শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

বিশেষ নিবন্ধ

অর্থপাচার রোধে যা যা করতে হবে

যে কোন দেশের অর্থপাচার সেই দেশের জন্য একটি মারাত্নক সমস্যা। আমরা দেখছি হাল নাগাদ প্রচুর অর্থ দেশ থেকে পাচার হয়ে গেছে। এটি অত্যন্ত দুশ্চিন্তার বিষয়। অর্থপাচারের দুটি দিক আছে। এই যে পাচারকৃত অর্থ এটা আসলে কোন দিক থেকে আসে? এটা অনার্জিত অথবা সুদ, ঘুষ, মানবপাচার, মাদক,নারীপাচার সহ সকল প্রকার বেআইনি ব্যবসা, এসবই হলো এর উৎস। এছাড়া দুর্নীতি, নানারকম অব্যবস্থাপনার ফলেও এই অপকর্মগুলি হচ্ছে। দ্বিতীয়ত যখন অর্থ বাংলাদেশ থেকে চলে যাচ্ছে তার প্রভাব কি পড়ছে আমাদের দেশের উপর? আমাদের আয় কম,আমাদের সঞ্চয় কম,বাইরের থেকে ধার দেনা করতে হয়। এর মধ্যে অর্থগুলো যদি বাইরে চলে যায়,আমাদের  বিনিয়োগ,কর্মসংস্থান,সবদিক থেকেই এটি একটা বিরাট ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যারা এই অর্থগুলো পাচার করছে এরা বিদেশে বিলাস বহুল জীবনের পাশাপাশি দেশেও কিন্তু একটা আমেজি আয়েশি জীবন যাপন করছে। অন্যদিকে যারা সত্যিকারের ব্যবসায়ী,যারা ব্যবসা করতে চায়,তারা কিন্তু এদের সাথে পেরে উঠে না এবং একসময় ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম ২০০৫সালে এন্টি মানি লন্ডারিং ডিপার্টমেন্ট খুলেছিল। তাদের কাজ ছিল এ বিষয়ে মনিটরিং করা, ব্যাংকের কাজগুলো সঠিকভাবে হচ্ছে কি না দেখা, অর্থ অন্যায়ভাবে বাইরে চলে যাচ্ছে কি না ইত্যাদি সহ বিষয়গুলো তদারকি করা। আমি মনে করি প্রকৃতপক্ষে সেই কাজটি  যথাযথভাবে হচ্ছেনা। তাছাড়া  অনিয়ম দেখা গেলে সেক্ষেত্রে সেটা দুর্নীতি দমন কমিশন ও সি.আই.ডির দায়িত্বে পড়ে। তারা তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপগুলো নেয়। এখানে আমি দেখেছি এরা বহু সময় নিয়ে, বলা যায় এরা অনেক বেশি কালক্ষেপণ করে এবং দায়সারা একটা তদন্ত রিপোর্ট দিয়ে দেয়। কখনো কখনো আমরা তা দেখতেও পাই না। তাছড়া বিষয়টি তখন দুর্নীতি দমন কমিশন এবং সি আই ডি র কাছে ন্যস্ত হয় বলে সেটি আর সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকের আওতাধীন থাকেনা। দায়িত্বটি তখন সরকার সহ বেশ কয়েকটি সংস্থার উপর বর্তায়।

আমরা জানি,বিভিন্ন দেশে অর্থ পাচার হচ্ছে। সুইজারল্যন্ড,মালয়েশিয়া সহ বিভিন্ন দেশে এসব অন্যায়গুলি হচ্ছে।এগুলো সনাক্ত করা খুব যে কঠিন তা কিন্তু না। এটা কমাতে হলে বাংলাদেশকে আরও অনেক বেশি  সাহসী পদক্ষেপ নিতে হবে। যেমন, তাদের ব্যাংক একাউন্ট জব্দ করা, ব্যক্তিগত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা সহ তাদেরকে কঠোরভাবে আইনের আওয়ায় নিয়ে আসতে হবে।

আমেরিকাতেও অর্থ পাচার হয়। কিন্তু ওদের ক্ষেত্রে আইন বেশ কড়াকড়ি। ভারতেও দুর্নীতি হয় কিন্তু ওরা খুব দ্রুত পদক্ষেপগুলি নেয়। যেমন,অপরাধীদের বিদেশ থেকে ফে্রত নিয়ে আসা। ওদের ওখানে কেস হচ্ছে। ওরা সুইজারল্যান্ডে যোগাযোগ করছে, ইংল্যান্ডে যোগাযোগ করছে,আমাদের দেশে আমি দেখি,একটা চিঠি দিচ্ছে তারপর সব চুপচাপ।কর্তৃপক্ষ বলছে,আমরা দেখবো,দেখছি,হবে তারপর সব কিছুই আড়ালে চলে যায়। এ ধরণের আপ্তবাক্য অর্থাৎ ধরাছোঁয়ার বাইরে কথাবার্তা যেগুলি প্রকৃতপক্ষে কোন কাজেই আসেনা।।দুই একটি কেস যদি দৃষ্টান্তমূলকভাবে ধরা যেত দুর্নীতিটা কিছুটা হলেও কমতো।

বাংলাদেশ এগমন্ট গ্রুপের সদস্য। বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলি এর সদস্য। এখানেও আমরা একেবারেই তৎপর নই। আমরা নেপাল,মালয়শিয়া,ফিলিপিনের সাথেও একটি চুক্তি করেছিলাম। অর্থপাচারের ক্ষেত্রে এরা আমাদের জানাবে,আমরা তাদের জানাবো এবং একইসাথে এর সমাধানে বিভিন্নরকম পদক্ষেপ নিব। সেগুলোও যথাযথভাবে কিছুই হচ্ছেনা।

অতএব আইনি পদক্ষেপ নেয়া, দেশে এবং বিদেশে বিশেষ করে এ ধরণের বেআইনি অর্থগুলি যেন না জেনারেট হয় সেদিকে নজরদারি বাড়ানো উচিত। কারণ এভাবে যদি অর্থ বাইরে যেতেই থাকে তাহলে এক্ষেত্রে অপরাধিরা আরো অনেক বেশি উৎসাহিত হবে।ফলে দুর্নীতি হতেই থাকবে।

এই অনার্জিত অর্থ দিয়ে এরা বাড়ি কিনে, ফ্ল্যাট কিনে, জমিজমা কিনে,সেগুলো রোধ করতে হবে।অর্থাৎ সুশাসনের দরকার আছে। স্ব স্ব ক্ষেত্রে জবাবদিহিতারও দরকার আছে। এই জবাবদিহিতা না থাকাতে, সঠিকভাবে আইনের শাসন না থাকাতে এবং এর পিছনে তদন্ত করে পদক্ষেপ নেয়া,সেগুলি সঠিকভাবে হচ্ছেনা দেখেই এরা নেতিবাচকভাবে উৎসাহিত হয়ে উঠছে। ফলে এটা দেশের জন্য ক্ষতির কারণ হচ্ছে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন শুধু বলবো না সার্বিক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ব্যাপকভাবে নষ্ট হচ্ছে। কিছুদিন পর পর এ সংক্রান্ত দুর্নীতিগুলি খবরের কাগজে উঠে আসে এবং পরিসংখ্যান অনুযায়ী এত অর্থ পাচার কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য না।

যে কোন মুল্যে দেশ থেকে এভাবে অর্থ পাচার রোধ করতেই হবে এবং এটা করা না গেলে দেশের ভাবমূর্তি যেমন নষ্ট হবে একইসাথে দেশের এগিয়ে যাওয়া অনেক বেশি কঠিন হবে। 

লেখক: বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর 

অনুলিখন: শেহনাজ পূর্ণা

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী