শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

জব্দ গাড়ি থানায় থাকে অযত্নে, গায়েব হয় মূল্যবান যন্ত্রাংশ

রাজধানী ঢাকার প্রায় প্রত্যেকটি থানা কম্পাউন্ড ও থানা সংলগ্ন এলাকায় গেলেই দেখা যায় শত শত গাড়ি, মোটরসাইকেল, রিকশাসহ বিভিন্ন রকম যানবাহনের ভাগাড়। লাখ লাখ টাকা দামের যানবাহনগুলো পড়ে আছে অযত্ন অবহেলায়। ডাম্পিং স্টেশন নামে পরিচিত ভাগাড়গুলোতে নেই কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা কিংবা কঠোর নজরদারি। ফলে হরদম গায়েব হচ্ছে এ সব যানবাহনের মূল্যবান যন্ত্রণাংশ।

দুর্ঘটনা, চুরি, মাদকসহ বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমায় আটক ভালো ভালো যানবাহনগুলোর স্থান হয় থানার ডাম্পিং এলাকায়। একবার থানায় ঢুকলে সেটি আর সহজে বের হতে পারে না। খোলা আকাশের নিচে দীর্ঘ সময় অযত্ন-অবহেলায় পড়ে থাকার কারণে এক সময় দামি এ সব যানবাহন ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। নষ্ট হয়। সরজমিন রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকা ঘুরে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

যানবাহন মালিকদের অভিযোগ, নগরীর বিভিন্ন থানায়, থানার পাশে সড়কে বছরের পর বছর গাড়ি পড়ে থাকায় শুধু নষ্ট হচ্ছে না, বিভিন্ন মামলায় জব্দ হওয়া গাড়ির মূল্যবান মালামালও চুরি হয়ে যায়।

অবশ্য পুলিশ বলছে, ডাম্পিংয়ে অনেক গাড়ি রয়েছে, যেগুলোর মামলা এখনো চলছে। তা ছাড়া বিভিন্ন মামলার আলামতের গাড়িও এ সব স্থানে রাখা হয়।

রমনা বিভাগের শাহাবাগ থানার পেছনের ডাম্পিংয়ে তিন মাস ধরে পড়ে আছে একটি মোটরসাইকেল। মোটরসাইকেলের মালিক মো. মাহাবুব বলেন, ডাম্পিং থেকে মোটরসাইকেলটি আনতে গিয়ে দেখি গাড়ির হর্ন ও লুকিং গ্লাস নেই। ট্রাফিক পুলিশ মোমিনকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, ‘আমি কিছু জানি না।’ তিনি অভিযোগ করে বলেন, ডাম্পিং এ হাজার হাজার টাকার গাড়ি নষ্ট হচ্ছে এবং অনেক গাড়ির যন্ত্রপাতি চুরিও হচ্ছে ।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ডাম্পিংয়ে নাইনটি মডেলের একটি গাড়ি দুই মাস ধরে পড়ে ছিল। গাড়িটি বের করার পর গাড়ির মালিক শরিফুল ইসলাম বলেন, ডাম্পিং থেকে নিয়ে আসার সময় আমার গাড়ির দুইটা গ্লাসই ভাঙা পেয়েছি? ভালো গাড়ি রাখলাম আর গ্লাস ভাঙা গাড়ি বের করলাম।

রাজধানীর শেরেবাংলানগরের আগারগাঁও ও তালতলায় ডাম্পিংয়ে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, বাস, মাইক্রোবাস, পিকআপ ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা বছরের পর বছর খোলা আকাশের নিচে পড়ে রয়েছে। রোদে পুড়ছে, বৃষ্টিতে ভিজছে। চুরি হচ্ছে যন্ত্রাংশ। হারাচ্ছে ব্যবহারের উপযোগিতা। নষ্ট হচ্ছে কোটি কোটি টাকার সম্পদ। একই চিত্র রাজধানীর প্রতিটি থানা ও আদালত প্রাঙ্গণে। হাজার কোটি টাকার যানবাহন অযত্ন-অবহেলায় খোলা আকাশের নিচে পড়ে রয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, ডাম্পিংয়ের ভেতরে বছরের পর বছর খোলা আকাশের নিচে পড়ে থাকায় যানবাহনগুলোর উপর লতাপাতা গজিয়েছে। প্রতিটি যানবাহনে মরিচা ধরেছে।

গাড়ি মালিকদের অভিযোগ, একটি গাড়ি যদি ১০-১৫ বছরে ফাঁকা জায়গায় পড়ে থাকে তাহলে সেই গাড়ির কিছুই থাকে না, এজন্য গাড়ির মালিকরা গাড়ি নিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, ঢাকা মহানগর মালখানা পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণ এ চার ভাগে বিভক্ত। জেলা মালখানা ঢাকার কালেক্টরেট ভবনের নিচতলায় এবং মহানগর মালখানা মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতের ভিতরে রয়েছে ছোট বড় অনেকগুলো যানবাহন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব যানবাহন রাখা হয়েছে আলামত হিসেবে। আলামত জমতে জমতে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে বিচারিক হাকিম আদালতের সামনের চত্বর পর্যন্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের গাড়ি।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন কয়েকজন কর্মকর্তা বলেছেন, লাইসেন্সবিহীন, চোরাই, দুর্ঘটনাকবলিত, মাদক বহনকারী, অবৈধ মালপত্রসহ বিভিন্ন কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেসব যানবাহন জব্দ করে, সেগুলো আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুলিশের নির্ধারিত ডাম্পিংয়ে রাখা হয়।

সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক পুলিশ বলছে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মামলা হওয়ার পর আলামত হিসেবে যানবাহন আটকে রাখা হয়। এর মধ্যে কিছু যানবাহন আদালতের নির্দেশে মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে অপেক্ষা করতে হয় মামলা নিষ্পত্তি পর্যন্ত। আর মামলার দীর্ঘসূত্রতাই আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা। মামলা নিষ্পত্তি হতে ১০ থেকে ১২ বছর লেগে যায়। এরপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আদালত হয় গাড়ি মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিতে বলে, না হয় নিলামে বিক্রির আদেশ দেয়। কিন্তু নিলাম প্রক্রিয়া অনেক জটিল এবং সময়সাপেক্ষ। তা ছাড়া দীর্ঘদিন নিলাম না হওয়ায় এগুলো বিক্রিও করা যায় না।

পুলিশ বলছে, শুধু মোটরসাইকেল বাদে দিনে ২৫ থেকে ৩০টি গাড়ি আসে ডাম্পিং স্টেশনে। প্রচুর পরিমাণে মোটরসাইকেল রয়েছে যার হিসেব করা কঠিন। বিশেষ অভিযানের সময় ডাম্পিং স্টেশনে গাড়ি আসার পরিমাণও বেড়ে যায়। মামলার আলামতের পাশাপাশি বেওয়ারিশ গাড়িরও জায়গা হয় এখানে। দীর্ঘসময় পড়ে থাকায় একদিকে যেমন গাড়ি নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে রাস্তার ওপরে গাড়ি রাখায় ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল। তা ছাড়া ডাম্পিং স্টেশনে গাড়ি আসামাত্র অল্প টাকায় বেহাত হতে থাকে এসব গাড়ির মূল্যবান যন্ত্রাংশ। এ ছাড়া ঘন লতাগুল্মের কারণে মশা প্রজননের কেন্দ্রবিন্দুও এ সব যানবাহন। নগর পরিকল্পনাবিদদের ধারণা, এই ডাম্পিং স্টেশনগুলো এডিস মশার অভয়ারণ্য।

এ সব বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ট্রাফিক) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মুনিবুর রহমান ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ডাম্পিং ব্যবস্থার বিষয়টি হলো আদালতের বিষয়। ট্রাফিক পুলিশের কাজ হলো অবৈধ গাড়ি ধরে ডাম্পিংয়ে রাখা। পরে যে সব যানবাহনের নামে মামলা হয় সেগুলোর মামলা নিষ্পতি হলে ও আদালতের অনুমতিপত্র পেলে আমরা ওই সব যানবাহন ছেড়ে দেই।

তিনি বলেন, অনেক গাড়ির মালিক মামলা নিষ্পত্তি হলেও তাদের যানবাহন নিতে আসে না। অনেক মালিককে পাওয়া যায় না। সেই ক্ষেত্রে আমরা ওই সব গাড়ির বিষয়টি আদালতে জানাই। আদালত একটি নিয়মে নিলামের জন্যে আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশ মোতাবেক আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করি। এরপরও এমন কিছু গাড়ি আছে যা নিলামে উঠলেও কেউ নিতে চায় না। যে কারণে ওই সব গাড়ি ডাম্পিংয়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে। তিনি বলেন,যেসব গাড়ি নিলামে বিক্রি হয় সেগুলোর টাকা সরকারের রাজস্বখাতে জমা হয়।

পুলিশ সূত্র বলছে, মাদক বা চুরির মামলার কারণে যেসব গাড়ি আটক হয় এ সব গাড়ি কেউ নিতে আসে না।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মওদুদ হাওলাদার বলেন, আমাদের থানায় বেশ কিছু যানবাহন পড়ে আছে এগুলোর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। মামলা শেষ হলে গাড়ির মালিকরা এসে গাড়ি নিয়ে যাবেন।

ডাম্পিংয়ে থেকে অনেক গাড়ি নষ্ট হচ্ছে এবং গাড়ির বিভিন্ন মালামাল চুরি হচ্ছে— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, থানায় আটক হওয়া গাড়ির মালামাল চুরি হওয়ার কোনো অপশন নেই। হয়ত চোখের আড়ালে কিছু বিছিন্ন ঘটনা ঘটে।

এনএইচবি/আরএ/

Header Ad
Header Ad

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বিমসটেক) সম্মেলন শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাত ১০টার পর প্রধান উপদেষ্টা ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এর আগে, থাইল্যান্ডের স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ফ্লাইটটি ব্যাংককের সুবর্ণ ভূমি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে আসে। এ সময় থাই মন্ত্রী জিরাপর্ন সিন্ধুপ্রাই বিমানবন্দরে প্রধান উপদেষ্টাকে বিদায় জানান।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ব্যাংককে পৌঁছান এবং সম্মেলনের পাশাপাশি প্রতিবেশী কয়েকটি দেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। এসব বৈঠকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক।

এ ছাড়া আগামী দুই বছরের জন্য বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করে বাংলাদেশ।

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ