শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশেই রাজউকের ‘স্মার্ট সিটি’

রাজধানীর পাশেই আরেকটা নতুন ও স্মার্ট সিটি করবে রাজধানী উন্নয়ন কর্তপক্ষ(রাজউক)। ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের আদলে এই স্মার্ট সিটি করার পরিকল্পনা করছে রাজউক। এটি করা হবে ৪ হাজার ৭০০ একর জমিতে।

রাজউক প্রণীত ঢাকা শহরের নতুন বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনায় (ড্যাপ) স্মার্ট সিটির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। গত ২৪ আগস্ট ড্যাপের নতুন গেজেট প্রকাশিত হয়।

তবে পরিবেশবিদরা বলছেন, সিটি করার কাজ রাজউকের নয। এটি আবাসন কোম্পানির কাজ।

রাজউক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে আধুনিক আবাসন সুবিধার পাশাপাশি শিক্ষা আইটি ও শিল্প প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্ব দিয়ে ৪ হাজার ৭০০ একর জমির উপর গড়ে তোলা হবে স্মার্ট সিটি। ড্যাপের গেজেটে এই শহরের নাম দেওয়া হয়েছে ‘কেরানীগঞ্জ স্মার্ট সিটি’।

নতুন ড্যাপে কেরানীগঞ্জ স্মার্ট সিটি থাকার বিষয়টি ঢাকাপ্রকাশ-কে নিশ্চিত করেছেন ড্যাপের প্রকল্প পরিচালক আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, রাজউকের পরিকল্পনায় এমন একটি সিটির কথা উল্লেখ আছে।

রাজউক এর আগে বেশ কয়েকটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল। এগুলো হলো উত্তরা তৃতীয় পর্ব প্রকল্প, ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প এবং পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প। তবে এসব প্রকল্পের কাজ গত দুই যুগেও শুরু করতে পারেনি রাজউক।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্থানীয় জমি মালিক ও পরিবেশবাদীদের আপত্তির মুখে রাজউক ঘোষণা দিয়েছিল তারা আর নতুন কোনো আবাসিক প্রকল্প গ্রহণ করবে না। তা ছাড়া, রাজউকের এমন ‘আবাসন কোম্পানির’ ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াও ব্যক্ত করেন নগর পকিল্পনাবিদ ও পরিবেশবাদীরা।

এমন ঘোষণার পরও প্রতিষ্ঠানটি কেরানীগঞ্জে আরও একটি প্রকল্প গ্রহণে উদ্যোগী হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় জমি মালিকরা অধিগ্রহণবিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু করলে রাজউক সেই সময় পিছু হটে।

সংশ্লিষ্টরা পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের উদাহরণ দিয়ে বলেন, জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় প্রায় ১৫ বছর কাজই শুরু করা যায়নি পূর্বাচলে। নিয়মিত অধিগ্রহণবিরোধী মিছিল করতেন স্থানীয়রা। এ নিয়ে জমি মালিক এবং পুলিশের মধ্যে প্রায়ই সংঘর্ষ হত। সেই সময় রাজউকের বিরুদ্ধে প্রায় দেড় হাজার মামলা হয় আদালতে।

এ ছাড়া, রাজউকের বিরুদ্ধেই অভিযোগ ওঠে এসব প্রকল্প করতে গিয়ে রাজউক গাছপালা ধংস এবং নিম্নাঞ্চল ও বন্যাপ্রবাহ অঞ্চল ভরাট করেছে। এসব অভিযোগ উঠার পর বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা), বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) মতো নানা সংগঠন তখন রাজউকের বিরুদ্ধে আন্দোলনও করেছে।

জানতে চাইলে পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খান ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, রাজউকের কাজ তো আবাসন প্রকল্প করা নয়। এগুলো করবে আবাসন কোম্পানিগুলো। রাজউক আইনগত বিষয়গুলো তদারকি করবে।

এক প্রশ্নের জবাবে পবার চেয়ারম্যান বলেন, রাজউকের জলাধার সংরক্ষণ বা বন্যাপ্রবাহ অঞ্চল সংরক্ষণ করার কথা। কিন্তু এসব আবাসন প্রকল্প করতে প্রতিষ্ঠানটি নিজেই পরিবেশের ক্ষতি করে এবং নিম্নাঞ্চল বা বন্যাপ্রবাহ অঞ্চল ভরাট করে। যেটা পূর্বাচলেও হয়েছে।

পূর্বাচলকেও স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তুলছে রাজউক। এ লক্ষ্যে চীনের সঙ্গে একটি চুক্তিও করেছে সরকার।

এনএইচবি/এমএমএ/

 

Header Ad
Header Ad

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বিমসটেক) সম্মেলন শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাত ১০টার পর প্রধান উপদেষ্টা ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এর আগে, থাইল্যান্ডের স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ফ্লাইটটি ব্যাংককের সুবর্ণ ভূমি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে আসে। এ সময় থাই মন্ত্রী জিরাপর্ন সিন্ধুপ্রাই বিমানবন্দরে প্রধান উপদেষ্টাকে বিদায় জানান।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ব্যাংককে পৌঁছান এবং সম্মেলনের পাশাপাশি প্রতিবেশী কয়েকটি দেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। এসব বৈঠকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক।

এ ছাড়া আগামী দুই বছরের জন্য বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করে বাংলাদেশ।

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ