শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

সরকারি পুকুর গিলে খেলেন গোলাম মাওলা ও তার সন্তানরা!

পুকুর ভরাট করে নির্মাণ করা হয়েছে ঘরবাড়ি

২২ শতকের সরকারি একটি আস্ত ‘পুকুর’ গিলে খেয়েছেন মো. গোলাম মাওলা (মিঞা লাল) নামে এক ব্যক্তি! ঘটনাস্থল একেবারে রাজধানীর বুকে। ঢাকা জেলা প্রশাসনের ১ নং খতিয়ানভুক্ত পুকুরটির অবস্থান মোহাম্মদপুরের ওয়াশপুর মৌজার বসিলায়। এখন সেখানে পুকুরের বদলে জায়গা করে নিয়েছে পাকা দালানকোটা ও টিনশেড বাড়ি। দখলদারের ছেলেরা সেই বাড়ি থেকে ভাড়া উঠাচ্ছেন। বর্তমানে এই জমির বাজারমূল্য হচ্ছে প্রায় ১১ কোটি টাকা।

পুকুরটি উদ্ধারে কাজ করছেন পরিবেশ কর্মীরা। সরকারের ভূমি কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরাও বলছেন, এটি ছিল আস্ত পুকুর এবং সরকারের সম্পত্তি। তারপরও উদ্ধার হয়নি দখলদারদের হাত থেকে।

সরেজমিন অনুসন্ধান এবং সরকারি বিভিন্ন নথি থেকে পুকুর গিলে খাওয়ার এ সব তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা যায়, রাজধানীর মোহম্মদপুরের ওয়াশপুর মৌজার বসিলায় কাগজে-কলমে ২২ শতক জমির সরকারি পুকুর থাকলেও বাস্তবে এখন সেখানে পুকুরের কোনো অস্তিত্ব নেই। বরং সেখানে রয়েছে বসতবাড়ি। সরকারি পুকুর অবৈধভাবে দখল করে ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। বিগত তিন বছর ধরে জেলা প্রশাসন এ বিষয়ে অবগত থাকলেও পুকুর দখলমুক্ত করার কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পুরো পুকুরটি গিলে খেয়েছেন দখলদার মো. গোলাম মাওলা (মিঞা লাল)। সরকারি সমস্ত কাগজে জায়গাটি প্রথম শ্রেণির পুকুর হিসেবে চিহ্নিত করা রয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, কোনো প্রকার ইজারা বা অনুমতি ছাড়াই প্রায় আট বছর আগে পুকুরটি ভরাট করেন স্থানীয় মো. গোলাম মাওলা (মিঞা লাল) নামে এক ব্যক্তি। এই আট বছরে সে জায়গার এক অংশে দুটি পাকা দালান ও অপর অংশে বেশ কয়েকটি টিনশেড ঘর নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছেন গোলাম মাওলা। ২০২১ সালে তিনি মারা যাওয়ার পর তার চার সন্তান সে জায়গার কর্তৃত্ব নিয়েছেন। বর্তমানে সে জায়গার দাম প্রায় ১১ কোটি টাকারও বেশি। ছেলেদের মধ্যে কবির বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন দখলকৃত জায়গাটি বৈধ করতে। কবিরের ভাই মুকুলের সঙ্গে কথা হয় ঢাকাপ্রকাশ এর এই প্রতিবেদকের।

মুকুল ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘আমার তিন নম্বর ভাই কবির সব জানে। কাগজপত্র সব কবিরের কাছে আছে। আমার আব্বা আমাদের দিয়ে গেছেন। মালিক আমার আব্বা। সেই ঘর তুলে দিয়েছে আমরা ভাড়া দিয়ে খাই। কাগজপত্র যা আছে সব আমার তিন নম্বর ভাইয়ের কাছে আছে। অনেক আগে পুকুর ছিল। সম্ভবত ১৯৮৬ সালে আমার আব্বা পুকুর লিজ নিয়েছিল। আব্বা মারা যাওয়ার পর আমরা আবার আবেদন করেছি। মোটামুটি কাগজপত্র ক্লিয়ার হয়ে গেছে।’

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের মন্তব্য পেতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পির সঙ্গে কথা বলতে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করা হয়, ফোনে রিং হলেও তিনি রিসিভ না করায় কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরে তার মোবাইলে এসএমএস করা হয় ‘ওয়াশপুর মৌজার আরএস ১ নং খতিয়ানভুক্ত ৫৭১ নং দাগের প্রথম শ্রেণির একটি পুকুর অবৈধভাবে দখল হয়েছে। পুকুরটি পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে পেতে আপনার অফিসে একটি আবেদনও করা হয়েছে। এ বিষয়ে আপনার একটি মন্তব্য দরকার।’ এরপরও তার কোনো সাড়া মেলেনি।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতায় এই পুকুর ভরাট করার আগে পরিবেশ অধিদপ্তর ও সিটি করপোরেশনের অনুমতি প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে কোনোটিই মানা হয়নি।

এবিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘অবৈধ দখলে থাকলে অবশ্যই উচ্ছেদ করতে হবে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে যদি আমাদের চিঠি দেয় আমরা অবশ্যই দখলদারদের উচ্ছেদ করব।’

পরিবেশকর্মী সৈয়দ সাইফুল আলম পুকুরটি উদ্ধারে বেশ কয়েক বছর ধরে কাজ করছেন। তিনি বিষয়টি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জানিয়েছেন। তিনি ঢাকাপ্রকাশ-কে জানান, পর্চা অনুযায়ী প্রয়াত মিঞা লালের দখলকৃত জায়গাটির প্রকৃত মালিক ঢাকা জেলা প্রশাসক। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বছিলা এলাকার ওয়াশপুর মৌজার আর এস ১ নং খতিয়ানভুক্ত ৫৭১ নং দাগের ২২ শতক জায়গাটি পুকুর শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। সেই পুকুরের চারদিকে ইটের প্রাচীর তৈরি করা হয়েছে। ভেতরে একটি সেমি পাকা ঘর ও গাছগাছালিতে ভরপুর। প্রতিমাসে সেখান থেকে ভাড়া আদায় করছেন গোলাম মাওলার ছেলেরা।

ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সব নথিতেই জায়গাটি পুকুর হিসেবে চিহ্নিত। ওয়াশপুর মৌজার আর এস ১ নং খতিয়ানভুক্ত ৫৭১ নং দাগের পুকুরটি সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দিয়েছেন কেরানীগঞ্জের রোহিতপুর ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আনোয়ার হোসেন।

স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, এলাকায় প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত ছিলেন মিঞা লাল। একই সঙ্গে তার সন্তানরাও বর্তমানে পিতার মতো প্রভাব বিস্তার করছেন।

স্থানীয়রা বলছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেও জায়গাটিতে পুকুর ছিল। প্রয়াত গোলাম মাওলা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও কেরানীগঞ্জ ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের সহায়তায় অবৈধভাবে এই পুকুর ভরাট করে নিজের দখলে নিয়েছিলেন। তবে এলাকাবাসীদের কেউই কোনো সরকারী কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করেননি।

সেই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, 'বর্তমানে বর্ণিত পুকুরটি উক্ত মো. গোলাম মাওলা এক অংশে একতলা পাকা দালান অপর অংশে টিনশেড ঘর নির্মাণপূর্বক তাতে ভাড়াটিয়া দ্বারা অবৈধ দখলে রেখেছেন। এমতাবস্থায় পুকুরটির দখলদার উচ্ছেদ করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যেতে পারে।'

এ বিষয়ে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আনোয়ার হোসেন ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘সমস্ত কাগজেই জায়গাটি পুকুর হিসেবে চিহ্নিত। আমি সরজমিনে পরিদর্শন করেছি এবং সেখানে দেখেছি জনৈক গোলাম মাওলা পুকুরটি বালু দিয়ে ভরাট করে বাড়িঘর তৈরি করেছেন। আমরা দখলদার উচ্ছেদ করে পুকুরটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক মহোদয়কে অনুরোধ করেছি।’

এদিকে পরিবেশ আইন অমান্য করে পুকুর ভরাট করে ঘর-বাড়ি নির্মাণের ফলে সরকারি সম্পদ বেদখল হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের উপর এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ এ পুকুরটি ভরাটের ফলে বর্ষা মৌসুমে আশেপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ফলে তাদের নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়। পর্চা অনুযায়ী এই পুকুরের মালিক ঢাকা জেলা প্রশাসক।

এনএইচবি/আরএ/

Header Ad
Header Ad

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বিমসটেক) সম্মেলন শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাত ১০টার পর প্রধান উপদেষ্টা ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এর আগে, থাইল্যান্ডের স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ফ্লাইটটি ব্যাংককের সুবর্ণ ভূমি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে আসে। এ সময় থাই মন্ত্রী জিরাপর্ন সিন্ধুপ্রাই বিমানবন্দরে প্রধান উপদেষ্টাকে বিদায় জানান।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ব্যাংককে পৌঁছান এবং সম্মেলনের পাশাপাশি প্রতিবেশী কয়েকটি দেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। এসব বৈঠকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক।

এ ছাড়া আগামী দুই বছরের জন্য বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করে বাংলাদেশ।

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ