শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

জিরো টলারেন্সেও থামছে না ইয়াবার থাবা

ইয়াবার ভয়ংকর থাবা ক্রমেই গ্রাস করছে দেশের তরুণ ও যুবসমাজকে। উঠতি বয়সী তরুণ-তরুণীরাই এর বড় শিকার। একসময় গুলশান-বনানীর মতো অভিজাত এলাকার মাদকাসক্তদের কাছে ইয়াবার পরিচিতি ছিল দামি মাদক হিসেবে। কিন্তু বর্তমানে রাজধানীর পাড়া-মহল্লা, অলিগলি থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা এমনকি গ্রামাঞ্চলেও হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে ইয়াবা।

অথচ সরকার প্রধান থেকে শুরু করে সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধানরা বারবার মাদকের বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’র (শূন্য সহনশীলতা) কথা বললেও এখন পর্যন্ত মাদক ব্যবসা বিশেষ করে ইয়াবা ব্যবসার পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।

গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, মাদক নিয়ন্ত্রণে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করলেও তেমন কোনো ফল আসেনি। এর কারণ হিসেবে তারা বলছেন, মাদক ব্যবসার সঙ্গে যারা জড়িত তারা খুবই ক্ষমতাধর ব্যক্তি। কেউ রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী, কেউ প্রশাসনিকভাবে শক্তিশালী, কেউবা টাকায় শক্তিশালী। অভিযোগ আছে, কোথাও কোথাও প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও নানাভাবে মাদকের সঙ্গে জড়িত আছেন। এসব কারণে মাদকের বিরুদ্ধে জোরালো কোনো অভিযান দেখা যায় না।

অবশ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতারা সমাজের কেউকেটা হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে তেমন কিছু করা যায় না।

ইয়াবা যেভাবে জীবনশক্তি শেষ করছে

প্রথম প্রথম ইয়াবা সেবনের কারণে একজন শান্ত মানুষ হিংস্র হয়ে উঠে। আর দীর্ঘদিন সেবনের ফলে তার জীবনীশক্তি ক্ষয় হতে থাকে। শরীরে ঝিমুনি আসে। কর্মক্ষমতা হারায়। যৌন সক্ষমতা হারিয়ে যায়। দাম্পত্য জীবনে অশান্তি। বিচ্ছেদ ঘটে। দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে ইয়াবা সেবনকারীদের নার্ভ বা স্নায়ুগুলো অচল হয়ে যায়। গোয়েন্দা তথ্য বলছে, দেশজুড়ে ইয়াবা ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিশাল সার্কেল গড়ে উঠছে। ইয়াবার এই ভয়ংকর থাবায় নতুন নতুন মুখ আসক্ত হচ্ছে। ধ্বংস হচ্ছে অসংখ্য পরিবার।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা নিয়মিত ইয়াবা সেবন করে তাদের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, নিদ্রাহীনতা, খিঁচুনি, মস্তিষ্ক বিকৃতি, রক্তচাপ বৃদ্ধি, অস্বাভাবিক হৃদস্পন্দন, হার্ট অ্যাটাক, ঘুমের ব্যাঘাত, শরীরে কিছু চলাফেরার অস্তিত্ব টের পাওয়া, অস্বস্তিকর মানসিক অবস্থা, কিডনি বিকল, চিরস্থায়ী যৌন-অক্ষমতা, ফুসফুসের প্রদাহসহ ফুসফুসে টিউমার ও ক্যান্সার হতে পারে।

একাধিক গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে ইয়াবাসেবনকারীর সংখ্যা ৮০ লাখেরও বেশি। সম্প্রতি প্রকাশিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা সাময়িকীর এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মাদকাসক্তদের ৫৮ শতাংশেরও বেশি ইয়াবাসেবী।

গবেষকরা বলছেন, ২০০০ সালের পর থেকে দেশের অল্পবয়সী ছেলেমেয়েরা ইয়াবার প্রতি আসক্ত হতে থাকে। ওই সময়ে টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে এই ট্যাবলেট আসতে শুরু করে। তারপর ধীরে ধীরে বিস্তার লাভ করে। একসময় খুব দ্রুততার সঙ্গে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে।

এখন দেশের অভিজাত এলাকা থেকে বস্তি, গ্রামগঞ্জ সর্বত্রই ইয়াবার বিস্তার ঘটেছে। বিশেষ করে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই মাদক সেবনের প্রবণতা বেশি। এ ছাড়া বহুজাতিক কোম্পানির কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, শিল্পী, মডেল, অভিনেতা, শিক্ষক-শিক্ষিকারাও জড়িয়ে গেছেন এই মরণ নেশায়।

যেভাবে প্রবেশ করছে ইয়াবা

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে থেকে জানা যায়, ইয়াবার সবচেয়ে বড় রুট হচ্ছে টেকনাফ সীমান্ত। এর বাইরে সমুদ্রপথে ইয়াবা ঢুকছে চট্টগ্রাম দিয়েও। ইয়াবা ছাড়া অন্যান্য মাদক ঢুকছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্ত দিয়েও। বিশেষ করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হাসনাবাদ, তাকি, বশিরহাট, স্বরূপনগর, বাদুরিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, বনগাঁও, পেট্রাপোল, হেলেঞ্চা, ভবানীপুর, রানাঘাট, অমৃতবাজার, বিরামপুর, করিমপুর, নদীয়া, মালদাহ, বালুরঘাট, আওরঙ্গবাদ, নিমতিতাসহ সীমান্ত সংলগ্ন প্রায় সব এলাকা থেকে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট এবং দিনাজপুর সীমান্ত দিয়ে মাদক ঢুকছে৷ ভারতের আসাম এবং মেঘালয়ের বাংলাদেশ ঘেঁষা এলাকাগুলোর একাধিক স্থান দিয়েও বিভিন্ন মাদক সহজেই বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মহাপরিচালক পর্যায়ে বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত একাধিক বৈঠকে মাদক পাচাররোধে নানা কৌশল নিয়ে আলোচনা হলেও মাদকের প্রবেশ বন্ধ করা যায়নি। এসব বৈঠকে বলা হয়, বৃহত্তর যশোর সীমান্তে ৫০- ৬০টি এবং উত্তরাঞ্চলের ৬ জেলার ৭২ কিলোমিটার সীমান্তের মধ্যে ১০টি ইয়াবা প্রস্তুত ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা রয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে এই তালিকা তুলে দেওয়া হয়েছে। একাধিক বৈঠকে কারখানাগুলো দ্রুত বন্ধ করার জন্য অনুরোধ জানানোর পর বিএসএফের পক্ষ থেকে ডজনখানেক কারখানা বন্ধ করা হয় ৷ অন্যান্য কারখানা বন্ধের তাগাদা দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত সেগুলো বন্ধ হয়নি বলে জানা গেছে।

অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইয়াবার মতো মাদকের থাবা রুখতে শুধু সেবনকারী ও বহনকারীদের গ্রেপ্তার করলে হবে না। এতে কোনো সুফল আসবে না। কারণ তারা একেবারেই নিম্নপর্যায়ের মানুষ। জরুরি হচ্ছে মাদক ব্যবসার পৃষ্ঠপোষকদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু আমরা আজও ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত রাঘববোয়ালদের কাউকে গ্রেপ্তার হতে দেখিনি।

ইয়াবার বিষয়ে জানতে চাইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সাবেক একজন মহাপরিচালক ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, দেশে মাদকের ব্যবসার পেছনে কারা আছে। তাদের একটি তালিকা আমরা সরকারকে দিয়েছি। সেগুলো নিয়ে হয়তো কাজ করা হচ্ছে।

জানতে চাইলে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) কর্নেল মো. কামরুল ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক নিয়ন্ত্রণে র‌্যাব কাজ করছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের জনসংযোগ বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার হাফিজ আল আসাদ ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, পুলিশ যে অভিযানগুলো চালায় সেখানে ৫-৬ ধরনের মাদক পাওয়া যায়। সবচেয়ে ভয়াবহভাবে পাওয়া যায় ইয়াবা। যা মিয়ানমার থেকেই আসছে। বর্তমান দেশেও তৈরি হচ্ছে বলে আমাদের কাছে তথ্য আছে।

তিনি বলেন, এসব নিয়ে আমরা কাজ করছি। এর সঙ্গে কারা জড়িত? আশ্রয় বা প্রশ্রয়দাতা কারা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আশ্রয় বা প্রশ্রয়দাতা কারা সেটা নিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কাজ করছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের এক সহকারী মহাপরিদর্শক নামপ্রকাশ না করার শর্তে ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, পুলিশ সব সময় ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক নির্মূলে কাজ করছে। তবে একেবারেই মাদক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেছেন, ইয়াবা ও অন্যান্য মাদক ব্যবসায়ীর তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আছে। তারপরও ইয়াবা বা ভয়ংকর সব মাদকের বিস্তার বন্ধ হচ্ছে না।

অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক অপরাধ বিশেষজ্ঞ তৌহিদুল হক ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, দেশের কিছু মানুষের সঙ্গে আশেপাশের দেশের মাদক ব্যবসায়ীদের সংযোগ আছে। সেটিকে তারা কাজে লাগিয়ে এদেশে ইয়াবা ও অন্যান্য মাদকের ব্যবসা করছে। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে সমাজের উচ্চপর্যায়ের কিছু মানুষ। যার মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্য বা অন্য কোনো পেশাজীবী বা রাজনৈতিক সংগঠনের লোক। তা না হলে দেশে এভাবে মাদকের প্রভাব পড়ত না।

তিনি বলেন, মাদক থেকে দূরে রাখতে কিছু সেমিনার হয়। কিন্তু এতে তেমন ফল আসছে না। মাদকের পৃষ্ঠপোষকরাও হয়তো এসব সেমিনার বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পেছনে বিনিয়োগ করে। যারা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থাকছে। যদি মাদকের আশ্রয়স্থল ও পৃষ্ঠপোষকদের আইনের আওতায় আনা না যায়, তাহলে কোনোভাবে মাদক নির্মূল করা সম্ভব না।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক সমাজ বিজ্ঞানী শিরিন সুলতানা ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, দেখা গেছে মাদকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সেমিনার করে লোক দেখানো হয়। সেসব জায়গায় বলা হয়, মাদকের সঙ্গে পৃষ্ঠপোষকদের গ্রেপ্তার করতে হবে এবং তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। কিন্তু এ পযর্ন্ত দেখলাম না যে, কোনো মাদক পৃষ্ঠপোষক গ্রেপ্তার হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ইয়াবা বা যেকোনো মাদকের সঙ্গে যদি কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রশাসনের কেউ জড়িত থাকে তাহলে অবশ্যই তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। তাহলে মাদক নির্মূল করা কিছুটা হলেও সম্ভব।

এনএইচবি/এসজি

Header Ad
Header Ad

মার্কিন শুল্ক নিয়ে সন্ধ্যায় জরুরি মিটিং ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন শুল্ক ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে একটি জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সভা আয়োজিত হবে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। সভায় অংশ নেবেন শীর্ষ বিশেষজ্ঞ, উপদেষ্টা ও কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, গত বুধবার বাংলাদেশের পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এত দিন দেশটিতে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হতো।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের ৪০ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি শিল্পে বড় ধরনের আঘাত আসতে পারে। এই ধাক্কা সামলাতে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চাইছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর পথ খোঁজা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ: পরীমনি বললেন ‘আমার হাতে সব প্রমাণ আছে’

অভিনেত্রী পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি এখন একটি বিতর্কিত অভিযোগের শিকার। তার গৃহকর্মী পিংকি আক্তার পরীমনির বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলে রাজধানীর ভাটারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে তিনি দাবি করেছেন, পরীমনি তার ওপর শারীরিক নির্যাতন করেছেন, বিশেষত এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানোর ঘটনায়।

অভিযোগ দায়েরের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি দ্রুত আলোচনায় আসে এবং সোশ্যাল মিডিয়া সহ গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়ে ওঠে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে পরীমনি ফেসবুক লাইভে আসেন। তিনি জানান, তার কাছে সব প্রমাণ রয়েছে, তবে তিনি সেগুলো প্রকাশ করতে চান না কারণ তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

অভিনেত্রী পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

লাইভে পরীমনি বলেন, “যদি আমার বিগত জীবনযাপন দেখেন, বুঝবেন যে আমি আমার স্টাফদের সঙ্গেই সময় কাটাই, তারা আমার পরিবার। এক গৃহকর্মী যার সাথে এক মাসও হয়নি, সে নিজের বিরুদ্ধে এমন দাবি করতেই পারে, তবে আমি বলব সে আমার গৃহকর্মী নয়।”

এছাড়া পরীমনি আরো জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে মিডিয়া তাকে 'মিডিয়া ট্রায়াল' করেছে এবং তা একেবারেই সঠিক নয়। তিনি বলেন, “যে কেউ যে কারও বিরুদ্ধে জিডি করলেই সেটা কি সত্যি হয়ে যাবে? প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে দোষী সাব্যস্ত করা উচিত নয়।”

লাইভে আবেগপ্রবণ হয়ে পরীমনি আরও বলেন, “এত মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধ করুন, জনগণ আসলে পুরো একটা মিডিয়া।"

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার অভিযোগ করেন, পরীমনি তার মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানোর সময় তাকে মারধর করেন, ফলে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান এবং পরে ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে ডেকে আনেন। পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে।

এদিকে, পরীমনি জানিয়েছেন, তিনি আইনি ব্যবস্থা নেবেন এবং সমস্ত প্রমাণ আদালতের মাধ্যমে উন্মোচন করবেন।

Header Ad
Header Ad

যমুনা সেতু মহাসড়কে র‍্যাবের টহল জোরদার (ভিডিও)

যমুনা সেতু মহাসড়কে র‍্যাবের টহল জোরদার করা হয়েছে। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ-উল-ফিতরের ছুটি শেষে নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে ঘরমানুষ। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফেরা ও সড়কে ডাকাতিরোধে র‍্যাবের টহল টিম জোরদার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাতে মহাসড়কের এলেঙ্গা ও মির্জাপুরসহ গুরত্বপূর্ণ এলাকায় চেক পোস্ট বসিয়ে যাত্রীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি মহাড়কে চলাচলের সার্বিক খোঁজখবর নিচ্ছে র‍্যাব সদস্যরা।

এছাড়াও ডাকাতিরোধসহ জরুরি প্রয়োজনে যাতে র‍্যাবের যোগাযোগ করতে জরুরি মোবাইল নম্বরও সরবরাহ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে র‍্যাব- ১৪ এর ৩ নং কোম্পানী কমান্ডার মেজর কাওছার বাঁধন বলেন, ঈদের আনন্দ শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে তাদের একাধিক টহল টিম দায়িত্ব পালন করছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

মার্কিন শুল্ক নিয়ে সন্ধ্যায় জরুরি মিটিং ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ: পরীমনি বললেন ‘আমার হাতে সব প্রমাণ আছে’
যমুনা সেতু মহাসড়কে র‍্যাবের টহল জোরদার (ভিডিও)
শরীয়তপুরে দু’পক্ষের তুমুল সংঘর্ষ, শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ
গরমে তৃষ্ণা মেটানোর বদলে ডিহাইড্রেটেড করবে যেসব পানীয়
পরকীয়া থেকে ফেরাতে না পেরে স্বামীকে হত্যা করলেন স্ত্রী
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু হতাহতের শিকার: জাতিসংঘ
আয়ারল্যান্ডের পাসপোর্ট বিশ্বসেরা, বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১তম
ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, নেই যানজট ও ভোগান্তি
আইএমএফের প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসছে আজ
অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে ২৮ জনের ৩ কোটি আত্মসাৎ, ফেরত দেওয়ার দাবি
প্রশাসনে রেকর্ড সংখ্যক কর্মকর্তা ওএসডি, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে নতুন রেকর্ড
ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
সাভারে আবারও চলন্ত বাসে ডাকাতি, স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল লুটপাট
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ