শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

আগামী কাউন্সিলেই দ্বাদশ সংসদের প্রস্তুতি নিতে চায় আওয়ামী লীগ

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সামনে এখন দুটি চ্যালেঞ্জ। দলের জাতীয় কাউন্সিল ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই দুটি সামনে রেখে আওয়ামী লীগে চলছে নানামুখী হিসাব-নিকাশ। বিশেষ করে নতুন নেতৃত্ব এবং আগামী সাধারণ নির্বাচনে দলের প্রার্থী বাছাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

আগামী ডিসেম্বরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ২৩তম জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। ঠিক এক বছর পর ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সঙ্গত কারণে আগামী জাতীয় কাউন্সিলেই জাতীয় নির্বাচনের আগাম প্রস্তুতিও শেষ করতে চায় আওয়ামী লীগ

আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব মনে করছে, বিগত দুটি জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যতটা সহজে বৈতরণী পার করেছে, আগামী নির্বাচনে সেটি অতটা সহজ হবে না। এ বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এবং নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক অস্থিরতা বিশেষ করে সরকারবিরোধী আন্দোলনের নামে যেকোনো রকম সহিংসতা, নৈরাজ্য মোকাবিলায় দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঠে থাকার বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেভাবেই দলকে প্রস্তুত করতে চায় দলটি। এজন্য আওয়ামী লীগের সব পর্যায়ের কমিটি আপডেট করতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় হাই কমান্ড।

সাংগঠনিক নেতারা যোগ্য নেতৃত্ব খুঁজে বের করতে ওয়ার্ড, থানা, উপজেলা, জেলা পর্যায়ে কমিটি করার কাজ সেরে ফেলতে ঘাম ঝরাচ্ছেন। পাশাপাশি যেসব আসনে আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত এমপিরা নিজেদের গ্রুপ ভারী করার জন্য বিতর্কিত লোকদের দলে টেনেছেন, পরীক্ষিত নেতাদের বাদ দিয়েছেন তাদের বিষয়ে সতর্ক আওয়ামী লীগ কড়া বার্তা দিতে চায় আগামী কাউন্সিলেই।

আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, যেসব আসনে দুর্বল প্রার্থী রয়েছে সেসব আসনে একজন শক্তিশালী প্রার্থী বাছাই করার কাজও ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলেই শেষ করতে চায় ক্ষমতাসীন দল। একই সঙ্গে কাউন্সিলেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের শক্তির পরীক্ষা দেখতে চায়। কোন প্রার্থী কেমন জনপ্রিয় তার একটি ওয়ার্ম আপ হয়ে যাবে কাউন্সিলে।

আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমানে বিএনপিসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো মাঠে যেভাবে সরব হচ্ছে সেখানে দলের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রেখে সতর্কতার সঙ্গে বিরোধী শক্তিকে মোকাবিলা করতে কারা পারদর্শী সেটাও দেখবে আওয়ামী লীগ।

এদিকে আগামী নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীদের বিষয়ে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে মাঠ জরিপের কাজ চলছে অনেক দিন আগ থেকেই। বিশেষ করে যেসব সংসদ সদস্য নানা বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন, দলীয় ভাবমুর্তি ক্ষুণ্ণ করছেন, দলকে বিতর্কিত করছেন তাদের বিষয়ে কেন্দ্রের কড়া বার্তা থাকবে আগামী কাউন্সিলেই। আগামী নির্বাচনে কোনোভাবেই বিতর্কিত কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হবে না, এমনটাই বলছেন দলের নেতারা। এজন্য বিতর্কিতদের আসনে বিকল্প সৎ ও যোগ্য শক্তিশালী প্রার্থীর সন্ধানে রয়েছে আওয়ামী লীগ।

যারা নিজেদের জনপ্রিয়তা দিয়ে ভোটে জয়ী হতে পারবেন, এমন সব প্রার্থী আগামী নির্বাচনে নৌকার টিকিট পেতে পারেন বলে দলের বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে।

আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিউইয়র্ক থেকে ফেরার পর দলের নেতাদের সঙ্গে পৃথক পৃথক বৈঠক করতে পারেন। সেসব বৈঠকে গুরুত্ব পাবে আগামী দিনে রাজনৈতিক মাঠে কিভাবে আওয়ামী লীগ মোকাবিলা করবে। বিরোধী পক্ষ নানা ইস্যুতে উস্কানিমূলক কথা বলে সংঘাতে জড়াতে পারে। এসব বিষয়ে সতর্ক থেকে মোকাবিলা করার নির্দেশনা আসতে পারে বলে জানা গেছে। কোনো নেতার ভুল সিদ্ধান্তের কারণে আওয়ামী লীগকে নিয়ে যেন কেউ কথা বলতে না পারে সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে পারেন দলীয় সভানেত্রী।

দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছেন, বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর বিভ্রান্তিতে গা না ভাসিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড মানুষের কাছে তুলে ধরতে।

তবে গায়ে পরে কোন দল সংঘাতে জড়ালে তাদের সমুচিত জবাব দিতে চায় আওয়ামী লীগ। এরইমধ্যে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘ফাঁকা মাঠে তাফালিং করবেন আর আওয়ামী লীগ আঙুল চুষবে, তা হবে না। আওয়ামী লীগ কর্মীরা সংযমী হয়ে সতর্ক অবস্থানে মাঠে থাকবে। আমরা রাজপথ ছাড়ব না।’

দলের কাউন্সিল ও আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা দীর্ঘ দিন এই দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি সবই ভালো করে জানেন এবং বোঝেন। সব সময়, সময় উপযোগী করে দল সাজিয়ে থাকেন এবারও সেভাবেই সাজাবেন। সংসদ নির্বাচনের আগে দলের জাতীয় কাউন্সিল হওয়ায় এবারের কাউন্সিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনের পূর্বে সারাদেশকে যেমন আমরা সংগঠনকে ঢেলে সাজাচ্ছি, তেমনি কেন্দ্রীয়ভাবে দলকে ঢেলে সাজানোর ব্যাপার তো রয়েছেই। আগামী দিনে এই কেন্দ্রীয় কমিটি (নতুন যে কমিটি হবে) নির্বাচনকে নেতৃত্ব দেবে।’

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী বাছায়ের কাজটি কীভাবে দেখছে দল- এমন প্রশ্নের জবাবে নানক বলেন, ‘একেবারে জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী দিতে হবে। অবশ্যই তাকে সৎ ও নির্ভীক হতে হবে, এমন প্রার্থীকেই প্রাধান্য দেওয়া হবে। যাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে তাদের বিষয়ে একটি সার্ভে চলছে। কোনো নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে কেউ রেহাই পাবে না, কেউ না। সে যত বড় নেতাই হোক, আর যত বড় যেই হোক, কেউ রেহাই পাবে না।’

ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, এরইমধ্যে আমাদের দলের সাধারণ সম্পাদক দলের জাতীয় কাউন্সিলের একটা সময়সীমা ঘোষণা করেছেন। তাই আমরা সাংগঠনিকভাবে জেলা, উপজেলা, থানার কমিটি প্রস্তুত করতে পুরোদমে কাজ করছি। দলের নেতা-কর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে নভেম্বরের আগেই সব মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন করে গঠন করতে হবে।’

এনএইচবি/এসএন

 

Header Ad
Header Ad

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বিমসটেক) সম্মেলন শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাত ১০টার পর প্রধান উপদেষ্টা ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এর আগে, থাইল্যান্ডের স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ফ্লাইটটি ব্যাংককের সুবর্ণ ভূমি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে আসে। এ সময় থাই মন্ত্রী জিরাপর্ন সিন্ধুপ্রাই বিমানবন্দরে প্রধান উপদেষ্টাকে বিদায় জানান।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ব্যাংককে পৌঁছান এবং সম্মেলনের পাশাপাশি প্রতিবেশী কয়েকটি দেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। এসব বৈঠকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক।

এ ছাড়া আগামী দুই বছরের জন্য বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করে বাংলাদেশ।

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ