শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

দূষণ রোধে জনসংযোগ ও জনঅংশগ্রহণে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে

পরিবেশ বিষয়ে আমরা যত বড় ভুক্তভোগী পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধে আমরা ততটাই উদাসীন। আমাদের আইন প্রণয়ন থেকে শুরু করে সরকারি বিভিন্ন সংস্থা অনেক রকম প্রতিশ্রুতিসহ অনেক বড় বড় বুলি আওড়াচ্ছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আইনের প্রয়োগ ও গণসচেতনতা কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশ রক্ষার উদ্যোগ অথবা প্রতিরোধ গড়ে তোলার কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যাপারে আমাদের ততটাই অনীহা দেখা যায়। সেটি বায়ুদূষণ হোক, জলদূষণ হোক, বর্জ্যের মাধ্যমে নদী খাল জলাধার ভরাট করা হোক, উন্মুক্ত অবস্থায় সমস্ত নির্মাণ কার্যক্রম হোক কোনো বিষয়েই আমরা কোনো দায়িত্বশীলতার প্রমাণ দেখাতে পারিনি।

এসব কার্যক্রমের ক্ষেত্রে চরম অনীহা আমাদের চরম দুরাবস্থার কারণ, একইসঙ্গে চরম মাত্রায় দূষণের দিকে ফেলে দিয়েছে। যদি ব্যাপারটি এমন হতো যে, এটি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং সেটির কারণে আমরা ভুগছি, তাহলে এতটা আফসোস হয়ত থাকত না। বিষয় হচ্ছে, যেগুলি আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, সেগুলিতে আমাদের দুর্বলতা, অকার্যক্রম আইন প্রয়োগ, দুর্বল সাংগঠনিক ব্যবস্থাপনা এবং নির্বোধের মতোই অনেকক্ষেত্রেই আমাদের অনীহা। পুরো বিষয়টির একটি বড় ফাঁক হলো, জনসচেতনতা ও জনঅংশগ্রহণে বিনিয়োগ না করা। সরকার বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে এগুলি করতে চায়। জনবিমুখ ও জনবিচ্ছিন্ন সংগঠনগুলো কোনো কাজেই আসে না। এ বিষয়ে সবকিছু জানা সত্ত্বেও জনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের বিষয়ে সরকার বিমুখ। সবকিছু মিলিয়ে এটি একটি আত্মঘাতী প্রচেষ্টা। এর পরিণতি ৩২ থেকে ৩৬ শতাংশ বা ৫০ শতাংশ হতে পারে। এর মধ্যে মৃত্যুগুলো সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে হয়। এই মৃত্যুর ক্ষেত্রে নারী মৃত্যু, শিশু মৃত্যু এবং কর্মক্ষম মানুষের অক্ষম হয়ে যাওয়া এগুলো কিন্তু ধনী মানুষের হচ্ছে না। তারা চিকিৎসার জন্য বিদেশ চলে যায়। ফলে তারাও এই পুরো বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে ততটাই অমনোযোগী।

আমি মনে করি, রাজনৈতিকভাবে এটি মোকাবিলা করা প্রয়োজন। পরিবেশ রাজনীতি একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থা তৈরি করবে বলে আমি বিশ্বাস করতে চাই। সত্যিকার অর্থেই জনমানুষ, জনসংযোগ একইসঙ্গে জনদুর্ভোগ মোকাবিলায় আর কোনো পথ আছে বলে আমার জানা নেই। পুরো বিষয়টিই রাজনৈতিক কঠোর সদিচ্ছা ছাড়া ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব নয়। আমরা জানি পদক্ষেপগুলো সমীক্ষানির্ভর, তাই একধরনের মূল্যায়ন জরুরি। সেই মূল্যায়নের জন্য সরকারের ইঞ্জিনগুলোও কার্যকর নয়। এমনকি আইনগতভাবেও সক্ষমতা নেই। এ বিষয়ে সাবের হোসেন চৌধুরী আইনি কাঠামোর উন্নয়ন সংস্কারের চেষ্টা হিসেবে উদ্যোগ নিয়েও তিনি সেই আইনটি পাস করতে পারেনি।

একইরকমভাবে নদী কমিশন তৈরি করেও তাদের ঠুঁটো জগন্নাথ বানিয়ে রাখা হয়েছে। তারা শুধু সুপারিশ করতে পারে কিন্তু কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে না। এই ধরনের কাঠামো দিয়ে অর্থাৎ এই ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি দিয়ে আমরা মনে করি না ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব। অতএব রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বুলি আওড়ানোর দিন শেষ। কাজেই পদক্ষেপনির্ভর সমীক্ষার মধ্য দিয়েই তাদের এগোনো আমাদের কাছে প্রত্যাশিত। অর্থাৎ আইনি কাঠামো সুদৃঢ়করণ, স্থানীয় সরকার যেন এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনার অধীনে ব্যাপক কাঠামো বিষয়ে ইতোমধ্যে একটি আইন সরকারের আওতাধীন আছে। নদী কমিশনের বিষয়ে আমাদের অনেকদিনের আশা যে, শুধুমাত্র সুপারিশ নয়, উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এই বিষয়গুলি আমলে নিয়ে এ বিষয়ে যত্নশীল হলেই কেবল বিরাট একটি উত্তরণের পথ দেখা যেতে পারে।

লেখক: নগর পরিকল্পনাবিদ ও স্থপতি।

এসএন

 

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী