সাধারণ পুলিশ সদস্যের ক্ষেত্রে প্রয়োগ না করে সবার ক্ষেত্রে সকল পর্যায়ে প্রয়োগ করা উচিত। তাহলে অনেক বড় কর্মকর্তাও তাতে আটকে যাবেন। তারা বলছেন, আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত। না হলে আইনশৃঙ্খলা কাজে নিয়োজিত সবচেয়ে বড় বাহিনীতে বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে।

ডোপ টেস্ট কাজে যুক্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ডোপ টেস্টের কারণে চলতি বছরের জানুয়ারি, ফ্রেব্রুয়ারি এবং মার্চে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রায় দুই শতাধিক সদস্য চাকরি হারিয়েছেন। একইসঙ্গে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় ৬৮ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জানুয়ারিতে ডোপ টেস্টে পজিটিভ হয়ে চাকরি হারিয়েছেন ৩৭ পুলিশ সদস্য। ফেব্রুয়ারিতে মাদকাসক্তির কারণে চাকরি হারিয়েছে ডিএমপির ১০৬ জন পুলিশ সদস্য। এ ছাড়া, ডোপ টেস্টের ফলাফল পজেটিভ হওয়ায় এ পর্যন্ত সারা দেশে প্রায় এক হাজারের মতো পুলিশ সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। অনেকের নামে বিভাগীয় মামলা হয়েছে, সেগুলো বিচারাধীন।

ডোপ টেস্টে পজিটিভ হয়ে চাকরি হারানো পুলিশ সদস্যরা বলছেন, যে দেশে মাদক সেবনের পারমিশন দেওয়া হয়, আবার সেই দেশে সামান্য মাদক সেবন করলে চাকরি চলে যায় আজব বিষয়। তাদের দাবি, শুধু সাধারণ পুলিশ সদস্য না, উপরের কর্মকর্তাদেরও এই টেস্টের আওতায় আনা জরুরি। অন্যথায় একই পুলিশের জন্য দুই নিয়ম হবে।

জানা যায়, ডোপ টেস্টের পজিটিভ হওয়ায় চাকরি হারানো পুলিশ সদস্যদের অনেকে চাকরি ফেরত পেতে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। মিরপুর মডেল থানায় কর্মরত অবস্থায় চাকুরি হারানো হওয়া এসআই মো. কামাল ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘আমাদের দেশে মদ খাওয়ার পারমিশন দেওয়া হচ্ছে। সেখানে আনন্দ করে সমান্য কিছু সেবন করলে সমস্যটা কোথায় বুঝতে পারি না! তিনি বলেন, আমি চাকরি ফেরত পেতে আদালতে মামলা করেছি। দেখা যাক মামলা কতদিন চলে এবং কি রেজাল্ট আসে।’

জানতে চাইলে পুলিশ সদর দপ্তরের একজন কর্মকর্তা বলেন, ডোপ টেস্টের রেজাল্ট পজিটিভ আসলে সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ডোপ টেস্টে জানুয়ারিতে মোট ৩৭ জন পুলিশকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এরপরেও অনেক পুলিশের চাকরি গেছে। এটা নিয়মিত চলছে। এ কারণে পুলিশে অনেক শৃঙ্খলাও ফিরে এসেছে।

পুলিশ সদস্য ও সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার কর্মকর্তারা অস্তুষ্টি প্রকাশ করে বলছেন-শুধু পুলিশের নিচের লেভেলে নয় উপরের লেভেলেও ডোপ টেস্ট করা হোক। তাদের দাবি, পুলিশের সব পদ মর্যাদার কর্মকর্তাদের ডোপ টেস্টের আওতায় আনা উচিত। কাউকে ছোট করে দেখা ঠিক না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকা বিভাগে কর্মরত পুলিশের একজন সাব-ইন্সপেক্টর ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘শুধু পুলিশ সদস্যদের নয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও ডোপ টেস্টের আওতায় আনা উচিত। কারণ, আমরা সবাই পুলিশের পোশাক পরা এক কাতারের মানুষ। অন্যথায় ছোট-বড় থেকে যায়।’

জানা গেছে, মেট্রোপলিটন পুলিশে ডোপ টেস্টে মোট পজিটিভ হয়েছেন তিন শতাধিকেরও বেশি। যার মধ্যে সাধারণ পুলিশ সদস্য ছাড়া ৫০ জন আছেন পুলিশের নায়েক। বাকিরা সাব-ইন্সপেক্টর। সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে ২৮ জনকে। ১৫ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। মাদকের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অভিযোগে ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা চলছে। ১০ জন চাকরিচ্যুত বরখাস্ত করা হয়েছে।

ডোপ টেস্টে চাকরি হারানো এক পুলিশ কর্মকর্তা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, চাকরিতো হারিয়েছি, সঙ্গে একটি মামলাও হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে চাকরি ফেরতের জন্য আদালতে মামলা করেছি। আদালত যে বিচার করে সেটাই হয়তো মেনে নিতে হবে।

এসব বিষয়ে নিয়ে পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, ডোপ টেস্টের মাধ্যমে মাদকাসক্ত পুলিশ সদস্য শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং এই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে পুলিশ সদস্যদের বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ জোগাড় করে এসব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

জানতে চাইলে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) মনজুর রহমান বলেন, পুলিশ সদস্যদের ডোপ টেস্ট হলো একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। মাদকাসক্ত হিসেবে কেউ প্রমাণিত হলে প্রথমে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, পুলিশ সদস্যের কেউ অপকর্মে জড়িত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তা ছাড়া, যেসব পুলিশ সদস্যের ডোপ টেস্ট করা হচ্ছে তাদের কেউ যদি পজেটিভ হয় তাহলে নিয়ম অনুযায়ী আমরা তাদের পুলিশ থেকে বের করে দিচ্ছি। বিভাগীয় তদন্তের পর তাদের নামে মামলাও হচ্ছে।

পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে, পুলিশকে জনবান্ধব করতে পুরোনো সব ধ্যান ধারণাকে পিছনে ঠেলে আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সব ধরনের চেষ্টা করা হচ্ছে। পুলিশ সদর দপ্তর বলছে-পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসুক এটা কোনো ভাবে মেনে নেওয়া হবে না। তাই সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ি পুলিশে ডোপ টেস্ট চালু করা হয়েছে। এজন্য পুলিশ সদস্যদের নিয়মিত ডোপ টেস্ট করা হচ্ছে। পুলিশের যেসব সদস্য মাদকের সঙ্গে যুক্ত থাকবে তাদের বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

এনএইচবি/এমএমএ/

 

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত

নিহত শফিউল্লাহ মিয়া। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ট্রাক চাপায় শফিউল্লাহ মিয়া (৪৭) নামে এক আনসার সদস্য (কমান্ডার) সদস্য নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভোরে উপজেলা হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

শফিউল্লাহ মিয়া উপজেলার মৌলভীপাড়া গ্রামের মরহুম হাবিবুল্লাহ ওরফে মজনু মিয়ার ছেলে। তিনি কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের কমান্ডার (পিসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবার সূত্রে জানা যায, ঈদের ছুটিতে গত ২৮ মার্চ বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। ছুটি শেষে শুক্রবার কর্মস্থলে ফেরার কথা ছিল শফিউল্লাহর। শুক্রবার ভোরে হাঁটতে বেরিয়ে ছিলেন তিনি।

এ সময় দেলদুয়ার সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাক বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। এতে বৈদ্যুতিক খুঁটিটি ভেঙে শফিউল্লাহর মাথায় পড়ে। এরপর তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শোয়েব আহমেদ বলেন, ঈদের ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন শফিউল্লাহ। শুক্রবার ভোরে তিনি নামাজ পরে হাঁটতে বের হন। হাঁটার একপর্যায়ে হাসপাতালের সামনে এলে মাটি বহনকারীর ড্রাম ট্রাক তাকে চাপা দিয়ে খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা
অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান