রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

সম্ভাবনার নতুন দুয়ার পদ্মা সেতু-৪

রাজধানীর যানজট সামাল দিতে প্রয়োজন বৃত্তাকার সড়ক

পদ্মা সেতু চালু হলে দক্ষিণাঞ্চলমুখী যানবাহনের চাপ বাড়বে। এসব যানবহানকে ঢাকার ভেতর দিয়ে পদ্মা সেতুতে ওঠা ছাড়া কোনো বিকল্প এখন পর্যন্ত নেই। ফলে পদ্মা সেতু চালু হলে ঢাকার যানজট আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। সেক্ষেত্রে ঢাকা ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ একটি ভাল সমাধান হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখন পর্যন্ত এমন কোনো রাস্তা করা হয়নি যা দিয়ে ঢাকার ভেতরে না ঢুকেও পদ্মা সেতুতে উঠতে পারবে যানবাহনগুলো। এক্ষেত্রে যদি ঢাকা ঘিরে বৃত্তাকার একটি সড়কপথ তৈর করা যেত তাহলে ঢাকার ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ত না। এক্ষেত্রে একটি পরিকল্পনা থাকলেও এখন পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। ঢাকার দোলাইরপাড় থেকে পদ্মা সেতু পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু এক্সপ্রেসওয়েতে উঠতে গেলেও ঢাকার অসহনীয় যানজট অতিক্রম করেই যেতে হবে।

অন্যদিকে, পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে যেসব যানবাহন ঢাকায় ঢুকবে সেক্ষেত্রেও যানজট বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। যেসব যানবাহন ঢাকায় ঢুকবে সেগুলো এক্সপ্রেসওয়ে পাড় হয়ে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারে উঠবে। এসব যানবাহন মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের এক্সিটগুলোতে নামবে। সায়দাবাদ, যাত্রাবাড়ি, গুলিস্তান ও চানখারপুলে নামবে এসব যানবাহন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব এলাকায় এমনিতেই যানজট থাকে। তার ওপর সেতু চালু হলে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ বাড়বে। ফলে এখনই বিকল্প ভাবা দরকার।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) সূত্র জানায়, ঢাকা শহর ঘিরে ৮৮ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ বৃত্তাকার সড়ক পথ নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল। এর ফলে ঢাকার ভেতরে না ঢুকেও গাড়িগুলো বের হয়ে যেতে পারত। কিন্তু সেই প্রকল্প এখনো বাস্তবায়ন শুরু করা সম্ভব হয়নি।

এই বৃত্তাকার সড়ক পথ অনেক আগেই করার কথা ছিল। ২০০৪ সালে যানজট নিরসন মহাপরিকল্পনায় (এসটিপি) ছিল এই প্রস্তাব। ২০১৪ সালে সংশোধিত এসটিপিতেও (আরএসটিপি) ঢাকা ঘিরে তিনটি বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণের কথা আছে। কিন্তু সবকিছু এখনো পরিকল্পনাতেই রয়ে গেছে।

নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, আরএসটিপি অনুসারে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ করলে এই ভয়াবহ যানজট সৃষ্টির আশঙ্কা থাকত না। উদাহরণস্বরূপ তারা বলছেন, ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কের গাড়ি রাজধানীর ভেতর দিয়ে বাবুবাজার সেতু হয়ে মাওয়া যেত। কিন্তু সার্কুলার রোড থাকলে আবদুল্লাহপুর হয়ে বৃত্তাকার সড়ক দিয়ে মাওয়া চলে যেতে পারত গাড়িগুলো।

নগর পরিকল্পনাবিদদের নিয়ে গঠিত ইনস্টিটিউট ফর প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইপিডি) নির্বাহী পরিচালক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান ঢাকাপ্রকাশ-কে এ প্রসঙ্গে বলেন, ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত এলাকার ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা এখনই চূড়ান্ত করে ফেলা দরকার। না হলে এই সেতুকে কেন্দ্র করে যানবাহনের চাপ সামলানো মুশকিল হয়ে যাবে। চাপ সামলাতে প্রয়োজনীয় সড়ক অবকাঠামো নির্মাণ ও পরিবহণ পরিকল্পনার উপর জোর দিতে হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে ২১ জেলায় যাবে যানবাহন। তাছাড়া সেতু কেন্দ্র করে চলাচলও বাড়বে। সেতুর কারণে জেলাগুলোর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও বাড়বে। জেলায় নতুন নতুন শিল্প কারখানা গড়ে উঠবে। এই সেতু দিয়েই বাংলাদেশ ভবিষ্যতে এশিয়ান হাইওয়েতে যুক্ত হবে।

সেতু নির্মাণের ফলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়ন নিয়ে একটি প্রতিবেদন করেছে খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পদ্মা সেতুর কারণে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্রুততম হবে। ফলে এই যে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ তৈরি হবে সেই চাপ সামাল দিতে এখনই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করার তাগিদ নগর পরিকল্পনাবিদদের। না হলে যানজটে স্থবির হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে রাজধানী ঢাকার।
আরইউ/এএজেড

Header Ad
Header Ad

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল। ছবি: সংগৃহীত

চিকিৎসা সংক্রান্ত নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে সিঙ্গাপুরে গেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (৬ এপ্রিল) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি তার স্ত্রীসহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, “স্যার এবং ভাবী হেলথ চেকআপ করাতে সিঙ্গাপুর গেছেন। সেখানে একটি ক্লিনিকে কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করবেন। ইতোমধ্যে ডাক্তারদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ঠিক করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, বিএনপি মহাসচিবের এক সপ্তাহ পর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ও তার স্ত্রী।

Header Ad
Header Ad

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার উপদেষ্টা ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সাধারণ মানুষ। শনিবার (৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগালসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

আয়োজকদের দাবি, ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি এবং মাস্কের অতিরিক্ত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ।

ওয়াশিংটনের কানেটিকাট অ্যাভিনিউ ও ন্যাশনাল মল এলাকায় বৃষ্টির মধ্যেও হাজারো বিক্ষোভকারী প্ল্যাকার্ড হাতে জড়ো হন। ‘যুক্তরাষ্ট্রে কোনো রাজা নেই’, ‘মাস্ককে বিতাড়িত করুন’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখর ছিল রাজপথ। আয়োজকদের ধারণা, শুধু ওয়াশিংটনেই অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

ইউরোপের শহরগুলোতেও ছিল একই দৃশ্য। জার্মানির বার্লিনে টেসলার শোরুমের সামনে এবং ফ্রাঙ্কফুর্টে ‘হ্যান্ডস অফ’ ব্যানারে বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের পদত্যাগ দাবি করেন। তাদের হাতে ছিল ব্যানার: ‘গণতন্ত্র রক্ষা করুন’, ‘ট্রাম্প চলে যাও’। প্যারিসের প্যালেস দে লা রিপাবলিক এলাকায় মার্কিন অভিবাসীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়, যেখানে ‘আইনের শাসন চাই’, ‘অত্যাচারীকে প্রতিহত করুন’—এমন বার্তাবাহী প্ল্যাকার্ড বহন করা হয়।

লন্ডন, লিসবনসহ আরও বেশ কিছু শহরেও মাস্ক ও ট্রাম্প বিরোধী আন্দোলনের ঝড় উঠে। বার্লিনে “ইলন, তোমাকে কেউ ভোট দেয়নি”—এই স্লোগানটি মাস্কের অগণতান্ত্রিক প্রভাবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের মনোভাব স্পষ্ট করে তোলে।

বিশ্বব্যাপী এই বিক্ষোভ শুধু রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের পক্ষে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে প্রতিভাত হচ্ছে। আয়োজকরা বলেন, এখনকার বিশ্ব আগের চেয়ে অনেক বেশি আন্তঃসংযুক্ত—একটি দেশের নেতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়ে অন্য দেশেও। এই বিক্ষোভ তাই স্বৈরাচার ও অগণতান্ত্রিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিশ্বজাগরণের প্রতিচ্ছবি। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

Header Ad
Header Ad

চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিজিটিএন-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও গভীর এবং কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করতে চান তিনি। শনিবার (৫ এপ্রিল) চার মিনিটের সেই ভিডিও সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। এই সম্পর্ক শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং পুরো অঞ্চলের ভূমি পরিবেষ্টিত দেশগুলোর জন্যও উপকার বয়ে আনবে।” তিনি চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিল্প-কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের পথে রয়েছে, আর এ যাত্রায় চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নে চীনের ভূমিকা হতে পারে উল্লেখযোগ্য। “আমাদের অর্ধেক জনগণের বয়স ২৭ বছরের নিচে। এরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, এবং তাদের অর্থনৈতিক দক্ষতায় পরিণত করতে হবে,” বলেন তিনি।

তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে চীনের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বলেন, “বাংলাদেশ ও চীনের ৫০ বছরের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই সাফল্য আরও এগিয়ে নিতে সংস্কৃতি ও ভাষা চর্চার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।” তিনি বাংলাদেশে চাইনিজ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেন, যাতে বাংলাদেশের মানুষ চীনা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হতে পারে।

সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস স্বাস্থ্যসেবা খাতেও চীনের সহায়তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “চীনের স্বাস্থ্য প্রযুক্তি ও পরিষেবা থেকে বাংলাদেশ অনেক কিছু শিখতে পারে। দেশের সাধারণ মানুষ চীনের মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পেতে আগ্রহী।”

সাক্ষাৎকারের শেষভাগে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “শান্তিই একমাত্র সমাধান, যুদ্ধ কোনো পথ নয়। একটি টেকসই, শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার বিকল্প নেই।”

উল্লেখ্য, গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ ড. মুহাম্মদ ইউনূস দক্ষিণ চীনের হাইনান দ্বীপে আয়োজিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বেইজিং সফর করেন। এটি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল
বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা
চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা
রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায় হেফাজত, বিএনপির সঙ্গে একমত
চীনের পাল্টা শুল্কারোপে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উত্তেজনা
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ
পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস
বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক