শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

জোট আছে, জোট নেই

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট এখন অনেকটাই অকার্যকর। অনেক দিন ধরেই সম্মিলিতভাবে জোটের কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দেখা যাচ্ছে না। বিগত দুই-তিন মাস ধরে বিএনপি এককভাবে সরকারবিরোধী কর্মসূচি পালন করছে। জোটের অন্য কোনো দলকে তেমন একটা কর্মসূচি পালন করতে দেখা যাচ্ছে না। অধিকাংশ দলই বিবৃতি নির্ভর। বিএনপি নেতারাও বলছেন, ‘২০ দলীয় জোট বা অন্য জোটের ভবিষ্যৎ কী হবে তা সময়ই বলে দেবে।’

এই যখন ২০ দলীয় জোটের অবস্থা তখন জোটের শরিকদের মধ্যে কানাঘুষা শুরু হয়েছে। জোটের শরিক দলের নেতারা আশঙ্কা করছেন, যেকোনো সময় জোটের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল আলমগীর গত ১৩ সেপ্টেম্বর গুলশানে ২০ দলীয় জোট নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘আমরা যুগপৎ আন্দোলনে আছি। আমরা সব রাজনৈতিক দলকে আহ্বান করেছি যুগপৎ আন্দোলন করার জন্য।’

জোটের বর্তমান অবস্থা নিয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘জোটের প্রয়োজনীয়তা শেষ হয়ে যায়নি, এখনো আছে। এই মুহূর্তে জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে বিএনপি হয়তো চলতে চাচ্ছে না। তাই কিছুটা কৌশলগত অবস্থান থেকে ২০ দলীয় জোটকে এড়িয়ে যাচ্ছে বিএনপি। তবে এটাও ঠিক দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত জোট নিয়ে বিএনপি যদি মনে করে নির্বাচন আসলে তারা ক্ষমতায় চলে আসবে সেটা তাদের ভুল ধারণা। কারণ আমরা সামনে নির্বাচন দেখি না, দেখছি আন্দোলন, সংঘর্ষ, সংঘাত ও রক্ত।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিএনপির কাছে ২০ দলীয় জোটের সম্মান বা কদর কতটুকু আছে তা আমাদের চেয়ে ভালো করে বিএনপিই বলতে পারবে। আপনারাও কিছুদিন অপেক্ষা করেন সব স্পষ্ট হয়ে যাবে। তারা যদি মনে করে জোটকে বাদ দিয়েই তাদের লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে সেটা ভিন্ন কথা। তবে বিএনপি ছেড়ে দিলেও ২০ দলীয় জোটের দলগুলোকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তাদের পক্ষে নিতে এক পায়ে দাঁড়িয়ে আছে। সে কথাটাও বিএনপি নেতৃত্বকে মনে রাখতে হবে। জোট ছেড়ে দেওয়া মনে হয় না বিএনপির জন্য বুদ্ধিমানের কাজ হবে। বর্তমানে এই জোট নেতৃত্ব শূন্যতায় আছে। জোটের কার্যক্রম কিছুটা স্তিমিত।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির একজন সদস্য ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘২০ দলীয় জোট হচ্ছে নির্বাচন কেন্দ্রিক একটি জোট। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ জোটকে মূলত নির্বাচনী জোট হিসেবে আখ্যা দিয়েছে বিএনপি। এখন জোট প্রধান দল যেহেতু নির্বাচন নিয়ে ভাবছে না সেই অর্থে জোটের কোনো কার্যক্রম নেই বললেই চলে। তবে আমাদের মধ্যে প্রায় সময় অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হচ্ছে। অভ্যন্তরীণভাবে জামায়াত-বিএনপির সম্পর্কে ফাটল নেই। সম্পর্ক আগে যেমন ছিল ঠিক তেমনই আছে।’

জোট শরিক বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘যুগপৎ আন্দোলনের পরিবেশ পরিস্থিতি এই মুহূর্তে বাংলাদেশে নেই। যুগপৎ আন্দোলন হতে পারে জোটবদ্ধ হয়ে। সেক্ষেত্রে হতে পারে একাধিক জোট। যেখানে বিএনপির মতো একটি জনসমর্থিত রাজনৈতিক দল কর্মসূচি পালনে সরকারি দল ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অস্ত্রের মুখে কোণঠাসা। সেখানে অন্য কোনো দল এককভাবে আন্দোলনে রাজপথে সুবিধা করতে পারবে না।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘২০ দলীয় জোট আছে, তবে নিষ্ক্রিয় বা অকার্যকর বলা যেতে পারে। জোটের প্রধান দল বিএনপির উচিত হবে এখনই ২০ দলীয় জোটকে গুরুত্ব দিয়ে রাজপথে একত্রে সরকারবিরোধী আন্দোলনে অগ্রসর হওয়া।’

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘সরকারবিরোধী সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে রাজপথে আন্দোলন কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। যারা গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার পক্ষে এমন রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে একসঙ্গে বা যুগপৎ আন্দোলন হতে পারে। আর ২০ দলীয় জোট বা অন্য জোটের ভবিষ্যত কী হবে তা সময়ই বলে দেবে।’

জোট শরিক বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বলেছিলেন, ‘দীর্ঘদিন যাবৎ ২০ দলীয় জোটের মিটিং হচ্ছে না, এটা যেমন বাস্তব। তাহলে এটা আছে বললেও সঠিক, আবার নেই বললেও সঠিক। দুই পা দুই দিকে, সেটাও সঠিক। আমরা আশা করছি, জোটের প্রধান শরিক একটা সিদ্ধান্ত নেবে। কারণ তারা বারবার বলছে তারা বৃহত্তর ঐক্য চায়। কিন্তু সেটার রূপরেখা এখনো উপস্থাপিত হয়নি।’

জোটের নেতারা জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ২০ দলীয় জোট গঠন করেন। দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার পর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারবেন না, এমন শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি পেয়েছেন। আর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলায় দণ্ড নিয়ে রয়েছেন দেশের বাইরে। মূলত সঠিক নেতৃত্বের অভাবে ২০ দলীয় জোট অনেকটাই পথহারা। জোটের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি তাদের কোনো রাজনৈতিক যোগাযোগ নেই, যেটা আছে সেটা লোক দেখানো।

সংশ্লিষ্টদের মতে, জোটের ভেতরে শুধুমাত্র জামায়াতে ইসলামী ছাড়া বাকি দলগুলোর রাজনৈতিক শক্তি তেমন একটা নেই। সেই জামায়াত সম্পর্কে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ওটার ব্যাপারে আমি জবাব দিয়ে দিয়েছি আপনাদের। আমরা এখন যুগপৎ আন্দোলনের কথা বলছি। বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে বুঝতে হবে, আমরা যুগপৎ আন্দোলনের কথা বলছি। সব দল, সব মতকে সঙ্গে নিয়ে আমরা যুগপৎ আন্দোলন করব। আমরা পরিষ্কারভাবে বলেছি, যেকোনো দল, যেকোনো সংগঠন এই কর্তৃত্ববাদী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করলে তাদের সবাইকে নিয়ে আমরা যুগপৎ আন্দোলন করব।’

বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যে জোটের শরিক দলগুলোর নেতারা প্রশ্ন রাখেন, তবে তাই যদি হয় তাহলে এখন আবার যুগপৎ আন্দোলনে সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে কেন পাশে পেতে চায়?

বিএনপি নেতারা বলছেন, বিএনপি রাজনৈতিকভাবে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বড় দল। সেখান থেকে দু-একটি রাজনৈতিক দল জোটে না থাকলেও যেমন ক্ষতি হবে না। জোটে থাকলেও খুব একটা লাভ হবে না। ২০ দলীয় জোট ঘোষণায় আছে, হয় তো আনুষ্ঠানিকভাবে জোটগত কার্যক্রম থাকবে না।

অবশ্য জোটের শরিক দলগুলোকে বিএনপি কোনোভাবেই উপেক্ষা করছে না বলেও দাবি করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেছেন, সম্প্রতি জোটের অধিকাংশ দলের সঙ্গে সংলাপও করা হয়েছে। তাই ঢাকাপ্রকাশ-এর কাছে ২০ দলীয় জোটের এ ধরনের অভিযোগ একবারেই ভিত্তিহীন বলেও যোগ করেন তিনি।

এনএইচবি/এসজি

Header Ad
Header Ad

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বিমসটেক) সম্মেলন শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাত ১০টার পর প্রধান উপদেষ্টা ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এর আগে, থাইল্যান্ডের স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ফ্লাইটটি ব্যাংককের সুবর্ণ ভূমি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে আসে। এ সময় থাই মন্ত্রী জিরাপর্ন সিন্ধুপ্রাই বিমানবন্দরে প্রধান উপদেষ্টাকে বিদায় জানান।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ব্যাংককে পৌঁছান এবং সম্মেলনের পাশাপাশি প্রতিবেশী কয়েকটি দেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। এসব বৈঠকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক।

এ ছাড়া আগামী দুই বছরের জন্য বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করে বাংলাদেশ।

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ