শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

মিনিকেট নামে প্যাকেটজাত করে ভোক্তার পকেট কাটছে সুপারশপগুলো

‘মিনিকেট’ নামে কোনো ধান নেই। অথচ এ নামেই বাজারে চাল বিক্রি করে বেশি মূল্য নেওয়া হচ্ছে। কাটা হচ্ছে ভোক্তার পকেট। সরকারের কৃষিমন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিকারও বলছে, মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই। এটা ভোক্তার সঙ্গে প্রতারণা।

আর যেসব প্রতিষ্ঠান মিনিকেট নাম দিয়ে চাল বিক্রি করছে তাদের প্রতিনিধিরাও বলছেন, মিনিকেট নামে ধান নেই। সরকার চাইলে এগুলো বন্ধ করে দিতে পারে। আমাদের কোনো আপত্তি নেই।

সরেজমিন রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ও সুপারশপ ঘুরে দেখা গেছে, মিনিকেট নামে ধানের কোনো জাত না থাকলেও সাধারণ ধান থেকে উৎপাদিত চালকে চিকন করে মিনিকেট নামে ‘সরু চাল’ রাজধানীসহ সারাদেশের বাজারে বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। চাল উৎপাদনকারি বিভিন্ন মিলমালিকরা মিনিকেট নাম দিয়ে সেই চাল প্যাকেটজাত করে ৭০ থেকে ৮৪ টাকা কেজি দরে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করছে। এক্ষেত্রে এসিআইর ৫ কেজি মিনিকেট চাল বিভিন্ন সুপারশপে বিক্রি করা হচ্ছে ৩৪৮ টাকায়। ভোক্তাদের সেই চাল কিনতে হচ্ছে ৪২০ টাকায়। অর্থাৎ প্রতি কেজি ৮৪ টাকা। ২০ শতাংশ বেশি দামে কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের। একইভাবে প্রাণ ৫ কেজি চাল ৩৮৭ টাকা বিক্রি করছে, ভোক্তাদের তা কিনতে হচ্ছে ৪৪০ টাকায়। তীর ব্র্যান্ডের ৫ কেজির চাল ৩৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে সুপারশপসহ বিভিন্ন মুদি দোকানে। ভোক্তাদের সেই চাল কিনতে হয় ৪১০ টাকায়।

এক্ষেত্রে আগোরা, মিনাবাজারসহ বিভিন্ন সুপারশপ ও বড় মুদি দোকানিরা লাভ করছেন ৫৫ টাকা বা ১৬ শতাংশ। এ ছাড়া চিনিগুড়া আতপ চাল, প্রাণ, চাষী কোম্পানির ৫ কেজির চাল ২১ শতাংশের বেশি দরে ভোক্তাদের কিনতে হচ্ছে। এর সঙ্গে সুপারশপের ভ্যাটও রয়েছে চার-পাঁচ শতাংশ। এভাবে ভোক্তাদের অজান্তেই প্যাকেটজাতের নামে ভোক্তাদের পকেট থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা করপোরেট কোম্পানিগুলোর কাছে চলে যাচ্ছে।

মিনিকেট চালের নামে বেশি দামে চাল বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে এসিআইর এজিএম (রাইস) মো. রুবেল পারভেজ ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘সুপারশপে সরবরাহ করা চালের মূল্য আমাদের কোম্পানি থেকে নির্ধারণ করা হয়। কোয়ালিটি ভালো। তাই দামও বেশি। বাজারে ২৫ কেজি ও ৫০ কেজির যে চালের প্যাকেট বিক্রি করা হয় তার চেয়ে ভালো কোয়ালিটি ৫ কেজির মিনি প্যাকেটের। এ ছাড়া প্যাকেটিং খরচও প্রতি কেজিতে পাঁচ টাকা করে। সুপাশপের চাল বগুড়ার নন্দীগ্রামের বাজার থেকে বেশি দামে কেনা হয়। বোরো মৌসুমের ৮০ শতাংশ জিরাশাইল ধান থেকে এই মিনিকেট চাল করা হয়। অর্থাৎ মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আরও বিস্তারিত তথ্য জানতে হলে এসিআইর বিজনেস ম্যানেজার মো. জহিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।’

সিটি গ্রুপের তীর ব্রান্ডের ৫ কেজি প্যাকেটের ক্রয়মূল্য ৩৫৫ টাকা। সেই প্যাকেট ৪১০ টাকায় বিভিন্ন সুপারশপসহ বাজারে বিক্রি হচ্ছে। এটা বাজারের চেয়ে বেশি দাম কি না জানতে চাইলে সিটি গ্রুপের পরিচালক বিশ্বজিৎ সাহা ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘ আমাদের করার কিছু নেই। ট্যারিফ কমিশনের বেঁধে দেওয়া দামেই এটা বিক্রি হচ্ছে। পরিবেশকদের ৩ টাকা ও খুচরা বিক্রেতাদের ৫ টাকা কমিশন দেওয়া হয়। এ ছাড়া প্যাকেটের খরচও আছে। এই চালের কোয়ালিটি ভালো। তাই দামও বেশি।‘

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ হ্যাঁ, অন্য ধান থেকে উৎপাদিত চালকে মিনিকেট নামে ব্র্যান্ড করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। সরকার বা খাদ্য মন্ত্রণালয় চাইলে এটা বন্ধ হয়ে যাবে। তখন আর বেশি দামে ভোক্তাদের কিনতে হবে না।’

প্রাণ গ্রুপের ৫ কেজির ‘প্রাণ মিনিকেট’ চালও বিক্রি হচ্ছে ৪৪০ টাকা দামে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রাণের সিনিয়র ম্যানেজার নিয়াজ মোরশেদ ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘কোয়ালিটি ভালো হওয়ায় দামও বেশি। এই বাড়তি দাম থেকে পরিবেশকদের ৩ শতাংশ ও খুচরা বিক্রেতাদের ১১ শতাংশ কমিশন দেওয়া হয়। তবে সুপারশপ এই চাল বিক্রি করলে কমিশনের পুরোটাই তারা পায়। এ ছাড়া ৫ কেজির প্যাকেটে খরচও হয় ২৫ টাকা। তাই বাড়তি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। আমাদেরও ২৫ বা ৫০ কেজির বস্তা চাল ১৭০০ টাকা থেকে ৩৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজির দাম ৬৮ টাকা।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা কৃষকের কাছ থেকে মিনিকেট নামেই ধান কিনি। তাই মিনিকেট ব্রান্ড নামেই বিক্রি করা হচ্ছে। সরকার বন্ধ করে দিলে আমাদের আপত্তি নেই।’

উল্লেখ্য, প্যাকেটজাতের নামে বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো চাল, ডাল, লবণসহ প্রায় সব নিত্যপণ্য বেশি দামে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করছে। এমন অভিযোগ পাওয়ায় জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরে মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) করপোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করে। সেখানে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মিনিকেট নামে কোনো ধানের জাত নেই। সুতরাং এই নামে চাল বিক্রি করা হচ্ছে ভোক্তার সঙ্গে সরাসরি প্রতারণা।

এ ব্যাপারে জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেছেন, ‘মিনিকেট নামে কোনো ধানের জাত নেই। মোটাচাল কেটে চিকন করে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। বেশি দামে মিনিকেট ব্রান্ড করে বিক্রি করা হচ্ছে। তাই কৃষি মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, মিলমালিকসহ সবার সঙ্গে আলোচনা করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আসলে বিষয়টা হলো এ মুহূর্তে অভিযান করে মিনিকেট বন্ধ করে দিলে একই চাল নতুন নামে বাজারে আসবে। এটা কোনো সমাধান নয়। তাই সরকারিভাবে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে প্যাকেটজাত পণ্যের মূল্য বেশি। এটা কমাতে হবে। কারণ অন্য চালের দাম বেড়ে যাচ্ছে।’

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারও মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বলেছেন, ‘মিনিকেট বলে কিছু নেই। একসময় ভারত থেকে চিকন চালের বীজ আনা হতো মিনি সাইজের প্যাকেটে করে। এই হলো মিনিপ্যাক। এই বীজকে আমরা নাম দিয়েছি মিনিকেট চাল। ভোক্তা অধিকার এই মিনিকেট নাম উচ্ছেদ করতে অভিযান চালাতে পারে। আমাদের সে সক্ষমতা নেই।’

উল্লেখ্য, এবার বোরো ধানের ভরা মৌসুমেও চালের দাম কমেনি। বরং ক্রমান্বয়ে দাম বাড়তে থাকে। সরকার চাল আমদানির উপর ট্যাক্স কমানোর পরও বাজারে এর প্রভাব পড়ছে না। বাধ্য হয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে যায়। ভোক্তা অধিদপ্তর বিভিন্ন বাজার ও সুপারশপে অভিযান পরিচালনা করে একটা তালিকা করে। তাতে প্যাকেটজাত চালের বেশি দাম ধরা পড়ে। বাধ্য হয়ে বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে ডেকে এই বাড়তি দাম যৌক্তিক কি না তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

এনএইচবি/এসএন

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম হাসান সরকার অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট দিয়ে বিয়ের খবর জানিয়েছেন তিনি। স্ত্রীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি দিয়ে প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে ক্যাপশনে লিখেছেন— "আলহামদুলিল্লাহ কবুল। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।"

এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তোলা ছবি কাভার ফটো হিসেবে পোস্ট করেছেন এই অভিনেতা। ছবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানকেও দেখা গেছে।

 

তবে স্ত্রীর পরিচয় সম্পর্কে ফেসবুক পোস্টে কিছু উল্লেখ করেননি শামীম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো