রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানিতে জট খুললেও ভাঙছে না সিন্ডিকেট

মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানিতে সিন্ডিকেট প্রথা থেকেই যাচ্ছে বলে আশংকা করছেন সাধারণ রিক্রুটিং এজেন্টরা। তারা বলছেন, আগে সরাসরি নির্দিষ্ট সংখ্যক রিক্রুটিং এজেন্সির কথা বলা হলেও এখন সেটি বাদ দিয়ে কার্যত মালয়েশিয়ার হাতেই রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচনের ভার দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ একটু ইনিয়েবিনিয়ে আসলে সিন্ডিকেট ব্যবস্থাকেই বহাল রাখা হয়েছে।

‘নিষিদ্ধ হওয়ার ভয়ে’ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো এই বিষয়ে অনরেকর্ড কথাও বলতে চাইছে না। বেশ কয়েকজন রিক্রুটিং এজেন্ট নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, সাধারণ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো তো ব্যবসাই করতে পারবে না। যে মালয়েশিয়া ২৫ রিক্রুটিং এজেন্সি দিয়ে সিন্ডিকেটের প্রস্তাব দিয়েছিল, সেই মালয়েশিয়ার হাতেই রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচনের ভার দেওয়া হয়েছে। এটা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কূটনৈতিক ব্যর্থতা।

সিন্ডিকেটের কারণে মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি বন্ধ ছিল তিন বছর। সেই খরা কাটে ২০২১ সালের ১৯ ডিসেম্বর মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের মধ্য দিয়ে। সুযোগ তৈরি দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর।

কিন্তু এই যাত্রায় বাধ সাধে মালয়েশিয়ার একটি শর্ত। তাদের শর্ত ছিল মাত্র ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠাতে হবে। তবে রিক্রুটিং এজেন্টদের সংগঠন বায়রা এবং বাংলাদেশ সরকারও মালয়েশিয়ার শর্ত প্রত্যাখ্যান করে। বাংলাদেশ সরকার চিঠি দিয়ে সেটি জানিয়েও দেয় মালয়েশিয়াকে। এর ফলে অনিশ্চিত হয়ে পড়ে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর বিষয়টি।

তবে গত ১ জুন ঢাকায় আসেন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী দাতুক সেরি এম সারাভানন। গত ২ জুন তিনি প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে বৈঠক করেন বাংলাদেশের প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদের সঙ্গে।

বৈঠক শেষে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, কর্মী পাঠানোর জট খুলেছে। ১৫২০টি রিক্রুটিং এজেন্সির সবগুলোই কর্মী পাঠাতে পারবে। তবে সবগুলো এজেন্সি তো সুযোগ পাবে না। কারা সুযোগ পাবে সেটা মালয়েশিয়া নির্ধারণ করবে।

মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী ১ জুন ঢাকায় আসার প্রাক্কালে কুয়ালালামপুরে সাংবাদিকদের জানান, তার সফরকালে ঢাকায় যেসব রিক্রুটিং এজেন্সি বিক্ষোভ করবে সবগুলোকে নিষিদ্ধ করা হবে।

এম সারাভানন বলেন, ‘আমার ঢাকা সফরকে কেন্দ্র করে কিছু এজেন্সি বিক্ষোভ প্রদর্শনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। আমি এটা নিয়ে মোটেই ভীত নই। কারণ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো যত বেশি হুমকি দেবে, ততো বেশি নিষিদ্ধ হবে।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বায়রার এক নেতা বলেন, এরপর মালয়েশিয়ার মন্ত্রী এলেন। বৈঠক করলেন আমাদের মন্ত্রীর সঙ্গে। তারপর আমরা দেখলাম রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচনের ক্ষমতা মালয়েশিয়ার হাতে রাখা হয়েছে। তাহলে কি আর কথা বলার উপায় আছে?

এভাবে যদি রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচন হয় তাহলে সাধারণ এজেন্সিগুলো আদৌও ব্যবসা পাবে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ ঢাকাপ্রকাশকে বলেন, কেউ যখন ব্যবসা শুরু করে তখন মার্কেটিং সম্পর্কেও সে ভেবেচিন্তেই ব্যবসায় নামে। কাজেই আমার তো মনে হয় পারবে।

মালয়েশিয়ার হাতে রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচনের ক্ষমতা প্রসঙ্গে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বলেন, এটা তো তাদের হাতেই থাকবে। তারা আমাদের কাছ থেকে লোক নিবে। কীভাবে নেবে সেটা তো তাদের হাতেই রাখবে।

তবে বায়রার সাবেক সভাপতি বেনজীর আহমেদ বলছেন, কিছু বিতর্ক থাকলেও কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হওয়াটা ইতিবাচক। দ্রুত মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো যাবে এমন প্রত্যাশা করি।

 

আরইউ/এনএইচবি/

Header Ad
Header Ad

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার উপদেষ্টা ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সাধারণ মানুষ। শনিবার (৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগালসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

আয়োজকদের দাবি, ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি এবং মাস্কের অতিরিক্ত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ।

ওয়াশিংটনের কানেটিকাট অ্যাভিনিউ ও ন্যাশনাল মল এলাকায় বৃষ্টির মধ্যেও হাজারো বিক্ষোভকারী প্ল্যাকার্ড হাতে জড়ো হন। ‘যুক্তরাষ্ট্রে কোনো রাজা নেই’, ‘মাস্ককে বিতাড়িত করুন’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখর ছিল রাজপথ। আয়োজকদের ধারণা, শুধু ওয়াশিংটনেই অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

ইউরোপের শহরগুলোতেও ছিল একই দৃশ্য। জার্মানির বার্লিনে টেসলার শোরুমের সামনে এবং ফ্রাঙ্কফুর্টে ‘হ্যান্ডস অফ’ ব্যানারে বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের পদত্যাগ দাবি করেন। তাদের হাতে ছিল ব্যানার: ‘গণতন্ত্র রক্ষা করুন’, ‘ট্রাম্প চলে যাও’। প্যারিসের প্যালেস দে লা রিপাবলিক এলাকায় মার্কিন অভিবাসীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়, যেখানে ‘আইনের শাসন চাই’, ‘অত্যাচারীকে প্রতিহত করুন’—এমন বার্তাবাহী প্ল্যাকার্ড বহন করা হয়।

লন্ডন, লিসবনসহ আরও বেশ কিছু শহরেও মাস্ক ও ট্রাম্প বিরোধী আন্দোলনের ঝড় উঠে। বার্লিনে “ইলন, তোমাকে কেউ ভোট দেয়নি”—এই স্লোগানটি মাস্কের অগণতান্ত্রিক প্রভাবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের মনোভাব স্পষ্ট করে তোলে।

বিশ্বব্যাপী এই বিক্ষোভ শুধু রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের পক্ষে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে প্রতিভাত হচ্ছে। আয়োজকরা বলেন, এখনকার বিশ্ব আগের চেয়ে অনেক বেশি আন্তঃসংযুক্ত—একটি দেশের নেতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়ে অন্য দেশেও। এই বিক্ষোভ তাই স্বৈরাচার ও অগণতান্ত্রিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিশ্বজাগরণের প্রতিচ্ছবি। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

Header Ad
Header Ad

চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিজিটিএন-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও গভীর এবং কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করতে চান তিনি। শনিবার (৫ এপ্রিল) চার মিনিটের সেই ভিডিও সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। এই সম্পর্ক শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং পুরো অঞ্চলের ভূমি পরিবেষ্টিত দেশগুলোর জন্যও উপকার বয়ে আনবে।” তিনি চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিল্প-কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের পথে রয়েছে, আর এ যাত্রায় চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নে চীনের ভূমিকা হতে পারে উল্লেখযোগ্য। “আমাদের অর্ধেক জনগণের বয়স ২৭ বছরের নিচে। এরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, এবং তাদের অর্থনৈতিক দক্ষতায় পরিণত করতে হবে,” বলেন তিনি।

তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে চীনের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বলেন, “বাংলাদেশ ও চীনের ৫০ বছরের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই সাফল্য আরও এগিয়ে নিতে সংস্কৃতি ও ভাষা চর্চার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।” তিনি বাংলাদেশে চাইনিজ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেন, যাতে বাংলাদেশের মানুষ চীনা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হতে পারে।

সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস স্বাস্থ্যসেবা খাতেও চীনের সহায়তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “চীনের স্বাস্থ্য প্রযুক্তি ও পরিষেবা থেকে বাংলাদেশ অনেক কিছু শিখতে পারে। দেশের সাধারণ মানুষ চীনের মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পেতে আগ্রহী।”

সাক্ষাৎকারের শেষভাগে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “শান্তিই একমাত্র সমাধান, যুদ্ধ কোনো পথ নয়। একটি টেকসই, শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার বিকল্প নেই।”

উল্লেখ্য, গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ ড. মুহাম্মদ ইউনূস দক্ষিণ চীনের হাইনান দ্বীপে আয়োজিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বেইজিং সফর করেন। এটি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল।

Header Ad
Header Ad

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন নয় বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। রবিবার (৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে ঈদ-পরবর্তী প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নতুন করে যেসব শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, সেগুলোর প্রভাব মোকাবিলা করা কঠিন হবে না।

তিনি জানান, “ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে বড় কোনো প্রভাব ফেলবে না। আমাদের রপ্তানি বাজার বহুমুখী, সেই সঙ্গে উৎপাদন খরচ তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় আমরা প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে আছি।”

ঈদের পরবর্তী সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “মানুষ এবার ভালোভাবে ঈদ উদযাপন করেছে। মার্চ মাসে ৩ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যার প্রভাবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে।”

সালেহউদ্দিন আহমেদ আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং যেকোনো বৈশ্বিক চাপে তা টিকে থাকতে সক্ষম হবে।

 

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা
চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা
রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায় হেফাজত, বিএনপির সঙ্গে একমত
চীনের পাল্টা শুল্কারোপে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উত্তেজনা
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ
পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস
বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫