শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০২৪ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩১
Dhaka Prokash
Header Ad

ইভিএম-এ ভোট

ইসির সিদ্ধান্ত নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে

আগামী নির্বাচনে দেড়শ আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইভিএম কিনতে ইতোমধ্যে ইসির আট হাজার ৭১১ কোটি টাকার প্রকল্প চূড়ান্ত হয়েছে। কিন্তু ইসির এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও বিশিষ্টজনদের চোখে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। কেউ কেউ বলছেন ক্ষমতাসীনদের জয় নিশ্চিত করতেই নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে কোনো সমালোচনাই টলাতে পারছে না নির্বাচন কমিশনকে। উল্টো তারা দাবি করছেন দেড়শ কেন, সক্ষমতা থাকলে ৩০০ আসনেই ইভিএম ব্যবহার করতাম।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, ইভিএম নিয়ে ইসি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করেছিল। সেখানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের যে দাবি ছিল তার প্রতিফলন ঘটাতেই নির্বাচন কমিশন তাদের ঘোষিত কর্মপরিকল্পনায় অনধিক দেড়শ আসনে ইভিএম ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছেন। এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তুমুল সমালোচনা চলছে।

নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের মতামত তুলে ধরেছে। জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টিও দেড়শ আসনে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্তকে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার পাঁয়তারা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ছাড়া বেশিরভাগ দলই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের বিপক্ষে কথা বলছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক দাবি করে আগামী জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের ৩৯ জন নাগরিক। গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ৩৯ নাগরিকের এই অবস্থান তুলে ধরা হয়। বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে ইভিএম কিনতে বিপুল ব্যয় কতটুকু যৌক্তিক, তা ভেবে দেখারও অনুরোধ জানিয়েছিলেন বিশিষ্ট নাগরিকরা।

নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আমরা প্রথম নির্বাচনেও চেয়েছি, এবারকার সংলাপেও বলেছি, ৩০০ আসনে ইভিএম চেয়েছি। নির্বাচন কমিশন ঘোষণা দিয়েছে ১৫০টিতে আগামী নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হবে। আমরা সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছি। নির্বাচন সুষ্ঠু, ফ্রি ফেয়ার করার স্বার্থে নির্বাচন কমিশন যে সিদ্ধান্ত নেবে সেটাই চূড়ান্ত। আমাদের যেটা দাবি সেটা আমরা বলেছি। নির্বাচনে কারচুপি জালিয়াতি রোধ করার জন্য ইভিএম সুবিধাজনক হবে সেটা আমাদের দাবি। আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসিনি।

অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ ঘোষণা নিয়ে বিএনপির কোনো মাথা ব্যথা নেই। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচনে যাবে না বিএনপি। নির্বাচন কমিশন যে রোডম্যাপই দিক, কোনো কিছুই কাজ করবে না। কারণ নির্বাচনকালে সরকার পরিবর্তন ছাড়া বিএনপি কোনো নির্বাচনে অংশ নেবে না। আওয়ামী লীগ কোনো নির্বাচনেই তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দেখতে চায় না। সেটা জাতীয় নির্বাচন হোক কিংবা অন্য যাই হোক।’

ইভিএম নিয়ে জাতীয় পার্টি মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ মূল্যহীন। যে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা নেই, তারা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারবে বলে মনে হয় না।

ব্রতি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা(সিইও) বেগম শারমিন মুরশীদ ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, নির্বাচন কমিশন দেড়শ আসনে ইভিএম ব্যবহারের কথা জানিয়েছে। এটা অযৌক্তিক। এটা যুক্তিসঙ্গত একটা সিদ্ধান্ত নয়। এই সিদ্ধান্ত সন্দেহের জায়গাটা আরও সুদৃঢ় করবে। মানুষ এটাকে গ্রহণ করতে চাইবে না।

তিনি বলেন, ‘কেন দেড়শটা করতে চাচ্ছেন এটা অযৌক্তিক। ইভিএম দিয়ে নির্বাচন যদি আরও উৎকৃষ্ট মানের হয় তাহলে বাকি দেড়শটা আসন কি অন্যায় করল, যেগুলোতে ইভিএম ব্যবহার করছেন না। দুই রকমের পদ্ধতিতে নির্বাচন করা অস্বস্তির জায়গায় চলে যাবে।’

বাইরে যতই আলোচনা সমালোচনা হোক নির্বাচন কমিশন তাদের সিদ্ধান্তে অটল। নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘গণতান্ত্রিক দেশে যে যেটা পারে বলতে পারেন। এটা তাদের অধিকার। আমাদের যদি সক্ষমতা থাকত, সময় থাকত আমরা ৩০০ আসনেই ইভিএম ব্যবহার করতাম।’

গত ১৪ সেপ্টেম্বর দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে তারা। জাতীয় নির্বাচনে অনূর্ধ্ব ১৫০টি আসনে ইভিএম ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের।

নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় ১৭টি রাজনৈতিক দল ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে মত দিয়েছে। আর ১২টি দল বিপক্ষে মতামত দিয়েছে। যদিও ইভিএম এর পক্ষে ১৭টি দল মত দেওয়ার বিষয়ে ইসি যে দাবি করেছে সেটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ইসি যে ১৭টি দলের ইভিএম এর পক্ষে মত দেওয়ার কথা বলেছে সেখানে অন্তত চারটি দল আছে যারা সংলাপে ইভিএম এর বিপক্ষে মত দিয়েছিল। ইসি তাদের সেই মতকে পাল্টে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এনএইচবি/আরএ/

Header Ad

খালেদা জিয়ার সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন মাহফুজ-আসিফ-নাহিদ

ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে কুশল বিনিময় করেছেন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে তাদের এ কুশল বিনিময় হয়।

সেনাকুঞ্জে খালেদা জিয়া পৌঁছালে উপস্থিত সবাই তাকে স্বাগত জানান। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৩ সমন্বয়ক ও সরকারের উপদেষ্টা তার পাশে এসে দাঁড়ান এবং শারীরিক খোঁজখবর নেন। এ সময় খালেদা জিয়া তাদের অভিনন্দন জানান এবং দেশকে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার পরামর্শ দেন।

এ সময় এই ৩ উপদেষ্টা বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছে দোয়া চান এবং সরকারের সংস্কার কাজে তার সর্বাত্মক সহযোগিতা চান।

এদিকে সেনাকুঞ্জে গেলে খালেদা জিয়ার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়া এখানে এসেছেন। একযুগ তিনি আসার সুযোগ পাননি। আমরা গর্বিত এই সুযোগ দিতে পেরে। দীর্ঘদিনের অসুস্থতা সত্ত্বেও বিশেষ দিনে সবার সঙ্গে শরিক হওয়ার জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আপনার আশু রোগমুক্তি কামনা করছি।

Header Ad

দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

ছবি: সংগৃহীত

আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ১ হাজার ৯৯৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা আজকেও ছিল এক লাখ ৩৭ হাজার ৪৪৯ টাকা।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। শুক্রবার (২২ নভেম্বর) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১৪ হাজার ৮৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩ হাজার ৬৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

স্বর্ণের দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫৭৮ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ৪৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ১১১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৮৬ টাকায়।

এর আগে, সবশেষ গত ১৯ নভেম্বর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় টানা চার দফা কমার পর ভরিতে ২ হাজার ৯৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৪৯ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৩১ হাজার ১৯৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১২ হাজার ৪৫৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯২ হাজার ২৮৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছে গত ২০ নভেম্বর থেকে।

এ নিয়ে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে ৩০ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, আর কমানো হয়েছে ২১ বার।

Header Ad

‘দেশের মানুষ এখনো কোনো রাজনৈতিক দলকেই বিশ্বাস করতে পারে না’

ছবি: সংগৃহীত

দেশের জনপ্রিয় নির্মাতা আশফাক নিপুন। কাজের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও বেশ সরব তিনি। কথা বলেন নানা ইস্যু নিয়ে। সেই ধারাবাহিকতায় সরকার পতনের পর অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠনেও বিভিন্ন সময় নিজের আকাঙ্ক্ষা, প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশ্যেও বিভিন্ন বার্তা দিয়েছেন। এবার এমনি একটি বার্তায় দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জনগনের আস্থার বিষয়ে আক্ষেপ জানালেন এই নির্মাতা।

বুধবার (২০ নভেম্বর) আশফাক নিপুন তার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে লেখেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সর্বস্তরের ছাত্র এবং সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল, বাসায় বসে বসে দোয়া করেছিল, যার যা সামর্থ্য দিয়ে সহায়তা করেছিল। কারণ, তারা দেখেছিল লড়াইটা আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শাসক বনাম সাধারণ ছাত্র-জনতার। এটাও অস্বীকার করার কোনো উপায় নাই যে এই আন্দোলন বেগবান করতে বিরোধী সকল দলের কর্মীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাদের সংগ্রামও গত দেড় দশকের। কিন্তু এটা যদি শুধুমাত্র রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার লড়াই হতো তাহলে সাধারণ মানুষ এই লড়াই থেকে দূরে থাকত। সেই প্রমাণ বিগত ১৫ বছরে আছে।

‘দেশের মানুষ এখনো কোনো রাজনৈতিক দলকেই বিশ্বাস করতে পারে না’

কারণ হিসেবে তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ এখনো দেশের কোনো রাজনৈতিক দলকেই পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারে না। এটাই বাস্তবতা। এই বাস্তবতা মেনে সকল রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত কীভাবে সাধারণ জনগণের ভেতর নিজের দলের প্রতি আস্থা তৈরি করা যায় সেই বিষয়ে নিরলস কাজ করা। এই আস্থা ক্ষমতায় গিয়ে অর্জন করা সম্ভব না। কারণ, সাধারণ মানুষ আজীবন এস্টাবলিশমেন্টের বিপক্ষে। এই আস্থা অর্জন করতে হয় ক্ষমতা বলয়ের বাইরে থেকেই।

নিপুন আরও লিখেন, অরাজনৈতিক সরকার দিয়ে দীর্ঘদিন দেশ চালানো যেমন কাজের কথা না ঠিক তেমনি রাজনৈতিক সরকার হতে চাওয়া সকল রাজনৈতিক দলগুলোর বোঝা উচিত মুক্তিযুদ্ধের পরে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত হয়েছে সকল প্রকার পূর্বানুমান (যেমন- বর্ষাকালে আন্দোলন হয় না, নির্বাচনের আগেই কেবল জোরেশোরে আন্দোলন হয়, ঘোষণা দিয়ে বিরোধী সকল পক্ষ আন্দোলনে শামিল না হলে সফল হয় না) অগ্রাহ্য করেই। সেটা সম্ভব হয়েছে সাধারণ মানুষের ন্যায্যতার আকাঙ্ক্ষা থেকেই।

সবশেষ এই নির্মাতা লিখেছেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সাধারণ মানুষের এই আকাঙ্ক্ষার দুই পয়সার দাম দেন নাই। সাধারণ মানুষের এই আকাঙ্ক্ষা, ইচ্ছা আর দেশপ্রেমকে পুঁজি করে অরাজনৈতিক এবং রাজনৈতিক যারাই রাজনীতি রাজনীতি খেলতে চাইবে, তাদের দশাও কোন একসময় যেন পলাতক শেখ হাসিনার মতো না হয়, সেই বিষয় নিশ্চিত করতে হবে তাদেরকেই।

Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

খালেদা জিয়ার সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন মাহফুজ-আসিফ-নাহিদ
দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
‘দেশের মানুষ এখনো কোনো রাজনৈতিক দলকেই বিশ্বাস করতে পারে না’
‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে’: প্রধান উপদেষ্টা
নওগাঁ শহরে শৃঙ্খলা ফেরাতে বিশেষ অভিযান শুরু
২০২৬ সালের মাঝামাঝিতে নির্বাচন হতে পারে: উপদেষ্টা সাখাওয়াত
সেনাকুঞ্জে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে খালেদা জিয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহত ৫ জনকে রোবটিক হাত উপহার
সেনাকুঞ্জের পথে খালেদা জিয়া
সুযোগ পেলে শেখ হাসিনার পক্ষে মামলায় লড়ব: জেড আই খান পান্না
নির্বাচন কমিশন গঠন, সিইসি হলেন অবসরপ্রাপ্ত সচিব নাসির উদ্দীন
ডিএনএ টেস্টের ফলাফল: ভিনিসিয়ুসের পূর্বপুরুষ ছিলেন ক্যামেরুনের
জামিন পেলেন সাংবাদিক শফিক রেহমান
বিএনপি ছেড়ে আওয়ামী লীগে আসা সেই শাহজাহান ওমর গ্রেপ্তার
মিরপুর ও মহাখালীতে অটোরিকশা চালকদের সেনাবাহিনীর ধাওয়া
‘শেখ হাসিনা এখনও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী’, এমন কথা বলেননি ট্রাম্প
লেবাননে ৮ শতাধিক ইসরায়েলি সেনা নিহত
ভারতে সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরল ২৪ বাংলাদেশি কিশোর-কিশোরী
ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্টে অবরোধ করে ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকদের বিক্ষোভ
গাজায় ইসরায়েলের হামলায় আরও ৮৮ ফিলিস্তিনি নিহত